Rakhal Raha
সমাজে মতপ্রকাশ কি, চিন্তার প্রকাশ কি এবং মহৎ বিষয় আকড়ে ধরে ভণ্ডামী করলে সেই ভণ্ডের চিত্রায়ণ কবি-লেখক শিল্পীরা করতে পারবেন কিনা, পারলে কিভাবে পারবেন—এটার প্রতি আমরা সুস্থভাবে চিন্তা করে উত্তর দিতে কতখানি সক্ষম তা বুঝতে কবিতার মতো ৪টা লাইন এর আগে পোষ্ট দিয়েছিলাম। দিয়ে অনুরোধ করেছিলাম যুক্তিহীন বা এলোমেলো মতামত না রাখতে।
মুষ্টিমেয় কিছু ধর্মপ্রাণ মানুষ সুন্দর জবাব দিলেন। তাদের মত হলো: সমাজের ভণ্ডামীকে চিত্রিত করা যাবে, তবে তা করতে হবে এমনভাবে যেন তা ভণ্ডরা যেসব মহৎ বিষয়কে আশ্রয় করে ভণ্ডামী করছে, সেই মহৎ বিষয়ের প্রতি কোনো ধরণের নেতিবাচক বা অবমাননাকার শব্দ প্রয়োগ করে যেন তা করা না হয়। এটা করলে ক্ষতি হবে।
কিন্তু অসংখ্য মানুষ যুক্তিহীন ও এলোমেলো কমেন্ট করলেন। অসংখ্য মানুষ এটাকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসাবে চিহ্নিত করে কথা বললেন।
কয়েকজন ধর্মপ্রাণ মানুষ ফোন করলেন। আমার একজন প্রিয় মুফতী বললেন, ধরে নেন মানুষ অবুঝ, কিন্তু সেই অবুঝের মনোস্তত্ত্ব যদি আপনি জেনে থাকেন তবে এ নিয়ে কেন তাদের পরীক্ষার মধ্যে ফেলছেন? কারণ এটা তো একদিনে তৈরী হয়নি! এটা করা তো উচিত নয়। সুতরাং আপনি সম্পাদনা নিয়ে, শিক্ষা নিয়ে সমাজের জন্য যে কাজগুলো করছেন সেগুলো করাই তো আগে দরকার।
আমি তার এই যুক্তিতে একমত। যে মনস্তত্ব একদিনে তৈরী হয়নি, যার দায়ও তাদের একার না, অথচ রাষ্ট্রের শাসন-প্রশাসন-বিচারের গুণগত মানের একবিন্দু পরিবর্তন না এনে তাদেরকে প্রতিনিয়ত পরীক্ষার সম্মুখীন করা কতটা যৌক্তিক, এই প্রশ্নটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমি পোষ্টটা সরিয়ে নিলাম। ক্ষমা করুন অধমকে। বাংলাদেশ একটা সহনশীল ও পরমতসহিষ্ণু রাষ্ট্র হোক। সৃষ্টিকর্তা আমাদের মধ্যে বোধ জাগ্রত করুন। সবার কল্যাণ কামনা।
রাখাল রাহা, ১৭ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1205