Sim Bonus Offer
Bangladeshi All Mobile New Sim Offer Price Update Call Rates Grameenphone Banglalink Airtel Bd Teletalk Robi
05/02/2026
যে ৫টা কারণে তারেক রহমান ডিবেট করবে না
উন্নত গণতান্ত্রিক পরিবেশে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিতর্ক একদম স্বাভাবিক—যেমন যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প মুখোমুখি হয়েছিলেন। আমাদের ব্রিটিশ রাজনীতিতেও কেয়র স্টারমার ও ঋষি সুনাকের বিতর্ক দেখেছি। এসব টেলিভিশনের পর্দায় তুলে ধরা হয়, যাতে জনগণ নীতিগুলো বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এটি গণতন্ত্র ও জনস্বার্থের জন্য ইতিবাচক। প্রথমে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল জামায়াত—তাঁরা আহ্বান করেছিল: আসুন, আমরা খোলা বিতর্ক করি, কার নীতি কী! কী দারুণ আহ্বান! কিন্তু এই আহ্বান তারেক রহমান গ্রহণ করলেন না। কারণ, তিনি ভয় পান।
তিনি যে ভয় পান, তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ—১০০% সত্য, যাচাই করতে পারেন। আল জাজিরা দুই মাস ধরে তারেক রহমানের সাক্ষাৎকারের চেষ্টা করেছে, তিনিও সাক্ষাৎকার দেননি। অথচ সজীব ওয়াজেদ জয় মাত্র ১০ দিনে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, এমনকি ড. শফিকুর রহমানও দিয়েছেন। কিন্তু তারেক রহমান দেননি। কারণ, তিনি জানেন কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হলে সত্য বলার সাহস তার নেই।
আল জাজিরা যেহেতু ইংরেজি সাক্ষাৎকার নেয়, আর তিনি ইংরেজিতে অনভ্যস্ত, তাই তিনি সাক্ষাৎকার এড়িয়ে গেছেন।
ভাবুন, যদি তারেক রহমান ডিবেটে আসেন, আর মডারেটর প্রশ্ন করেন: “আপনি বলেছিলেন ৪ কোটি মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেবেন, যা মাসে ২৫০০ টাকা করে। তাহলে বছরে ৪ কোটি পরিবারে খরচ হবে ১ লাখ কোটি টাকা। আমাদের বাজেট তো ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, এর ১২% যদি এখানে চলে যায়, বাকি দেশ চলবে কীভাবে?”—তখন তিনি কী উত্তর দেবেন? এটাই তার ভয়, আর এ কারণেই তিনি ডিবেটে আসতে চান না।
বিএনপির পক্ষ থেকে শোনা যায়, শফিকুর রহমানের কী যোগ্যতা যে তারেক রহমানের সাথে ডিবেট করবেন! কেন তারেক রহমান “বয়স্ক শকুনের” সাথে ডিবেট করবেন! কিন্তু আসল সত্য, সাহস থাকলে তো আসতেন! কে কার সাথে ডিবেট করতে পারবে, তা তো ময়দানে প্রমাণ হয়।
যদি বিএনপি নেতারা বলেন, শফিকুর রহমান অযোগ্য, ভাবুন তো, উনি সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, অসংখ্য ডাক্তার সেখান থেকে বেরিয়েছেন। উনার স্ত্রী ডাক্তার, সন্তানরা উচ্চশিক্ষিত, আর উনি এমন এক দলের নেতা, যাঁর এক নির্দেশে শত শত নেতা মনোনয়য় প্রত্যাহার করে মাঠে নেমেছে।
আর তারেক রহমানের পক্ষে দাঁড়ানো ৮৯ জন বিদ্রোহী! বুঝতেই পারছেন, শফিকুর রহমানের নেতৃত্ব ও যোগ্যতা কতটা দৃঢ়।
TIB-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৭ মাসে ৬০০টা সহিংস ঘটনা, যার মধ্যে ৫৫০টা বিএনপির! অথচ, তারা বলে ১৭ বছর ধরে ৩০ লাখ নির্যাতিত! এ দলের চেয়ারপার্সন তারেক রহমান, যাঁর আদেশ কেউ শোনে না! যদি শোনার মতো নেতৃত্ব থাকতো, তাহলে এমন হতো?
তারেক রহমানের নিজস্ব যোগ্যতা কী? তিনি ইন্টার পাশ। বিশাল রাজনৈতিক পরিবারে থেকেও আর পড়াশোনা এগোয়নি। লন্ডনে ১৭ বছর অ্যাসাইলাম থাকা অবস্থায় বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ থাকলেও, তিনি একটি ডিগ্রিও নেননি। ভাবুন, শিক্ষাকে কতটা এড়িয়ে চলেছেন, কতটা দূরে থেকেছেন!
