GreenMax
Our mission is to provide high-quality, natural products and medecinal foods that are safe for both consumers and the environment.
21/03/2023
GreenMax থেকে অর্ডার করে থাইল্যান্ড এর ব্রান্ড ভেন্টেজ এর প্রোডাক্ট পেতে পারেন ঘরে বসে।
হৃদরোগ,কোলেস্টেরল কমাতে,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,হজমে সহায়ক,ওজন কমাতে,চুল আর ত্বকের যত্নে,বয়সের ছাপ কমাতে নারিকেল তেলের ভুমিকা অসাধারন
নারিকেল তেলের মধ্য উপকারী ফ্যাটি এসিড ও গুরুত্বপূর্ণ ওষুধি গুণ রয়েছে নারিকেল তেলে উচ্চ মাত্রায় স্বাস্থকর স্যাচুরেটেট ফ্যাট আছে যা শরীরে ক্ষতিকর অন্যান্য ফ্যাট অপসারনে ভুমিকা রাখে,
• নারকেল তেল উপকারী কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে
• নারিকেল তেল ক্ষতিকারক পেটের চর্বি কমাতে সক্ষম
• নারকেল তেলের অন্যতম স্বাস্থ্য সুবিধা হল এটা ‘ব্লাড সুগার’ বা রক্তে • শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
• নারকেল তেল ব্লাড সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস
নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
• এ্যার্নাজি বৃদ্ধিতে: খাবার উপযুক্ত নারিকেল তেল প্রতিদিন খেলে তা
দেহের এনার্জি বৃদ্ধি করে।
• এছাড়া অনিদ্রা দূর করতে: ঘুমের সমস্যা দূর করে নারিকেল তেল।
• হার্ট কে সুস্থ রাখে নারিকেল তেল
সেবন পদ্ধতিঃ
প্রতিদিন তিন টেবিল চামচ বিশুদ্ধ নারিকেল তেল পান করুন। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া ঠিক রাখে। যা আপনাকে ভালো ঘুমে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে খালিপেটে এক-চামুচ পরিমান এই নারিকেল তেল খেলে আপনি বহু স্বাস্থ্য উপকারীতা পাবেন, আসুন জেনে নিই মেডিসিন্যাল কোকোনাট অয়েল এর ওষুধি গুনাগুন এবং ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে স্যারের প্লে-লিস্টের ভিডিও গুলো দেখুন।
অ্যাডাপ্টোজেন HB-21 এর স্বাস্থ্য উপকারিতা
https://youtu.be/S6xVcMl1EtI
মেডিসিনাল কোকোনাট অয়েল কি?
https://youtu.be/4mlQRGV6cLs
মেডিসিনাল নারিকেল তেল কিভাবে ব্যবহার করবেন
https://youtu.be/7k864Eqzbp0
প্রাকৃতিক অর্গানিক খাবারের সাথে থাকুন সুস্থ জীবন যাপন করুণ
আপনারা অনলাইনে অথবা সরাসরি শপ থেকে সংগ্রহ করতে পারছেন।
আমাদের ঠিকানা: Greenamx Organic Bd.23 house A block, road 5, Bansree, Rampura
মেডিসিনাল নারিকেল তেল কীভাবে ব্যবহার করবেন মেডিসিনাল নারিকেল তেল কীভাবে ব্যবহার করবেনআপনি এটি যে কোনও উপায়ে ব্যবহার করতে পারেন। মনে রাখবেন মেডিসিনাল নার.....
