Mehedi hasan Riyad

Mehedi hasan Riyad

Share

20/02/2026

#ছদ্মবেশ_৩ (পর্ব ২১)
#মেহেদী_হাসান_রিয়াদ

"আমার চাচাদের বলে দিন, আমার বাবার অর্থ-সম্পদ কিছুই আর আমার প্রয়োজন নেই। সব তাদেরকে নিয়ে যেতে বলুন। আমি তাদের থেকে অনেক দূরে চলে যাবো। তবুও আমাকে মুক্তি দিতে বলুন দয়া করে। আমার এখানে ভালো লাগে না। আমাকে বিশ্বাস করুন প্লিজ, আমি সত্যিই পাগল নই।"

​কথাটা কান অবধি পৌঁছাতেই থমকে দাঁড়ালো আকাশ। ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালো মেঘলা নামের মেয়েটার দিকে। তাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যেতে চাইলেও ছোটার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে সে। মাস্কটা ঠিক করে মাথায় ক্যাপ পরে নিল আকাশ। অতঃপর পা বাড়ালো সেদিকে। খানিকটা সময় নীরবে তাকিয়ে রইল নীলয়। অতঃপর পা বাড়ালো সেও।

​নিজেকে ছাড়াতেই মেঝেতে আছড়ে পড়লো মেঘলা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল সে। তার খুব কাছেই থমকে দাঁড়ালো আকাশ। এক নজর মেঘলার দিকে চেয়ে ডাক্তারদের দিকে তাকালো সে। মেঘলাও ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালো তার দিকে। চোখেমুখে তীব্র ভয় ও অস্থিরতা বিরাজমান তার। আকাশ ডাক্তারদের দিকে চেয়ে স্বাভাবিক স্বরে বলে,
"আপনাদের মনে হচ্ছে না, এটা রীতিমতো টর্চারের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে? আর মেয়েটাকেও তো দেখে খুব একটা পাগল বলে মনে হচ্ছে না।"

​পরপর নিশ্বাসে মেঘলা তাকিয়ে রইল আকাশের দিকে। যেন এতকিছুর মাঝেও একটু আশার আলো খুঁজে পেয়েছে সে। যেখানে সবাই তার বিপক্ষে, সেখানে কেউ একজন তার পক্ষ নিয়ে কথা বলছে। এর মাঝেই মুখ খুললেন একজন ডাক্তার। স্বাভাবিক স্বরে বললেন,
"দেখুন এখানে বেশিরভাগ রোগীই একটা কথাই বলে থাকে, আমি পাগল নই। কিন্তু রোগী কি বলছে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তার মেডিকেল রিপোর্ট কি বলে।"

"আপনারা কি আমাকে সেই রিপোর্ট দেখাতে পারবেন?"
প্রশ্ন ছুড়লো আকাশ। খানিকটা নীরব হয়ে তার দিকে তাকালো ডাক্তার। অতঃপর স্বাভাবিক স্বরে বলল,
"আপনি কি তার গার্ডিয়ান অথবা রিলেটিভ কেউ?"
"জ্বি, না।"

​এই একটা কথাতেই থেমে গেলো সব। কারণ, এটা ঝামেলা করার জায়গা না। এখানে আরো রোগী আছে, যা করার ঠান্ডা মাথায় করতে হবে। কাজেই আর কিছু বলার আগেই পাশ থেকে আকাশের এক হাত চেপে ধরলো নীলয়। মেঘলাকে নিয়ে যাচ্ছে ভেতরে। হাঁটতে হাঁটতে ঘাড় ঘুরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল মেঘলা। কিন্তু ভেতরে নিয়ে যেতেই চোখের আড়াল হয়ে গেলো সব। শেষ আশাটাও যেন নিভে গেলো। আকাশও একইভাবে তাকিয়ে থেকে বলে,
"চিন্তা করো না মেয়ে, আমি তোমায় একা ছাড়বো না।"
,
,
শেষ বিকেল। নিউজিল্যান্ড পৌঁছেই তার দেওয়া ক্লান্তির ঘুম এখনো আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরে রেখেছে আরোহীকে। যেন সাদা বিছানার চাদরে পড়ে আছে একটা পরী। এলোমেলো চুল মুখে এসে পড়েছে। রাজের চোখ আটকালো তাতে। মৃদু হেসে বসলো তার পাশে। আজ খুব বেশিই মুগ্ধ হয়ে দেখছে আরোহীকে। যেন আজ পৃথিবীর সব মায়া এই একটা জায়গাতে এসেই ভিড় জমিয়েছে।

​হাত বাড়িয়ে মুখের উপর ছড়িয়ে থাকা চুলগুলো সরিয়ে দিল রাজ। এবার চোখের পাতা হালকা নড়েচড়ে উঠলো আরোহীর। কয়েকবার পলক ফেলে রাজের দিকে তাকালো সে। রাজকে তাকিয়ে থাকতে দেখে মৃদু হাসলো। রাজ স্বাভাবিক স্বরে বলে,
"উঠে পড়ো, সন্ধ্যা নেমে এসেছে।"

খানিকটা চমকালো আরোহী। এদিক-ওদিক দৃষ্টি ছুটিয়ে ফের তাকালো রাজের দিকে। অতঃপর বলে,
"সন্ধ্যা হয়ে গেছে! ডেকে দেননি কেন?"
"তুমি ক্লান্ত ছিলে, তাই। মাথা ব্যথা কমেছে?"
"হুম।"
"ওকে, এবার ফ্রেশ হয়ে নাও। সন্ধ্যার পর বেরোবো আমরা।"
"কোথায় যাবো?"
"আজ আপাতত কোথাও না। প্ল্যান আগামীকাল থেকে। আজ এমনি দু'জন একসাথে আশপাশটা ঘুরে আসবো, এটুকুই। কেন, তোমার কি এখনো ক্লান্তি লাগছে?"
"উঁহু।"
"ওকে, তাহলে ফ্রেশ হয়ে নাও। মাগরিবের নামাজ পড়েই বের হবো। নাস্তা বাইরে গিয়েই করবো।"
,
,
সন্ধ্যা পেরিয়ে এলো। হসপিটালের বাইরে দাঁড়িয়ে রইল আকাশ ও নীলয়। যেখানে মেঘলার পরিবারই তার প্রধান শত্রু, সেখানে বিষয়টা কৌশলের সাথে মোকাবিলা করতে হবে। কাজেই আগে মেয়েটার পরিবার সম্পর্কে জানাটা জরুরি। কিন্তু মেয়েটার ঠিকানা কোথায়? ভেবেই একটা শ্বাস ছাড়লো আকাশ। পাশেই নীলয় দাঁড়িয়ে রইল বুকে হাত গুঁজে।

​এর মাঝেই একজন নার্স এসে দাঁড়ালো তাদের সামনে। হাতে একটা কাগজ তার। আশপাশে তাকালো মেয়েটা। অতঃপর আকাশের হাতে সেই কাগজটা তুলে দিয়ে বলে,
"এখানে মেয়েটার পরিবার ও বাসার ঠিকানা লিখা আছে। বাকিটা আপনারা সামলে নিন। এই তথ্য ও আমার বিষয়ে যেন কেউ কিছু না জানে।"

মেয়েটার হাতে হাজার দশেক টাকা তুলে দিল আকাশ। অতঃপর শান্ত স্বরে বলে,
"আপনিও মুখ বন্ধ রাখবেন। আমরা তার বিষয়টায় হাত দিয়েছি, এটা যেন কেউ না জানে।"
মেয়েটা টাকা হাতে তুলে নিয়ে আশপাশে চেয়ে বলে,
"চিন্তা করবেন না, এটা গোপন থাকবে। মেয়েটাকে বাঁচান, নয়তো তার জীবনটা ধ্বংস হয়ে যাবে।"
,
,
রাত হয়ে এলো। রাজ ও আরোহীর সাথে ভিডিও কলে ব্যস্ত ছিলেন ফরিদা আন্টি। হাঁটতে হাঁটতে নীলাকে রাখা কক্ষে পৌঁছাতেই ফোন রাখলেন তিনি। নিবিড় ও তুষার বাইরে গিয়েছিল কিছুক্ষণ আগে। এখনো ফেরার নাম নেই। ফারিহা এখনো আছে এখানে। তৃষা সকালেই নিজের বাসায় ফিরে গেছে। আরোহীও নেই। কাজেই নীলার সাথে সময়টা কাটাচ্ছে ফারিহা। তার উপর নিজের ভাইয়ের পছন্দের মেয়ে। ভবিষ্যতে হয়তো ভাবিও হবে তার।

​ফরিদা আন্টিকে দেখে খাটের মাঝে গিয়ে বসলো ফারিহা। ফরিদা আন্টিকে জায়গা করে দিল বসার জন্য। অতঃপর তার দিকে চেয়ে বলে,
"মা আসবে আগামীকাল। নীলা আপুর কথা বলেছি তাকে।"
ফরিদা আন্টি স্বাভাবিক স্বরে বলে,
"ভালো করেছো। নিবিড়ের উচিৎ ছিল তাকে আমার আগে জানানো।"
"ভাইয়া আপনার সামনেও কতটা নার্ভাস ছিল, বুঝেনই তো।"
"হুম, তা বুঝতে পেরেছি আমি।"

​বলেই নীলার পাশে বসলেন ফরিদা আন্টি। মাথা নিচু করে নেয় নীলা। তা লক্ষ করে ফরিদা আন্টি স্বাভাবিক স্বরে বলে,
"আমাদের মাঝে কৌতূহল জমা থাকলেও তোমাকে জোর করবো না আমরা। যদি তোমার কখনো মনে হয়, আমাদেরকে সত্যটা জানানো প্রয়োজন, তখন জানাবে। আজ অনেকদিন পর নিবিড়কে প্রাণবন্ত মনে হচ্ছে। আপাতত তার এই হাসিখুশি মুহূর্তটাই সবকিছুর উর্ধ্বে থাকুক।"
এর মাঝেই নিচ থেকে ভেসে এলো তুষারের কণ্ঠস্বর। ফরিদা আন্টি তা কর্ণপাত করে বলে,
"ছেলেরা এসে গেছে। তোমরা ডিনারের প্রস্তুতি নাও।"

​বলেই উঠে গেলেন তিনি। পা বাড়ালেন নিচের যাওয়ার উদ্দেশ্যে। নিচে তুষারের পাশে দাঁড়িয়ে রইল নিবিড়। স্বাভাবিক স্বরে বলে,
"ষাঁড়ের মতো চেঁচাচ্ছিস কেন? একজনকে পাঠালেই তো আন্টিকে ডেকে দেয় নাকি।"
তুষার কিছু বলতে যাবে তার আগেই ফরিদা আন্টিকে দেখে থেমে গেলো সে। অতঃপর প্রসঙ্গ পাল্টে নিবিড়কে বলে,
"আন্টি দেখি নীলার সাথেই ছিলো। কিছু জানতে পেরেছে কি না কে জানে।"
নিবিড় তার দিকে চেয়ে বলে,
"আন্টি তো তোর মতো বলদ, যে মরার উপর ঘা বসাবে।"
তুষার খানিকটা ধৈর্য হারা হয়ে বলে,
"তবে যাই হোক, আমাকে এটা জানতে হবে। আমার কৌতূহল ধরে রাখতে পারছি না।"
,
,
ডিনার টেবিলে সবার আগে এসে বসলে তুষার। সামনে সাজানো খাবারগুলো একে একে চেক করছে সে। এর মাঝে সেখানে উপস্থিত হলো ফারিহা। তুষার তার দিকে চেয়ে হালকা থমকালো। খানিকটা নীরব থেকে বলে,
"প্লিজ, আজ অন্তত বাঁশ দিও না।"