সবশেষে, আমাদের দরকার বড়ো মনের রাজনৈতিক শিষ্টাচার। প্রতিটি পক্ষের মাঝে সম্মান ও স্বাধীন মত প্রকাশ বজায় রাখতে হলে, এই দুই নেতার মুখোমুখি হওয়া জরুরি। আমরা আশা করি, তাঁরা সামনে আসবেন, জাতিকে দেখাবেন যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা সত্ত্বেও, আমরা সবাই মিলে একসাথে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ব!
আসিফ মাহমুদ একটা চমৎকার কথা বলছে!
মানে "ঋণ খেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের যেকোনো উপায়ে সংবিধান ও আরপিও লঙ্ঘন করে বৈধতা দেওয়া হলে আমরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবো।"
এখন প্রশ্ন হইলো ,ঋণ খেলাপি জিনিসটা কি?
দ্বৈত নাগরিকত্ব কি?
এগুলোতে জড়িত কেউ এমপি বা মন্ত্রী হলে আমাদের কি সমস্যা?
দেখেন, ঋণ খেলাপি জিনিসটা সবচেয়ে ডেঞ্জারাস!
সুজা কথায় ঋণ খেলাপি মানে ব্যাংক ডাকাতি! বৈধ ডাকাত!
মানে নেতা কিংবা বড় ব্যবসায়ীরা আপনার আমার আমানতের টাকা ঋণ নেয় কিন্তু সেটা সঠিক সময়ে পরিশোধ করে না এমনকি পরিশোধ না করে আরো ঋণ নেয়।
অনেকে একেবারেই পরিশোধ করে না।
আবার কেউ কেউ ব্যাংক থেকে টাকা নিয়া সরাসরি বিদেশে পাচার করে দেয়।
তো জনগণের কি সমস্যা?
প্রথমত ব্যাংকগুলো খালি হয়ে যায়।
*সরকার বাধ্য হয়ে ব্যাংকগুলোরে টাকা দেয়, সেই টাকাটা নেয় আপনার আমার টেক্স বাড়িয়ে দিয়ে।
*টেক্স বাড়ানো মানে সব জিনিসের দাম অটোমেটিক বেড়ে যাওয়া।
*গরিব মানুষরা ঋণ পায় না, কারণ ব্যাংকে টাকা নাই।
মোট কথা সাধারণ মানুষ দ্বিগুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
*আর এদিকে নেতারা ক্ষমতার জোরে ব্যাংকরে সবসময় একটা ধমকের উপ্রে রাখে।
এবার আসেন ,দ্বৈত নাগরিকত্ব!
মানে সে বাংলাদেশ এবং অন্য একটা দেশেরও নাগরিক। ভিসা ছাড়াই দুই দেশে সবসময় আসা যাওয়া করতে পারে।
ধরেন, দেশে যুদ্ধ কিংবা দুর্ভিক্ষ চলে!
তখন সেই জনপ্রতিনিধি বিপদে আপনার আমার পাশে থাকবে না।
মানুষের উপর জুলুম করে হুট করে ঐ দেশে পালিয়ে যাবে।
কোটি কোটি টাকা পাচার করে ঐ যে ভূমিমন্ত্রীর মতো ৩৫০ টা বাড়িও করে ফেলতে পারে।
দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য মায়াদয়া নাও থাকতে পারে।
কারণ তার মাথায় দেশের আগে থাকবে উন্নত দেশের চিন্তা।
তারপর মামলা দিয়া কিছুই করতে পারবেন না।
কারণ অপরাধ করে ঐ দেশে চলে যাবে।
আরো বহু জিনিস আছে।
আপনারা কি মনে করেন, যারা ঋণ খেলাপির সাথে জড়িত। আর যাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে তারা কখনো বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল?
কখনোই না।
এমুহূর্তে ২০ এর উপরে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়া নমিনেশন নিছে।
অনেকে ঋণ খেলাপির সাথে জড়িত।
যদি নির্বাচন কমিশন তাদের নমিনেশন বৈধতা দেয় আর তাদের এমপি ,মন্ত্রী হতে সুযোগ দেয় তাহলে এটা হবে জনগণের সাথে সবচেয়ে বড় প্রতারণা।
তবে হাসনাত আব্দুল্লাহ সেরা একটা গেইম খেলছে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ বারের এমপি ঋণ খেলাপির সাথে জড়িত বিএনপির প্রার্থী মোটামুটি কনফার্ম তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
মানে ভোটের মাঠে নামার আগেই সিস্টেমে খেলে দিতে চাইছে। সেরা পলিটিক্সটাই করছে।
হয়তো হাসনাত সফল হবে।
সারাদেশে এমন প্রার্থী অনেক কিন্তু দুঃখের বিষয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের এ বিষয়ে জ্ঞান না থাকা কিংবা শক্ত অবস্থান না থাকার কারণে হয়তো খেলাপিরা নির্বাচন করার চান্স পেয়ে যাচ্ছে।
তবে তরুণ হাসনাত থেকে পুরো বাংলাদেশের মানুষের শিক্ষা নেয়া উচিত।
আমরা আওয়াজ উঠাই!
ঋণ খেলাপি আর দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের লাল কার্ড!!!
07/01/2026
এক যাত্রায় দুই ফল: মাদুরোর জন্য শিকল, আর মোদীর জন্য আলিঙ্গন!
পৃথিবীটা আসলেই অদ্ভুত! আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে ভেনেজুয়েলায় কমান্ডো পাঠিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন, আর অন্যদিকে রাশিয়ার পরম বন্ধু ভারতের সাথে করমর্দন করছেন।
সারা বিশ্ব যখন আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার (Sanction) ভয়ে তটস্থ, তখন ভারত অনেকটা "ডোন্ট কেয়ার" ভাব নিয়ে রাশিয়া থেকে দেদারসে তেল কিনছে। পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশ হলে এতক্ষণে হয়তো নিষেধাজ্ঞার নিচে চাপা পড়ে যেত, কিন্তু ভারতের বেলায় সমীকরণটা সম্পূর্ণ উল্টো।
প্রশ্ন হলো—ট্রাম্প কেন এত আগ্রাসী হয়েও ভারতের বেলায় চুপ? আর ভারত এই তেলের দাম কীভাবে পরিশোধ করছে?
ট্রাম্প একজন কট্টর জাতীয়তাবাদী এবং ব্যাবসায়ী। তিনি বোঝেন, এই মুহূর্তে চীনকে ঠেকাতে হলে এশিয়ায় ভারতকে চটানো যাবে না। ভারত একটি উদীয়মান সুপারপাওয়ার এবং বিশাল বাজার, তাই সেখানে ট্রাম্পের "আমেরিকা ফার্স্ট" নীতিও নমনীয়। একেই বলে জিওপলিটিক্স!
মজার ব্যাপার হলো, ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) কিনছে, সেটা তাদের রিফাইনারিতে শোধন করে ডিজেল বা জেট ফুয়েল বানাচ্ছে এবং সেই তেলই আবার চড়া দামে ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানি করছে! অর্থাৎ, পশ্চিমারা ভারতের হাত ঘুরে সেই রাশিয়ান তেলই ব্যবহার করছে।
ডলার ছাড়া কীভাবে তেলের দাম দিচ্ছে ভারত? (The Payment Mystery) :
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—আমেরিকা তো সুইফট (SWIFT) সিস্টেম থেকে রাশিয়াকে বের করে দিয়েছে, তাহলে ভারত পেমেন্ট করছে কীভাবে? এখানেই মোদী সরকারের আসল কূটনীতি বা "জুগাড়" টেকনোলজি:
ক) দিহরামের (Dirham) খেলা: ডলার ব্যবহার না করে ভারত এখন প্রচুর পেমেন্ট করছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুদ্রা 'দিহরাম'-এ। যেহেতু দুবাই এখন রাশিয়ান তেল ব্যবসার অন্যতম কেন্দ্র, তাই এই কারেন্সি রুট করা সহজ হচ্ছে।
খ) রুপি-রুবল মেকানিজম (চেষ্টা ও সীমাবদ্ধতা): শুরুতে ভারত নিজস্ব মুদ্রা 'রুপি'-তে পেমেন্ট করতে চেয়েছিল (Vostro Account দিয়ে)। কিন্তু রাশিয়া দেখল তাদের কাছে প্রচুর রুপি জমে যাচ্ছে যা তারা খরচ করার জায়গা পাচ্ছে না। তাই এখন তারা দিহরাম বা চাইনিজ ইউয়ানের দিকে বেশি ঝুঁকছে।
গ) ঘোস্ট ফ্লিট (Ghost Fleet): ভারত তেল আনছে এমন সব ট্যাংকারে করে যাদের মালিকানা অস্পষ্ট (Shadow Fleet)। ইন্স্যুরেন্স ও পেমেন্ট সব হচ্ছে পশ্চিমা সিস্টেমের বাইরে, যাতে আমেরিকার ট্রেজারির রাডারে ধরা না পড়ে।
ভারত কেন নিষেধাজ্ঞার বাইরে?
তেলের বিশ্ববাজার: ভারত যদি আজ রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধ করে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তবে তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছাড়াবে। এতে ট্রাম্পের আমেরিকাতেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। তাই ট্রাম্প নিজের স্বার্থেই ভারতকে আটকাচ্ছেন না।
অপরদিকে জয়শঙ্কর বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছেন—ভারতের পররাষ্ট্রনীতি দিল্লি থেকে ঠিক হবে, ওয়াশিংটন থেকে নয়। পরিষ্কার ভাষায় বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছেন—"ইউরোপের সমস্যা মানেই বিশ্বের সমস্যা নয়।" ভারতের এই শক্ত মেরুদণ্ড এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কারণে পশ্চিমারা তাদের সমীহ করতে বাধ্য হচ্ছে।
ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলা অভিযান আর ভারতের প্রতি নীরবতা প্রমাণ করে—আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে "নীতি" বলে কিছু নেই, আছে শুধু "স্বার্থ"। যার শক্তি আছে, তার সাত খুন মাফ। ভারত সেটাই প্রমাণ করে চলেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Gandaria