NISHAT TASNIM
Let’s grow, learn, and reflect together.. Glad to have you here! 🙂
02/04/2026
#হাম হলো একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা Measles দ্বারা হয়। এটি প্রধানত শিশুদের আক্রান্ত করে, তবে টিকা না নেওয়া বড়দেরও হতে পারে।
#কীভাবে_ছড়ায়?
কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে (ড্রপলেট)
আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে
ভাইরাস বাতাসে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে
তাই একজন আক্রান্ত শিশু থেকে দ্রুত অনেক শিশুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
#লক্ষণ
হাম সাধারণত ধাপে ধাপে প্রকাশ পায়:
১ম ধাপ (প্রাথমিক)
জ্বর (১০১–১০৪°F)
কাশি
নাক দিয়ে পানি পড়া
চোখ লাল হওয়া (conjunctivitis)
২য় ধাপ
মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
৩য় ধাপ (র্যাশ)
৩–৫ দিন পর সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি
প্রথমে মুখে, পরে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে
#জটিলতা (Complications)
হামকে হালকা রোগ মনে করা ভুল। জটিলতা হতে পারে:
নিউমোনিয়া
ডায়রিয়া
কানের ইনফেকশন
মস্তিষ্কে প্রদাহ (Encephalitis)
অপুষ্ট শিশুর ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে
#বিশেষ_ঝুঁকিতে:
৫ বছরের কম বয়সী শিশু
অপুষ্ট শিশু
ইমিউন কম (যেমন স্টেরয়েড/কেমোথেরাপি রোগী)
#টিকা (Vaccination)
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা।
বাংলাদেশে সাধারণ শিডিউল:
৯ মাস: MR (Measles-Rubella)
১৫ মাস: MMR (Measles-Mumps-Rubella)
আউটব্রেক পরিস্থিতিতে আগে দেওয়া যেতে পারে (ডাক্তারের পরামর্শে)
#প্রতিরোধের_উপায়
সময়মতো টিকা দেওয়া
অসুস্থ শিশুকে আলাদা রাখা
হাত ধোয়া ও হাইজিন মেনে চলা
ভিড় এড়িয়ে চলা (আউটব্রেক হলে)
#চিকিৎসা
হামের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। চিকিৎসা মূলত supportive:
জ্বর কমানোর ওষুধ (Paracetamol)
পর্যাপ্ত পানি/ORS
ভিটামিন A (খুব গুরুত্বপূর্ণ): ৬ মাস থেকে ১ বছরঃ রেটিনল ফোর্ট ৫০ হাজার ইউনিট ২ টা একসাথে, ১-৫ বছরঃ ৫০ হাজার ইউনিট ৪ টা ক্যাপসুল একসাথে।
প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক (secondary infection হলে)
গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন হতে পারে।
্রুত_ডাক্তার_দেখাবেন?
জ্বর খুব বেশি বা ৩ দিনের বেশি থাকে
শ্বাসকষ্ট
খাওয়া বন্ধ করে দেয়
পানি শূন্যতা / প্রস্রাব আশংকা জনক ভাবে কমে যাওয়া
খিঁচুনি
অস্বাভাবিক ঘুম বা অচেতনতা
#অভিভাবকদের_জন্য_মূল_বার্তা
হাম ভয়ংকর হতে পারে, কিন্তু প্রতিরোধযোগ্য
প্যানিক না করে সচেতন থাকুন
টিকা সবচেয়ে বড় সুরক্ষা
লক্ষণ দেখলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিন
সদ্যজাত ও ৯ মাসের নিচের বাচ্চারা কি ঝুঁকিতে?
হ্যাঁ, ঝুঁকিতে আছে — বরং বেশি ঝুঁকিতে।
জন্মের পর কিছুদিন মায়ের অ্যান্টিবডি (maternal IgG) থাকে কিন্তু তা সবসময় পর্যাপ্ত সুরক্ষা দেয় না
যদি মা আগে Measles না হয়ে থাকেন বা টিকা না নিয়ে থাকেন → শিশুর সুরক্ষা কম
৬ মাসের পর maternal antibody দ্রুত কমে যায়।
৬–৯ মাস = উচ্চ ঝুঁকি
ে_হলে_সমস্যা_বেশি_কেন?
নিউমোনিয়া বেশি হয়
ডিহাইড্রেশন
Encephalitis এর ঝুঁকি
মারাত্মক হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে
অর্থাৎ, এই বয়সে হাম সাধারণত severe course নেয়
#টিকা_কখন_থেকে_দেয়া_যায়?
৬ মাস বয়স থেকে টিকা দেয়া যেতে পারে (early dose)
#করণীয়ঃ
১. এক্সপোজার কমানঃ ভীড় এড়িয়ে চলুন
২. নিয়মিত হাত ধুয়ে বাচ্চার যত্ন নিন
৩. বাড়ি কেউ আক্রান্ত হলে শিশুকে আলাদা রাখুন
#হাম_বিষয়ে_প্রশ্ন_উত্তর
★প্রশ্নঃ পরিস্থিতি বিবেচনায় ৯ মাসের আগে হামের টীকা দেয়া যায় কিনা?
উত্তরঃ জ্বি বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ডাক্তারের পরামর্শে আগে টীকা দেয়া যাবে।
★প্রশ্ন: বাচ্চার বয়স বেড়ে গেছে, কিন্তু আগে ৯ এবং ১৫ মাসের হামের টীকা (একটি বা উভয়টি) দেয়া হয়নি। কি করণীয়?
উত্তর: যদি টীকা কার্ড থাকে, তাহলে সরকারী EPI কেন্দ্র থেকে বড় বাচ্চাকেও ৯ বা ১৫ মাসের টীকা দেয়া যেতে পারে (availability সাপেক্ষে)। তবে টীকা কার্ড না থাকলে বা সরকারীভাবে না পেলে, ব্যক্তিগত উদ্যোগে MMR vaccine (Mumps, Measles, Rubella) টীকা দেয়া যেতে পারে।
★প্রশ্ন: বাচ্চাকে ৯ এবং ১৫ মাসে হামের টীকা দেয়া হয়েছে। তবুও বর্তমান আউটব্রেকের জন্য কি বুস্টার প্রয়োজন?
উত্তর: যেসব বাচ্চা ৯ ও ১৫ মাসে টীকা নিয়েছে, তাদের প্রায় ৯৫% ক্ষেত্রে আজীবন ইমিউনিটি তৈরি হয়। তাই সাধারণভাবে বুস্টার ডোজ প্রয়োজন হয় না।
তবে অভিভাবক চাইলে ব্যক্তিগতভাবে MMR vaccine দেয়া যেতে পারে। এতে ক্ষতি নেই বরং এটি বুস্টার হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে যেসব বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে বুস্টার বিবেচনা করা যেতে পারে।
★প্রশ্ন: হামের টীকা দেয়া থাকলেও কি হাম হতে পারে?
উত্তর: হ্যাঁ, টীকা নেওয়ার পরও Measles হতে পারে। তবে সাধারণত রোগের তীব্রতা অনেক কম থাকে। টীকার মূল উদ্দেশ্য হলো মারাত্মক জটিলতা কমানো এবং মৃত্যু প্রতিরোধ করা।
©
ডাঃ আদনান আল বিরুনী
শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ও শিশু সার্জন
কনসালট্যান্ট, উত্তরা ওমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল
#নিশাত_তাসনিম
01/10/2025
❝আল্লাহ্ নামটির ব্যাখ্যা❞
একজন স্প্যানিশ তরুণী “আল্লাহ্” শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করলেন!
এই তরুণী স্প্যানিশ নারী বর্তমানে জর্ডানের ইয়ারমুক বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ভাষায় মাস্টার্স করছেন। একদিন দ্বিতীয় বর্ষের একটি ক্লাসে অধ্যাপক ফাখরি কাতানাহ তার শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করলেন:
“তোমাদের মধ্যে কে ‘আল্লাহ্’ নামটির অলৌকিক ও ধ্বনিবিজ্ঞানগত দিক থেকে ব্যাখ্যা করতে পারবে?”
কেউ হাত তুলল না— শুধুমাত্র একজন তরুণী স্প্যানিশ নারী, যার নাম হেলেন। যদিও তিনি স্প্যানিশ ও খ্রিস্টান ছিলেন, তিনি সাবলীলভাবে আরবি বলতেন। তিনি বললেন:
“আরবি ভাষায় আমি যে সবচেয়ে সুন্দর শব্দটি পড়েছি, সেটি হল ‘আল্লাহ্’। এই নামটি মানব ভাষায় একটি অনন্য সুরধ্বনি তৈরি করে, কারণ এর সব অক্ষর গলা থেকে উচ্চারিত হয়, ঠোঁট থেকে নয়।
এই পবিত্র নামটি ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয় না, কারণ এতে কোনো ডায়াক্রিটিকাল চিহ্ন (বিন্দু) নেই। এখন ‘আল্লাহ্’ উচ্চারণ করুন এবং খেয়াল করুন কীভাবে এটি বলছেন!
আপনি দেখবেন, এর অক্ষরগুলি গলার গভীর থেকে আসে, ঠোঁটের কোনো নড়াচড়া ছাড়াই। এর মানে হলো, যদি কেউ ‘আল্লাহ্’ শব্দটি উচ্চারণ করতে চায়, তবে তার চারপাশের লোকেরা তা লক্ষ্যও নাও করতে পারে।”
তিনি আরও ব্যাখ্যা করলেন:
“এই নামের আরেকটি অলৌকিক দিক হলো, এর কিছু অক্ষর সরালেও এর অর্থ অটুট থাকে।”
সাধারণত ‘আল্লাহ্’ শব্দটি ‘اللّٰهُ’ (Allahُ) রূপে উচ্চারিত হয়।
যদি প্রথম অক্ষর (আলিফ) সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে এটি ‘لِلّٰهِ’ (Lillah) হয়ে যায়, যা নিম্নলিখিত কুরআনের আয়াতে পাওয়া যায়:
﴿وَلِلَّهِ ٱلۡأَسۡمَآءُ ٱلۡحُسۡنَىٰ فَٱدۡعُوهُ بِهَاۖ﴾
“আল্লাহর জন্য রয়েছে সর্বোত্তম নামসমূহ, সুতরাং তোমরা তাঁকে সেসব নাম ধরে ডাক।” (সূরা আল-আ‘রাফ: ১৮০)
যদি ‘আলিফ’ ও প্রথম ‘লাম’ সরানো হয়, তাহলে এটি ‘لَهُ’ (Lahu) হয়ে যায়, যেমন এই আয়াতে:
﴿لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلۡأَرۡضِۗ﴾
“আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তাঁর।” (সূরা আল-বাকারা: ২৫৫)
যদি ‘আলিফ’ ও দ্বিতীয় ‘লাম’ সরানো হয়, তবে কেবল ‘هُوَ’ (Hu) থাকে, যা এখনো আল্লাহর প্রতিই ইঙ্গিত করে, যেমন এই আয়াতে:
﴿هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِي لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ﴾
“তিনি আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।” (সূরা আল-হাশর: ২২)
যদি প্রথম ‘লাম’ সরানো হয়, তবে এটি ‘إِلَـٰه’ (Ilah) হয়ে যায়, যেমন এই আয়াতে:
﴿ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡحَىُّ ٱلۡقَيُّومُ﴾
“আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সৃষ্টির ধারক-সংহারক।” (সূরা আল-বাকারা: ২৫৫)
তিনি আরও ব্যাখ্যা করলেন:
“বিদ্বানগণ গভীরভাবে ‘আল্লাহ্’ নামটি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাওহিদের বাক্য, ‘لَا إِلَـٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ’ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) তিনটি অক্ষর নিয়ে গঠিত: আলিফ, লাম, ও হা।
এই তিনটি অক্ষর হালকা ও সহজে উচ্চারিত হয়, যা ঠোঁট না নড়িয়েও বলা যায়।”
তিনি আরও ব্যাখ্যা করলেন:
“আপনারা কি জানেন কেন?
যেন মৃত্যুর সময় একজন ব্যক্তি সহজেই এটি উচ্চারণ করতে পারেন, ঠোঁট বা দাঁত না নাড়িয়েও।”
আজ, হেলেনের নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘আবিদাহ’।
“আমরা মুসলিম হয়ে গর্ববোধ করি, অথচ আমরা ‘আল্লাহ্’ নামটি ব্যাখ্যা করতে পারলাম না। আল্লাহ্ তাকে ইসলামের বরকত দান করুন।”
“কেন আমরা ধর্মীয় বার্তাগুলো মুছে ফেলি, কিন্তু সাধারণ বার্তাগুলো ফরওয়ার্ড করি?
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
﴿بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً﴾
“আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও, যদিও তা একটি আয়াতই হয়।” (বুখারি: ৩৪৬১)
“হয়তো এই বার্তাটি শেয়ার করার মাধ্যমে, আপনি এমন একটি আয়াত পাঠাবেন যা কিয়ামতের দিন আপনার জন্য সুপারিশ করবে।”
সর্বশেষে:
﴿لَا إِلَـٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ ٱللَّهِ﴾
“আল্লাহ্ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, এবং মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসূল।”
আল্লাহু আকবার! সমস্ত শব্দ ও কর্মে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ।
হে আল্লাহ্! আমাদের সহীহ বুঝ দিন। আপনার সুন্দর সব নামের অর্থ জানার তৌফিক দিন। আমীন।
©
#নিশাত_তাসনিম
#আল্লাহ্ #আল্লাহর_নাম
30/09/2025
Alhamdulillah! ❤️❤️
I gained 4,070 followers, created 38 posts and received 88 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