Study Club

Study Club

Share

07/06/2026

এক রামিসাকে পেয়েও ধরে রাখতে পারল না ওর মা-বাবা।
অন্যদিকে আরেক রামিসা থেকেও ও আজ মা-বাবা হারা...
সাংবাদিক যখন প্রশ্ন করল,
"তোমার আব্বু আম্মু যখন রেখে চলে যাচ্ছিল, তুমি তাদের সাথে যাওনি?"
মেয়েটি মাথা নিচু করে স্রেফ একটা শব্দ বলল, "না..."
মানসিকভাবে কতটা আঘাত পেলে একটা বাচ্চা মেয়ে এত সংক্ষিপ্ত উত্তর দেয়! আহ! এইটুকু মাথায় কী পাহাড়সমান কষ্ট!
৮০০ কোটি মানুষের এই পৃথিবীতে জন্মেও আজ এই মেয়ে একলা!
সকালে ভিডিওটা দেখার পর থেকে মানসিকভাবে প্রচণ্ড অসুস্থ লাগছে। কোন সমাজে বসবাস করি আমরা! কোন সমাজে জন্ম দিলাম আমার দুই মেয়েকে!
ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাকে অন্তত এতটুকু সামর্থ্য দাও, যাতে আমি এসব বাচ্চাদের দায়িত্ব নিয়ে সমাজের সেসব কাপুরুষ বাবা-মাকে বুঝিয়ে দিতে পারি-
"মেয়ে হয়ে জন্মেছে বলে তোমরা সন্তানকে বোঝা মনে করেছ। ভুলে গেছ, আল্লাহ সবার রিজিকদাতা।"

মহিউদ্দিন রূপম

Photos from Study Club's post 04/06/2026

বিএনপি সরকারের ১০০ দিন — 🤍🤍🇧🇩🇧🇩

#মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেঃ

১) তিন মাসে গ্যাসের দাম ৬০৪ টাকা বৃদ্ধি করেছে।

২) বিদ্যুতের দাম ১৬.৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে।

৩) তেলের দাম ১০/১৫ বৃদ্ধি করেছে।

৪) July Shaheed Smrity Foundationএর বেতন বন্ধ করে দিয়েছে। এতে জুলাই সংগঠিত করা কালো শক্তিরাও বিপাকে পড়েছে।

৫) মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে হাসিনার পালা Islami Bank Bangladesh PLCএ বসানো সাবেক লু *টেরা MDকে বসিয়ে আবারো লু *ট করে জনগনের অতিরিক্ত টাকা মে *রে দেয়ার ব্যাবস্থা করেছে।

#এছাড়াও,
বিরোধী দলের এমপিদের জন্য অর্থবরাদ্দ দেয়নি।
কারণ- তাদের নিজেদের চাহিদা নাই। জনগনকে দিয়ে দেয়।

"অভাবীদের(চাহিদাবানদের) দান করো" নীতিতে অটল থেকে যাদের চাহিদা নেই, তাদের এলাকায় অর্থ বরাদ্দ রোধ করেছে। এর মাধ্যমে অপচয় রোধ করা হয়েছে, সাথে মুদ্রাস্ফীতিও।

#অন্যদিকে, বিরোধীদলের MPদের বরাদ্দ দিলে কাকে কয় টাকা করে বিতরণ করেছে তার হিসেব দেয়। এতে সরকারী দলের এমপিরা অস্বস্তিবোধ করেন।
এজন্য গোপনে সরকারী দলকে দান করে অগণিত নেকী হাসিল করেছে এবং দেশের শান্তিও রক্ষা করেছে।

#আবার,
জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারক রহমান.....🇧🇩
ধন্য করেছেন ভায়া, সেই হইছে।✌️✌️
রাখবার চাইতাছি, মাগার থাকবার চাইতাছেন না।

02/06/2026

চারপাশের এত ঘটনা দেখার পর প্রশ্ন একটাই - আমরা কি সত্যিই মানুষ হতে পেরেছি, নাকি শুধু প্রতিষ্ঠিত? আসুন, শিক্ষিত, দক্ষ, সফল বা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে একজন ভালো মানুষ মানুষ হই।

02/06/2026

সালাউদ্দিন সাহেব বিজেপি, আরএসএসের ভাষায় কথা বলছে... এই নতজানু বক্তব্যের নিন্দা জানাই।

02/06/2026

মমতা ব্যানার্জি আজকে বলেছে- ওসমান হাদীর খু*নী ফয়সালকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেফতার করার পর ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আমাকে ফোন করেছিল। আমাকে বলা হয়েছিল এই বিষয়টা যেন বাইরে জানাজানি না হয়।

