Muslim Doctor

Muslim Doctor

Share

25/03/2026

নারীরা ক্যারিয়ারের মই বেয়ে যত উপরে ওঠে, তাদের রিয়েল লাইফ ডেটিং পুল বা অপশন তত ছোট হতে থাকে।

ফেমিনিস্টরা বা মডার্ন নারীরা নিজেদের একটা মিথ্যা সান্ত্বনা দেয়। তারা বলে, "পুরুষরা আসলে আমার সাকসেস দেখে ভয় পায়, ইন্টিমিডেটেড হয়।"

ভুল! ডাহা মিথ্যা কথা। এটা জাস্ট ওদের ইগো স্যাটিসফ্যাকশনের জন্য বানানো একটান্যারেটিভ। সত্যটা অনেক বেশি সিম্পল এবং ব্রুটাল।

নারীর স্ট্যাটাস, স্যালারি আর টাইটেল যত বাড়ে, তার স্ট্যান্ডার্ডও রকেটের গতিতে বাড়ে। হাইপারগ্যামি বা নারীমনস্তত্ত্ব অনুযায়ী, নারী সবসময় এমন কাউকে চায় যার দিকে সে Look Up করতে পারে। মানে যার স্ট্যাটাস, প্রেজেন্স, ইনকাম এবং লিডারশিপ কোয়ালিটি তার চেয়ে বেশি।

ফলে সে যখন জবে প্রমোশন পায়, তখন অটোমেটিক্যালি তার উপরের লেভেলের পুরুষের সংখ্যা কমতে থাকে। সে যদি তার চেয়ে বেশি ইনকাম করা পুরুষ খোঁজে, সে অলরেডি টপ ২০% পুরুষের পেছনে ছুটছে। বাকি ৮০% পুরুষ তার রাডারেই নাই, তারা অদৃশ্য। এর সাথে যোগ করুন হাইট, কনফিডেন্স, লুকস। ব্যাস! তার অপশন প্র্যাকটিক্যালি জিরো হয়ে যায়।

ধরে নিলাম সে অনেক খুঁজে একটা রেয়ার 'হাই ভ্যালু' পুরুষ পেল। কিন্তু রিলেশনশিপটা টেকে না। কেন জানেন?

কারণ ওই হাই ভ্যালু পুরুষের হাতে অপশন অঢেল। সে কেন একজন "কর্পোরেট বস" নারীকে চুজ করবে? নারীরা এটা ফেস করতে চায় না যে, হাই ভ্যালু পুরুষরা সচেতনভাবেই ক্যারিয়ার ওম্যানদের এড়িয়ে চলে। কারণটা ইনসিকিউরিটি না, কারণটা হলো এনার্জি।

কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে টিকে থাকতে হলে একজন নারীকে সারাদিন ম্যাসকুলিন মোডে থাকতে হয় - ডিরেক্ট, এসারটিভ, কম্পিটিটিভ, অলওয়েজ গেম অন। এই মোডটাই তার আইডেন্টিটি হয়ে যায়। সে বাসায় ফিরেও সেই মোড অফ করতে পারে না।

অথচ পুরুষ দিনশেষে কী চায়? সফট, রিসেপ্টিভ, ফেমিনিন এনার্জি। যে নারী তার লিডারশিপের সাথে পাল্লা দেবে না, বরং সেটাকে ন্যাচারালি রিসিভ করবে। স্ট্রং ম্যাসকুলিন পুরুষের দরকার সফট, নার্চারিং নারী। Polarity থাকতে হবে ভাই। প্লাসে-প্লাসে কারেন্ট ফ্লো হয় না। পুরুষরা ইয়াং মেয়েদের চুজ করে কারণ তাদের মধ্যে ওই ন্যাচারাল স্পার্কটা থাকে, যেটা কর্পোরেট গ্রাইন্ডে নষ্ট হয়নি।

তাহলে এরপর কী ঘটে?