হালকা হাসলো ফারিহা। অতঃপর তুষারের পাশে বসে বলে,
"না, আজ দিব না। আজ বরং আপনি 'না না' করলেও আমি খাবার দিতে থাকবো, কোনো চিন্তা করবেন না।"
​খানিকটা ভ্রূ কুঁচকালো তুষার। ফারিহার দিকে দৃষ্টি স্থির করে বলে,
"কাহিনী কী?"
ফারিহা তার দিকে চেয়ে বলে,
"কাহিনী কি থাকবে আবার?"
"এটা এক্সট্রা খাতির হয়ে যাচ্ছে না? আর ইদানীং আমার পেছনে এভাবে লেগে আছো কেন? নাকি.....?"
এবার ভ্রূ কুঁচকালো ফারিহাও। তা ধরে রেখে বলে,
"কী?"
তুষার সঙ্কোচ করলো না। স্বাভাবিক স্বরেই বলে বসলো,
"নাকি তুমিও আমার প্রেমে পড়েছো?"

​চোখ বড়ো বড়ো করে তাকালো ফারিহা। তুষার তাকে প্রতিক্রিয়া দেখানোর সুযোগ না দিয়ে বলে,
"তুমিও আমার প্রেমে পড়লে বলে দিও। বিয়েটা তাড়াতাড়ি করে ফেলি। কারণ, হায়াত কতটুকু পাই, তার কোনো ঠিক নেই। যত তাড়াতাড়ি বিয়েটা করে নিব, তত বেশিদিন বউয়ের সাথে ঘুমাতে পারবো।"
ফারিহা এবার খানিকটা বেকুব বনে গিয়ে বলে,
"আস্তাগফিরুল্লাহ্ তওবা তওবা, বেডার মাইন্ড কত খারাপ।"
তুষার তা পাত্তা না দিয়ে বলে,
"তুমি যা খুশি ভাবতে পারো। বিয়ে করবো, বউকে ছবির মতো দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখার জন্য না। তাছাড়া বউ নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন আছে, এটা অপরাধের কিছু না। তোমার বরং আলহামদুলিল্লাহ্ বলা উচিৎ, আমাকে বিয়ে করলে একটা বউ পাগল জামাই পাবে।"

​এ মুহুর্তে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিৎ তা ভেবেই খানিকটা সময় অতিবাহিত হয়ে গেলো ফারিহার। পটপট করা মুখটায় যেন একদম কস্টেপ মেরে দিয়েছে তুষার। এর মাঝে তুষার ফের বলে,
"শুনো, প্রেম টেম করে টাইম পাস করে পাপ কামাতে চাই না। রাজি হলে বলে দিও ডিরেক্ট বিয়ে করে নিব, তারপর টোনাটুনির বিন্দাস সংসার।"

​খানিকটা সময় নিল ফারিহা। পরপর কয়েকবার পলক ঝাপটে যেন ঘোর থেকে বেড়িয়ে এল সে। অতঃপর কিছু বলতে যাবে তার আগেই কারো আগমনের শব্দ শুনে থেমে গেলো সে। সবাই আসছে খাওয়ার উদ্দেশ্যে। কাজেই তাকে থমকে দেখে তুষার ফিসফিসিয়ে ফের বলে,
"আমি তোমার সম্মতির অপেক্ষায় থাকবো চতুর মেয়ে।"
,
,
পরদিন সকাল ৭ টা। নাস্তার টেবিলে বসে আছে মেঘলার ২ চাচা। সামলে রাখা আছে মেঘলার বাবার সম্পত্তির সেই কাগজপত্রগুলো। সেগুলো নিয়েই আলোচনা চলছে তাদের মাঝে। সব রেডি করে রেখেছে তারা। কেবল মেঘলা সাইন করে দিলেই সব সমস্যা মিটে যায়। যদিও শুরুতে আপসে করতে চেয়েছিল সব। কিন্তু মেঘলা বিষয়টা বুঝে গেলেই বাঁধে বিপত্তি। কাজেই বিষয়টা এই অবধি গড়ালো।

