Poems Sm
26/10/2025
____বিধু,,,!
___হু,,,,
___তোমারে যে না বাসিবে ভালো, সে তব একখান যন্ত্রই বটে!
___তবে তুমি কেনো বাসিলে না?
___বিধু, তুমি মানুষ খুন করা দেখিয়াছো?তবে একখান কথা কই! আমিও খুনিই বটে,তবে অল্প বিস্তর ফারাক রইয়াছে!যদিও মানুষ তব না খুন করি,সুপ্ত বাসনাগুলিকে গলা চাপিয়া হত্যা করি! এবার বলো তবে, কেমনে বাসিব ভালো তোমারে?
___এই তবে তোমার শেষ কথা?
___বিধু..........!
___হু,,,,,,।
___তুমি ওই চন্দ্রার মতোই রূপবতী!তোমার তেজসনেত্র জোড়া দেখিলে বোধহয় ওই সূর্যের সাথেই তুলনা করিয়া বসি! তেজীয়মান অগ্নিশিখার চেয়েও কম নয় বটে!
____তেজস নেত্রজোড়া দেখিলে, অথচ ভেতরটা পরখ করিলে নাহ!
___আমার চেয়ে বোধ করি তোমার বেশি পরখ আর কেউ করেনি। তুমি যা না জানো, আমি সেও জানি বটে, গর্জন শেষে নীরব সমুদ্রের মতো দেখিতেছ বটে। তবে আমিও কম নই যে!
____বেশ ভালো, আজ উঠি তবে!
____ চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছো তবে?
___জানিনে, হয়তো হ্যাঁ কিংবা না!
~~~[ উদ্দেশ্যহীনভাবে লিখছি, জানিনে কি রচনা করিয়াছি। ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন!.....]
Laboni Labu/ Sm
18/06/2025
গাছের পাতা এদিক ওদিক নড়ে,
পাখিরা নীড়হারা পথিকের ন্যায় আকাশে উড়ে! "
গৃহবধূরা কলসি পূর্ণ করে জলে,
বৃষ্টির ফোটায় পূর্ণ হয় পুকুরের প্রতিটি কোণা ! "
ছাদবাগানের ফুলেরা নিস্তেজ গলায় নুয়ে পড়ে!
গোলাপের যত পাপড়ি ঝরে পড়ে ভেজা মেঝেতে ! "
আকাশের পানে চক্ষু স্থির করিলে,
চোখে পড়ে মেঘেরা ভেসে বেড়ায় চারিদিকে! "
চক্ষু নামাইবার ছলে মাথা নিচু করিলে ,
ধেয়ে আসে বৃষ্টির ছিটকে আসা জলরাশি! "
এই যে, তোমার কি সাধ জাগে?
এই বৃষ্টিতে জবুথবু হয়ে বৃষ্টিবিলাশ করিবার?
---- ---- ---- নুসরাত জাহান লাভলী
---কবিতা : “তোমার কি সাধ জাগে?"
.....
"বৃষ্টির ভেজা দিনে ছোট্ট সুখের উচ্ছ্বাস – নিষ্পাপ হাসিতে মিশে আছে জীবনের আসল রং।".... ❤️🩹
02/06/2025
#ধ্বংসেরমহাকাব্য
#পর্বঃ০২
#ধ্বনি #ধ্বংসবতী
#ধ্বংসের মহাকাব্য
লেখিকা : #নুসরাত_জাহান লাভলী
_____________________________________________
#লেখিকা #উপন্যাসপ্রেমী #ফলোয়ারস ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ ゚ #অবরুদ্ধ_নিশীথ
----------------------------------------------------------------------
___________________________________________________________,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
ম্যাডাম আমি ছাড়া আমার বউ-বাচ্চার কেউ নাই! " আমি না থাকলে ওরা না খাইয়া মারা যাইবো। দয়া করুন ম্যাডাম! "
" মানবী নিষ্পলক তাকিয়ে থাকে যুবকের পানে। তাচ্ছিল্যের সহিত বলে ওঠে ,কেউ কখনোই অসহায় হয় নাহ, তাকে অসহায় করে তোলা হয়! যার দরুন সে ধ্বংসের মহাকাব্য রচনা করে । "
