Md Aman Ulalh Sarkar
15/05/2026
নেদারল্যান্ডসের বেসরকারি গরুর খামারে গেলাম ভিজিটে, সবগুলোতে নম্বর দেওয়া আছে! প্রায় ২০০ গরু। জিজ্ঞেস করলাম গুরুকে যদি এন্টিবায়োটিক দেওয়ার প্রয়োজন হয় কি করো?
উত্তরে বললো আমাদের দেশের সব গরুর খামার ন্যাশনাল ফুড সেইফটি অথোরিটির সাথে যুক্ত আছে! আমরা প্রতিদিন ডাটা ইনপুট দেই সেখানে। কোনো গরুর এন্টিবায়োটিক দেওয়ার প্রয়োজন হলে তা সার্ভারে আপলোড করা হয়।
আর যতদিন এন্টিবায়োটিকের কার্যকারীতা থাকে ততোদিন আমরা সে গরুর দুধ বিক্রি করি না! সে দুধ কি করো? এমন প্রশ্ন করা হলে, উত্তরে বললো সে দুধ ফেলে দেওয়া হয় একটি নির্দিষ্ট জায়গায়।
সব ডাটা প্রত্যেকদিন আপলোড করা বাধ্যতামূলক! তোমরা যদি ডাটা না দাও গরু যে অসুস্থ আর গরুকে এন্টিবায়োটিক দিয়েছো সেটা জানালে না! বা গরুকে এন্টিবায়োটিকের তথ্য দিয়ে দুধ বিক্রি করে দিলে?
আমার প্রশ্ন ছিল! এমন প্রশ্নে আঁতকে উঠল, বললো বলো কি? যে খাদ্য মানুষ খায় সেটাতে ভেজাল বা অনিয়ম আর তথ্য গোপনের প্রশ্নই উঠে না, এটা তো কোনো দেশের কেউ করবে না।
এবার আমি আঁতকে উঠে চুপ মেরে গেলাম! মুখ ফসকে কী যেন বলতে গিয়েও মুখ চেপে ধরলাম নিজের! যে দেশে নামাজ শুধুমাত্র জান্নাতের চাবি, সে দেশে সবাই জান্নাতি।
কোনো অনিয়ম, খাদ্যে ভেজাল, দুর্নীতি, হক ধ্বংস, জুলুম এমন কিছুই নেই যে সেখানে হয় না।
★ মাহাবুব কবির মিলন ভাই ★
08/05/2026
৬ থেকে ৯ মে সম্ভাব্য দূর পাল্লার মিসাইল নিক্ষেপণ পরীক্ষার জন্য NOTAM জারি করেছে ভারত। বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে একদম মহাসাগর পর্যন্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খুব সম্ভবত কৌশলগত পর্যায়ের ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষা চালানো হতে পারে।
এই বার বুজলেন তো, কি ছিলো?
তুরস্ক তাদের তৈরি প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল উন্মোচন করলো। ইলদিরিমহান (Yildirimhan) নামের এই নতুন মিসাইলটি প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার বলে জানানো হয়েছে।
চলমান SAHA Expo সমরাস্ত্র প্রদর্শনীতে এই মিসাইলটি প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে আনা হলো।
এর মধ্য দিয়ে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল তথা ICBM এর অধিকারী অল্প কিছু দেশের এলিট ক্লাবে প্রবেশ করলো তুর্কিরা।
মিসাইলটি ৩ হাজার কেজি ওয়ারহেড নিয়ে টার্মিনাল ধাপে ম্যাক ৯-২৫ গতিতে আঘাত হানতে সক্ষম। ৬ হাজার কিলোমিটারের সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে মিসাইলটিতে ব্যবহৃত হবে তরল নাইট্রোজেন টেট্রোক্সাইড (N₂O₄) জ্বালানি।
তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র (MoD R&D Center) ইলদিরিমহান মিসাইলটির নকশা ও উন্নয়ন সাধন করেছে বলে জানা গেছে।
19/04/2026
১৯৬২ সালে যখন বুয়েট প্রতিষ্ঠা করা হয় তখন- এট দ্যা সেইম টাইম পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠা করা হয় (i) UET, Lahore (ii) NEDUET (iii) DUET, Karachi (iv) UET, Peshawar
প্রবলেম ইজ দ্যাট- বাংলাদেশে ১টার বিপরীতে তারা ৪টা নিচ্ছিল। শুধু তাইনা- আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সেই ছোট্ট ৩০ একর দেওয়া হয়েছিল বুয়েটকে অথচ কেবল UET এর জন্য তারা বরাদ্দ করেছিল ১৭০ একর!
