Practice Educare

Practice  Educare

Share

11/04/2026

জাবেদা নিয়ে আলোচনা :

✴️ Journal শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ জাবেদা।

👉 শুধু পণ্য ক্রয়ের এর ক্ষেত্রে ক্রয় হিসাব লিখতে হয়।

👉স্থায়ী সম্পত্তি বা মনিহারি র এর ক্ষেত্রে ক্রয় হিসাব লেখা হয় না।

👉পণ্য ক্রয় ধারে অথবা নগদে না থাকলে নগদে নগদে ক্রয় হয়েছে বলে ধরা হয়।

👉কোন ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ থাকলে ধারে ক্রয় হয়েছে বলে ধরা হয় এবং এইজন্য জাবেদা করার সময় যদিও হিসাব লিখতে হয়।

👉 পুনরায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ক্রয় করলে সংশ্লিষ্ট সম্প্রতি হিসাব না লিখে ক্রয় হিসাব লিখতে হয়

👉বাকিতে ক্রয়ের সাথে প্রদেয় হিসাব/ পাওনাদারের সম্পর্ক।

✴️পণ্য বিক্রয় সংক্রান্ত জাবেদা :

👉পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয় হিসেবে লেখা হয়

👉সম্পত্তি /মনিহারি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয় হিসেবে লেখা হয় না।

👉 ধারে অথবা কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে পূর্ণ বিক্রয় করলে বাকিতে হয়েছে বলে ধরা হয় এইজন্য দেনাদার হিসাব সৃষ্টি হয়।

👉ধারে বিক্রয় করলে প্রাপ্য হিসাব /দেনাদারের সৃষ্টি হয়।

👉প্রাপ্য নোটের স্বীকৃতির মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করলে প্রাপ্য নোট হিসাব ডেবিট হবে।

👉 অন্য রপ্তানি করলে ব্যাংক হিসাব ডেবিট হবে।

✴️ উত্তোলন সংক্রান্ত জাবেদা :

👉শুধু উত্তোলন বলা থাকলে ব্যবসায় হতে নগদ উত্তোলন ধরা হবে।

👉ব্যবসায়ী হতে টাকা উত্তোলন করলে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে উত্তোলন ধরা হয়।

👉ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করলে তা ব্যবসায়ের জন্য হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে।

👉মালিকের ব্যক্তিগত খরচ, আয়কর,জীবন বীমা প্রিমিয়াম উত্তোলন হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়।

👉পণ্য উত্তোলন ক্রয় মূল্যে অথবা বিক্রয় মূল্যে লেখা না থাকলে ক্রয় মূল্যে উত্তোলন ধরতে হয়।

✴️বাট্টা সংক্রান্ত লেনদেনের জাবেদা :

👉কারবারি বাট্টার জন্য কোন জাবেদা হবে না।

👉প্রদত্ত বাট্টা প্রাপ্য হিসাব /দেনাদার কে প্রভাবিত করে।প্রদত্ত বাট্টা দেয়।

👉প্রাপ্ত বাট্টা প্রদেয় হিসাব/ পাওনাদারকে প্রভাবিত করে। প্রাপ্ত বাটা আয়।

✴️ক্রয় ফেরত/বহিঃফেরত সংক্রান্ত লেনদেন :

👉ধারে ক্রয় কি তখন ফেরত দিলে প্রদেয় হিসাব ডেবিট হবে।

👉নগদে ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত দিলে নগদান হিসেবে ডেবিট হবে।

👉 চেকে ক্রয় ক্রীত পণ্য ফেরত দেওয়া হলে ব্যাংক হিসাব ডেবিট হবে

✴️বিক্রয় ফেরত /আন্ত ফেরত সংক্রান্ত লেনদেন :

👉ধারে বিক্রীতপণ্য ফেরত আসলে প্রাপ্য হিসাব ক্রেডিট হবে।

👉নগদে বিক্রীত পণ্য ফেরত আসলে নগদান হিসেবে

👉চেকে বিক্রীত পণ্য ফেরত আসলে ব্যাংক হিসাব ক্রেডিট হবে।

✴️ সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত লেনদেন :

👉সম্পদ ক্রয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নতুন পুরাতন ক্রয় বিক্রয় প্রভৃতি শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।

👉 সম্পদ ক্রয় করলে ঐ সম্পদ হিসাব ডেবিট হবে

👉সম্পদ বিক্রয় করলে ঐ সম্পদ হিসাব ক্রেডিট হবে

✴️চেক ও ব্যাংক সংক্রান্ত লেনদেন :

