Awaj
I'm Shafayat Khan from Bangladesh, I believe vloggers are the new media, and that we have a responsibility to show the world what the world is really like. At the end of the day, it doesn't really matter what age, gender or religion a person is or has, we are all the same.
ঢাকার গুলশান-২ এর একটি ১০ তলা অ্যাপার্টমেন্টে এই ঘটনাটা ঘটে মাত্র দুই বছর আগে। তখন ভবনটার লিফট প্রায়ই খারাপ হতো, কিন্তু কেউ খুব গুরুত্ব দিত না।
একদিন রাত ১টা ২৫ মিনিটে, ওই ভবনের বাসিন্দা সায়েম বাড়ি ফিরছিল। নিচতলার গার্ড তাকে বলেছিল—
“লিফটটা রাতে মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যায় ভাই, না উঠলেই ভালো।”
কিন্তু সায়েম ক্লান্ত ছিল, তাই শুনল না। লিফট ডেকে দরজা বন্ধ হলে সে খেয়াল করল—লিফটের আয়নায় পিছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে।
একটা সাদা ওড়না, মাথা নিচু।
ভবনে সে ছাড়া আর কেউ ছিল না।
সায়েম তৎক্ষণাৎ পেছনে তাকাল—
কেউ নেই।
আয়নায় আবার তাকাতেই মেয়েটা আবার দেখা গেল, এবার মাথা সামান্য তুলেছে।
লিফট হঠাৎ থেমে গেল ৫ম আর ৬ষ্ঠ তলার মাঝে। আলো দু-একবার জ্বলল-নিভল। ফোনে নেট ছিল না।
হঠাৎ লিফটের দেয়ালে খুব হালকা, কিন্তু স্পষ্ট—
ঠক… ঠক… ঠক…
মনে হলো যেন বাইরে কেউ লিফটের ধাতব দেয়ালে ঠুকছে।
সায়েম ভয় চেপে রেখে জরুরি ঘণ্টা বাজাতে লাগল।
প্রায় ২০ মিনিট পর গার্ডরা এসে লিফট খুলতেই সায়েম বের হয়ে পড়ে যায়।
কিন্তু গার্ডরা বলল—
“ভাই, আপনি লিফটের ভেতর একা ছিলেন। লিফটের সিসিটিভি ফুটেজেও আপনি ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি।”
সায়েম মানতে পারল না। সে বলল আয়নায় মেয়েটাকে স্পষ্ট দেখেছে।
গার্ডরা তখন বলল—
“এই লিফটে আগে এক মেয়ে মারা গেছিল ভাই… সাদা ওড়না পরা ছিল।
যেদিন লিফটটা নষ্ট হয়ে পড়ে যায়, তার আগের রাতে নাকি আপনাদের মতো আরেকজন ওই একই কথা বলেছিল।”
পরদিন সায়েম বাসা ছেড়ে দেয়।
আর লিফটের সেই আয়না?
কয়েকদিন পরই হঠাৎ ফেটে যায়, কোনো আঘাত ছাড়াই।
এখনও মাঝরাতে লিফটের সামনে মিনিট কয়েক দাঁড়ালে অনেকে নাকি ওড়না টেনে হাঁটার শব্দ শুনতে পায়।
আর লিফটের সিসিটিভি মাঝে মাঝে নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যায়—সবসময় ঠিক ১টা ২৫ মিনিটে।
Click here to claim your Sponsored Listing.