UET এর সেই বিশাল ক্যাম্পাস জুড়ে গবেষণা, ল্যাব ফেসিলিটিসহ যাবতীয় যত বরাদ্দ ছিল- তার তুলনায় বুয়েটের জন্য ছিল- এক বালতি পানির বিপরীতে ১ ফোটা জল!
মূল ব্যাপারটা হইলো- ঐ সময় জনসংখ্যার দিক থেকে মেজরিটি ছিল পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ। পুরো পাকিস্তানের ৫৫% জনগণ ছিল পূর্ব পাকিস্তানের ফলে জিডিপির বৃহদাংশ আমরা যোগান দিতাম কিন্তু আমাদের দেওয়া হতো- ৫ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিপরীতে ১টা! বাজেট থাকতো ২০/২৫% অর্থাৎ কামাই করি আমরা খায় পশ্চিম পাকিস্তানের সাহেবরা।
সামগ্রিক শিক্ষা বৈষম্যের একটা চিত্র নিচের ডেটা দেখলেই বুঝবেন:
✅ ১৯৪৭ থেকে ১৯৭০ সালের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে (বাংলাদেশ) নতুন পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছিল ৫টি, আর পশ্চিম পাকিস্তানে ৭টি। সংখ্যাটা কাছাকাছি মনে হলেও আপনি থমকে যাবেন- এর পরের ডেটাগুলো দেখলে।
✅ এই সময়ে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৃষি কলেজ পূর্ব পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত হয় মাত্র ৬টি (RUET, KUET, CUET, তখন এগুলো কলেজ ছিল), যেখানে পশ্চিম পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩টি!
✅ সাধারণ কলেজ প্রতিষ্ঠায় তো আকাশ-পাতাল ব্যবধান দেখা দেয় যেমন- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পূর্ব পাকিস্তানে সাধারণ কলেজ ছিল ৫০টি, আর পশ্চিম পাকিস্তানে ছিল মাত্র ৪০টি। কিন্তু ১৯৬৯ সালে এসে চিত্রটা কী দাঁড়ায়? পূর্ব পাকিস্তানে সাধারণ কলেজ বেড়ে হয় ১৬২টি, আর পশ্চিম পাকিস্তানে তা জাদুর মতো লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়ায় ২৭১টিতে! অর্থাৎ বাংলাদেশে কলেজ তৈরি হয় ১১২টি আর পাকিস্তানে ২৩১টি! মানে আমার টাকা দিয়ে তাদের দেশে কলেজ! বাহবাহ!
✅ এরপর সবচেয়ে বড় ধাক্কা— প্রাথমিক শিক্ষায়! যেখানে ভিত্তি গড়ার কথা, সেখানেই সবচেয়ে বড় কুঠারাঘাত করা হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল ২৯,৬৬৩টি, আর পশ্চিমে ছিল মাত্র ৮,৪১৩টি। কিন্তু ১৯৬৯ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে বিদ্যালয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৯,৪১৮টিতে! আর পূর্ব পাকিস্তানে? বাড়া তো দূরের কথা, সরকারের অনুদান বন্ধ করে দেওয়ায় হাজার হাজার স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। সংখ্যা কমে গিয়ে দাঁড়ায় ২৮,৩০৮টিতে! অর্থাৎ সেই ২২ বছরে আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয় কমেছে ১৩৫৫টি আর তাদের দেশে বেড়েছিল ৩১০০৫টি! ওমজি না?
✅ আর মাধ্যমিক স্কুলেও আসেন। আমাদের বেড়েছিল ৪৮৩ টি আর পশ্চিমে বেড়েছিল ১৮৭৪টি! ব্রো, আমাদের টাকা দিয়ে তারা এগুলা করেছিল! আমাদের টাকায়!
❇️ পয়েন্ট অব অর্ডার হলো:
প্রাইমারি স্কুলগুলো কেন বন্ধ হলো? উত্তরটা লুকিয়ে আছে বাজেটে। ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ২০ বছরে পাকিস্তানের মোট উন্নয়ন ও রাজস্ব বরাদ্দের দিকে তাকালে বৈষম্যের ভয়াবহ রূপটি দেখা যায়। অর্থনৈতিক ও পরিকল্পনা কমিশনের তথ্যমতে, এই ২০ বছরে পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যয় করা হয় প্রায় ১১ হাজার ৩৩৪ কোটি রুপি। আর পূর্ব পাকিস্তানে? ৫৪% এর বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় মাত্র ৪ হাজার ৫৯৩ কোটি রুপি! অর্থাৎ, মোট ব্যয়ের মাত্র ২৮-৩০ শতাংশ পেয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান। আমাদের পাটের টাকায়, আমাদের রাজস্বের টাকায় পশ্চিম পাকিস্তানে আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর গবেষণাগার গড়ে তোলা হয়েছে। আর আমাদের বাংলার স্কুলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে অর্থাভাবে গলা টিপে মারা হয়েছে। শুনেন মিয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটা বিল্ডিং দিয়ে বৈষম্য মাপা যায় না। গোড়ায় গলদ করে, প্রাইমারি স্কুল ধ্বংস করে পুরো জাতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার যে মাস্টারপ্ল্যান হয়েছিল, সেটাই হলো আসল বৈষম্য!
ইভেন, রাজধানী ছিল পাকিস্তানে, সামরিক বাহিনী থেকে শুরু করে সরকারী উচ্চ কোন পদে বাঙালির হার ছিল খুব কম। রাজনৈতিক চাপে পাকিস্তান ৫টির বিপরীতে ১টি অন্তত দিতো। এটাই ছিল বৈষম্য।
চূড়ান্ত বৈষম্য করে ফেলে ৭০ এর নির্বাচনে। পুরো পাকিস্তানের নির্বাচনে শেখ মুজিব বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। দ্যাট ওয়াজ দ্যা লাস্ট বৈষম্য- পাকিস্তান বাঙালির প্রধানমন্ত্রীত্বও মেনে নিতে চায়নি। হয়তো ভয় ছিল- পাকিস্তানের রাজধানী হবে ঢাকা, সামরিক হেডকোয়ার্টার হবে ঢাকায়, উন্নয়ন বা জিডিপির ৫০% নিবে ঢাকা, পশ্চিম পাকিস্তানের ৪টা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিপরীতে পূর্ব পাকিস্তানে হবে ৫টা! এই ভয়ে তারা দেয়নি।
এরপরও আমার দেশের মানুষ, আমারই স্টুডেন্টের মধ্যে কতিপয় স্টুডেন্ট- পাকিস্তানের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে বিগত ৫০/৫৫ বছরকে বাকা চোখে দেখে। ওরা জানেই না- পাকিস্তানের জিডিপি থেকে শুরু করে অলমোস্ট সব সেক্টরেই পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে।
আর সামরিক? হে হে। বিশ্বে পাকিস্তান এমন এক সুপার পাওয়ার যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ মসজিদে হামলার শিকার হয়ে মারা যায়। থামাইতে পারে না সেই সুপার পাওয়ার সামরিক বাহিনী। সিংগাপুর, কেনাডা, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এর মানুষের এত টাকার থাকার পরও তারা সুপার পাওয়ার হতে চায়না কিন্তু আমার দেশের পোলাপান না খেয়ে, জীর্ণ শরীরে সুপার পাওয়ার হতে চায়- পাকিস্তানের মতো! একটু হেসে নিই!
দ্যা লাস্ট কোয়েশ্চন ইজ দ্যাট: পাকিস্তান গত ৫৫ বছরে কি করছে কও দেহি? আমাদের ঐ ২০ বছরের টাকা সরিয়ে নিলে পাকিস্তানে আর থাকেটা কি?
অনুরোধ: আল্লাহরওয়াস্তে গালাগালি কইরেন না। আপনি বা আমরা এই দেশেরই সন্তান। পাকিস্তানপ্রীতি দেখিয়ে নিজের ভাইকে গালাগালি না করে বরং সমালোচনা করলে সুস্থ, সুন্দর ভাষাতেই করেন। ভুল আমার হইতে পারে। আপনি গালি দিলেও যেহেতু আমি গালি দিতে পারবো না সেহেতু এটা এড়িয়ে যান।
©
03/04/2026
কাতার উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে তাদের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন,
বিদেশি ঘাঁটি রাখার কারণে কাতারকে দীর্ঘদিন অনেক মূল্য দিতে হয়েছে।
তিনি আরও জানান,
কাতার ও ইরানের সম্পর্ক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ, আর সেই সম্পর্ককে আঘাত করার জন্য কাতারের ভূমি আর কখনো ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
আমেরিকা কাতারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে এবং সবসময় নিজেদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে।
এর ফলে সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হয়েছে কাতারই।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,
যদি আমেরিকা সত্যিই কাতারের স্বার্থের কথা ভাবত, তবে তারা অন্য কোনো দেশের ওপর আক্রমণ না করার সিদ্ধান্তকে সম্মান করত।
কিন্তু বাস্তবতা হলো,
তারা কাতারের ভূখণ্ড ব্যবহার করেছে কেবল অন্য একটি দেশকে (ই*রাইল) সুরক্ষা দেওয়ার জন্য।
অবশেষে কাতার সঠিকটা উপলব্ধি করতে পেরেছে। আশা করা যায়, বাকি উপসাগরীয় দেশগুলোও একই পথে এগোবে।
ধন্যবাদ কাতারকে।
#কাতার #আরব #উপসাগর
15/03/2026
এই হচ্ছে শেখ মুজিবের বাকশাল, যা নিয়ে সারাজীবন মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে আর করেছে ,এখনকার ১২ বছরের একটা বাচ্চাও মুজিবকে বলে বাকশাল, অথচ বাকশালের মিনিং আজও তারা জানার চেষ্টা করেনা।
26/02/2026
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল😑
এনারে কেউ কিছু বলে না ক্যান?!😑
এর পরিচয় কেউ জানেন?
22/02/2026
লা'শটা লেগুনা চালক নুরে আলমের। চাঁদা না দেয়ায় যাকে পি'টিয়ে হ'ত্যা করা হয়েছে যাত্রাবাড়ীতে।
একটু সমঝোতা করে চাঁদা টা দিয়ে দিলেই সে আজকে তার পরিবার, সন্তানের কাছে জীবিত ফিরে যেতে পারতেন।
Tarique Rahman উপযুক্ত ব্যাবস্থা টা নিয়েন আপনি।
23/01/2026
সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত সরকারের নিরাপত্তায় ইতিমধ্যে দিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা।
06/10/2025
শাওনকে এই চিরকুট লিখা হয় ৯৬ সালে। যখন তার বয়স ১৪, ক্লাস সেভেনের ছাত্রী।
হুমায়ূন আহমেদের প্রসঙ্গ সামনে আসলেই আমার বাকি সব চিন্তা ছাপিয়ে একটা কথাই মাথাই ঘুরে, ইমাজিন ১৪ বছরের এক বাচ্চা মেয়েকে ৪৭ বছরের এক বুড়া চার বাচ্চার বাপ এমন নিব্বি মার্কা চিরকুট লিখে গ্রুমিং করতেছে। এই চিরকুট শাওন নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেছিল)। আর আমাদের শাওন আফায় কি পরিমাণ ইচরে পাকা ছিল ভাভাগো ভাভা! এরকম চৌদ্দ বছর বয়সের কোনও বাচ্চা মেয়েকে যদি প্রায় মধ্য চল্লিশের কোনও আংকেল এসব চিরকুট লিখত, আমরা কিন্তু প্রথমেই ভয় পাইয়া মায়েরে যায়া বললতাম আম্মু দেখো চাচ্চু কী লিখছে 🤣🤣🤣🤣!
গুলতেকিন খানের ক্ষেত্রেও এই লোক এমন চাইল্ড গ্রুমিং করেছিল। গুলতেকিনের সাথে প্রেম শুরুর সময় গুলতেকিন ছিলেন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী আর হুমায়ূন আহমেদ অলরেডি ইউনিভার্সিটির লেকচারার। মানে আজন্মই এই বেডার পছন্দ বাচ্চা বাচ্চা মেয়ে।
হয়তো দেখা যাইত আর ১০ বছর বাঁচলে শেষ বয়সে আরও একটা বাচ্চা সতীন শাওনের জন্য রাইখা যাইতো নিব্বায়। আইরনি হইল এই পেডো*** বেডার আবার নারী ভক্তেরও অভাব নাই।
জামায়াতের নেতাদের আল্লাহর রাসুলের মত দেখা যায় (নাউজুবিল্লাহ), আবার এদিকে জামায়াত তাদের লোগো থেকে আল্লাহর নাম বাদ দেয়!
ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না?
Click here to claim your Sponsored Listing.