ক্যারিয়ার ওম্যান তখন হেড দিয়ে ডিসিশন নেয়, হার্ট দিয়ে না। সে সেটেল করে। বিয়ে করে কোনো এক 'সেফ', 'ইজি গোয়িং', 'নাইস গাই' বা সোজা কথায় 'সিম্প' টাইপ পুরুষকে, যাকে সে সহজেই ম্যানেজ করতে পারবে।

শুরুতে সব শান্ত মনে হয়, ঝগড়া নেই। কিন্তু কয়দিন পরেই শুরু হয় বোরডম। সেখান থেকে আসে ডিসরেস্পেক্ট। আর শেষে স্বামীকে সে লিটারালি কুকুরের মত ট্রিট করে, চোখের মণি উল্টিয়ে কথা বলে। কারণ লজিক সিম্পল - নারীরা যার প্রতি সম্মান বা রেস্পেক্ট অনুভব করে না, তাকে ভালোবাসতেও পারে না।

বাসায় ফিরেও তার বসগিরি চলে। ভুল ধরা, অর্ডার দেওয়া, সব কন্ট্রোল করা। পোলারিটি মারা যায়। নারী হয়ে ওঠে সম্পর্কের পুরুষ, আর পুরুষ হয়ে যায় নারী। রেজাল্ট? ডিভোর্স বা চিটিং। এটা একটা লুপ।

পুরুষদের বলছি - সাবধান!

আপনি যদি কোনো হার্ডকোর ক্যারিয়ারিস্ট নারীর সাথে সিরিয়াস হতে চান, থামুন। ভাবুন। আপনি কোনো ওয়ার্ম পার্টনার পাবেন না, পাবেন একজন পার্ট-টাইম রুমমেট যে ২৪ ঘণ্টা বস মোডে থাকে। আপনি তার সাকসেস সেলিব্রেট করবেন, চিয়ার আপ করবেন - ফাইন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনি সবসময় হবেন নাম্বার টু।

তার ক্যারিয়ার ফার্স্ট। তার এনার্জি, ফোকাস সব অফিস খেয়ে ফেলে। আপনি পাবেন দিনশেষে চুষে নেওয়া এনার্জির উচ্ছিষ্টাংশ। রিয়েল টক হলো, তার মেইন ম্যান আপনি নন, তার অফিসের বস - যার অথরিটি সে মানে।

আর এই অবস্থায় পুরুষরা সবচেয়ে বড় ভুলটা করে - এটেনশন ভিক্ষা করা। একটু সময়ের জন্য সিম্পিং করা। ভাই, এটা করলে যেটুকু রেস্পেক্ট ছিল, সেটাও সেকেন্ডে ভ্যানিশ হবে। নারীরা এপ্রুভাল সিকারদের পছন্দ করে না।

অধিকাংশ পুরুষ এই সিচুয়েশনে মেনে নেয়। ভাবে ভালোবাসা মানেই সেক্রিফাইস। ভুল! এর ফলে ফ্রাস্ট্রেশন বাড়ে, আপনি ইনভিজিবল ফিল করেন। আর যখনই ডিমান্ড করবেন, উল্টো ট্যাগ খাবেন—"তুমি ইনসিকিউর", "তুমি আমার সাকসেস দেখে জেলাস"।

**আর ক্যারিয়ার ওম্যানদের জন্য শেষ কথা:
টাকা কামাও, এম্পায়ার বানাও, গো অ্যাহেড। কিন্তু মনে রেখো, সময় আর যৌবন কারো জন্য ওয়েট করে না। আপনি দুই নৌকায় পা দিয়ে চলতে পারবেন না। ক্যারিয়ার ফার্স্ট হলে লাভ লাইফ সেকেন্ড হবেই। বছর ঘুরবে, অপশন কমবে, স্পার্ক নিভে যাবে। আর দিনশেষে ওই এম্পায়ারে একা বসে কাঁদতে হবে।

চয়েস আপনার, কিন্তু প্রাইস তো পে করতেই হবে।

ক্রেডিট: Bold-Masculinity পুরুষতত্ত্ব

24/03/2026

BD medical colleges based on public impression

Inspired from memebrane

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka