Mobile Servising Tutorial
প্রথমেই আমরা পরিচিত হব যে সকল যন্ত্র-পাতি দিয়ে কাজ করব।মোবাইল রিপিয়ার(মেরামত)করতে যে সকল যন্ত্র-পাতি লাগে তার মাঝে উল্লেখ করা যাই-
মোবাইল টুল বক্স,
হটগান,
এভোমিটার,
পাওয়ার সাপ্লাই,
কুইক চার্জার,
একটি টেবিল লেম্প(মেগ্নিফ্লাইং গ্লাস সহ),
লিড কয়েল,
রজন,
মেজিক তার,
থিনার,
সোল্ডারিং পেস্ট,
একটি টুথ ব্রাশ,
হিট বক্স ইত্যাদি।
মোবাইল টুল বক্স :মোবাইল টুল বক্স এ সাধারনত যা থাকে-
একটি T6
একটি T4
একটি star
একটি মাইনাস
দুইটা টুইজার
একটি নুস প্লাস
একটি কাটিং প্লাস ইত্যাদি।
চিত্র মোবাইল টুল বক্স-
হট গান :সোল্ডারিং ওইয়ার,তাতাল।
মোবাইল টুল বক্স এ যে সকল টুলসের পরিচয় করিয়ে দিলাম,তার কাজ হচ্ছে মোবাইলকে খুলা ও ফিটিং করা।আর হটগান এর কাজ হচ্ছে মোবাইলের আইসি উঠানো-বসানো,সোল্ডারিং,ঝালাই করা ইত্যাদি।
চিত্র হট গান-
কারেন্টঃ
মোবাইলের কাজ করতে আমাদের কারেন্ট ব্যবহার করতে হবে,তাই এ কারেন্ট সম্পর্কে আপনাদের ছোট একটা ধারণা দেয়।কারেন্ট মূলত দুই প্রকার-
AC-AC হচ্ছে Alternative Current.যে কারেন্ট বা বিদ্যুত চলার সময় তার গতিপথ পরির্বতন করে চলে তাকে এসি কারেন্ট বলে।
DC-DC হচ্ছে Direct Current.যে কারেন্ট বা বিদ্যুত চলার সময় তার গতিপথ পরিবর্তন
করেনা(এক মুখি হয়ে চলে)তাকে ডিসি কারেন্ট বলে।
মোবাইল সেটে যদি পাওয়ার না আসে তাহলে প্রথমেই চেক করব ব্যাটারি।
মোবাইলে চার্জ দেয়ার সময় ব্যাটারি বার ফুল দেখায়,কিন্তু চার্জার খুলে ফেললে ব্যাটারি বার খালি দেখায় তাহলে বুঝতে হবে চার্জিং আইসি খারাপ।
মোবাইলে চার্জ দেয়ার সময় যদি চার্জ হতে সমস্যা করে,চার্জ এক বার হয় আবার হয়না তাহলে প্রথমে চার্জার ঠিক আছে কিনা দেখব।
আপনাদের কমেন্টেই বলে দিবে আমি এই বিষয়ে সামনে টিউন করব কি না ।
ধন্যবাদ সবাইকে ।
18/09/2015
জুম্মার দিনের ফজিলত
আসসালামু আলাইকুম । কেমন আছেন সবাই ? আজ শুক্রবার । আমরা শুক্রবারের কথা চিন্তা করলেই আমাদের চোখে ভেসে উঠে একটি অলস ছুটির দিন, দেরি করে ঘুম থেকে উঠা, আলসেমি আর অখণ্ড অবসর। সারা সপ্তাহ জুড়ে কাজের শেষে আজ ছুটির দিন ! স্কুল নেই, অফিস নেই, নেই কোনো ছকে বাঁধা কাজের তাড়া ! শুক্রবার মানেই হৈ হুল্লোড়, ঘুরে বেড়ানো,সিনেমা দেখা, খেলা দেখা অথবা বন্ধু পরিবারের সাথে সময়টাকে উপভোগ করা, অথবা কিছুই না করে বিশাল এক ঘুম দেয়া ! ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটির বিশেষ তাৎপর্য ও গুরুত্ব আমরা অনেকেই জানি না ! শুক্রবার মুসলমানদের জন্য একটি গুরুত্ব পূর্ণ দিন।অনেকেরই জানা নেই যে শুক্রবার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামে শুক্রবারের দিনটি অনেক বরকতময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনে প্রথম মানুষ হযরত আদম(আ) কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে তাকে বেহেশতে স্থান দেয়া হয়েছে, এই দিনেই তিনি পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং সপ্তাহের সাতটি দিনের মাঝে শুক্রবারই সে দিন যেদিন তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন। শুক্রবার দু’আ কবুলেরও দিন,তবে দুয়ায় নিষিদ্ধ কিছু চাওয়া যাবে না।এই দিনেই সংঘটিত হবে কিয়ামত। আল্লাহ শুক্রবারকে অন্যান্য দিনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।রাসুলুল্লাহ(স) দিনটির এরকম আরো কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। হযরত আবু হুরায়রা(রা) এবং হুযাইফা(রা) থেকে বর্ণিত : রাসুলুল্লাহ(স) বলেন : “আমাদের পূর্বে যারা এসেছিলেন আল্লাহ তাদেরকে শুক্রবার থেকে দূরে রেখেছিলেন।ইহুদীদের ছিল শনিবার এবং খ্রিস্টানদের ছিল রবিবার।অতঃপর আল্লাহ আমাদেরকে শুক্রবারের ব্যাপারে জ্ঞান দিলেন।তাই শুক্রবার, শনিবার, রবিবার যেভাবে ক্রমানুসারে আসে, হাশরের দিনেও তারা আমাদের অনুসরণ করবে।