Wafa

Wafa

Share

29/11/2025

মোশারফ নামে এক গরিব মানুষ ছিল। সে সকালে চা বিক্রি করত, আর দুপুরের পর ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করত। তার মুখে সবসময় হাসি থাকলেও বুকের ভেতর ছিল হাজারো কষ্ট।

একদিন সকাল বেলায় প্রচণ্ড বৃষ্টি হলো। তার চায়ের দোকানের ওপরের ছাউনি দিয়ে পানি পড়তে শুরু করল। দোকান ভিজে যাচ্ছিল, চা বানানোর চুলা নিভে যাচ্ছিল। এমন সময় এক গ্রাহক এসে বলল—

“ভাই, আজ কি চা পাব না?”

মোশারফ একটু লজ্জা নিয়ে বলল,
“চেষ্টা করছি ভাই, আগুনটা ঠিকমতো জ্বলছে না।”

লোকটি চুপ করে দাঁড়াল। কিছুক্ষণ পর চুলা জ্বলল, চা তৈরি হলো। চা খেয়ে গ্রাহক তার ভেজা মানিব্যাগ থেকে ১০ টাকার একটা কাগজ দিল।

টাকাটা ভিজে গিয়েছিল। মোশারফ বলল,
“ভাই, টাকা শুকনা নাই। সমস্যা হবে।”

লোকটি হেসে বলল,
“ভাই, টাকার ভেজা–শুকনা দেখে যদি মানুষকে বিচার করতেন, তাহলে আপনার চায়ের দোকানে প্রতিদিন এত লোক আসত?”

এ কথা শুনে মোশারফ থেমে গেল।

সে বুঝল—মানুষ টাকার দিকে না তাকিয়ে তার পরিশ্রম আর ভালোবাসার দিকে তাকায়।

সেদিন সে আকাশের বৃষ্টি দেখে নয়, নিজের চোখের ভেতরের বৃষ্টি দেখে হাসল।

শিক্ষাঃ
মানুষের মূল্য টাকা দিয়ে নয়—তার চরিত্র, পরিশ্রম ও আন্তরিকতা দিয়ে মাপা উচিত।

23/11/2025

আমি স্ট্রাকচারাল উইথ সাইস্মিক ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার নই । নিচের লেখাটি যিনি লিখেছেন তিনি একজন ক্যালিফোর্নিয়ার (আমেরিকার সবচেয়ে বড় সাইস্মিক জোন) লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার (PE)। যেই লাইসেন্স পেতে ওনাকে সাইসমিক ডিজাইনের উপর দক্ষতা অর্জন করে পরীক্ষায় পাশ করতে হয়েছে। বাংলাদেশে এই নির্দিষ্ট সাইসমিক যোগ্যতাসম্পন্ন ইঞ্জিনিয়ার খুব বেশি নাই।

গতকাল ঢাকার ভূমিকম্পের পর উনি ওনার ফেসবুকে বিল্ডিংয়ের উপর ভূমিকম্পের প্রতিক্রিয়া নিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেছেন। ওনার লেখাটি খুব ইম্পোর্ট্যান্ট, নিচে দিলাম:

আধুনিক ভবনগুলো মূলত দুই প্রধান ধরনের:

• কঠিন ভবন → বেশিরভাগ রিইনফোর্সড কংক্রিট (RC), ভারী এবং শক্ত
• নমনীয় ভবন → সাধারণত স্টিল-ফ্রেমড, হালকা এবং আরও নমনীয়

ভূমিকম্পের সময়, স্টিল ভবনগুলো অনেক দুলে (বিভিন্ন ভাইব্রেশন মোডে), যেখানে বিশাল রিইনফোর্সড কংক্রিট ভবনগুলো অনেক কম দুলে।

এখন, আমাদের উত্তরার ভবনকে উদাহরণ হিসেবে নেয়া যাক।

এটি একটি রিইনফোর্সড কংক্রিট স্ট্রাকচার যার ভিন্ন ভিন্ন দুটি অংশ:
১) সিঁড়ির কোর – সরু, ভারী রিইনফোর্সড, অত্যন্ত শক্তিশালী এবং শক্ত
২) প্রধান আবাসিক অংশ – অনেক বড়, নরম, এবং তুলনামূলকভাবে দুর্বল

