Lucky Rani
Hi, I’m Lucky Rani! 🌼
I create daily lifestyle and family vlogs with nature and travel vibes.
26/03/2026
সৃষ্টিকর্তার লীলা সত্যিই বড়ই অদ্ভুত…
এই পৃথিবীতে কখনো কাউকে এতটা ভালোবেসে ফেলি, মনে হয়—তাকে ছাড়া একটা মুহূর্তও বাঁচা অসম্ভব। তার হাসি, তার কথা, তার উপস্থিতি—সবকিছু যেন আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে মিশে যায়। মনে হয়, এই মানুষটাই আমার সব, এই মানুষটাই আমার পৃথিবী।
কিন্তু সময়… সময় বড় নির্দয় আবার বড়ই দয়ালু।
এক সপ্তাহ, হয়তো তারও কম সময়ে—যে মানুষটাকে ছাড়া বাঁচার কথা ভাবতেই পারতাম না, ধীরে ধীরে তাকে ভুলে গিয়ে আমরা আবার স্বাভাবিক হয়ে যাই। সেই কষ্ট, সেই কান্না, সেই অস্থিরতা—সব যেন সময়ের স্রোতে কোথায় হারিয়ে যায়।
তখন মনে হয়, আসলে মানুষ নয়—সময়ের সাথেই আমরা বেঁচে থাকি।
সৃষ্টিকর্তা এমনভাবেই আমাদের মনকে গড়ে দিয়েছেন, যাতে সবচেয়ে গভীর ভালোবাসাও একসময় স্মৃতিতে পরিণত হয়, আর সবচেয়ে তীব্র কষ্টও ধীরে ধীরে সহনীয় হয়ে যায়।
হয়তো এটাই জীবনের সবচেয়ে বড় রহস্য—
যেখানে ভালোবাসা থাকে, কষ্ট থাকে, আবার সবকিছুর পরেও বেঁচে থাকার শক্তিটাও থেকে যায়
25/03/2026
কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে, রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে, একটি নতুন দিনের পথ চলা শুরু। ঈশ্বর এই নতুন দিনে আমাদের সবার পথ সহজ এবং আনন্দময় করুন।
শুভ সকাল! 🚂🌸
মেলাতে গিয়ে সবাইকে লাভনীয় আচার খেতে দেখে নিজে ও খেলাম
22/03/2026
শশা চুরি করে খাচ্ছি, কেউ কাউকে বইলেন না কিন্তু,
21/03/2026
❤️❤️❤️❤️❤️ দুই মহারথী ❤️❤️❤️❤️❤️
একজন গুরু, আরেকজন শিষ্য ! 😄
তাদের কাণ্ডকারখানা নিয়ে যদি কেউ বই লিখতে বসে, মনে হয় ১০ খণ্ডেও শেষ হবে না!
গুরু মানে আমাদের ছোট্ট বীর পৌষাণ— বয়স সাড়ে তিন। আর শিষ্য মানে মিষ্টি দুষ্টু রিৎসীকা— বয়স তিন। কিন্তু দুষ্টুমির দিক দিয়ে বয়সে ছোট হলেও শিষ্য কিন্তু একদম টপ-লেভেলের প্রতিযোগী! 😆
গুরু যদি একটা “আকাম” শুরু করে, শিষ্য সেটাকে শুধু ফলো করে না— ওই কাজটাকে আপডেট করে ডাবল ভার্সনে নিয়ে যায়! গুরু একটা খেলনা নিলেই হলো— শিষ্য এর চোখে সেটা তখন পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় আর প্রয়োজনীয় জিনিস!
আর শিষ্য যদি সেটা না পায়, তাহলে শুরু হবে “কান্নাকাটি মাটিতে গড়াগড়ি আরো কত অভিনয় ”— পুরস্কার পাওয়ার মতো অভিনয়! 😂
মজার ব্যাপার হলো, গুরু মাঝে মাঝে বড় ভাইসুলভ হয়ে একটু স্যাক্রিফাইস করতে চায়—
“নাও, বনু তুমি খেলো…”
কিন্তু শিষ্য ?