মমতা ব্যানার্জি আরও বলেছে- "কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিল? কার কার নাম বেরিয়েছিল? আমি সবটাই জানি।

এতদিন আমি এসব বলিনি। কিন্তু আজকে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে।"

মমতা ব্যানার্জি আরও অনেক কিছুই জানে কিন্তু বলেছে মাত্র অল্প একটু। মমতা জানে সে বিজেপি সরকারের সাথে পারবে না তাই তাদের সেন্সিটিভ ইনফরমেশনগুলো ফাঁস করে দিতে চাচ্ছে।

হাদী ভাইয়ের খু*নীর সাথে শুধু বাংলাদেশের নেতারাই না, ভারতের স্বরাষ্ট্র বিভাগের উর্ধ্বতন নেতাদেরও আতাত ছিল। এ কারণেই খু*ন করার মাত্র ৬ ঘন্টার মধ্যেই ফয়সাল বর্ডার ক্রস করে ভারতে চলে যেতে পেরেছিল।

তাদের পরিকল্পনাটা ছিল খু*নীকে বর্ডার ক্রস করিয়ে কোনমতে ভারত পাঠাতে পারলেই হবে। বাকিটা ভারতীয় স্বরাষ্ট্র বিভাগের লোকজন দেখবে।
ভারতেই ফরসাল এবং তার সহকারীকে আশ্রয় দিয়ে রাখা হবে। ফয়সাল দেখভালের দায়িত্বও ভারতীয় নেতারাই নিবে। এমনটাই মূল পরিকল্পনা ছিল।
পরিকল্পনার আরেকটা ধাপ ছিল খু*নী ফয়সালকে দিয়ে ভারতের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা। এই কাজটা ভারতের স্বরাষ্ট্র বিভাগের নেতারা করিয়েছে খুবই সূক্ষ্মভাবে।
এজন্যে ওরা খু*নী ফয়সালকে মার্চ মাসে গ্রেফতার দেখিয়ে মিডিয়ার সামনে এনেছিল।
ফয়সালকে যখন পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ধরেছিল তখন সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেছিল- ওসমান হাদীকে কে খু*ন করিয়েছে?

পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক ফয়সাল উত্তর দিয়েছিল- জামায়াতের চাল এটা।
উত্তরটা ফয়সাল দেয়নি, তাকে আগে শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল সে নিজের জান বাঁচাতে তোতাপাখির মতো বুলি আওড়িয়েছে শুধু।

এরপর তাকে আরেকবার জিজ্ঞেস করেছিল- কারা, নাম বলুন?
সে উত্তর দিয়েছিল- জামায়াত করাতে পারে এটা।
সাথে বলেছে- আপনারা যে এত হাদী হাদী করছেন হাদী তো জঙ্গী ছিল।
সাংবাদিকরা আবারও তাকে জিজ্ঞেস করেছিল- জামায়াতের কে নাম বলুন তাহলে?
ফয়সাল আর কিছু বলতে পারেনি। তাকে যখন গাড়িতে করে নেয়া হচ্ছিল তখনও সাংবাদিকরা বারবার জিজ্ঞেস করছিল - ফয়সাল জামায়াতের কে জড়িত, কে করিয়েছে? নাম বলুন।
ফয়সাল কোন উত্তর দিতে পারেনি। সাংবাদিকরাও যেন বারবার জামায়াতের নামটাই হাইলাইট করে বারবার জিজ্ঞেস করছিল।

ফয়সাল কারও নাম বলতে পারেনি শুধু বারবার জামায়াতের কাজ, জামায়াত করাতে পারে এসবই বলছিল।
মনে হচ্ছিল তাকে যেন কেউ এই নামটা বারবার বলতে শিখিয়ে দিয়েছে, ট্রেনিং দিয়ে এনেছে। ভারতের বিজেপি সরকার জামায়াতকে অপছন্দ করায় জামায়াতকে হ*ত্যাকারী বানিয়ে হাইলাইট করাই ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যটা।

হাদী ভাইকে থ্রেট মনে করে খু*ন করার পর খু*নী ফয়সালকে ভারতে আশ্রয় দিয়ে এই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যটাই হাসিল করতে চেয়েছিল ওরা।
এক ঢিলে দুই পাখি মারার এই পরিকল্পনাটাও হয়েছিল ভারতীয় নেতা এবং স্বরাষ্ট্রের লোকজনের পরিকল্পনা মাফিকভাবেই।
তাছাড়া কলকাতা পুলিশ ফয়সালকে ১৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছিল। কিন্তু জনসম্মুখে আনার পর মনেই হয়নি যে তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল। তার ভাবভঙ্গি দেখে মনে হয়েছিল বেশ ভালো ব্যাকআপেই আছে সে।

ফয়সালের সহযোগী আলমগীরকে আদালতে তোলার একপর্যায়ে সে পকেটে হাত দিয়ে ভাবসাব নিয়ে হাঁটছিল।

এত বড় আসামি অথচ তাদেরকে হ্যান্ডকাফ পর্যন্ত পড়ায়নি কলকাতা পুলিশ। এমনকি জেলেও ভালো ভালো খাবার দেয়া হতো ওদের দুজনকে।
১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে কলকাতা পুলিশ ফয়সালকে ওসমান হাদী হ*ত্যাকান্ডের ব্যাপারে প্রচুর জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, নিজেদের মত করে জনসম্মুখে এনেছে।
অথচ ভারতীয় পুলিশের এখতিয়ার ছিল না বাংলাদেশের কোন খু*নীকে হ*ত্যাকান্ডের ব্যাপারে রিমান্ড বা জিজ্ঞাসাবাদ করার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শা'হর কথাতেই করানো হয়েছিল সেটা।
ভারতীয় পুলিশ সর্বোচ্চ পারতো- ফয়সাল কিভাবে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, তার পাসপোর্ট নেই কেন এগুলো জিজ্ঞেস করতে।

খু*নের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা ছিল বাংলাদেশ পুলিশের আর ভারতীয় পুলিশের কাজ ছিল তাকে কিভাবে তাড়াতাড়ি বাংলাদেশে ফিরানো যায় সেই ব্যবস্থা করা।
কিন্তু ভারতীয় পুলিশ সেটা না করে হাদী হ*ত্যাকান্ডের ভার নিজেদের হাতেই তুলে নিয়েছিল। কারণ ফয়সালকে কোনভাবেই হাতছাড়া করার ছিল না। ফয়সালকে ছেড়ে দিলে ওদের নেতারাও ফেঁসে যেত।

ফয়সালকে জনসম্মুখে আনার পর দুইটা জিনিস ফয়সালের মাধ্যমে হাইলাইট করানো হয়েছিল।
১.খু*নটা জামায়াত করাতে পারে।
২. ওসমান হাদী ভারতের জন্যে থ্রেট ছিল তাই তাকে মেরে ফেলা জায়েজ ছিল।
ফয়সালকে জনসম্মুখে আনা হয়েছে তারপর এ দুটো ব্যাপার হাইলাইট করে তাকে আবারও জেলে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ফয়সালকে দিয়ে সফলভাবেই স্বার্থ হাসিল করিয়ে নেয়া হয়েছে।

এই কাজটাই ভারতীয় নেতারা সবসময় চায়। ওরা চায় বাংলাদেশে কেউ জনগণের ভালোবাসা অর্জন করে ফেললে, ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বললে তাকে জঙ্গি কিংবা জামায়াত ট্যাগ দেয়া তারপর মেরে ফেলা।

দীর্ঘ পরিকল্পনা করে ফয়সালের মাধ্যমেই মেরে ফেলার কাজটা করিয়ে ওকে এখন ভারতীয় স্বরাষ্ট্র বিভাগ আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। আর ফয়সাল এখন দাবার গুটির মতোই।
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ভারতের কাজ ছিল ফয়সালকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে আইনের হাতে তুলে দেয়া।

কিন্তু তারা সেটা না করে ফয়সালকে জেলে নিয়ে অনেকবার রিমান্ড দিয়েছে। সত্যিকার অর্থে রিমান্ডই দেয়নি, তাদের আশ্রয়ে রেখেছে।

বিএনপি সরকার কিছুদিন আগে গলা উঁচু করে বলেছিল- খু*নী ফয়সালকে যত শীঘ্রই সম্ভব দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। তারপর বিচার করা হবে।

কিন্তু বিএনপি সরকার সেটা কোনদিনও পারবে না কারণ ফয়সাল এখন ভারতের কাছে দাবার গুটির মতো। তাই ভারতের স্বরাষ্ট্র বিভাগ এত সহজে ওকে ফেরত দিবে না।
তাছাড়া মমতা ব্যানার্জি আরও অনেক কিছু জানলেও আর কোনকিছুই বলতে পারবে না। ভারতীয় স্বরাষ্ট্র বিভাগ সে পথটাও বন্ধ করে দিবে।

আর ততদিনে ফয়সালের মাধ্যমে যতসম্ভব নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যটা হাসিল করে নিবে, পেছনের মাস্টারমাইন্ড নেতাগুলোকেও বাঁচাবে।
তারপর সবশেষে ফয়সালের কাজ শেষ হলে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র বিভাগ ওকে নষ্ট টিস্যুর মতোই মেরে ছুঁড়ে ফেলে দিবে

- Ibrahim Khalil Shawon

Want your school to be the top-listed School/college in Fatulla?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Fatulla