👉বাহক চেকে পাওয়া গেলে নগদান হিসেবকে ডেবিট করতে হয়।

👉দাগকাটা চেকে পাওয়া গেলে ব্যাংক হিসাবকে ডেবিট করতে হয়।

👉প্রশ্নে কোন চেকের বিবরণ দেওয়া না থাকলে দাগ কাটা চেক ধরে নিয়ে ব্যাংক হিসাব কে ডেবিট করতে হয়।

👉চেক মারফত বা মাধ্যমে প্রদান করলে ক্রেডিট হয়।

👉প্রাপ্ত চেক প্রত্যাখ্যাত হয়ে ফেরত আসলে ব্যাংক হিসাব ক্রেডিট করতে হয়।

👉ইস্যুকৃত চেক প্রত্যাখ্যাত হলে ব্যাংক হিসাব ডেবিট করতে হয়।

👉একটি তারিখে চেক পেয়ে অন্য একটি তারিখে ব্যাংকে জমা দিলে তা দাগ কাটা চেক বলে ধরতে হয়।

👉একজনের নিকট থেকে চেক পেয়ে অন্যজনের নিকট একটি প্রদান করলে বাহক চেক হিসেবে ধরা হয়।

👉পূর্বে প্রাপ্ত চেক দ্বারা পরবর্তীতে কোন খরচের অর্থ পরিশোধ করা হলে অথবা কোনো দেনা পরিশোধ করা হলে বাহক চেক হিসেবে ধরতে হবে।

11/02/2026

Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

02/02/2026

অংশীদারি ব্যবসায়
অংশীদার ব্যবসায়

✅অংশীদারি ব্যবসায়ের অংক করার সময় সাধারণত (খ) নং প্রশ্নে আসে লাভ লোকসান আবণ্টন হিসাব
(গ)নং প্রশ্নে আসে খতিয়ান মূলত এইন২ টি হিসাব এখানে চাওয়া হয়

অংশীদারী ব্যবসায়ের হিসাবে(যে সব হিসাব একবার লিখতে হয়)
১। মূলধন =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট
২। অতিরিক্ত মূলধন=মূলধন হিসাবের ক্রেডিট
৩। উত্তোলন =মূলধন হিসাবের ডেবিট
৪। ঋণ = ঋণ হিসাবের ক্রেডিট
৫। নীট লাভ=লাভ লোকসান হিসাবের ক্রেডিট
✴️অংশীদারি ব্যবসায়ের অংক করার সময় (যে সব আইটেম দুইবার লিখতে হয়):
১। মূলধনের সুদ =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট
২। উত্তোলনের সুদ =মূলধন হিসাবের ডেবিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ক্রেডিট
৩। বেতন =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট।
৪। কমিশন = মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট
৫। ঋণের সুদ =ঋণ হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট
৬। পণ্য উত্তোলন =মূলধন হিসাবের ডেবিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ক্রেডিট
৭। বন্টনযোগ্য মুনাফার অংশ =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট।
৮। বন্টনযোগ্য মুনাফার ক্ষতি =মূলধন হিসাবের ডেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ক্রেডিট।

✴️ঋনের সুদের ব্যাপারে যদি % ও তারিখ উল্লেখ না থাকে তবে ৬% হারে ৬ মাসের সুদ দিতে হবে।
✴️ মূলধনের সুদের কথা বলা হলে অতিরিক্ত মূলধনের উপর তারিখ অনুযায়ী সুদ ধরতে হবে।
✴️যে সব আইটেম/সমন্বয় ডেবিট করার পর নীট লাভ দেয়া থাকবে ঐ সমস্ত আইটেম লাভলোকসান আবন্টন হিসাবে আসবে না।
✴️ কোন অংশীদার বেতনের টাকা নগদে উত্তোলন করলে, বেতন লাভ লোকসান আবন্টনে আসবে তবে মূলধন হিসাবে আসবে না।
✴️✴️উত্তোলনের সুদ নির্ণয় :
✴️ক।প্রতি মাসের প্রথম তারিখ উত্তোলন = মাসিক উত্তোলন × সুদের হার ×৬.৫
✴️খ। প্রতি মাসের মাঝামাঝি তারিখ উত্তোলন = মাসিক উতোলন × সুদের হার ×৬
✴️ গ। প্রতি মাসের শেষ তারিখ উত্তোলন = মাসিক উতোলন × সুদের হার ×৫.৫
✴️ ঘ। প্রতি দু মাস অন্তর অন্তর উত্তোলন = মাসিক উতোলন × সুদের হার ×৫/২
✴️ ঙ। প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর উত্তোলন = মাসিক উত্তোলন × সুদের হার × ৩/২