“না! এটা তো আমারই লাগবে, সে সেক্রিফাইস করতে নারাজ !” — একদম দৃঢ় সিদ্ধান্ত! 😄
এই দেখবেন— একটু আগেই দুজন গলাগলি করে আদর করছে, যেন পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো বন্ধু!
আর চোখের পলকেই,
মনে হবে যেন মহাভারতের যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে গুরু শিষ্যর মধ্যে ! 😆
কিন্তু এই ঝগড়া, এই কান্না— সবই ক্ষণিকের।
কারণ কেউ যদি এক মুহূর্তের জন্যও চোখের আড়ালে চলে যায়, তখনই আরেকজনের চোখে খুঁজে ফেরে—
“ও কোথায় গেল?”
এটাই তো আসল ভালোবাসা—
ঝগড়ার মধ্যেও টান, অভিমানেও লুকানো আদর।
এই দুই ছোট্ট মানুষের গল্প আসলে শুধু দুষ্টুমি না—
এটা শৈশবের সবচেয়ে মধুর ছবি, যেখানে হাসি, কান্না, ঝগড়া আর ভালোবাসা সব একসাথে মিশে থাকে।
শেষ কথা একটাই—
গুরু আর শিষ্য বড় হয়ে হয়তো এই ছোট ছোট যুদ্ধগুলো ভুলে যাবে,
কিন্তু এই মুহূর্তগুলো…
এই দুষ্টুমি, এই আদর—
এগুলোই একদিন হয়ে থাকবে তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি। ❤️
#মহাভারত #ভালোবাসা #গুরুশীর্ষ
মধুর শৈশব, যা একবার চলে গেলে আর ফিরে আসে না
17/03/2026
ফুলের রানী
বাড়ির পাশে পুকুরটি শুখিয়ে গেছে, এখন পুলাপাইন ক্রিকেট খেলছে
13/03/2026
***নিজের সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম ***
কয়েকদিন আগে স্বামীর অফিস ট্যুরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে শুধু অফিসের আনুষ্ঠানিকতা নয়, ছিলো আনন্দ, মিলনমেলা আর একসাথে সময় কাটানোর অসাধারণ আয়োজন।
খাওয়া-দাওয়া, ঘুরাঘুরি, বিভিন্ন খেলা প্রতিযোগিতা—সবকিছুই ছিলো দারুণভাবে সাজানো। সন্ধ্যা নামার পর মাঠে আগুন জ্বালিয়ে শুরু হলো অন্যরকম একটা মুহূর্ত। বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের কর্মীরা কুপনের কাগজ ধরে অভিনয় করছিলেন, কেউ গান গাইলেন, কেউ হাসির গল্প বললেন। আকাশে উড়লো ডুন, হলো লটারি ড্র, আর শেষে দেওয়া হলো বিভিন্ন পুরস্কার।
সবচেয়ে বেশি অবাক হলাম যখন দেখলাম—যাদের কর্মজীবন সবচেয়ে দীর্ঘ, তাদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
সেখানে একজন কর্মীর কর্মজীবন ছিলো প্রায় ২৫ বছর। শুধু তিনি নন, আরও অনেকেই আছেন যারা এক জায়গায় এত দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।
আমি সত্যিই অবাক হয়ে ভাবছিলাম—
প্রাইভেট সেক্টরে একজন মানুষ কিভাবে একই অফিসে এত বছর কাজ করে যেতে পারেন?
কারণ বর্তমান সময়ে আমরা যারা প্রাইভেট চাকরি করি, আমাদের কাছে বিষয়টা প্রায় অবিশ্বাস্য। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন বর্তমান প্রজন্মের কর্মীও বলছিলেন—
“আমরা তো এক অফিসে দুই বছরের বেশি কাজ করার কথা ভাবতেই পারি না।”
সময়ের সাথে সাথে মানুষের মানসিকতাও বদলে গেছে।
আগের প্রজন্মের মানুষগুলো ছিলো অনেক বেশি ধৈর্যশীল, স্থির, এবং দায়িত্ববোধে ভরা। তারা এক জায়গাকে নিজের জায়গা ভেবে আঁকড়ে ধরে রাখতেন।
আর বর্তমান প্রজন্ম?
তারা প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে, নতুন সুযোগ খুঁজতে সাহসী, নিজের অবস্থান নিজেই তৈরি করতে চায়। তাই তারা সহজে এক জায়গায় দীর্ঘদিন আটকে থাকতে চায় না।
তবে সত্যি কথা বলতে কী—
যে মানুষগুলো ২০-২৫ বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে গেছেন, তারা শুধু চাকরি করেননি…
তারা সেই প্রতিষ্ঠানকে নিজের জীবনের একটা বড় অংশ দিয়ে গেছেন।
আজকের দ্রুত বদলে যাওয়া পৃথিবীতে হয়তো এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যাবে।
কিন্তু সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছিল—
একটা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস শুধু তার ভবন বা নাম দিয়ে তৈরি হয় না, তৈরি হয় সেই মানুষগুলোর ধৈর্য, পরিশ্রম আর দীর্ঘ পথচলায়।
13/03/2026
খুলনার সড়কে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে। যে যাত্রা শুরু হয়েছিল বিয়ের আনন্দ, নতুন সম্পর্কের বন্ধন আর পরিবারের হাসি-খুশি মুহূর্ত নিয়ে—সেই যাত্রাই মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হলো এক গভীর শোকে ভরা গল্পে।
বাগেরহাটের মোংলা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক তার ছেলের বিয়ে শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। গাড়ির ভেতরে ছিল আনন্দ, হাসি, ভবিষ্যতের স্বপ্ন আর নতুন জীবনের আশায় ভরা কথোপকথন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সবকিছু থামিয়ে দিল।
নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২টি প্রাণ একসাথে ঝরে গেল। বর-কনে, বাবা, ভাই—এভাবে একটি পরিবারের বহু সদস্য একসাথে হারিয়ে যাওয়ার এই বেদনাদায়ক ঘটনা শুধু তাদের স্বজনদের নয়, পুরো দেশবাসীর হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করে দিয়েছে।
যে গাড়িতে কিছুক্ষণ আগেও ছিল বিয়ের আনন্দ, গান, হাসি আর নতুন জীবনের স্বপ্ন—সেই গাড়িই মুহূর্তের মধ্যে হয়ে গেল বিদায়ের বাহন। এমন ট্র্যাজেডি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। একটি পরিবারের আলো একসাথে নিভে যাওয়ার এই ঘটনা আমাদের সবাইকে শোকাহত করে।সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত সকলকে স্বর্গবাসি করেন। তাদের পরিবার ও স্বজনদের এই অসীম শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন। আর আমাদের সবাইকে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের মূল্য বোঝার ক্ষমতা দান করুন।
#দোয়া_করুন
ুর্ঘটনা
#স্বর্গবাসী
#খুলনা
#বাগেরহাট
#বাংলাদেশ
10/03/2026
জীবনের যুদ্ধে কখনো আমি খুব বেশি নীরব হয়ে যাই।
চারপাশে অনেক মানুষ থাকে, পরিচিত মুখ থাকে, কথা বলার মতো মানুষও থাকে—তবুও মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যেন ভীষণ একা।
সবাই পাশে আছে, তবুও কোথাও যেন একটা শূন্যতা থেকে যায়।
মনে হয় আমার না বলা কথাগুলো কেউ শোনে না, আমার ভেতরের ক্লান্তিটা কেউ দেখে না। তাই অনেক সময় শব্দের বদলে নীরবতাকেই সঙ্গী করে নিই।
জীবন আসলে এক অদ্ভুত যুদ্ধ—এখানে সবাই নিজের লড়াইটা নিজেকেই লড়তে হয়।
কেউ হয়তো পাশে দাঁড়িয়ে সাহস দেয়, কিন্তু ভেতরের অনুভূতিগুলোর ভারটা শেষ পর্যন্ত নিজেকেই বহন করতে হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.