দীর্ঘ বিরতির পর মুখ খুলে আবির।
❝ দোস্ত, তুই কী শুরু করেছিস টা কি? বল তো? তুই আমাকে এই নাটকবাজি দেখানোর জন্য জোড় করে নিয়ে এলি? এখানে না এলে আমি এতক্ষণে একটু আধটু প্রেম করতে পারতাম। শালার, এ জনমে তোর মতো শাঁকচুন্নি থাকলে আমার কপালে যা আছে না? তা সব হাতছাড়া হবে । ❞----- তীব্র আফসোসের সুর আবিরের কন্ঠে।
মানবী দাঁত কটমট করে তাকায় আবিরের পানে। হুমকিস্বরূপ কেবল নিজের ফোন টা উঁচু করে ধরে। এতেই আবিরের সব তেজ পানিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তাহার মুখে নিদারূণ অসহায়ত্ব ফুটে ওঠে।
মানবী এগিয়ে গিয়ে শিশুটির মুখ হাতের তালুতে নেয়। অস্পষ্ট স্বরে বিরবির করে বলে ওঠে, ❝জেভিন সর্দারের একমাত্র কণ্যা।❞ ক্ষানিক বাদেই ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠে পৈশাচিক হাসি। চোখে স্পষ্ট প্রতিয়মান হয় তীব্র ঘৃণা ও আক্রোশ।
আবির যেনো এবার ধৈর্যহারা হয়েছে। খ্যাঁকখ্যাঁক করে বলে ওঠে, "❝ শালী তোর জন্য আমার কত টাইম নষ্ট হইছে, তার খবর কই রাখছিস? আজকে বন্দিপাড়ায় যাওয়ার কথা ছিলো ‚ তুই ছেমরি আবার এইখানে দরদ সিনামা দেখাস ! ❞
মানবী কপাল কুঁচকে তাকিয়ে আছে। তাকে দেখে বোঝার উপায় নেই , সে কোন পরিস্থিতিতে আছে , মনোভাব কেমন? রেগে আছে নাকি খুশিতে আত্মহারা। নিত্যসময়েই সে গম্ভীর , বিরক্তি প্রকাশ পায় প্রতি কথায় , প্রতি শব্দে । কখনোই তাকে পর্যবেক্ষন করে বোঝার উপায় নেই যে , সে কি করতে চলেছে।
26/05/2025
#নুসরাত_জাহান_লাভলী
#ধ্বংসেরমহাকাব্য
#পর্বঃ০২
#ফলোয়ার
---------------------________________________------------
**"কোলাহলমুক্ত এক পুরনো বাসভবন। বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি। মাঝে মাঝে দূর থেকে ভেসে আসে কুকুরের ডাক। সেই বৃষ্টির সুরে হঠাৎ মিশে যায় এক শিশুর কণ্ঠফাটা আর্তনাদ!
পরিত্যক্ত সেই ভবনের ভেতরের দৃশ্য যেনো আরও অদ্ভুত—সবকিছুই বলে দেয় এখানে কেউ নিয়মিত থাকে, অথচ এটিই যেনো ধ্বংসের সূচনালিপি।
ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে ‘মায়াবতী’ উপমার এক মানবী। তার চোখে বিষাদের ছায়া, ভঙ্গিমায় প্রতিশোধের আগুন! চারপাশে ঘিরে রেখেছে কিছু যুবক-যুবতী, যাদের গায়ে থাকা পোশাকের রঙ বলে দেয়—তারা কেউ সাধারণ মানুষ নয়।
তারা যেন অশুভ বার্তার প্রতীক! মুখ ঢাকা কালো মাস্কে, হাতে দেশি-বিদেশি অস্ত্র। মুখাবয়ব অটল, কঠোর ও গম্ভীর—এক গাঢ় গাম্ভীর্যে মোড়া পুরো পরিবেশ। শিশুটি এখনো কান্না করে চলেছে, কিন্তু যেনো কারো তাতে কোনো অনুভব নেই।
সবাই চুপ। একাগ্রভাবে শুনছে সেই মানবীর বক্তব্য।
হঠাৎ নিরবতা ছিন্ন করে শোনা যায় হিলজোড়ার কর্কশ শব্দ!
এক নারীকণ্ঠের সুমধুর উচ্চারণে প্রতিধ্বনিত হয় মাত্র একটি শব্দ—
❝জেভিন?❞
শব্দটি যেন শিশুটির হৃদয়ে বিদ্যুৎ খেলে দেয়। আতঙ্কে কেঁপে ওঠে তার মুখ।
‘ম্যাম, বেশি কষ্ট দিয়েছি?’—সুদর্শনা এক নারী প্রশ্ন করে তার সর্দারনুরূপ মানবীকে।
মানবী চুপ। উত্তর না দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে। প্রতিটি পদক্ষেপ যেন দেয়ালে প্রতিধ্বনি তোলে!
সবাই অপেক্ষায়।
হিলজোড়া এসে থামে শিশুটির একদম সামনে।
মানবী এবার গভীর, জমাট কণ্ঠে বলে—
❝তুমি এখানের কাউকে চেনো?❞
শিশুটি ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে, কোনো শব্দ বের হয় না তার মুখ থেকে।
সেই নীরবতা বুঝি রাগ বাড়িয়ে দেয়।
মানবী হাতে থাকা রড দিয়ে আচমকা আঘাত করে শিশুটির বাহুতে!
বেদনায় ছটফট করতে করতে শিশুটি চিৎকার দিয়ে ওঠে। মূহূর্তেই পড়ে যায় রক্তাক্ত ধুলোমাখা চাদরে।
পাশ থেকে এক যুবক ভীতস্বরে বলে ওঠে—
❝ম্যাডাম, এমনে মারলে মাইয়াটা তাড়াতাড়ি মারা যাইবো!❞
মানবী ঝটকা দিয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। গর্জে ওঠে—
❝শুয়োরের বাচ্চা! আমার মুখের ওপর কথা বলিস? তোর মুখের ভাত কেড়ে নেওয়া আমার বাঁ হাতের খেলা! আমার খেয়ে, আমার বিরুদ্ধেই কথা? এখন তুই আমাকে শিক্ষা দিবি?❞
ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে যুবক হাতজোড় করে, মাথা নিচু করে ফিসফিস করে বলে—
❝ম্যাডাম, আমার ভুল হইছে। এত বড় শাস্তি দিয়েন না!❞
নীল চিঠির উত্তর
লেখক: বেনামি প্রেমিক
❝তোমার সেই চিঠিটা…
হ্যাঁ, আমি পেয়েছিলাম!
বইয়ের পাতার ভাঁজে লুকানো
সেই মায়াময় নীল চিঠিটা—
যা এক ধাক্কায় আমার বুক কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
জানো,
আমি সেটা হারাইনি…
তবে সেই চিঠির মূল্য যে কতখানি,
তা হয়তো তখন বোঝাতে পারিনি!
ভীরু মন, দ্বিধা ভরা চোখ,
আর সমাজের একরাশ ভয়
আমাকে ঠেলে দিয়েছিল নীরবতার আড়ালে।
আর সেই গোলাপ?
যা তুমি দিয়েছিলে সবার চোখ বাঁচিয়ে,
আমি ফেলিনি তা রাস্তায়—
লুকিয়ে রেখেছিলাম ডায়েরির পাতায়,
যেখানে আজও শুকনো পাতার মতো
তোমার ভালোবাসা জমে আছে!
তোমার প্রতিটি কথা,
প্রতিটি অভিমান—
আমার বুকের ভেতরে খোদাই হয়ে আছে!
আমার দেওয়া নিরবতা ছিল না অবহেলা,
ছিল এক দুর্বল ভালোবাসার পরাজয়!
তুমি বলেছিলে—
আমার কাছে কিছুই ছিল না মূল্যবান,
কিন্তু জানো?
তুমি ছিলে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি,
যা বলা হয়ে ওঠেনি… কখনো!❞
10/05/2025
#অবরুদ্ধ_নিশীথ
#তেজস্মিতা_মুর্তজা
১৭.
বাড়িতে শুধু তিনজন মেয়ে মানুষ। রাত বারোটার দিকে রাবেয়ার চেঁচামেচিতে ছাদ থেকে নেমে এসেছিল অন্তূ। বাড়ির মেইন দরজা আটকাতে গিয়ে আরও কতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল আব্বু অপেক্ষায়। আব্বু আসলই না!
