Hiru Media Mix
আমি আমার চেষ্টা করে যাবো আল্লাহ তা'আলা তার ফয়সালা তিনি নিবেন।
এই চ্যানেলের শুধুমাত্র কোরআন ও হাদিসের বিষয়ে প্রতিদিন ভিডিও ছাড়া হবে।
যদি ভালো লাগে অবশ্যই ফলো করবেন লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন ধন্যবাদ।
#ভাইরালভিডিওシ #ভাইরালভিডিওシভিডিও
#ভাইরালভিডিওシভিডিও #ভাইরালভিডিওシ
01/05/2025
আমাদের গ্রামের ভাষায় আমরা কচুরি শাক বলি এই শাক অত্যন্ত ভালো। একদিন হঠাৎ যাত্রা পথে বিরতি রাস্তার ধারে কচুরি শাক সুন্দরভাবে বাতাসে দোলা দিচ্ছে তাই ভেবে নিলাম যে একটু বাড়ির জ.....
01/05/2025
মে দিবসের (মে মাসের ১ তারিখ) ইতিহাস বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। এর পেছনের মূল ঘটনাটি হলো উনিশ শতকের শেষভাগে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
* শিল্প বিপ্লব: উনিশ শতকে শিল্প বিপ্লবের ফলে কলকারখানা বৃদ্ধি পায় এবং শ্রমিক শ্রেণির উদ্ভব হয়। তবে, শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ ছিল খুবই খারাপ, কাজের সময় ছিল দীর্ঘ (প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি), মজুরি ছিল কম এবং শ্রমিকদের কোনো প্রকার সামাজিক সুরক্ষা ছিল না।
* আট ঘণ্টা কাজের দিনের দাবি: এই পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা তাদের অধিকারের জন্য আন্দোলন শুরু করে। তাদের প্রধান দাবি ছিল দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের সময় নির্ধারণ করা। কারণ তারা বিশ্বাস করত যে কাজের জন্য আট ঘণ্টা, বিশ্রামের জন্য আট ঘণ্টা এবং নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনের জন্য আট ঘণ্টা – এই নীতিই ন্যায্য।
Haymarket Affair (১৮৮৬):
* ১৮৮৬ সালের ১লা মে, আমেরিকার শিকাগোতে কয়েক হাজার শ্রমিক আট ঘণ্টা কাজের দিনের দাবিতে শান্তিপূর্ণ ধর্মঘট শুরু করে।
* ৩রা মে, ম্যাককর্মিক হার্ভেস্টিং মেশিন কোম্পানির শ্রমিকদের একটি সমাবেশে পুলিশ গুলি চালায়, যাতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক নিহত হন।
* এই ঘটনার প্রতিবাদে ৪ঠা মে, হে মার্কেট স্কয়ারে একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রায় ৩০০০ শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
* সমাবেশের শেষ পর্যায়ে, হঠাৎ করে একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়, যাতে একজন পুলিশ অফিসার নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন।
* বোমা হামলার পর পুলিশ শ্রমিকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন শ্রমিকও নিহত হন এবং বহু লোক আহত হন।
* এই বোমা হামলার জন্য আটজন শ্রমিক নেতাকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়। যদিও তাদের সরাসরি বোমা হামলার সাথে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও বিচারের নামে প্রহসন করে কয়েকজনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
* ১৮৮৯ সালে, প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক কংগ্রেসে (Second International) ১লা মে কে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
* এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য ছিল হে মার্কেট স্কয়ারের শহীদ শ্রমিকদের স্মরণ করা এবং বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের আট ঘণ্টা কাজের দিনের দাবির প্রতি সংহতি জানানো।
* তখন থেকে, প্রতি বছর ১লা মে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শ্রমিকদের অধিকার ও আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই দিনে শ্রমিক সংগঠনগুলো মিছিল, সমাবেশ ও আলোচনার আয়োজন করে শ্রমিকদের অধিকার এবং বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে।
মে দিবস শুধু একটি ছুটির দিন নয়, এটি শ্রমিক শ্রেণির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস এবং তাদের অধিকার আদায়ের প্রতীক। এই দিনটি শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং ন্যায্য অধিকারের জন্য লড়াই করার অনুপ্রেরণা যোগায়।
সংগৃহীত:- এ আই।
29/04/2025
ইসলামে নারীদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চে স্থান দেওয়া হয়েছে। ইসলাম আগমনের পূর্বে নারীদের যে অমর্যাদাকর পরিস্থিতিতে রাখা হতো, ইসলাম এসে সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় এবং তাদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। কুরআন ও হাদিসে নারীদের মর্যাদা সম্পর্কে অনেক সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
কুরআনের আলোকে নারীদের মর্যাদা:
* আল্লাহ তা'আলা কুরআন মাজিদে নারী ও পুরুষ উভয়কেই 'একই আত্মা' থেকে সৃষ্টি করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন (সূরা নিসা ৪:১)। এর মাধ্যমে উভয়ের মৌলিক মানবীয় মর্যাদার সমতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
* কুরআনে নারীদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে স্বতন্ত্র সূরা 'আন-নিসা' (নারী) বিদ্যমান, যা ইসলামে নারীদের গুরুত্বের পরিচায়ক।
* আল্লাহ তা'আলা নারীদের সাথে সদাচরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাদের প্রতি কোনো প্রকার অবিচার বা জুলুম করাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন (সূরা নিসা ৪:১৯)।
* কোরআনে বলা হয়েছে, "আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে বসবাস করো সদাচারের সঙ্গে।" (সূরা নিসা ৪:১৯)
* পিতা-মাতার সম্পত্তিতে নারীদের উত্তরাধিকারের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে (সূরা নিসা ৪:৭)।
* সৎকর্মশীল নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই আল্লাহ জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন (সূরা নিসা ৪:১২৪)।
হাদিসের আলোকে নারীদের মর্যাদা:
* নবী মুহাম্মদ (সাঃ) নারীদের প্রতি দয়ালু ও সহানুভূতিশীল হওয়ার জন্য পুরুষদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।"
* তিনি আরও বলেছেন, "মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।" এর মাধ্যমে মাতৃত্বের সর্বোচ্চ মর্যাদা ঘোষণা করা হয়েছে।
* কন্যাসন্তান লালন-পালনের গুরুত্ব সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত হয়েছে। নবী (সাঃ) বলেছেন, "যার তিনটি কন্যাসন্তান অথবা তিনটি বোন থাকবে, আর সে তাদের প্রতি যতœশীল হয় এবং তাদের হক সম্পর্কে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্য বেহেশত অনিবার্য।"
* বিধবা ও অসহায় নারীদের ভরণ-পোষণকারীর মর্যাদা ইসলামে অনেক বেশি। নবী (সাঃ) বলেছেন, "যারা বিধবা নারীর ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেয়, তারা যেন আল্লাহর পথে জিহাদকারী এবং নিরলস নামাজি ও সদা রোজা পালনকারী।"
* নারীদের শিক্ষাগ্রহণের অধিকারের উপরও ইসলামে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নবী (সাঃ) বলেছেন, "জ্ঞানার্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরজ।"
ইসলামে নারী শুধু মাতা, স্ত্রী, কন্যা বা বোন হিসেবেই নন, একজন স্বতন্ত্র সত্তা হিসেবেও সম্মানিত। তাদের নিজস্ব মতামত, অধিকার এবং কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম নারীদের অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষাগত এবং আইনি অধিকার নিশ্চিত করেছে।
সূত্র: এ আই।
28/04/2025
অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনোই দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি। সে প্রায়ই তার বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে বলত, “বাবা, দেখো, ও কত ব্র্যান্ডেড ঘড়ি পরে এসেছে!” কিংবা, “বাবা, ওর ব্যাগটা কত সুন্দর, ইম্পোর্টেড।”
আমি শুধু হেসে মাথা নাড়াতাম।
তবে সে কখনোই এসব চায়নি।
একদিন হালকা পায়ে ব্যথা পেয়েছিল। বলল, “বাবা, আজ তোমার অফিসের গাড়িতে করে স্কুলে নামিয়ে দেবে?”
আমি ওর কষ্ট বুঝে রাজি হলাম। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ ও আমার সঙ্গেই গেল।
একদিন দেখলাম, হাঁটতে আর ওর ইচ্ছে করছে না। আমি আগেই বলে দিলাম—
“অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যায় না। স্কুল মাত্র দশ মিনিটের পথ। একটু আগে বেরোলে হেঁটেই যাওয়া যাবে।”
ওর মন খারাপ হয়ে গেল। স্ত্রীও অভিমান করল, "এমন করলে কেনো?"
আমার জবাব ছিল না।
সেদিন সন্ধ্যায় ছেলে বলল, “বাবা, জানো? আমার এক বন্ধু শহরের সবচেয়ে ভালো স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও...”
আমি থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “বাবা, বলো তো—স্কুল ভালো হয়, না ছাত্র?”
"ধরো, আমি তোমাকে ওই স্কুলে দিলাম। তুমি যদি ফেল করো, তখন কি বলবো—তুমি ফেল করেছো, না স্কুল?”
সে মাথা নিচু করে বলল, “বুঝেছি, বাবা।”
আমি ওর মাথায় হাত রেখে বললাম, “তোমার ক্লাসে আজ পর্যন্ত কেউ তোমাকে টপকাতে পারেনি। তুমি ফার্স্ট বয়। তুমি যেখানে যাবে, সেখানেই সেরা হবে।”
ও আর কোনোদিন সেই কথা বলেনি।
এক বিকেলে বলল, “বাবা, একজন এক্সট্রা টিউটর দরকার। ম্যাথ আর ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে।”
আমি বললাম, “বাবা, একটু কষ্ট করতে হবে। আমি যখন রাত ৯টা-১০টায় বাড়ি ফিরবো, তখন আমার কাছেই পড়তে হবে।”
ছেলে বলল, “তুমি তো ক্লান্ত থাকো, বাবা।”
আমি হেসে বললাম, “আমার সামর্থ্য নেই আলাদা টিচার রাখার। বরং আমি কষ্ট করবো। কি বলো?”
সে আমাকে জড়িয়ে ধরল।
স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি তো দশটা টিউটর রাখতে পারো। তাহলে এমন করো কেনো?”
আমি বললাম, “আমি চাই, ও বুঝুক—আরামে কিছু পাওয়া যায় না। অভাব আসলে কীভাবে লড়াই করতে হয়, সেটা শিখুক।”
তিনি চুপ হয়ে গেলেন।
আমার ছেলে আর আমি মাঝে মাঝে ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু, দরিদ্র মানুষ—ওকে দেখাই। বলি, “পৃথিবী ভাবনায় যতটা সুন্দর, বাস্তবে ততটাই কঠিন।”
আমি কখনো চাওয়া মাত্র কিছু দেইনি।
একদিন ও বলল, “বাবা, তুমি এমন কেনো?”
আমি বলেছিলাম, “সময় হলে বুঝবে।”
দু-তিন দিন আগে ইলিশ আর মাংস-পোলাও খেতে চাইল।
বললাম, “টাকা কম। তোমার কাছে কিছু আছে?”
ও পঞ্চাশটি দশ টাকার নোট বের করল। আমি অবাক!
বলল, “না বাবা, খরচ করিনি। আমার এক বন্ধু স্কুলে না খেয়ে আসে। মা যা দেন, তা আমার যথেষ্ট। কিছু মানুষ সামান্যটাও পায় না। তাই টাকা জমাই।”
আমি তাকিয়ে রইলাম। তারপর ইলিশ কিনে নিয়ে এলাম। তাকে ইলিশ আর মাংস পোলাও খাওয়ালাম।
ইচ্ছে করেই অভাব দেখাই, যাতে জীবনটা বোঝে।
ঈদের সময় মার্কেটে গিয়ে বললাম, “সাধ্যের মধ্যে নিও।”
সে শুধু একটা প্যান্ট নিল। বলল, “তোমার জন্য পাঞ্জাবি, মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি।”
আমি হেসে উঠলাম। সে শিখে ফেলেছে টাকা খরচের মূল্য।
একদিন বলল, “বাবা, সায়নটা মানুষ হলো না, অথচ তার বাবা যা চেয়েছে সবই দিয়েছে।”
আমি বললাম, “আমি কি তোমাকে কিছু দেইনি?”
সে মাথা রেখে বলল, “তুমি যা দিয়েছো, তা সবার ওপরে। তুমি শিখিয়েছো, অভাবে যেন চরিত্র নষ্ট না হয়। তুমি শিখিয়েছো, কীভাবে অভাবকে ভালোবাসতে হয়। তুমি ছাড়া তোমার কিছু নেই, এটা জানি। আর বাকিটা আমাকে গড়ে নিতে হবে।”
“আমি জানি আমি কে, তাই সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না, বাবা।”
তার কথা শুনে আমি নিশ্চিন্ত।
কয়েক বছর পর নিজের রোজগারে প্রাইভেট কার কিনল।
হাসতে হাসতে বলল, “পাঁচ বছরে টিফিন আর বোনাসের টাকা জমিয়েছি।”
তখন বুঝলাম, আমার ছেলে শুধু সঞ্চয়ী নয়, মানুষও হয়েছে।
এক সপ্তাহ পর আমি সব সম্পত্তি ওর নামে লিখে দিলাম।
সে দলিল ফেরত দিয়ে বলল, “তোমরা পাশে থাকো, আর কিছু লাগবে না।”
আমি স্ত্রী নীলিমাকে বললাম, “দেখেছো, আমি ভুল করিনি। আমি আমার ছেলেকে মানুষ বানাতে গিয়ে বাবার দেওয়া জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাই দিয়েছি। আমি ওকে শিখিয়েছি, অভাবে যেন মাথা নিচু না হয় বরং আরো শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হয়।”
(সংগৃহীত)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dinajpur
5290