Muhammad Ullah
নেতার কথায় প্রতিবেশী কে আঘাত করো না।
নির্বাচনের পর নেতা কে আর খুজে পাবে না।
প্রতিবেশীই তোমার সুখে দুঃখের সাথী।
এক সময় বাসন্তীরা দুর্ভিক্ষের কারণে মাছ ধরা জাল পরত। আর এখন একই কিছিমের জাল পরে গ্ল্যামার প্রদর্শনের নিমিত্তে। তখনকার বাসন্তীদের ছিল খাবারের দুর্ভিক্ষ। এখনকার বাসন্তীদের চলছে নৈতিকতার দুর্ভিক্ষ।
কলম্বাসের সহকর্মীরা কেউ ছিল খুনি,কেউ ছিল দাগী আসামী বা রেপিস্ট। ফলে বেঁচে থাকার শেষ সুযোগ হিসাবে সমুদ্র অভিযান কেই তাঁরা বেছে নেয় বিনা বাক্যে। কলম্বাসের লক্ষ্যের সাথে যোগ হয় তাদের বেঁচে থাকার সুতীব্র বাসনা। ফলাফল আমেরিকা।
অস্ট্রেলিয়া, আন্দামান-নিকবোর বা অন্যান্য খুঁজে পাওয়া দ্বীপ গুলোতে চাষাবাদের জন্য ইউরোপীয়রা বিশেষ করে ব্রিটিশরা একই পন্থা অবলম্বন করে। হয় বেঁচে থাকো, নয় মরে যাও। বেঁচে থাকার জন্যই তখন মানুষ শেষ চেষ্টা করে গড়ে তুলেছিল আলাদা আবাস ভুমি।
আর খ্যাদ্যের অন্বেষণ করা ইউরোপ পেয়েছিল তাদের স্বর্গ গড়ে তোলার হাতিয়ার। আর বিশ্ব পেয়েছিল চোর ডাকাত খুনি থেকে পরিবর্তিত হওয়া কর্মঠ এক জীন। যারা কিনা বদলে দিয়েছে এই পৃথিবীকে।
আজ থেকে ৫০০ বছর আগে ইউরোপ যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল
ঠিকএকই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন এখন আমরা। অপ্রতুল ভুমি, কর্মহীন মানুষ, চোর-ডাকাত, খুনিতে ভরা সমাজ। সাজা প্রাপ্ত এই সকল মানুষ এখন রাষ্ট্রের বোঝা। তাদের কে ব্যাবহার করার সঠিক পন্থা খুঁজে বের করলে তা হবে রাষ্ট্রেরই মঙ্গল।
মঙ্গল অভিযানে তাদের কে না পাঠানো গেলেও কারিগরি প্রশিক্ষন দিয়ে জেলের মধ্যে কাজে লাগালে তা হবে রাষ্ট্র ও উভয়ের জন্য মঙ্গলজনক।
কারণ ১০ বছর জেল খেটে বের হয়ে আসার পর তাঁরা আবার অপরাধের দিকেই ধাবিত হয়। কারণ তাদের অন্য কাজ করার মতো কোন উপায় যদি না থাকে।
Click here to claim your Sponsored Listing.