Love Museum
সীমাহিন ভালোবাসা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে দু ফোটা নোংরা পানি থেকেই পবিত্র মানুষে তৈরি অথচ অহংকারের দিক থেকে আমরা সবথেকে এগিয়েযে মানুষই সর্বশ্রেষ্ঠ আবার সেই মানুষই মানুষকে খুন করে ব্যাপারটা অস্বাভাবিক নয় এটাই বাস্তবতাও সত্য হৃদয় দিয়েই ভালোবাসুন সবাইকে
জাগিয়ে তুলছে ❤️ ভালোবাসা?ট্রেনটা দুলতে দুলতে চলছিল। বিকেলের সোনালি আলো জানালা দিয়ে ঢুকে সবকিছুকে মায়াবী করে দিয়েছিল। আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে, হাতে একটা পুরোনো বই—কিন্তু পড়ছিলাম না। চোখটা বাইরের দিকে, মনটা কোথাও হারিয়ে।
তারপর হঠাৎ—একটা ঝটকা। ট্রেনের দুলুনিতে পা পিছলে গেল। আমি পড়তে গেলাম।
আর ঠিক তখনই—তার হাতটা এসে আমার হাত ধরে ফেলল।
এক সেকেন্ডের মধ্যে সব থমকে গেল। আমার বাম হাত জানালার কাঠ ধরে ঝুলে গেল, আর ডান হাতটা তার হাতে আটকে। স্পর্শটা এমন—যেন বিদ্যুৎ, কিন্তু নরম। তার চুলের কয়েকটা ঝাঁকড়া লোম আমার গালে এসে লাগল। একটা হালকা ধোঁয়াটে সেন্ট—যেন কোনো ফুলের নাম না জানা গন্ধ—আমার নাকে ভেসে এল।
তারপর সে হাসল। একটা ছোট্ট, লাজুক হাসি। আর হাসির সাথে সেই হাতটা আরও একটু শক্ত করে আমাকে টেনে তুলল।
সেই মুহূর্তে ট্রেনের আলো তার স্মার্ট ওয়াচে পড়ল। কাচটা ঝকঝকে করে জ্বলে উঠল। সোনালি রোদটা যেন ইচ্ছে করে এসে তার হাতে আটকে গেল, তারপর ধীরে ধীরে তার চোখে চলে গেল। তার চোখের মণি দুটো সোনার মতো ঝলমল করে উঠল—যেন দুটো ছোট্ট সূর্য।
আমি তাকিয়ে রইলাম। মনে হলো—এটা কোনো নতুন শুরু নয়। এটা তো আগের থেকেই ছিল। যেন দুটো হৃদয়, দুই প্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকেও, একই সুতোয় বাঁধা।
ট্রেন থামল। সে নেমে গেল। আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। কিন্তু তার হাতের সেই স্পর্শ, চুলের সেই গন্ধ, আর চোখের সেই সোনালি আলো—সবকিছু আমার সাথে চলে এল।
আর আমি জানি, পরের ট্রেনে যখন উঠবো—আবার খুঁজবো।
হয়তো এবার সে আমার পাশে দাঁড়াবে।
হয়তো এবার আমরা একই জানালার কাছে থাকবো।
হাত ধরে, চোখে চোখ রেখে—শুধু নিঃশ্বাস শুনে।
আর সেই সোনালি আলোটা? সেটা আমাদের মাঝে থেকে যাবে। চিরকাল।
কেমন লাগলো? এই গল্পটা তোমার মনে কি এখনো সেই মুহূর্তটা জাগিয়ে তুলছে? ❤️ ❤️ #ভ্যালেন্টাইন
Click here to claim your Sponsored Listing.