FEC Critics
"মার্চ ফর বিআইটি ফেজ-২"
এর টাকার হিসেব কোথায়?
We will back again.
Inbox is load with messages.
10/11/2024
মেস ব্যাবসা
ফরিদপুরের বিভিন্ন মেস/ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে দালালি করে আসছে স্বার্থান্বেষী একটি চক্র।
◑ আহমেদ সাগর:
ক্যাম্পাসে মেস ব্যাবসার হাতে খড়ি তার মাধ্যমেই।
"রতন মোল্লা" নামক মেসে চুক্তিভিত্তিক ভাড়া নিয়ে সে ব্যাবসার করতো।
সে তার সময়ের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতা।
◑ গণরুম:
০৫-ব্যাচ সাউথ হলের গণরুমে থাকা অবস্থায় তাদের থেকে ২০০৳ করে চাদা তুলতো ততকালীন ছাত্রলীগ নেতারা।
◑ মোকাররম-০৬:
তার সময়ের ছাত্রলীগের(নিষিদ্ধ সংগঠন)অন্যতম সদস্য।
সে PBI-এর পাশে একটি মেস মেইনটেইন করে।
ইতপূর্বে শোভন-০৩ এখানে মেস ব্যাবসা করতো।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে চানমারীতে একটি বাসায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
◑ হিমেল মাহমুদ-০৬:
চানমারীর একটি বাসায় সে জুনিয়রদের থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে।
বাসা ভাড়া ৯,০০০৳।
তবে,সে আদায় করে ১১,৮০০৳।
তার সাথে এই কাজে মোকাররমও(০৬) জড়িত।
◑ পেশিশক্তির ব্যাবহার:
"০৯ ব্যাচ নতুন আসে ক্যাম্পাসে।
০৮-ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের সদ্য আসা জুনিয়রদের জন্য বাসা খোঁজা শুরু করে। এইসময় মোকাররম-হিমেল(০৬) তারা ছাড়া অন্য কারও মাধ্যমে বাসা ঠিক করতে নিষেধ করে।চানমারীর একটি ফ্লাটে ০৯-এর কিছু শিক্ষার্থী ০৮-এর সহায়তায় বাসা ঠিক করে।
তারা মোকাররম-হিমেলের মাধ্যমে বাসা ঠিক না করায় ওই বিল্ডিং-এ থাকা ০৮-এর শিক্ষার্থীদের ৪০৬ নং রুমে ডেকে এনে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মারধর করে ০৭-ব্যাচের আরিফ।
মোকাররম-হিমেলের নির্দেশে র্যাগিং-এ আরও উপস্থিত ছিলো:
ইনাম-০৭,
লিয়ন-০৭,
◑ বর্তমানে,এই চক্রের সহায়ক হিসেবে কাজ করছে,
মেহবুব-০৯,
সেঞ্চুরি-০৯,
ইত্যাদি
নিষিদ্ধ সংগঠনের অনেকেই এইসকম চক্রের সাথে জড়িত ছিলো।দল নিষিদ্ধ হলেও তারা তাদের পূর্বের অভ্যাস থেকে ফিরেনি।
যারা হলের বাহিরে থাকেন তাদের জন্য পরামর্শ রইবে এইরূপ দালালদের খপ্পরে না পরে সরাসরি মালিকের সাথে যোগাযোগ করে বাসা/মেস ঠিক করবেন।
~এই ধরনের অসাধু চক্র বন্ধ হওয়া সকলের কাম্য।
নতুন ব্যাচ আসা মানেই,মেস ব্যাবসায়ীদের মৌসুম।
Loading...
02/10/2024
আমাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের শেষ কোথায়?
১. ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর ১৯ বছরেও এখন পর্যন্ত একজন স্থায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে যা অযোগ্যতার স্পষ্ট দৃষ্টান্ত।
২. রাজস্ব খাতের ৬১টি পদের নিয়োগদান সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয় কারিগরি শিক্ষা বিভাগ।
৩. গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সাত কলেজের প্রতিটি বিভাগ অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকে ভরপুর, সেখানে আমরা BSc in Engineering পড়া সত্ত্বেও আমাদের ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে মাত্র দুজন অধ্যাপক রয়েছেন। এমনকি দুটি কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধান হলেন সহকারী অধ্যাপক। এখানেই পরিলক্ষিত হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা বিভাগের নিয়োগ ব্যর্থতা।
৪. গবেষণা উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে ও অর্থের যোগান দিতে ব্যর্থ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, যা আমাদের গুণগত উচ্চশিক্ষা অর্জনের প্রধান অন্তরায়।
৫. দক্ষ ও টেকনিক্যাল ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরের নিয়োগে রয়েছে জটিলতা, যা আমাদের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যাহত করছে।
৬. ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর আয়তন বৃদ্ধি, বিভাগ সংখ্যা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়নে সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।
৭. প্রতি বছর ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে কলেজগুলোতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা গুণগত শিক্ষা ও পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায়, শিক্ষার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে ও অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়। যার ফলস্বরূপ ৩০-৪০% আসন ফাঁকা থেকে যায়, যা সরকারি অর্থের নিদারুণ অপচয়। এর সম্পূর্ণ দায়ভার কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের।
৮. গত ৩১ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের স্মারক নং: ৫৭.০০.০০০০.০৫২.১৮.০০১.২৩.৪৮৯ – এর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোতে এইচএসসি ভোকেশনাল পাসকৃত ২০% কোটা এবং শূন্য আসনগুলোতে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে কোটার প্রতিফলন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই প্রজ্ঞাপন বাতিলের জন্য চিঠি প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন বাতিলের ফিরতি নোটিশ প্রদান করা হয়নি। যা কারিগরি শিক্ষা বিভাগের বরাবরের মতো অদায়িত্বশীলতার প্রতীক মাত্র।
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সমূহের প্রতিষ্ঠাকাল-
রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে,
চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে ,
খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে
আর ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে।
অভিভাবকঃ
রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
একাডেমিক কার্যক্রম- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ
প্রশাসনিক কার্যক্রম- শিক্ষা মন্ত্রণালয়
অবকাঠামোগত উন্নয়ন - গণপূর্ত অধিদপ্তর
শিক্ষক নিয়োগ- সরকারি কর্ম কমিশন
তৎকালীন সময়ে শিক্ষকের অভাবে এক শিক্ষা বর্ষের একাডেমিক ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছিল খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সমূহের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যে সমন্বয়হীনতার কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক বিভিন্ন কাজে বাধা সৃষ্টি হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সমূহের সৃষ্টির ১৯ বছরেও এখন পর্যন্ত অর্গানোগ্রামের সকল পদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে পারেনি কারিগরি শিক্ষা বিভাগ।
সৃষ্টির শুরু থেকেই এই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর প্রশাসনিক অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব অর্পিত হয় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উপর। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় শুরু থেকেই কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর তাদের অযোগ্যতার সর্বোচ্চ প্রমান দিয়ে আসছে। ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠার পর জনবল সংকটে প্রতিষ্ঠার দুই বছরেও তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালু তে সম্পূর্ন ব্যর্থ হয়। চরম আন্দোলনের রোষানলে পড়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করে।
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলো কে নিয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এই বৈষম্যমূলক প্রহসনের শেষ কোথায়?
সেই সময় খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোতে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করেন প্রফেসর ডক্টর এম এ আজম, প্রফেসর ডঃ মোঃ শামসুদ্দিন আহমেদ । অধ্যক্ষ হিসেবে প্রফেসর মোহাম্মদ হায়দার আজম, প্রফেসর মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও প্রফেসর এম এ হান্নান। তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর তুলনায় বর্তমানে কারিগরি শিক্ষা বিভাগের আওতাধীনে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর পরিচালনায় যোজন যোজন পিছিয়ে রয়েছে।
যেখানে কারিগরি শিক্ষা বিভাগের অধীনস্থ বর্তমান ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোতে বিগত ১৯ বছরের একজন স্থায়ী প্রতিষ্ঠান প্রদান নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
যেখানে দুটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধান সহকারী অধ্যাপক । তৎকালীন তিন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর সাথে বর্তমানে কারিগরি বিভাগের অধীনস্থ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর তথ্য উপাত্ত যাচাই করে দেখা যায় যে , ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলো গুণগত শিক্ষা প্রদান ও পরিচালনায় ব্যর্থতার চরম পর্যায়ে ।
১৯৭৩ সালে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোতে গুণগত ও উন্নত মানের প্রযুক্তিগত শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে।
উক্ত কমিটির সুপারিশ ও প্রায়োগিক দিক চিন্তা করে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের চারটি প্রকৌশল কলেজকে প্রযুক্তির উৎকর্ষতার জন্য কিছু স্বাধীনতা দেওয়া হয় যার ফলশ্রুতিতে ১৯৮৬ সালে ৪টি কলেজকে BIT তে রূপান্তর করা হয়। ১৯৮৬ সালে বি আই টি উন্নতিকরনের ফলে সার্বিকভাবে এর প্রশাসনিক, একাডেমিক এবং আর্থিক ক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনা পুরাপুরি পাল্টে যায়।
BIT সৃষ্টির পর কিছু সমস্যা চিহ্নিত হয় যার মধ্যে রয়েছে ডিগ্রি প্রদানের সীমাবদ্ধতা, আর্থিক সহায়তার অভাব, সীমিত সুবিধা এবং স্বায়ত্তশাসনের অভাব। উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য ২০০৩ সালে চারটি BIT পরবর্তীতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর করা হয়।
বিআইটি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরিত হওয়াতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান অবস্থানঃ
১। বিশ্বাঙ্গনে মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে ।
২। গবেষণা ও উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে ।
৩। স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
৪। আন্তর্জাতিক মানে শিক্ষা নিশ্চায়ন করতে ভূমিকা পালন করছে ।
৫। সরকারি অনুদান এবং অর্থায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে ।
৬। বিস্তৃত বিভাগ এবং কোর্সের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ।
৭। আধুনিক ক্যাম্পাস বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যেমন উন্নত লাইব্রেরী, গবেষণাগার, ইন্টারনেট সুবিধা এবং আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করেছে।
৮। শিক্ষক নিয়োগ ও মান উন্নয়ন বিশেষ করে যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ এবং তাদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। যা শিক্ষার মানকে আরো উন্নত করে ।
৯। প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পেরেছে । ফলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক ও গবেষণায় অংশগ্রহণ করতে পারছে ।
তৎকালীন সময়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলো বি আই টি এবং বর্তমান সময়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য-উপাত্ত যাচাই বিশ্লেষণ করে দেখা যায় বর্তমান সময়ে কারিগরি বিভাগের অধীনস্থ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলো দেশের অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বৈষম্য দূরীকরণের জন্য স্বতন্ত্র কমিশনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর দাবী জানাচ্ছি
© The Daily BEC
We're here to bring back justice for FECians.
We ensure unbiased authentic criticism.
Healthy campus environment is our priority.
If anyone needs any help,we're here.
You can contact anonymously or directly.
Your identify is our deposit.
Contact us if you see any unjust in FEC.
Raise your voice.
Fight against injustice.
29/09/2024
জার্সির নামে চৌর্যবৃত্তি!
[CHECK COMMENT]
০৭ ব্যাচের জার্সির জন্য চাদার পরিমাণ ৫০০৳ ধরা হয়।
মোট টাকা উঠে ৫০০×৯৮= ৪৯,০০০৳
জার্সি বাবদ দোকানদারকে দেয়= -২৫,০০০৳
আনুষাঙ্গিক(কেক,ভাড়া ইত্যাদি)খরচ দেখিয়েছে = -৩,৮৫০৳
_________________________________________
মোট আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ = ২০,১৫০ ৳
নিজ ব্যাচমেটদের থেকে শুধু জার্সি বাবদ ২০,১৫০৳ আত্মসাৎ।
তারা জুনিয়রদের থেকেও জোড় করে জার্সির কাজ নেয়।
আরিফ -০৭ (ইইই)
ইনাম - ০৭ (সিভিল)
এটা তো গেলো শুধু একটি বিষয়।
Keep your eyes on FEC Critics...
Say No to injustice.
Say No to student politics.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Faridpur