আমরা এই পৃথিবীর সর্বশেষ উম্মত কিন্তু হাশরেরে দিন আমরা সবার অগ্রে থাকব এবং আমাদের বিচার কার্যও অন্য সবার পূর্বে হবে।” (মুসলিম) আউস ইবন আউস (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স) বলেন, “তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম শুক্রবার। এই দিনে আদম (আ)কে সৃষ্টি করা হয়েছিল; এই দিনেই তিনি মারা যান, এই দিনেই শিঙ্গায় ফু (কেয়ামত) হবে এবং সকল সৃষ্টিকূল ধ্বংশ হয়ে যাবে । কাজেই বেশি করে আমার নামে দরুদ পেশ কর এই দিনে, কারণ তোমাদের পেশকৃত দরুদ আমার কাছে দেখানো হবে।” তারা বললেন ,”ইয়া রাসুলুল্লাহ(স) যখন আপনি ধূলার সাথে মিশে যাবেন তখন কিভাবে আমাদের দরুদ আপনার কাছে পেশ করা হবে ?” প্রিয় নবীজী রাসুলুল্লাহ মুহাম্মদ(স) জবাবে বলেন, “আল্লাহ মাটিকে নিষেধ করেছেন নবীদের দেহ ভক্ষণ না করতে, তাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক” (আবু দাউদ, সুনান আবু দাউদ ৪/২৭৩) . আবু লুবাবাহ ইবন আল-মুনধির হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(স) বলেন, “শুক্রবার সব দিনের সেরা,এবং আল্লাহর কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ।ঈদুল আজহা এবং ঈদুল ফিতরের চেয়েও এই দিন আল্লাহর কাছে মহান।” এই দিন আল্লাহ আদম(আ) কে সৃষ্টি করেন, এই দিনেই পৃথিবীতে প্রেরণ করেন, এই দিনেই তিনি মারা যান, এই দিনে এমন একটি সময় আছে যখন কেউ আল্লাহর কাছে যা চায় , আল্লাহ তাকে তাই দেন, যতক্ষণ না হারাম কিছু চাওয়া হয়, এই দিনেই হবে কেয়ামত। এমন কোন ফেরেশতা নেই, নেই কোন আসমান, নেই কোন যমীন, নেই কোন পর্বত আর নেই কোন সাগর যে কিনা শুক্রবারের দিনটিকে ভয় করে না। ” (ইবন মাজাহ : ১০৮৪). বুখারী ও মুসলিম হতে বর্ণিত আছে, শুক্রবারের দিনটিতে এমন একটি নিদৃষ্ট সময় আছে যখন আমরা আল্লাহ তায়ালার কাছে যাই চাই না কেন আল্লাহ তা কবুল করেন যতক্ষণ পর্যন্ত না এমন কিছু চাওয়া হয় যা ইসলামে নিষিদ্ধ। এখানে হাদীসটি উল্লেখ করা হল, আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স) জুমার দিনের ফযিলত সম্পর্কে বলেন, ” শুক্রবারে এমন একটি ক্ষণ আছে যখন একজন মুসলিম, সে নামাজ আদায় করেছে এবং দুয়া করেছে, সেই দুয়া কবুল করা হয়ে থাকে”. তিনি(স) তাঁর হাতের দ্বারা ইশারা করে বোঝান যে, তা খুব অল্প একটি সময় । (বুখারি ও মুসলিম).শুক্রবারের আরেকটি ফযিলত হল জুমার নামায।এর গুরুত্ব এতই অধিক যে , পবিত্র কুরআনে আল-জুমুয়াহ নামে একটি পূর্ণ সুরা রয়েছে । আল্লাহ তায়ালা কুরআনে জুমার দিনের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেন, “মুমিনগণ, জুমআর দিনে যখন নামাজের আযান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের পানে তাড়াতাড়ি করো এবং বেচাকেনা বন্ধ কর । এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ ।” (আল-জুমুয়াহ ৬২:৯). এটি এমন একটি দিন যেদিন আল্লাহ তায়ালা, পরম করুনাময় আমাদের সগীরা(ছোট) গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিয়ে থাকেন, শুধুমাত্র ঐ দিনেরই নয় বরং পুরো সপ্তাহের এবং সাথে অতিরিক্ত আরো তিন দিনের। সহীহ মুসলিমের হাদীসটি বর্ণিত হল : আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(স) বলেন, যদি কেউ যথাযথভাবে ওযু (পবিত্রতা অর্জন) করল, এরপর জুমার নামাযে আসলো, মনোযোগের সাথে খুতবা শুনলো এবং নীরবতা পালন করে, তার ঐ শ
17/09/2015
মানুষের জীবন একটাই। এক জীবনে কখনওই ১০০ টি ল্যাবর ছ্যাবর জিনিস প্রত্যাশা না করে ১০ টি গর্জিয়াস জিনিস প্রত্যাশা করুন, দেখবেন নিজেকে সবচেয়ে বেশি সুখী মনে হবে। হয়তো ভাবতে পারেন টাকার গরম থাকলে জীবনকে সুখী করাটা খুব সহজ হয়। কথাটা যেমন চরম সত্যি, তেমন চরম ভুল। আপনার মানসিকতাই বলে দেবে আপনি কতখানি সুখী হবেন, আপনি কতখানি উন্নতি করবেন, তা হোক টাকা থাকলে বা না থাকলে। মনে রাখবেন, রাজার সুখ আর ফকিরের সুখ, পাল্লায় কিন্তু দুজনেই সমান......।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Bahobal
Habiganj