ভূমিকম্প যখন ভবনটিকে নাড়ায়, এই দুটি অংশ ভিন্নভাবে নড়তে চায়।

এটি যেন দুই ভাই একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে: শক্তিশালীটা (সিঁড়ির কোর) প্রায় নড়ে না, কিন্তু দুর্বলটা (প্রধান ভবন) আরও দুলতে চেষ্টা করে।

যেহেতু তারা সংযুক্ত, তাদের সংযোগস্থলে বিশাল বল তৈরি হয়, এবং ফাটল দেখা যায় – প্রায় সবসময় দুর্বল পাশে (আবাসিক অংশে)। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত।

সাধারণভাবে ফাটল সম্পর্কে কিছু কথা:

- আন-রিইনফোর্সড ম্যাসনরি (ইট বা CMU) ভবনে → ফাটল (বিশেষ করে উল্লম্ব বা তির্যক) খুব বিপজ্জনক হতে পারে।

- সঠিকভাবে ডিজাইন করা রিইনফোর্সড কংক্রিট ভবনে → শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ফাটল হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু তা সবসময় বিপজ্জনক নয়।

কেন?

কারণ রিইনফোর্সড কংক্রিট একটি কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল (স্টিল+কংক্রিট) :
• স্টিল নমনীয় – এটি ভাঙার আগে অনেক প্রসারিত এবং বাঁকানো যায়।
• কংক্রিট ভঙ্গুর – এটি স্ট্রেইনের অধীনে সহজে ফাটল পড়ে, ঠিক কাচের মতো।

আধুনিক সিসমিক ডিজাইনে, আমরা আসলে ধরে নিই যে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় রিইনফোর্স্ড কংক্রিটে ফাটল পড়বে এবং আমরা সেভাবেই স্টিল রিইনফোর্সমেন্টকে ডিজাইন করি যাতে এটি দায়িত্ব নেয় এবং স্ট্রাকচারকে নিরাপদ রাখে।

যেহেতু ভূমিকম্পের পর ফাটল পড়া কংক্রিট স্বাভাবিক তাই আমরা ভূমিকম্পের মতন চরম ঘটনায় এটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে “ফাটলযুক্ত সেকশন” হিসেবে ডিজাইন করি।

সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো এই ফিলোসফির একটি ভালো বাস্তব উদাহরণ।

তাই দয়া করে RC (রিইনফোর্স্ড কংক্রিট) ভবনে ফাটল দেখলে আতঙ্কিত হবেন না – বিশেষ করে সিঁড়ির কোর বা লিফট কোর এলাকায়। উদাহরণ হিসাবে ধরা আমাদের উত্তরার ভবনটি একদম ঠিক আছে এবং প্রত্যাশিতভাবে আচরণ করছে। সেক্ষেত্রে, যা করা যেতে পারে: (অবশ্যই প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার সরেজমিন তদন্তের পর) - ফাটলগুলো সঠিক তরল (নন-শ্রিঙ্ক) মর্টার বা ইপক্সি ইনজেকশন দিয়ে ভরাট করুন যাতে স্টিল রিইনফোর্সমেন্টকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করা যায়। পরে ভবনটি রং করুন। যেহেতু আমাদের উত্তরার ভবনটি গভীর পাইল গ্রুপের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং পানির স্তর বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমের কারণে খুব নিচে, তাই লিকুইফেকশনের কোনো ঝুঁকি নেই। কোনো সেটেলমেন্ট আমাদের ভবনের ক্ষেত্রে সমস্যা প্রত্যাশিত নয়।

তবে, ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভবনের বিপদের লক্ষণগুলো পরীক্ষা করা জরুরি। সতর্কতার সাথে এই লক্ষণগুলো দেখুন:

১) প্রশস্ত ফাটল, বিশেষ করে কলাম, বিম বা লোড-বেয়ারিং দেয়ালের মধ্য দিয়ে যাওয়া ফাটল।

২) দেয়ালে তির্যক বা ডায়াগোনাল ফাটল , যা স্ট্রাকচারাল দুর্বলতা নির্দেশ করতে পারে।

৩) ভবনের হেলে পড়া বা টিল্টিং, যা ফাউন্ডেশনের সমস্যা ইঙ্গিত করে।

৪) ফ্লোর বা স্ল্যাবে বড় ফাটল বা স্প্যালিং (কংক্রিটের খসে পড়া), যাতে রিবার উন্মুক্ত হয়ে যায়।

