Jui CooK & Tips
এই সেই ভাইরাল ভিডিও যা দেখে অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ।
12/05/2026
এই মহিলা এখন নতুন সুর গাইতেছে, বাচ্চার পায়ে নাকি সমস্যা, বাচ্চার পা নাকি বাকা,এইজন্য নাকি ভাইরাল হওয়ার আশায় ওদের নাকি এভাবে মা*রতো।
মহিলা আরো বলছে, ভাবছি ভাইরাল হলে ওদের নামে একটা পেজ খুলে দিব, যাতে মানুষ আর্থিক সহযোগিতা করে।
এখন তো ওর পা দেখছেন এখন আপনারা আর্থিক সহযোগিতা করেন, এভাবেই কথাগুলো বলছিল এই মহিলা।
এই মহিলার নিজেই ওদের পা ভে'ঙে দিয়েছে কিনা সন্দেহ। বিন্দু মাত্র অনুশোচনা বোধ এই মহিলার মধ্যে নাই। মহিলার ভাইরাল হওয়ার দরকার সে ভাইরাল হয়েছে,
বাচ্চার যদি পায়ে সমস্যা থাকতো, তাহলে সেই সমস্যা নিয়েই ভিডিও করতো, তা না করে বা*চ্চাকে মা-রধর কেন করল এই মহিলা?
এখন বলছে বাচ্চার পায়ের সমস্যা বাচ্চার আর্থিক অবস্থা ভালো না। এইজন্য ভাইরাল হতে চাচ্ছি এখন আপনারা আর্থিক সহযোগিতা করেন। তাদের নামে একটা পেজ খুলে দিব ভাইরাল হওয়ার পর, যাতে তারা আর্থিক সহযোগিতা পায়, সিরিয়াসলি?
সবকিছু তো নাটক লাগতেছে।
যার পা'য়ের সমস্যা তার তো এমনি ব্য'থা তাকে আবার মা'রধর কিভাবে করে? বাঙ্গালীদের কথা কি বলবো, কালকে এই মহিলার পেজে ১ হাজার ফলোয়ার ছিল, আজকের 2.2k ফলোয়ার। বাঙালিরা পেজ ঘুরতে গিয়ে ফলো করে চলে আসে। একটা কথা সব সময় ভাবতাম খা*রাপ মানুষদের আবার কে ফলো করে?
এখন দেখি আ*চো*দা বাঙালি রাই ফলো করে। আর দেশে আ*চো*দা বাঙালির অভাব নাই।
এই মহিলাকে এমনি এমনি ছাড়া ঠিক হয় নাই। মাফ চাইলে যদি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায় তো তাহলে সবাই অন্যায় করে করে মাফ চাইত। মাইয়া এখন বলতেছে পায়ে সমস্যা আদৌ পায় সমস্যা কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হোক। আমার তো মনে হয় মাইয়া নিজেই বাচ্চাদের পা ভে*ঙে ফেলছে। যার ভাইরাল হওয়ার নেশায় হাত কাঁপে না, সে বাচ্চাদের পা ভে*ঙে ফেলতে পারে কোন ব্যাপার না, তার পরিবারকেও আইনের আওতায় আনা হোক।
বাড়ি ঘর দেখলাম অনেক বড় বড় আর্থিক সহযোগিতা চাওয়ার মত অবস্থা তো নেই, তাই নতুন করে নাটক বানানোর দরকার নেই।
যারা ক্রিম আপার নামে মা*ম*লা করেছেন। তারা প্লিজ এই মহিলা ব্যাপারটাও দেখবেন, আমি মনে করি ক্রিম আপা এই মহিলা থেকে শতগুণে ভালো।
আর ওনার পেজটা যাতে ব্র্যান্ড হয়ে যায় সে ব্যবস্থা করা হোক।
11/05/2026
একজন মহিলা তিন ঘন্টা ধরে প্রখর রোদের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার কাছে টাকা না থাকায় কেউ তাকে নিতে চাইছিল না। কিন্তু এই রিকশাচালক তাকে বিনামূল্যে নিয়ে যেতে রাজি হন। দুঃখের বিষয়, পুলিশ রিকশাটি থামিয়ে নিয়ে যায়।
রিকশাচালকটি কাঁদছিলেন কারণ তিনি ঠিকমতো রিকশা চালানোর মতো যথেষ্ট উপার্জনও করেন না। তার বাড়িতে ভাত পর্যন্ত ছিল না। ভাবুন তো, মহিলাটিও কাঁদছিলেন এবং তাদের কাছে রিকশাটি ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছিলেন।
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, তার বাড়িতে পর্যাপ্ত খাবারও ছিল না, তবুও তিনি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন এবং কোনো টাকা না নিয়েই বৃদ্ধা মহিলাটির জন্য ঝুঁকি নেন। এতেই বোঝা যায় তার হৃদয় কতটা বড়।
যদিও আমি প্রায়শই প্রধান সড়কের অটোচালকদের বিরুদ্ধে কথা বলি, এই ভাইটি সত্যিই একটি দয়ালু এবং মহৎ কাজ করেছেন। তার রিকশাটি সম্মানের সাথে ফেরত দেওয়া উচিত এবং তিনি একটি পুরস্কারের যোগ্য। মানুষ যদি দেখে যে দয়াকে এভাবে প্রশংসা করা হচ্ছে, তাহলে আরও বেশি মানুষ অন্যদের সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসবে।
এই রিকশাচালকটির হৃদয় অনেক বড়। হয়তো তিনি ধনসম্পদে ধনী নন, কিন্তু ব্যক্তি হিসেবে তিনি সত্যিই ধনী।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka