Health Services

Health Services

Share

17/06/2026

হাজারো ম্যাটস শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকার ও কর্মসংস্থানের দাবিকে সামনে রেখে আজ মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্টিয়ায় পরিদর্শন শেষে
ডি.এম.এফ ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌথ উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান এবং আমাদের যৌক্তিক দাবি গুলো তুলে ধরা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা SACMO নিয়োগ পুনরায় চালু করা শুধু শিক্ষার্থীদের দাবি নয়, এটি দেশের তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আমাদের দাবিগুলো শুনেছেন এবং ইতিবাচক আশ্বাস প্রদান করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, যৌক্তিক এই দাবি দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং হাজারো ম্যাটস শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

অধিকার আদায়ের পথে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম,আছি এবং থাকবো।


©

Photos from Health Services's post 17/06/2026

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু ২৮ জুন
দীর্ঘ বিরতির পর দেশে আবারও দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। রোববার ২৮ জুন থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পেইনে দুই কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের সংখ্যা (যাদের লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে) ২ কোটি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৮ জন।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনূস আলী বলেন, আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া, আরও ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ক্যাপসুল ইতোমধ্যে আমাদের হাতে পৌঁছেছে। কিছু ক্যাপসুল বাকি আছে, সেগুলোও আগামী ১৯ তারিখের মধ্যে হাতে পাব বলে আশা করছি। ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অভিভাবকেরা কাছাকাছি কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে তাদের সন্তানদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন।
এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন আমরা আবার হাতে নিয়েছি। ক্যাম্পেইনটি সফল করতে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ১৯ কোটি প্রাক-বিদ্যালয় বয়সী শিশু ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতির ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব শিশুর অধিকাংশই আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বসবাস করে। ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, রাতকানা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে।
শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে কার্যক্রমটি আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে এর নাম দেয়া হয় ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদফতরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1200