৫) দেয়াল এবং ফ্লোরের মধ্যে বিচ্ছেদ বা গ্যাপ।

৬) দরজা বা জানালা ঠিকমতো খোলা-বন্ধ না হওয়া, যা ভবনের ডিফর্মেশন নির্দেশ করে।

যদি উপরের লক্ষণগুলো দেখা যায়, তাহলে অবিলম্বে ভবনটি খালি করুন এবং কর্তৃপক্ষকে জানান।

এছাড়া, লোকজনকে আরও পরীক্ষার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এমনকি ছোট ফাটল দেখলেও, ভূমিকম্পের পর অবশ্যই একজন প্রফেশনাল স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ভবনের পরিদর্শন করান। নিজেরাই ধরে নেবেন না যে সবকিছু ঠিক আছে – পেশাদার মূল্যায়ন ছাড়া ঝুঁকি নেবেন না।

চূড়ান্ত নোট: শুধুমাত্র খুব বড়, দীর্ঘস্থায়ী ভূমিকম্পগুলো সঠিকভাবে ডিজাইন করা আধুনিক RC ভবনগুলোকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অত্যাবশ্যকীয় সুবিধা (হাসপাতাল, ফায়ার স্টেশন ইত্যাদি) অনেক উচ্চতর নিরাপত্তা ফ্যাক্টর দিয়ে ডিজাইন করা হয় এবং অনেক বেশি ব্যয়বহুল। সাধারণ আবাসিক ভবনগুলো বিশ্বের কোথাও সেই মানদণ্ডে নির্মিত হয় না।

এই পোস্টটি ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে কপি করে শেয়ার করতে নির্দ্বিধায় অনুমতি আছে যাতে আপনার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারকে আশ্বস্ত করা যায়!
নিরাপদ থাকুন।

— নেসার আহমেদ, পিএইচডি, পিই । সিমেন্সের প্রিন্সিপাল স্ট্রাচারাল ইঞ্জিনিয়ার।

17/11/2025

শেখ হাসিনা, দেখেন আপনার আইনজীবি ''আমার ক্লায়েন্ট,আমি হেরে গেছি,কষ্ট পেয়েছি অনেক,কষ্ট তো পাবোই!'' এইটা বইলাই কেমনে হাসতেছে! পৈশাচিক আনন্দ পাইছে! এমন আইনজীবি আগে দেখি নাই! কি সুন্দর মুচকি হাসি দিলো একটা! 🥴

16/11/2025

জীবনে কাজে লাগবে এমন ২০ টি স্কিল -
১/ পাবলিক স্পিকিং - সবার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার ক্ষমতা আপনাকে সবার চেয়ে আলাদা করে তুলবে।
২/ নেগোশিয়েশন - টাকাপয়সা চাওয়া থেকে শুরু করে নিজের জন্য সঠিক চুক্তি বা শর্ত আদায় করার দক্ষতা।
৩/ নেটওয়ার্কিং - ভালো সম্পর্কই জীবনে অনেক কাজের সুযোগ এনে দেয়। নানা ধরণের মানুষের সাথে পরিচয়ই তাই অনেক বড় শক্তি।
৪/ ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স - নিজের আবেগ কন্ট্রোলে রাখা আর অন্যের আবেগ বোঝার ক্ষমতা।
৫/ অ্যাকটিভ লিসেনিং - শুধু কথা বলতে পারা না, কারো কথা ভালোভাবে শুনতে পারাও ভীষণ জরুরী!
৬/ পার্সুয়েশন - কাউকে প্রভাবিত করে নিজের আইডিয়ার পক্ষে রাজি করানো।
৭/ লিডারশিপ - শুধু বস হওয়া না, বরং মানুষকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার ক্ষমতা।
৮/ প্রেজেন্টেশন স্কিল - আপনার আইডিয়াকে ভিজ্যুয়ালি ও কথায় আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরতে পারা।
৯/ পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং - অনলাইনে নিজের পরিচয় ও ভ্যালু তৈরি করা।
১০/ পার্সোনাল ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্ট - আয়ের চেয়ে কম খরচ করার দক্ষতা।
১১/ কম্পিউটার লিটারেসি - বর্তমান সময়ে Word, Excel, PowerPoint এগুলার বেসিক জানা আবশ্যক।
১২/ ভিডিও এডিটিং - ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরি করার অপরিহার্য এক স্কিল।
১৩/ এআই টুলস ব্যবহার - ChatGPT, Midjourney, এর মতো টুলসগুলোকে কাজে লাগানো।
১৪/ ইন্টারভিউ স্কিল - নিজের প্রতিভাকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে না পারলে জীবনে অনেক সুযোগ মিস হয়ে যাবে।
১৫/ ইন্টারনেট রিসার্চ - গুগল করে সঠিক তথ্য বের করার দক্ষতা।
১৬/ ডিসিশন মেকিং - দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।
১৭/ ইমেইল এটিকেট - প্রফেশনালভাবে মেইল লেখার স্কিল।
১৮/ বাজেট তৈরি -মাসিক আয়-ব্যয়ের হিসাবও পরিকল্পনা করা।
১৯/ সেভিং হ্যাবিট - সামান্য হলেও নিয়মিত টাকা জমানোর অভ্যাস।
২০/ সেলস স্কিল - নিজের চিন্তাভাবনা বা প্রোডাক্ট বিক্রি করার ক্ষমতা।
এই ২০ টার মধ্যে কয়টা স্কিল আপনার আছে কমেন্টে সেটা জানান।।