17/03/2023
---ব্ল্যাক রাইস বা কালো চাল এর পরিচিতি:---
বর্তমানে বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা কম থাকলেও হাজার হাজার বছর ধরে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্ল্যাক রাইস বা কালো চাল খাওয়া হচ্ছে; কিন্তু শত শত বছর ধরে এটি কেবলমাত্র চীনা রাজপরিবার গুলোর জন্য সংরক্ষিত ছিল। প্রাচীন চীনের রাজপরিবার এবং আদালতের জন্য সংরক্ষিত "সম্রাটের চাল" আয়ু বাড়াত বলে বিশ্বাস করা হত।
বর্তমানে ব্ল্যাক রাইস আবার জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপ জুড়ে স্বাস্থ্যকর খাদ্যের দোকানগুলো থেকে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হচ্ছে, কারণ কালো রঙের এই চাল সুপারফুড হিসাবে খ্যাতি পেয়েছে। ভ্যানটেজ অর্গানিক ব্ল্যাক রাইস একটি সম্পূর্ণ প্রকৃতিক শস্য, এটি চালের বেরি নয়। মনে রাখবেন রাইস বেরি প্রাকৃতিক নয়, এটি জিএমও।
কালো চালের ভাত সাদা ভাতের চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টি সমৃদ্ধ, স্বাস্থ্যকর এবং কালো চালের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা অনেক বেশি। বিশেষ করে ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধে কালো চাল অনন্য। এ চাল সাদা চালের মতো নানা প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয় না বলে এর উপকারিতা অনেক পাওয়া যায়। একদিকে এ চালে শর্করার পরিমাণ সাদা চালের চেয়ে কম, অন্যদিকে আঁশ (ফাইবার) ও ভিটামিন বি-এর পরিমাণ বেশি।
কালো চালের পুষ্টিগুণ:
কালো চালে এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে প্রচুর, আছে আয়রন। আমিষের পরিমাণ অন্যান্য চালের চেয়ে প্রায় ৮.৫ ভাগ বেশি। পানিতে দ্রবীভূত অ্যান্থোসায়ানিন মূলত এর কালো বর্ণের জন্য দায়ী। আধা কাপ সিদ্ধ অথবা অসিদ্ধ কালো চালে নিচের পুষ্টি উপাদান গুলো বিদ্যমান থাকে
(পরিবেশনা- ১ জনের জন্য):
ক্যালরি ১৬০
চর্বি ১.৫ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট ৩৪ গ্রাম
ফাইবার ২ গ্রাম
প্রোটিন ৫ গ্রাম
কালো চালে চিনির পরিমাণ খানিকটা কম। তবে রয়েছে বাড়তি প্রচুর পরিমানে ফ্লাভানয়েড ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস থাকে যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইবার। সে আঁশ হৃদরোগের সৃষ্টির ঝুঁকি হ্রাস করে। কালো চালে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’। এটি আর একটি এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। কালো চালে রয়েছে C3G "সায়ানিডিন-3-গ্লুকোসাইড" মেটাবলিজম স্টোরেজ নিয়ন্ত্রণ করে।
-----সাদা চাল না কালো চাল?----
যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান বা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তারা খাদ্যতালিকা থেকে ভাতকে একেবারেই বাদ দিয়ে দেন! কিন্তু আমরা এশিয়ার বাসিন্দারা যেহেতু বহুকাল ধরে ভাত খেতে অভ্যস্ত, তাই সাদা ভাতের পরিবর্তে কালো চালের ভাত খেতে পারেন। ক্যানসার প্রতিরোধে সক্ষম এই কালো চাল। তাছাড়া ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা, গর্ভবতী নারীরা এ চালের ভাত খেলে উপকার পাবেন। ধবধবে সাদা চাল দেখতে সুন্দর ভাতে পুষ্টিগুণের কিছুই প্রায় অবশিষ্ট থাকে না অতিরিক্ত পালিশ করার ফলে।কিন্তু কালো চালের ভাত খেতে অত্যান্ত সুস্বাদু এবং নানা পুষ্টিগুণেও তা সমৃদ্ধ। সাদার চেয়ে কালো চালে ক্যালোরির পরিমাণ কম, উল্টো পাওয়া যায় উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। ফ্ল্যাভোনয়েড ফাইটোনিউট্রিয়েন্টের কারণে নানা রোগের সঙ্গে যোঝার ক্ষমতা তৈরি হয় শরীরের, মস্তিষ্ক সুস্থভাবে কাজ করতে পারে। শরীরে কোনো প্রদাহ থাকলে তাও কমিয়ে দেয়। সুস্থ রাখে হার্ট ও লিভার, কমায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সক্ষম এই কালো চাল। এটি গ্লুটেন-মুক্ত ও হজম সংক্রান্ত গোলমালে যারা ভুগছেন, তারাও নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।
------কালো চাল রান্নার কিছু টিপস----
*কালো চালের ভাত রান্না হতে একটু বেশি সময় লাগে, তাই আগের রাত থেকে ভিজিয়ে রাখুন
*কালো চাল রান্না হতে মোটামুটি আধঘণ্টার মতো সময় লাগে । কালো চাল কোকোনাট সুগার দিয়ে পায়েসও রান্না করা যায় অথবা কালো চাল ঘি/নারিকেল তেল এবং বিভিন্ন ধরণের অর্গানিক ডাল দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খেতে পারেন।
*যতটা চাল, তার দ্বিগুণ পানি দিতে হয় সাধারণত। তবে যারা মাড় বাদ দিয়ে ভাত খেতে অভ্যস্ত, তারা আরও একটু বেশি পানি দিতে পারেন। হলে সাধারণ চালের মতোই একটা/দুটা চাল টিপে পরীক্ষা করে দেখুন সিদ্ধ হয়েছে কিনা। হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।
Dr. Mujibur Rahman MD
Cardiologist & Alternative Doctor
Founder of Vantage Natural Health Clinic
#কালোচাল
14/03/2023
Snap us on Instagram .
Click here to claim your Sponsored Listing.