MoNi
25/10/2025
আমি অবহেলায় অভ্যস্ত, হুটহাট যত্ন পেলে অস্বস্তি লাগে— মনে হয়, ঝড় আসার আগের নিঃশব্দ পূর্বাভাস।
মাত্র তাল উঠছিল.. দিলেন তো শেষ কইরা?🤦♂️😊
আপনারা শুধু শুধু ভুল বুঝতেছেন! 🫢
13/08/2025
নাম-লিমন
সে পেশায় একজন ভ্যান চালক
সে জন্মগত ভাবে প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও কারো কাছে সাহায্য সহযোগিতার আশা না করে নিজে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতো।
কে জানতো যে তার ইনকামের একমাত্র মাধ্যম ভ্যান তার জীবন টাই কেড়ে নিবে!
কে বা কারা তাকে হত্যা করে রেখে ভ্যান নিয়ে চলে যায়।
অভয়নগরের শ্রীধরপুর ইউনিয়নে গত রাতে তার লাশ পাওয়া যায়।
জাতি হিসেবে কতই না জঘন্য নির্লজ্জ আমরা ।😭
(কপি)
সম্পর্কে সবচেয়ে জরুরি বিষয়টা কী?
ভালোবাসা?
না, সেটা পরে আসে।
সবচেয়ে জরুরি হলো— যোগাযোগ।
একটা সম্পর্ক তখনই বেঁচে থাকে, যখন দুইজন মানুষ নিয়মিত কথা বলে, একে অপরকে সময় দেয়, মন খুলে শোনে আর বোঝার চেষ্টা করে।
শারীরিক দূরত্ব কোনো সমস্যা নয়— যদি আত্মার দূরত্ব না হয়।
হাজার মাইল দূরে থেকেও মানুষ কাছে থাকতে পারে, যদি তাদের মধ্যে প্রতিদিন একটা “আমি আছি” বলা হয়।
প্রতিদিনের সেই ছোট ছোট খোঁজ—
“কেমন আছো?”
“আজ কী করলে?”
“খেয়েছো?”
এই কথাগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সম্পর্কের অক্সিজেন।
এই কথাগুলো বন্ধ হয়ে গেলে, সম্পর্ক নিঃশ্বাস নিতে ভুলে যায়।
অনিয়ম, চুপ করে থাকা, কথা না বলা, গুরুত্ব না দেওয়া—এসব ধীরে ধীরে সম্পর্ককে মেরে ফেলে।
যে মানুষটাকে একসময় খুব দরকার ছিল, খুব আপন মনে হতো, সে-ই একটা সময় অচেনা হয়ে যায়।
কেননা তাকে সময় দেওয়া হয়নি, কথা বলা হয়নি, ভালোবাসা বোঝানো হয়নি।
যদি তুমি কথা না বলো, তার মনের হাল জানবে কীভাবে?
যদি তুমি সময় না দাও, সে বুঝবে কীভাবে তুমি এখনও আছো?
একটা মানুষ কেবল “ভালোবাসি” শুনে তো থাকতে পারে না, সে চায় অনুভব করতে—প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে।
আর সম্পর্কটা যখন একতরফা হয়ে যায়, তখন সেই মানুষটা আর চায় না ভালোবাসা—সে চায় মুক্তি।
কারণ, ভালোবাসা তখন আর শান্তি দেয় না, দেয় বিষণ্ণতা।
যে সত্যি ভালোবাসে, সে জানে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়া কতটা কষ্টের।
সে চায় প্রতিদিন একটু সময় দিতে, একটু কথা বলতে, একটু অনুভব করাতে—
"তুমি এখনও আমার পৃথিবী।"
আর যে চায় না, তার কাছে সম্পর্কটা বোঝা হয়ে ওঠে।
সে আর খোঁজ নেয় না, কথা বলে না, দূরত্বের মাঝেই স্বস্তি খোঁজে।
সেখানে ভালোবাসা থাকলেও, সেটা আর টিকে না।
সম্পর্কে ভালোবাসা থাকতে হয় ঠিকই,
কিন্তু সেটা শুধু মনের গভীরে রাখলে হয় না—
প্রকাশ না করলে, জানানো না হলে, অনুভব না করালে, সেই ভালোবাসা একসময় শুকিয়ে যায়।
যোগাযোগ মানে শুধু কথা বলা নয়—
যোগাযোগ মানে মনের ভিতর একে অপরকে জায়গা দেওয়া।
তার সুখ-দুঃখের পাশে দাঁড়ানো, দিন শেষে একটা ‘তুমি’ হয়ে ওঠা।
একটা সময় আসে, যখন মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়ে বারবার বোঝাতে, বারবার চেষ্টা করতে।