(Collected)

14/11/2025

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নিলেন বৃদ্ধাশ্রমে।
তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াছমিন আমেরিকা প্রবাসী।

বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান।
ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জীবনে এত কিছু থাকার পরও তার দু'চোখে অন্ধকার।

থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে।

২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়াল (৭০)।

অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিল তার। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে।

আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেন এরপর শিক্ষকতা।

জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি।

২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। এরপর ছেলে-মেয়েরা

আমার খোঁজ খবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।
কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের।

এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল।

তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেন। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেন?

বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম?

অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না।

একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গা*লি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাইনি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি।

ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে। ◆ সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা

অথচ আমাকে জানালও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি।
কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনো দিন ফোন করে না। মাঝে ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

অতি উচ্চ শিক্ষিত হতে গিয়ে আমরা দিন দিন আরও অমানুষ হয়ে যাচ্ছি। অথচ অনেক গরিব, মূর্খ আছে যারা বাবা মাকে নিয়েই একসাথে থাকে।

তাহলে তারা কি RSH কি আমাদের যাদের মতো মুখোশধারী শিক্ষিতের চেয়ে ভালো নয়?

তাই উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মনুষ্যত্ববোধটাও সবার শিক্ষাগ্রহন করা উচিৎ।

#অমানুষ

10/11/2025

ঢাকায় চালু হচ্ছে স্মার্ট, পরিবেশ ও পথচারী-বান্ধব পুলিশ বক্স

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে আধুনিক নকশার স্মার্ট পুলিশ বক্স নির্মাণ করছে, যা একসঙ্গে পরিবেশবান্ধব এবং পথচারীবান্ধব।

নতুন পুলিশ বক্সগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে নিচ দিয়ে পথচারীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। প্রতিটি ইউনিট ২০ ফুট লম্বা, ৮ ফুট চওড়া এবং ৮ ফুট উঁচু ইনসুলেটেড কনটেইনার, যেখানে রয়েছে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক আসবাবপত্র, পর্যাপ্ত আলো এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্যের অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে এসটিপি (Sewage Treatment Plant), যা ময়লা ও দূষিত পানি পরিশোধন করে বাগান পরিচর্যা এবং অন্যান্য কাজে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করবে।

আগারগাঁওয়ে নির্মিত প্রথম পুলিশ বক্সের উদ্বোধন হবে এই মাসেই। এছাড়া আরও পাঁচটি পুলিশ বক্স উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে রাজধানীর সকল স্থানে একই রকম পুলিশ বক্স নির্মাণ করা হবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নগর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক, টেকসই এবং নাগরিকবান্ধব দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

08/11/2025

বেইজিং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ২০২৪ সালের সমাবর্তনে ধরা পড়ে এক অবিস্মরণীয় দৃশ্য।
মঞ্চে এক ছাত্রী বক্তব্য দিচ্ছিলেন—ঠিক তখনই শুরু হয় হালকা বৃষ্টি।
কেউ ছুটে আসে না, কেউ থামে না অনুষ্ঠান।