✴️✴️ বন্টনযোগ্য লাভের ১০% কমিশন হবে পূর্ববর্তী বন্টনযোগ্য লাভ×১০/১১০।

30/01/2026

For
students
who r
studied at
studies

24/01/2026
10/11/2025

🌺INTERNATIONAL ACCOUNTING DAY
👉১০ নভেম্বর
উদযাপনের উদ্দেশ্য:
বিশ্বজুড়ে হিসাববিজ্ঞান পেশাজীবী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং হিসাববিজ্ঞানের গুরুত্ব তুলে ধরা।

👉 এখানেই প্রথম “Double-entry bookkeeping system” (দ্বৈত-প্রবেশ পদ্ধতি) স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয় —যেখানে প্রতিটি লেনদেনের দুটি দিক থাকে: ডেবিট ও ক্রেডিট।

✅ কেন ১০ নভেম্বর?
কারণ ১৪৯৪ সালের ১০ নভেম্বর দিনেই Luca Pacioli-এর বইটি প্রকাশিত হয়। তাই প্রতি বছর এই দিনটিকে International Accounting Day হিসেবে পালন করা হয় —বিশ্বজুড়ে হিসাববিজ্ঞান পেশার জন্মদিন হিসেবে।

03/11/2025

For Honurs session 2025-26
National

Photos from Practice  Educare 's post 03/11/2025

After
Ur at

28/10/2025

অংশীদারি ব্যবসায়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসমূহ:

অংশীদারি ব্যবসায়

✅অংশীদারি ব্যবসায়ের অংক করার সময় সাধারণত (খ) নং প্রশ্নে আসে লাভ লোকসান আবণ্টন হিসাব
(গ)নং প্রশ্নে আসে খতিয়ান মূলত এই ২ টি হিসাব এখানে চাওয়া হয়।

অংশীদারী ব্যবসায়ের হিসাবে(যে সব হিসাব একবার লিখতে হয়)
১। মূলধন =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট
২। অতিরিক্ত মূলধন=মূলধন হিসাবের ক্রেডিট
৩। উত্তোলন =মূলধন হিসাবের ডেবিট
৪। ঋণ = ঋণ হিসাবের ক্রেডিট
৫। নীট লাভ=লাভ লোকসান হিসাবের ক্রেডিট
✴️অংশীদারি ব্যবসায়ের অংক করার সময় (যে সব আইটেম দুইবার লিখতে হয়):
১। মূলধনের সুদ =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট
২। উত্তোলনের সুদ =মূলধন হিসাবের ডেবিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ক্রেডিট
৩। বেতন =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট।
৪। কমিশন = মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট
৫। ঋণের সুদ =ঋণ হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট
৬। পণ্য উত্তোলন =মূলধন হিসাবের ডেবিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ক্রেডিট
৭। বন্টনযোগ্য মুনাফার অংশ =মূলধন হিসাবের ক্রেডিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ডেবিট।
৮। বন্টনযোগ্য মুনাফার ক্ষতি =মূলধন হিসাবের ডেবিট ও লাভ লোকসান আবন্টন হিসাবের ক্রেডিট।

✴️ঋনের সুদের ব্যাপারে যদি % ও তারিখ উল্লেখ না থাকে তবে ৬% হারে ৬ মাসের সুদ দিতে হবে।
✴️ মূলধনের সুদের কথা বলা হলে অতিরিক্ত মূলধনের উপর তারিখ অনুযায়ী সুদ ধরতে হবে।
✴️যে সব আইটেম/সমন্বয় ডেবিট করার পর নীট লাভ দেয়া থাকবে ঐ সমস্ত আইটেম লাভলোকসান আবন্টন হিসাবে আসবে না।
✴️ কোন অংশীদার বেতনের টাকা নগদে উত্তোলন করলে, বেতন লাভ লোকসান আবন্টনে আসবে তবে মূলধন হিসাবে আসবে না।
✴️✴️উত্তোলনের সুদ নির্ণয় :
✴️ক।প্রতি মাসের প্রথম তারিখ উত্তোলন = মাসিক উত্তোলন × সুদের হার ×৬.৫
✴️খ। প্রতি মাসের মাঝামাঝি তারিখ উত্তোলন = মাসিক উতোলন × সুদের হার ×৬
✴️ গ। প্রতি মাসের শেষ তারিখ উত্তোলন = মাসিক উতোলন × সুদের হার ×৫.৫
✴️ ঘ। প্রতি দু মাস অন্তর অন্তর উত্তোলন = মাসিক উতোলন × সুদের হার ×৫/২
✴️ ঙ। প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর উত্তোলন = মাসিক উত্তোলন × সুদের হার × ৩/২

Photos from Practice  Educare 's post 25/10/2025

For admission

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

D Block Road 3, House 38, , Ground Floor. , Rampura Banasree
Dhaka