জানালার ধারে বই নিয়ে বসে জানালাটা খুলে দিয়েছিল। রাবেয়া ঘরে এসে আরেক দফা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জানালা খোলা নিয়ে। ঠান্ডা হাওয়া আসছে, তা যেন শুষে নিচ্ছিল অন্তূ। একদৃষ্টে চেয়ে ছিল বাইরের অন্ধকার কুয়াশাচ্ছন্নতায়।
চুপচাপ এভাবে বসে থাকায় বুকের ব্যথাগুলোয় যেন আগুনে তুষের ছিটা পড়ছিল। অন্তিক আজ তিনদিন বাড়ি ফেরেনি। আব্বু সকালে বেরিয়েছে, রাত দুটো বাজল, সেও ফিরল না। অন্তূর কান্না পাচ্ছে কি? আবার কখনও শক্ত হয়ে উঠছে চোয়াল। নানাভাবে ভেবেও কোনো রকম ব্যাখ্যা বের করতে পারেনি। অন্তিক কোথায় গেছে, আব্বু আসছে না কেন?
রাবেয়া সেদিন অন্তূর ঘরে ছিলেন। কেন জানি তিনি অনেকটা সময় নিয়ে লম্বা একটা মোনাজাত করলেন নামাজ শেষে। আম্মুর কান্নার গুনগুনানি অন্তূর কানে গলিত লোহা হয়ে ঢুকছিল। বাইরে রাত বাড়ার সাথে সাথে যখন ঝি ঝি পোকার ডাক প্রকট হয়ে এলো, তখন চোখের পানি শুকিয়ে রাবেয়া কাত হয়ে শুয়েছেন কোনোরকমে।
অন্তূ কম্বল তুলে দিলো উনার গায়ে। এরপর তিন-চারবার আব্বুর নম্বরে ডায়াল করল। রিসিভ হলো না। অযু করে এসে তাহাজ্জদের নামাজে বসেছিল, তখন রাত তিনটা ছুঁই-ছুঁই। নামাজে খুব বিঘ্ন ঘটছিল, কেন জানি কান্নারা বাঁধ মানছিল না। কান্নার তোড়ে সিজদা লম্বা হচ্ছিল, নাক টানতে হচ্ছিল বারবার। বুকের ভেতর কয়েকবার দম আটকালো। এসবের কারণ স্পষ্ট নয় অন্তূর কাছে। তবে বুকে তুমুল ঝড় উঠেছে, কঠোর আশঙ্কারা নেচে নেচে কীসব অলুক্ষুনে কথাবার্তা বলতে চাইছে।
—
জয় এসেছে, তা হামজা জানতে পারল সকাল দশটার দিকে। জয়ের রুমে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। অথচ তার এতক্ষণ চিৎপটাং হয়ে পড়ে থাকার কথা। বেড-সাইড টেবিলের ওপর বিয়ারের ক্যান উল্টে পড়ে আছে। বিছানায় কম্বল ছড়ানো। হাতঘড়ি, ওয়ালেট, পারফিউম—সব নিজেদের জায়গায় পড়ে আছে। তার মানে জয় আশেপাশেই কোথাও আছে, দূরে বের হলে এসব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে একাকার হয়ে থাকতো। তরুকে ডাকল হামজা। তরু এলো না, গলা উঁচিয়ে জবাব দিলো।
-“জয় কখন এসেছে কাল রাতে?ʼʼ
তরু চেঁচিয়ে জবাব দিলো, “ভোর রাতে।ʼʼ
-“আবার তাহলে বের হয়েছে কখন?ʼʼ
-“সকাল আটটার দিকে বের হয়ে গেল। বলে গেল, এক
07/05/2025
#অবরুদ্ধ_নিশীথ
#তেজস্মিতা_মুর্তজা
২.
পরদিন ক্লাস শেষে ভীষণ ক্লান্ত অন্তূ। ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ডেকেছেন। ডাকার কারণ স্পষ্ট নয়। অন্তূকে পিয়ন থামালো দরজার সামনে, “দাড়ান আপনে। স্যার বিজি আছে। মিটিং চলতেছে ভিতরে।ʼʼ
ভেতর থেকে প্রফেসর ইউসুফ সিরাজীর কণ্ঠস্বর শোনা গেল, “ভেতরে আসতে দাও ওকে।ʼʼ
অন্তূর একটু সন্দেহ হলো, কোনো গুরুতর বিষয় নয় তো! ভেতরে প্রবেশ করে সালাম জানাল। ইউসুফ সিরাজী মাথা নাড়লেন, “এসো!ʼʼ
আরও কয়েকজন বড়ো বড়ো শিক্ষক রয়েছেন কক্ষে, এবং টেবিলের সামনে ডানপাশে চেয়ারে বসে আছে এক লম্বামতো পুরুষ, পরনে পাঞ্জাবী, মুখে চাপদাড়ি। এলাকায় একনামে বড়ভাই। যার মুখভঙ্গি একদম স্বাভাবিক, নিচের দিকে তাকিয়ে আছে শীতল দৃষ্টি মেলে। একে অন্তূ চেনে, ভার্সিটির ছাত্র সংসদের মেজর মেম্বার— হামজা পাটোয়ারী। ইউসুফ সিরাজী জিজ্ঞেস করলেন, “গতকাল কী হয়েছিল?ʼʼ
অন্তূ ইতস্তত না করে বলল, “আমাকে র্যাগ দেয়া হয়েছিল, স্যার!ʼʼ
-“সে তো আর নতুন কিছু নয়। তুমি কী করেছ?ʼʼ কড়া শোনাল প্রফেসরের কণ্ঠস্বর।
অন্তূ দমল না, বলল, “আমাকে সিগারেটে টান...ʼʼ
-“আহ!ʼʼ ব্যাপারটা যেন শুনতে আগ্রহী নন স্যার, বিরক্ত হলেন, “তুমি কী করেছ সেটা বলো!ʼʼ
অন্তূ স্যারের সম্মানে বিনয়ের সঙ্গে তবে দৃঢ় কণ্ঠে বলল, “আমাকে ধূমপান করতে বলা হয়েছিল, স্যার। আর তাতে অভ্যস্ত নই আমি। তাই সিগারেটটা নিয়ে ফেলে পা দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছি।ʼʼ
মুখভঙ্গি শক্ত হলো প্রফেসরের। চোখ পাকালেন তিনি, চাপা স্বরে ধমকে উঠলেন, “এই শিখেছ? কার সঙ্গে এই আচরণ করেছ কোনো জ্ঞান আছে সে বিষয়ে? অভদ্র মেয়ে! সিনিয়রদের সঙ্গে এই আচরণ শিখেছ এতদিনে? ভার্সিটিতে আসো বেয়াদবী শিখতে? আদবের বালাই নেই ভেতরে! তুমি জানো, এতে তোমার এডমিশন ক্যানসেল হতে পারে? নাম কী?ʼʼ
অন্তূ অবাক হলো, উল্টো তাকে ব্লেইম করা হচ্ছে! অবশ্য চমকানোর কিছু নেই। দুনিয়ার সংবিধানের নাম যেখানে অরাজকতা ও সুশাসনহীনতা! সেখানে এটা নেহাত স্বাভাবিক ব্যাপার! নাম বলল সে, “মাহেজাবিণ আরমিণ অন্তূ।ʼʼ
-“বাবার নাম?ʼʼ
একটু ভয় হলো অন্তূর, এসব আব্বুর কানে গেলে...আব্বু সম্মানী মানুষ, তামাশা নিতে পারবেন না। জবাব দিলো, “আমজাদ আলী প্রামাণিক।ʼʼ
-“স্কুল মাস্টার আমজাদ নাকি?ʼʼ
-“জি!ʼʼ
-“এখনও মাস্টারি করে?ʼʼ
-“জি না। রিটায়ার করেছেন বছরখানেকের মতো।ʼʼ
ইউসুফ সিরাজী হামজাকে জিজ্ঞেস করলেন, “হামজা! তুমি কিছু বলবে?ʼʼ
04/05/2025
https://www.facebook.com/100064801443995/posts/1079312314238807/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v
জহির রায়হানের লিখা শেষ বিকেলের মেয়ে উপন্যাসটার সকল পর্ব! " ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন! "
#সানভির_আরিদ_ভাই
ক্যাটাগরি: কাজিন রিলেটেড গল্প, যাদের নায়ক রাগী, গম্ভীর পছন্দ তাদের জন্য এই গল্পটি।
নায়কের কাল্পনিক প্রতিচ্ছবি ১
https://www.facebook.com/share/v/163bewpWdf/