কিন্তু পাশে দাঁড়ানো এক অধ্যাপক, কোনো দ্বিধা না করে,
নিজের ছাতা খুলে মেয়েটির মাথার ওপর ধরে রাখেন।
তিনি পুরো বক্তব্য শেষ হওয়া পর্যন্ত ছাতাটি ধরে রাখেন—
ভিজে যান নিজে, কিন্তু ভিজতে দেন না তাঁর ছাত্রীকে।

এই ছোট্ট দৃশ্য যেন পুরো বিশ্বের সামনে বলে দিল—
শিক্ষা শুধু বইয়ে নয়, মানবতায়ও আছে।
এ যেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর বিনয়ের এক মূর্ত প্রতীক।

যে দৃশ্য হৃদয় ছুঁয়ে যায়…
যে দৃশ্য মনে করিয়ে দেয়,
একজন সত্যিকারের শিক্ষক শুধু জ্ঞান দেন না,
মানুষ হওয়াও শেখান।

#মানবতা #শিক্ষক #শিক্ষার্থী #অনুপ্রেরণা #ভালোবাসা #শ্রদ্ধা

17/10/2025

সময়ের মুঠোয় বন্দি মানুষ

সময় — এক অদ্ভুত জিনিস।
তাকে দেখা যায় না, ছোঁয়া যায় না, কিন্তু সে আমাদের জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত গিলে খাচ্ছে ধীরে ধীরে।

একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়নায় তাকিয়ে হঠাৎই মনে হয়— “এই মুখটা কবে এমন বদলে গেল?”
চোখের নিচে হালকা কালচে দাগ, কপালে একটু ভাঁজ, আর মনে অদ্ভুত এক শূন্যতা।
তখনই বোঝা যায়— সময় আমাদের কাছ থেকে কিছু চুরি করে নিয়েছে।

কিন্তু, ভাই আমার… সময় শুধু চুরি করে না, সে সাক্ষীও দেয়।
সে সাক্ষী দেয় আমাদের নামাযের, আমাদের কান্নার, আমাদের গুনাহের।
আল্লাহ তাআলা বলেন—

“وَالْعَصْرِ ۝ إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ”
“সময়ের কসম, মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে।” (সূরা আল-‘আসর, আয়াত ১-২)

দেখো, আল্লাহ সময়ের কসম খেয়েছেন!
এমন কিছুই নেই যেটার কসম আল্লাহ তাআলা তুচ্ছ জিনিসের জন্য করেন।
সময়— মানে জীবন।
সময় নষ্ট করা মানে নিজের জীবনকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া।

আমরা সময়কে অপচয় করি এমনভাবে, যেন আমাদের কাছে সে সীমাহীন!
কেউ স্ক্রিনে হারিয়ে যাচ্ছে, কেউ গসিপে, কেউ “কাল করব” বলে আজকে মেরে ফেলছে।
কিন্তু সময় কখনও থেমে থাকে না। সে চলে যায়— নিরব, ধীরে, কিন্তু নির্মমভাবে।

একদিন সেই সময়ই আমাদের কবরের সামনে এনে দাঁড় করাবে।
সেই সময় বলবে, “তুমি আমায় নষ্ট করেছিলে, আজ আমি তোমাকে নষ্ট করে দিলাম।”

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“দুটি নিয়ামত আছে, যেগুলোর ব্যাপারে অনেক মানুষ প্রতারিত— সুস্থতা ও অবসর।”
(সহীহ বুখারী, ৬৪১২)

এই হাদীসটা পড়লেই বুকটা কেমন ভারী হয়ে যায়।
কারণ সত্যি কথা হলো— আমাদের জীবনের সেরা সময়গুলো আমরা নষ্ট করি ঠিক তখনই, যখন আমাদের হাতে সবথেকে বেশি সময় থাকে।

তাই আজ থেকেই একটা সিদ্ধান্ত নাও—
সময়কে ভালো কাজে ব্যয় করবে।
সময়কে কুরআনের পথে, জিকিরের পথে, নামাযের পথে চালাবে।

কারণ সময় কখনও ফিরে আসে না, কিন্তু তার ফলাফল আমাদের চিরদিনের জীবনে ছায়া হয়ে থাকে।

সময় কারও জন্য থামে না।
তুমি যদি সময়কে আল্লাহর পথে ব্যবহার করো— সে তোমাকে জান্নাতের পথে নিয়ে যাবে।
আর যদি সময়কে নষ্ট করো— সে তোমাকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে।

