Helping Kaka
যেকোনো অবস্থায় থেকে অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন। দেখবেন কখন যেন নিজেরই ভালো গেছে। যে সৃষ্টির সেবা করে সৃষ্টিকর্তা তার অবশ্যই ভালো করবে।
বি দ্র: ভিডিওগুলো দেওয়ার কারণ আর একজন যেন উৎসাহিত হয়।
দাসত্ব আমরা নিজেরাই গ্রহণ করি।।
নিচের গল্পটা পড়লে বুঝবেন।।
একজনের facebook ওয়াল এ পেয়েছি।।
।।।।।।
জাপান – একটি দেশ, যাকে দুটি পরমাণু বোমা ধ্বংস করেছিল।
কিন্তু তারা কখনও ভিক্ষা চায়নি । কখনও দয়া ভিক্ষা করে হাত পাতেনি ।
নিজেদের আত্মসম্মান ও অটল ইচ্ছাশক্তি দিয়ে তারা আবার গড়ে তুলেছে নিজেদের।
আজও ইতিহাসে কোথাও নেই যে , জাপান আমেরিকার কাছে ভিক্ষা চেয়েছে ।
একজন ভারতীয়, যিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানে বাস করছিলেন, একটি অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করলেন।
মানুষজন সদয়, ভদ্র, সাহায্যপ্রবণ।
কিন্তু একজনও তাকে বাড়িতে ডেকে এক কাপ চা খাওয়াল না।
তিনি অবাক ও কষ্ট পেলেন ।
অবশেষে তিনি এক জাপানি বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলেন:
“কেন ?”
দীর্ঘ নীরবতার পর জাপানি বন্ধু বললেন :
“আমরা ভারতীয় ইতিহাস পড়ি… অনুপ্রেরণার জন্য নয়, সতর্কবার্তা হিসেবে।”
ভারতীয় হতভম্ব হয়ে বললেন: “সতর্কবার্তা ?”
জাপানি উত্তর দিলেন:
“ তুমি জানো, কতজন ব্রিটিশ ভারতে শাসন করেছিল ?”
তিনি একটু ভেবে বললেন: “হয়তো… ১০ হাজার?”
জাপানি গম্ভীরভাবে মাথা নাড়লেন ।
“আর ভারতের জনসংখ্যা? ৩০ কোটির বেশি, তাই না?”
“ তাহলে আসল শাসক কারা ছিল ? কে তোমাদের মারল , শোষণ করল, গুলি চালাল ? কেবল ব্রিটিশ নয়। তোমাদের নিজেদের মানুষ।”
“যখন জেনারেল ডায়ার চিৎকার করে বলল ‘ফায়ার’, তখন কারা ট্রিগার টিপেছিল ? ব্রিটিশ নয় — ভারতীয় সৈন্যরা।
একজনও বন্দুক ফিরিয়ে অত্যাচারীর দিকে তাক করেনি।”
“দাসত্বের কথা বলছ ? দাসত্ব ছিল দেহের নয়, আত্মার।”
জাপানি আবার বললেন :
“কতজন মোগল ভারতে এসেছিল ? কয়েক হাজার মাত্র।
তবুও তারা শতাব্দীর পর শতাব্দী শাসন করেছে। সংখ্যার জোরে নয়, তোমাদের নিজেদের দাসত্বের কারণে।
বাঁচার জন্য … কিংবা রূপোর মুদ্রার জন্য, তোমরাই মাথা নোয়ালে ।”
“তোমাদের নিজেদের মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছে।
নিজের ভাইরাই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
নিজেরাই তোমাদের বীরদের ধরিয়ে দিয়েছে।
চন্দ্রশেখর আজাদকে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল।
ভগত সিংকে ফাঁসি দেওয়া হল, অথচ তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের মধ্যে একজনও এগিয়ে এল না।”
“তোমাদের শত্রুর দরকার নেই ।
বারবার তোমাদের নিজেদের মানুষই বিক্রি করে দেয় ক্ষমতার জন্য , পদমর্যাদার জন্য, স্বার্থের জন্য।
এই কারণেই আমরা দূরত্ব বজায় রাখি ।”
“ যখন ব্রিটিশরা হংকং বা সিঙ্গাপুরে গিয়েছিল , স্থানীয়রা কখনও তাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়নি ।
কিন্তু ভারতে ? তোমরা শত্রুর সেনায় যোগ দিয়েছিলে।
তাদের সেবা করেছিলে । তাদের পূজা করেছিলে।
নিজেদের মানুষ হত্যা করেছিলে তাদের খুশি কর।
।।।।।।।
08/10/2025
Good morning everyone.
বিড়াল নিয়ে কিছু কথা।
।।ধর্মীয় মতামত।।
সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) বিড়াল খুব পছন্দ করতেন। রাসুলের দরবারে থাকা অবস্থায় একবার তাঁর চাদরের আস্তিন থেকে একটি বিড়ালছানা বেরিয়ে পড়ে। তখন আল্লাহর রাসুল (সা.) তাকে মজা করে বলেন, ‘ইয়া আবু হুরায়রা !’ অর্থাৎ ‘হে বিড়ালের পিতা!’ আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, বিড়াল নামাজ বিনষ্ট করে না।
কারণ তা ঘরের জিনিসপত্রের অন্তর্ভুক্ত।
(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৬৯)
।।বৈজ্ঞানিক মতামত।।
পোষা প্রাণী হিসেবে বিড়াল পালন মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতেও বেশ অবদান রাখতে পারে। ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে-‘Medium ’-এ প্রকাশিত Amelia Carpenter-এর লেখা আর্টিকল ‘Cats are better than dogs, even science says so’ -তে উল্লেখ করেন—‘বিড়াল নাটকীয়ভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে। বিড়ালের সঙ্গে আদরে ভালোবাসায় সময় কাটানো মানুষের হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা ৪০ শতাংশ কমে যায়। তিনি আরো বলেন, ‘তুলতুলে ছোট বন্ধুসুলভ বিড়ালের সাহচর্যে আপনি আপনার রক্তচাপ ও নিত্যদিনের চাপ (Stress) কমাতে পারেন।
বি দ্র : আপনারা অনেকেই হয়তো ইনফরমেশন গুলো জানতে পারেন। তারপরও এখানে দেওয়া কারণ আমরা এই পেজটি সাহায্য মূলক কাজের জন্য তৈরি করেছি। সেটি যেকোনো ধরনের সাহায্য হতে পারে।
07/10/2025
আসসালামু আলাইকুম
চা এর উপকারিতা। সময় চিন্তা করা মনে হয় একটু কঠিন। পৃথিবীতে প্রত্যেকটা জিনিসের দুইটা সাইড থাকে। চা সম্পর্কে দশটি উপকারের কথা উল্লেখ করলাম। অবশ্যই সম্রাট শেন নুং কে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। কারণ তিনি এত সুন্দর একটা জিনিস আবিষ্কার করছিলেন।
চা এর অনেক উপকার থেকে দশটি উপকার উল্লেখ করলাম। আশা করি পোস্টটি সবার কাজে লাগবে।
1. ক্লান্তি দূর করে ও মনকে সতেজ রাখে
2. হজমশক্তি বাড়ায়
3. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
4. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে
5. হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
6. ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়
7. মানসিক চাপ কমায়
8. ঠান্ডা, কাশি ও গলা ব্যথায় উপশম
9. ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে
10. পটাশিয়াম সরবরাহ করে
আজ মনটা খুব খারাপ বেশি কথা লিখব না।
আজকে দেখছি কয়েকটা কাস্টোমার খাবার অপচয় করছে। খাবার যে খারাপ হইছে তা না। খাবার ঠিকঠাকই ছিল। একটা কাস্টমার বাদে বাকি সবাই আলহামদুলিল্লাহ আমার প্রস্তাবটি সহজে নিয়েছে এবং কথাগুলো শুনেছে। যারা আমার কথা শুনেছে এবং বুঝেছে সকলকে ধন্যবাদ। আর যে ভাইটি বুঝেনি সৃষ্টিকর্তা তাকে তৌফিক দান করুক।
আমি যেটা বলেছিলাম, যে ভাই খাবার যদি খারাপ না হয়। তাহলে বাকিটা পার্সেল নিয়ে যান পথে কোন পথ শিশুকে অথবা ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে দিয়ে দিয়েন।
জুম্মা মোবারক
বিড়াল
বিড়াল খুব একটি নিরীহ প্রাণী। আমাদের ইসলাম ধর্মীয় মতে বিড়াল পালা সুন্নত। হাদিসের মতে বিড়াল যে খাবারে মুখ দেয় ওই খাওয়া যায়। বিড়াল কখনো নাপাক জায়গা বসবাস করে না। আমাদের শহরের চারপাশে তারপর দেখা যায়। আমার যে বিড়াল গুলো আমরা লালন করি ওই বিড়াল গুলোর প্রতি আমরা কত মাইয়া দেখায়। কিন্তু রাস্তাঘাটে যে বিড়ালগুলা আমরা দেখি ওদের প্রতি ৯০% লোকের কোন মায়া দেখি না। কিন্তু এই কেন সেটা বুঝতে পারিনা। বাইরে যে বিড়াল গুলো বসবাস করে তাদেরকে আমাদের উচিত একটু খেয়াল রাখা। এই বিড়ালগুলোই কিন্তু আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে অনেক বড় অবদান রাখে। তাই আসুন সবাই মিলে সৃষ্টিকর্তার প্রত্যেকটা সৃষ্টির খেয়াল রাখি। তাহলে দেখবেন আমাদের পরিবেশটা কত সুন্দর হয়ে উঠেছে। কারণ সৃষ্টিকর্তা প্রত্যেকটা সৃষ্টির মাঝেই কোন না কোন নেয়ামত রেখেছে আমাদের জন্য।
পজিটিভ মানসিকতার উপকারিতা ।
১. মানসিক চাপ কমে
২. বিষণ্ণতা হ্রাস পায়
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
৪. শরীর ও মন সুস্থ থাকে
৫. জীবনে সফলতা অর্জনে সহায়তা করে
৬. ইতিবাচক চিন্তা করলে শরীরে ডোপামিন ও সেরোটোনিন নিঃসরণ হয়, যা 'হ্যাপি হরমোন' নামে পরিচিত।
৭. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
৮. যে কোন কাজে সত্যটা বের হয়ে আসে।
৯. বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়।
১০. ধর্মীয় কাজে আগ্রহ বাড়ে।
এরকম আরো অনেক উপকারিতা আছে।
সহযোগিতা
সহযোগিতা মানে শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতা সেটা কিন্তু না। আপনি যেকোনো ভাবে আপনার থেকে ছোট বড় সকলকে সহযোগিতা করতে পারেন। এর জন্য যে অর্থ লাগবে সেটা কিন্তু না। আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে একে অপরের সহযোগিতা ছাড়া কোনভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। এই যে ভিডিওটা আমাদের দোকানে এই ছেলেটি সকলকে পানি দিয়ে সহযোগিতা করে। সারাদিন পানি দেওয়ার পর ছেলেটি অনেক ক্লান্ত। এই ট্রিপ মনে হয় ওর পানি দেয়া শেষ ট্রিপ। ও ক্লান্ত ভরা চোখে আমার এই পাশের দোকানদার কে বলল ভাই গাড়িটা এই ঢাল থেকে উঠাইতে খুব কষ্ট হচ্ছে। একটু দেখবেন প্লিজ। আমার এই দোকানদার ভাই ও কিন্তু অনেক ক্লান্ত। পানি দেওয়ার ছেলেটির ক্লান্তি দেখে আমাদের দোকানদার ভাইটি ওকে হেল্প করতে গেল। কতটুকুই সময় বা লাগছে। এই ১০-১২ সেকেন্ড। কিন্তু এই ১০ বড় সেকেন্ড সহযোগিতা করার কারণে তাদের দুজনের সুন্দর একটা বন্ডিং তৈরি হলো। এবং ওই ছেলেটির ও অন্যকে সহযোগিতা করার মনোভাব তৈরি হলো। এজন্যই আমরা সব সময় বলি কাউকে সহযোগিতা করতে শুধু আপনার পজেটিভ মানসিকতার দরকার। অন্য কিছুর নহে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকল ভাল কাজকে কবুল করুক। এবং সবার মাঝে সহযোগিতার মনোভাব তৈরি করে দিক।
বি দ্র : ভিডিও দেওয়ার কারণ যেন অন্য আরেকজন সহযোগিতা করার জন্য উৎসাহিত হয়।
প্রকৃতি
মাঝে মাঝে নিজেকে খুব অপরাধী বোধ করি। কারণ সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি এই প্রকৃতি আমাকে কত কিছুই না দিয়েছে। কিন্তু আমি তাকে কতটুকুই বা দিতে পারলাম। এটা যখন মনে পড়ে নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হয়।
আর দেখুন প্রকৃতিও কিন্তু আমাদের কাছে তার জন্য কিছু করতে বলে না। আমাদের প্রকৃতিকে কিছু দেওয়ার দরকার নাই। শুধু তার ক্ষতিটা না করলেই হল। তবেই প্রকৃতি তাকে নিজেকে সারিয়ে নিতে পারবে। ঠিক যেমন আপনি কারোর উপকার করলেন না সমস্যা নাই। কিন্তু ক্ষতির কারণ হইয়েন না। আসুন প্রকৃতিকে ভালোবাসি। প্রকৃতির উপকার করতে পারি আর না পারি কিন্তু ক্ষতি যেন না করি।
কিছু কিছু বাস্তব মানতে খুব কষ্ট হয়।
ভিডিওতে যে ছেলেটি দেখতে পাচ্ছেন। তার বয়স কত হবে ১২ থেকে ১৪। এই বয়সে ছেলেটার কি করার কথা। এই সময়টা তো ওর পড়াশোনা খেলাধুলা এগুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা। কিন্তু নিয়তির কি পরিহাস এই ১২-১৩ বছরের ছেলেটির এখন সংসার এর পুরো দায়িত্ব নেওয়া। ওর আবার ছোট বোন আছে। তাকে সে কোন কিছু করতে দেয় না। ছোট বোনটা শুধু পড়াশোনা করে খেলাধুলা করে। ছোট বোনটা ওর মাত্র এক বছরের ছোট। ছেলেটি কাজও করে আবার মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। আর আমাদের সমাজের কিছু শিক্ষিত বেকার ছেলেপেলে। কাজ করতে লজ্জা পায়। অথচ মুখে বুলি ছাড়ে কোন কাজ লজ্জার নয়। এটা শুধু তাদের মুখের কথা। এই সমস্ত লোকদের বাচ্চা ছেলেটির কাছ থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1216