নায়কের কাল্পনিক প্রতিচ্ছবি ২
https://www.facebook.com/share/v/15UTugTUnZ/
১.https://www.facebook.com/61560300164531/posts/122153375978343338/?app=fbl
২.https://www.facebook.com/share/p/1HKRvLAPac/
৩.https://www.facebook.com/61560300164531/posts/122154504164343338/?app=fbl
৪.https://www.facebook.com/share/p/1DzgjdXj4u/
৫.https://www.facebook.com/share/p/1A8Emo2fPc/
৬.https://www.facebook.com/share/p/15Ba1zm6JW/
৭.https://www.facebook.com/share/p/1549nKnXWX/
বোনাস পর্ব
https://www.facebook.com/share/p/1YLtCs4cWW/
৮.https://www.facebook.com/share/p/161sKbGXtc/
৯.https://www.facebook.com/share/p/1EogTnFovv/
১০.https://www.facebook.com/share/p/1BWbTWZefB/
১১.https://www.facebook.com/share/p/1BduSuAQmt/
১২.https://www.facebook.com/share/1JxPvgDybR/
১৩.https://www.facebook.com/share/p/1ByTw2qcNC/
১৪.https://www.facebook.com/share/p/1EK7SZYuyg/
১৫.https://www.facebook.com/share/p/1PeBizo1HT/
১৬.https://www.facebook.com/share/p/1eWyCwfhmh/
১৭.https://www.facebook.com/share/p/15tQqr8BNa/
১৮.https://www.facebook.com/share/p/1Bj3EvkNfV/
১৯.https://www.facebook.com/share/p/1HBtmLEhDj/
২০.https://www.facebook.com/share/15AE73hrnZ/
২১.https://www.facebook.com/share/p/15pmAoRLgD/
২২.https://www.facebook.com/share/p/1HAVPL1w77/
২৩.https://www.facebook.com/share/p/14WQPkE6qz/
২৪.https://www.facebook.com/share/p/18T4c6iCDC/
২৫.https://www.facebook.com/share/p/1EYsiznk2z/
২৬.https://www.facebook.com/share/p/16F8w9vW5R/
২৭.https://www.facebook.com/share/p/16N9QRcjrb/
২৮.https://www.facebook.com/share/p/1H8amHGP3h/
২৯.https://www.facebook.com/share/p/1BtPNYaJEQ/
সমাপ্ত
28/04/2025
★ নীল চিঠি ★
❝তোমার দেওয়া সেই ছোট্ট এক পৃষ্ঠার চিঠিটা,
আজও আমার কাছে সযত্নে সংরক্ষিত আছে!
আমার বই নেওয়ার বাহানায়
তুমি দিয়েছিলে সেই ছোট্ট চিঠিখানি।
ক্লাসের ফাঁকে,
বইয়ের ভেতরে লুকানো
সেই ক্ষুদ্র বার্তাটা পৌঁছে গিয়েছিল আমার কাছে!
প্রতিউত্তরে লেখা
আমার সেই নীল চিঠিটা,
কোনো এক মানবের হাত ধরে
পৌঁছে গিয়েছিল তোমার কাছেও!
দুর্ভাগ্যবশত,
তুমি তা ধরে রাখতে পারোনি।
আচ্ছা, ধরে নিলাম—
তুমি চিঠিটা আগলে রাখতে পারোনি।
তবে ক্লাসের ফাঁকে দেওয়া
সেই টুকটুকে গোলাপটি কী করেছিলে?
ফেলে দিয়েছিলে?
হয়তো কংক্রিটের ধুলোমাখা রাস্তায়
ফেলে দিয়েছিলে ভালোবাসার সেই স্মৃতিটুকু!
গাড়ির চাকা কর্কশ শব্দ তুলে
আমার প্রিয় গোলাপটিকে
মাটি চাপা দিয়ে গিয়েছিল নিশ্চুপে।
আমার দেওয়া কোনো কিছুরই কী
ছিল কোনো মূল্য তোমার কাছে?
ভালোবাসা হোক কিংবা
রাগ ভাঙানোর নিঃশব্দ উপহার…❞
লেখিকা: নুসরাত জাহান লাভলী
Click here to claim your Sponsored Listing.
03/05/2025