17/10/2025

আতরের ঘ্রাণে লুকিয়ে থাকা ঈমানের গল্প

একদিন রাসূলুল্লাহ ﷺ মসজিদে যাচ্ছিলেন। সাহাবাগণ দেখলেন, তাঁর জামার কোণ থেকে মৃদু এক ঘ্রাণ ভেসে আসছে। এমন ঘ্রাণ, যা হৃদয় ছুঁয়ে যায়— না বেশি তীব্র, না একেবারে হালকা। যেন স্বর্গের বাতাস একটু ছুঁয়ে গেছে দুনিয়ার মাটিতে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ভালোবাসতেন আতর। তিনি বলতেন—

“তোমাদের দুনিয়ার মধ্যে আমি নারীদের ও সুগন্ধিকে ভালোবাসি; আর আমার চোখের শীতলতা রাখা হয়েছে নামাযে।”
(সহীহ হাদীস – নাসাঈ, ৩৩৭৭)

ভাবো তো, একজন নবী, যিনি দুনিয়ার চাকচিক্যে বিমুগ্ধ হননি, যিনি রাতে চোখের পানিতে সেজদা ভেজাতেন— সেই নবী আতরকে ভালোবাসেন! কেন জানো? কারণ আতর শুধু শরীরে নয়, আত্মায়ও একটা পরিচ্ছন্নতা আনে।

যেমন একটা আতরের বোতল খোলা হলে ঘরটা ভরে যায় মিষ্টি ঘ্রাণে, তেমনি একজন ঈমানদার মানুষের অন্তর থেকে ছড়িয়ে পড়ে ঈমানের সুবাস। কেউ তার মুখ দেখে নয়তো কথা শুনে বুঝে যায়— “এই মানুষটা আলাদা।”

আর আজ আমরা কী করছি?
আমরা দামি perfume মাখছি শরীরে, কিন্তু অন্তরটা গন্ধে ভরা— অহংকারে, রাগে, ঈর্ষায়। অথচ আতরের আসল কাজ শরীর নয়, আত্মাকে সুগন্ধি করা।

আতর মানে পরিচ্ছন্নতা।
আতর মানে Sunnah-এর প্রতি ভালোবাসা।
আতর মানে এমন ঘ্রাণ, যা ফেরেশতারাও পছন্দ করে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“যে শুক্রবারে গোসল করবে, সুন্দর পোশাক পরবে, আতর ব্যবহার করবে, এবং জুমা নামাযে আসবে — তার আগের জুমা পর্যন্ত গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।”
(ইবন মাজাহ, ১০৯২)

এই হাদীসটা পড়ে আমি ভাবি— কত ছোট একটা কাজ, অথচ কত বড় পুরস্কার!
একটু আতর মাখা মানে, একটা Sunnah জীবিত করা।

আজ যখন তুমি বাইরে বেরোবে, পকেটে ছোট একটা আতরের শিশি রাখো। নামাযে যাওয়ার আগে মেখে নাও। যখন সেই ঘ্রাণটা বাতাসে ছড়িয়ে পড়বে, মনে রেখো— এটা শুধু ঘ্রাণ নয়, এটা তোমার ঈমানের ঘ্রাণ।

আতর শুধু দেহে মাখা যায় না, আতর মাখা যায় আত্মায়।
যে মানুষ অন্তরকে পবিত্র রাখে, তার থেকেই ছড়ায় আসল সুগন্ধ— ঈমানের আতর।

17/10/2025

বর্তমান জেনারেশন দারুণ চর্চায় নিমজ্জিত।

15/10/2025

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন

শৈশবের রোমাঞ্চ, রহস্য আর কল্পনার রঙে ভরা দিনগুলোর পেছনে ছিলেন যিনি —
তিন গোয়েন্দার স্রষ্টা রকিব হাসান।

তাঁর বইয়ে ডুবে থাকা দিনগুলো ছিল সত্যিই রঙিন!
তাঁর গল্প আমাদের কল্পনা জগৎ খুলে দিয়েছে,
শেখিয়েছে বন্ধুত্ব, সাহস আর সত্যের পথে হাঁটা।

আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন।
প্রিয় লেখককে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা চিরদিনের জন্য।

#ইন্না_লিল্লাহি #রকিব_হাসান #তিন_গোয়েন্দা #বাংলাসাহিত্য

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

House # 70, East Rampura
Dhaka
1219