Mijanms.com

Mijanms.com

Share

18/03/2023

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।
হাত লাগলেই শেষ।
সেইটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোনো পুরুষের।

যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে,
তার লজ্জা তত কমবে।
যেমন-চিত্র নায়িকারা।
বিকিনি পড়তেও দ্বিধা করেনা।
পুরুষের মাঝে থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে।
কনজারভেটিভ ফ্যামিলির মেয়েকে ওড়না ছাড়া
দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
ইদানিং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের
ভূমিকা পালন করছে।-
ফেসবুকে বন্ধু বেশি।
অতি-আধুনিকরা ছেলে বন্ধুর সঙ্গে
পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে।
ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা
বলে- মাইন্ড করলে বলে '' জাস্ট
কিডিং, টেক ইট ইজি।'
ইজিলি নিতে নিতে সেই অশালীন
বিষয় আর অশালীন লাগে না।
লজ্জা শেষ !
আবার ফেসবুকে প্রেমিক বেশি!!
কেউ প্রেমে পড়েছে তো,
প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
স্বামীর মতো।
এরপর ব্রেকআপ হয়।
আবার কারো প্রেমে পড়ে।
আবারো চুম্মা-চাটি,আরো কত কি করে !!
আবার ব্রেকাপ।
লজ্জা -শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ
হয়ে যায়।
'প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে,
পুরুষের সব বিলীন হয়ে যায়।
নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো।
প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে।
পরে ২০-২৫ টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যস !
এক সময় পুরুষের প্রতি ফিলিংস কাজ করেনা।
প্রেমিকের ভালবাসা তার কাছে পানসে লাগে।
একটার পর একটা পুরুষ বদল করে।
কিন্তু স্থির হতে পারে না।
জানাশোনা শেষ হলেই - আর ভালো লাগে না।
বোরিং লাগে।
কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতে ভালবাসার
অনুভূতিই শেষ !
মুরব্বীরা বলতেন বিয়ের পরে মেয়ের
লজ্জা কমে।
বাচ্চা হবার পরে আরো কমে যায়।
তখন বুঝতাম না।
ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
tongue emoticon
এখন বুঝি।
আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিলো পুরুষ।
তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে।
এখন বিয়ে লাগে না পুরুষের কাছে
আসতে- ফেসবুক হলেই চলে।
ফেসবুক সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।

লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন,
তারপরে মন্তব্য করুণ।

আর যাদের এই লেখা পড়ে গায়ে লাগবে লেখাটা বিশেষ ভাবে তাদের জন্য..

আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন যেনো আমাকে তার প্রেমের আসক্তি হবার তৌফিক দান করেন..আমিন

আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুন...

আমিন আমিন ছুম্মা আমিন ♥♥

01/03/2023

১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করা ছেলেটাকে আজকের সমাজে সবাই বলে, "হ্যাঁ ছেলেটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। "
কিন্তু ৩ লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে ব্যবসা করার পর ,যেই ছেলেটা সমপরিমাণ টাকা উপার্জন করে অর্থাৎ ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করা ছেলেটাকে আজকের এ সমাজ বলে, ছেলেটা এখানো দাঁড়াতে পারলো না শেষ পর্যন্ত ......."ব্যবসা"।
যে ছেলেটা তার উপার্জন শুরুই করে হারাম দিয়ে, সেই সমাজ তাকে করে পুরুস্কৃত।
আর যেই ছেলেটা তার উপার্জন শুরু করে হালাল দিয়ে, সেই সমাজ তাকে করে তিরস্কার। হালাল কাজ
যার যেটা ভালোলাগে করবে চাকুরি হোক আর ব্যবসাই হোক।
দৃষ্টিভঙ্গি বদলান,জীবন বদলে যাবে।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Krishnapur, 7821 Faridpur
Dhaka