​চায়ের কাপে চুমুক দিল মেঘলার ছোট চাচা। খানিকটা বিরক্তি নিয়ে বলে,
"কত ভাবেই তো চেষ্টা করলাম। শেষে মারধর করেও লাভ হলো না। আমার ভাই তার সবকিছু মেয়েটার নামে করে না দিয়ে গেলে কবেই এ ঝামেলা মিটে যেত।"
মেঘলার বড়ো চাচা কাপটা সামনে রেখে বলে,
"চিন্তা করিস না। এমন জায়গায় পাঠিয়েছি, কিছুদিন পর এসে বাপ বাপ বলে সাইন করবে। তবে যা করার সবকিছু জানাজানি হওয়ার আগেই করতে হবে।"
ছোট চাচা ফের বলে,
"ভাগ্যিস ভাইয়ের মৃত্যুর আগে মেঘলার বিয়ে হয়ে গেলে, অথবা ওর কোনো হাজব্যান্ড থাকলে বিষয়টা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যেত। যা হয় ভালোর জন্যই হয়।"

​এতটুকু বলতেই কলিং বেলের শব্দ ভেসে এলো তাদের কানে। দুজন একসাথে তাকালো দরজার দিকে। মেঘলার ছোট চাচা উঠে দরজার দিকে এগিয়ে গেলো। অতঃপর খুলতেই দেখে বাইরে মাস্ক পরা দু'জন ছেলে দাঁড়িয়ে। তাদের দেখে তিনি খানিকটা ভ্রূ কুঁচকে বলে,
"কারা তোমরা? কার কাছে এসেছো?"
আকাশ খানিকটা হাসি রেখে বলে,
"আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল। এটা মুহিব আঙ্কেলের বাসা না? যিনি কিছুদিন আগে মারা গিয়েছিলেন।"
"ওয়া-আলাইকুম সালাম। হ্যাঁ, কিন্তু তোমাদের পরিচয়?"
এবার নীলয় স্বাভাবিক স্বরে বলে,
"আঙ্কেল, আমি নীলয় আর সে আকাশ। আমরা মেঘলার কলেজ ফ্রেন্ড। কলেজ লাইফ শেষে অনেকদিন দেখা হয়নি আমাদের। তাই ওর সাথে একটু দেখা করতে এসেছি। তাকে ফোনে পাচ্ছিলাম না দেখে ভাবলাম সরাসরি বাসায় এসেই বরং একটা সারপ্রাইজ দেই।"

​To be continued............

16/02/2026

টাইমলাইনে রেখে দিলাম-
১৬/০২/২০২৬ ইং তারিখে ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের রেখে যাওয়া বাংলাদেশ।

রিজার্ভ - ৩৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার
সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা -১৪৯ তম
মানব উন্নয়ন সূচকে - ১২৯ তম
গনতান্ত্রিক সূচকে অবস্থান- ৭৫ তম
বৈশ্বিক অর্থনীতির সূচকে- ৩৬ তম
অর্থনীতির আকার - (৪৫০-৪৫৫) বিলিয়ন ডলার।
মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ - ৭৮ হাজার টাকা।

🗣️ একবছর পর পর আপডেট দেখে কম্পেয়ার করলে বোঝা যাবে, দেশ আসলে কোনদিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রেখে দিলাম প্রোফাইলে। শুভকামনা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ...... 🖤
©

12/02/2026

আজ এ অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতা কেবল জামায়াত ও এনসিপির সাথে না, সমগ্র দেশবাসীর সাথে করা হচ্ছে।💔

বিস্তারিত কমেন্টে......

10/02/2026

দেশ ও জাতির ভাগ্য নির্ধারণের আর মাত্র ১ দিন বাকি। পাঠক/পাঠিকার পাশাপাশি একজন বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে আপনি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে কোন জোটকে সমর্থন করছেন? ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় কোন জোটের উপর আস্থা রাখতে চাইছেন? রিয়েক্টের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে আপনার মতামত জানাতে পারেন।

BNP 🌾
Jamaat e Islami ⚖️

Want your business to be the top-listed Media Company in Feni?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Parshuram
Feni
3940