Traditional 60four

Traditional 60four

Share

Photos from Traditional 60four's post 05/06/2021

বর্তমান যুগে আমরা প্রায়শঃ ফরমালিনের কথা শুনি। এটা নিয়ে অনেক আতংকিত। কেউ জেনে আতংকিত, কেউ না জেনে আতংকিত। আজকে এ ফরমালিন বিষয়ে বিস্তারিত সবাইকে জানাবো। যারা অল্প জানেন কিংবা যারা কিছুই জানেননা, তাদের সবার জন্য পোস্টটি অনেক কাজে লাগবে আশা করি।

ফরমালিন কি?
ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। জলে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

► ফরমালিনের ক্ষতিকর দিক:

▀ ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
▀ তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।
▀ ধীরে ধীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেন সব কিছুুকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
▀ ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি ব্লাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।
▀ মানবদেহে ফরমালিন ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
▀ ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন কমছে।
▀ গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে, প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।
▀ এ ধরনের খাদ্য খেয়ে অনেকে আগের তুলনায় এখন কিডনি, লিভারের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের সমস্যায় ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন পরপর একই রোগী ডায়রিয়ায় ভুগছেন, পেটের পীড়া ভালো হচ্ছে না, চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

আজকাল সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল/ সবজি মানেই হচ্ছে রাসায়নিক। তাহলে এখন উপায়? কি করে চিনবেন রাসায়নিক মুক্ত আম? কেনার সময় ক্রেতা যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চিনে নেয়া সম্ভব রাসায়নিক মুক্ত আম। আসুন জেনে নেই।
১)প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসবে না।
২)আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।
৩)কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।
৪)গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।
৫) হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।
৬) আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।
৭) আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/ মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া।
৮) আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।

আমরা রাজশাহী নিজস্ব বাগানের সুস্বাদু আমসরাসরি রাজশাহীর আম বাগান থেকে ফরমালিন বা কেমিক্যাল মুক্ত আম সরাবরাহ করি। আমের মান নিয়ে গ্রাহক অসন্তুষ্টি হলে আমরা ১০০% আম রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিচ্ছি। চাইলে সরাসরি আমাদের বাগানে এসে আম সংগ্রহ করতে পারেন। আমের বৈশিষ্ট্যঃ. ১। ফরমালিন ও কেমিক্যাল মুক্ত ...

Photos from Traditional 60four's post 12/04/2021

পবিত্র রমজান উপলক্ষে আমাদের কাছে পাচ্চেন ইফতার ও সাহরী আইটেম।

★ ঢাকাই কাচ্চি।
★হায়দ্রাবাদি চিকেন।
★ হান্ডি চকেন।
★আলু চিকেন।

সরবরাহ ক্রিত
পরিমান
*৩ জন।
*৫ জন।
*৭ জন।
*১২জন।

11/04/2021

চারশ বছরেও রাজা ‘কাচ্চি’

বিরিয়ানির নাম ‘কাচ্চি’। শুনেই জিহ্বায় জল এসে যায়। আর সেই কাচ্চি যদি হয় পুরান ঢাকার, তাহলে তো কথাই নেই। সকাল থেকে রাত, ভোর থেকে ফের রাত- কাচ্চির চাহিদা সব সময়ের। শুধু দোকান খুলে রাখা দরকার। প্রায় চারশ’ বছর থেকে বাংলায় রাজত্ব চলছে মুঘল খাদ্যভাণ্ডারের সুস্বাদু এই খাবারটি। ৪০০ বছরেও কমেনি কদর। তবে আগে যা ছিল ঘরোয়া, তা এখন ব্যবসায়িক বিশাল বাজার ধরে রেখেছে পুরান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। তবে শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখে পুরান ঢাকার কাচ্চি বিরিয়ানি। শুধু বাংলাদেশ নয় গোটা ভারতবর্ষ তথা ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাহরাইন, ব্রুনেই, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, কুর্দিস্তান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও শ্রীলংকাসহ অনেক দেশেই এই কাচ্চি পাওয়া যায়।
ইতিহাস ঘেঁটে এবং লোকমুখে জানা যায়, বিরিয়ানি শব্দের উৎপত্তি ফারসি ‘বিরিয়ান’ থেকে। ফারসিতে বিরিয়ান শব্দের অর্থ রান্নার আগে ভেজে নেওয়া। বিরিয়ানি রান্নার আগে সুগন্ধি চাল ঘি দিয়ে ভেজে নেওয়া থেকেই এই নামকরণ হয়েছে।

জনশ্রুতি আছে, একদা রানী মমতাজ মোঘল সৈন্যদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে সৈন্যদের ব্যারাকে গেলেন। সেখানে রানী দেখতে পেলেন সৈনিকদের স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো না। তাই মিলেটারি মেসের বাবুর্চিকে নির্দেশ দিলেন চাল ও গোশত সমৃদ্ধ এমন একটা পুষ্টিকর খাবার তৈরি করতে, যেটা সৈনিকদের খারাপ স্বাস্থ্যের উন্নতি করে দিতে পারে। রানী মমতাজ মহলের আদেশে বাবুর্চি যে খাবারটি তৈরি করলেন সেটাই আজকের দিনের বিরিয়ানি নামে পরিচিত। যা পুরান ঢাকায় রন্ধনশিল্পে বিশাল অবস্থান দিব্যি দখল করে আছে। তবে আগে যা ছিল ঘরোয়া, এখন তা হয়ে উঠেছে ব্যবসায়িক পরিসরে।

পুরান ঢাকার নাজিরাবাজারের হাজী বিরিয়ানি বিশেষভাবে নামকরা। হাজীর বিরিয়ানি ১৯৩৯ সালে হাজী গোলাম হোসেন সাহেবের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে। এটি এখনো সবার প্রথম পছন্দ। এছাড়াও নাজিরাবাজারের নবাব বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, চানখাঁর পুলের হাজী নান্নার বিরিয়ানি, ফখরুদ্দিনের বিরিয়ানি, নারিন্দার ঝুনুর বিরিয়ানিসহ আরও অসংখ্য বিরিয়ানি ঘর গড়ে উঠেছে নতুন ও পুরান ঢাকার অলিতে-গলিতে। এসব দোকানে এদের মধ্যে ঢাকাই বিরিয়ানি, সিন্ধি, হায়দারাবাদী, বোম্বাই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

পুরান ঢাকায় সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলো কাচ্চি বিরিয়ানি। কাচ্চি শব্দটা এসেছে উর্দু কাচ্চা শব্দটি থেকে যার বাংলা প্রতিশব্দ কাঁচা। কাচ্চি বিরিয়ানিতে সুগন্ধি চালের সঙ্গে গোশত সরাসরি রান্না করা হয় সে কারণেই এর নাম কাচ্চি বিরিয়ানি। এটি হিন্দি এবং উর্দুতেও একই নামে পরিচিত। সেদ্ধ ছাড়া খাসির গোশত টক দই দিয়ে মাখিয়ে তার ওপর আলু আর চাল মিক্সড করে রান্না করা হয় কাচ্চি বিরিয়ানি।

Want your business to be the top-listed Food & Beverage Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Dhaka