তখন সে নিজেই থেমে যায়।
নিজেকে গুটিয়ে নেয়।
আর তখনই সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়—নিঃশব্দে।
তাই,
যদি সত্যি ভালোবাসো,
তবে কথা বলো, খোঁজ নাও, সময় দাও।
কারণ, যোগাযোগহীনতায় সবচেয়ে আপন মানুষটাও একদিন খুব অপরিচিত হয়ে যায়।
লেখা সংগৃহীত
10/03/2025
আমি যদি ছেলে হতাম,আমার প্রেমিকা খুব সৌভাগ্যবতী হতো। আমি তাকে সুন্দর সুন্দর উপহার পাঠাতাম। ফেসবুকে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎই একটা জামা পছন্দ হলো,আমি তার ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতাম। বা একটা গলার সেট পছন্দ হলো সেটা কিনে আমি খুঁজতে বেরোতাম এরসাথে ম্যাচিং শাড়ি,চুড়ি,লিপস্টিক। হঠাৎই আমার হয়তো তাকে কোনো বিশেষ রঙে দেখতে ইচ্ছে করতো আমি তখন সেই রঙের একটা শাড়ি পছন্দ করে তাকে পাঠিয়ে দিতাম। রাস্তাঘাটে কাঁচের চুড়ি,কপালের টিপ দেখলে থমকে দাঁড়াতাম। দুনিয়ার সব মেকআপ আইটেমের নাম জানতাম। কোথাও কোনো সদ্য ফোঁটা ফুল দেখলে তার জন্য চুরি করে আনতাম। সুন্দর কোনো নুপুর দেখলে আমার মনে হতো তার পায়ে ছাড়া এটা মানাবেই না। তার হাতের মাপ,পায়ের মাপ সব থাকতো আমার নখদর্পণে। হঠাৎ হঠাৎ তাকে আমার প্রিয় বইটা দিয়ে বলতাম "পড়ো.." গভীর রাতে প্রিয় গানের লিরিক্স পাঠিয়ে জাগিয়ে দিয়ে বলতাম,"একটু শুনে তারপর ঘুমাও।" আকাশে মস্ত বড় একটা চাঁদ উঠলে তাকে মেসেজ দিয়ে বলতাম,"ছাদে যাও।"
মেয়ে হিসেবে আমি জানি মেয়েরা কিসে খুশি হয়। এই যে গিফটগুলোর কথা আমি বললাম তার দাম সামান্য,এরচেয়ে বেশী টাকা লাগে প্রেমিকাকে মুগ্ধ করে দিয়ে একটা গোল্ড বা ডায়মন্ড রিং কিনতে। প্রেমিকা অবশ্যই মুগ্ধ হয়। মুগ্ধতাটা সাময়িক। গিফট পাবার পরের কিছুদিন মাত্র। কিন্তু সেই একই টাকায় তাকে চিরস্থায়ী চমকের ওপর রাখতাম আমি। হঠাৎ হঠাৎ ফুল পাঠাতাম,হঠাৎই ফুডপান্ডা থেকে তার পছন্দের খাবার তার দোরগোড়ায় পাঠাতাম। হঠাৎই কুরিয়ার থেকে তাকে কল দিয়ে বলতো,"আপনার শাড়ি এসেছে।" হঠাৎ ই তাকে বলতাম "আমি কিছুদিনের জন্য বাইরে যাচ্ছি" তারপর তার ভার্সিটির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম দুপুর রোদে। হঠাৎ বৃষ্টি নামলে কদম হাতে তার বারান্দার সামনে দাঁড়িয়ে ডেকে বলতাম,"এসো ভিজি।"
প্রিয়জনকে খুশী করার,তাদের চমকে দেবার পরে তাদের চোখেমুখে যে প্রবল আনন্দের ছটা সেটা আমাকে খুব মুগ্ধ করে। আমি আমার বন্ধুদেরকে গিফট দিই। প্রচুর গিফট পেয়ে তারা প্রায়ই অবাক হয়ে বলে,"আপনি একটা পাগল।"
কিন্তু এইটা বলার পর তারা হাসে,তারা তাদের খুশী লুকাতে পারে না। তাদের এই খুশী আর মুগ্ধতা দেখাটা আমার নেশা। এইটা আমার কেন জানিনা খুব ই ভাল্লাগে,এতটা নিজের জন্য কিছু কিনলেও লাগে না।
14/01/2025
এতো বেশি সেন্সিটিভ হওয়া ভালো না,মাইনা নাও, মানায়ে নাও বলে বলে দুনিয়ার বাস্তবতা বোঝানোর মানুষ জীবনে অনেক আছে।
আমার এই দীর্ঘ অপেক্ষা শুধু এমন একজন মানুষের জন্য যে দুনিয়ার সব নির্মমতা দূরে ঠেলে নমনীয় এক রাজ্য বানাবে। নিষ্ঠুর দুনিয়ার সামনে যে ঢাল হয়ে দাঁড়াবে, যে আমার শক্তি হয়ে বলবে, 'ও সেন্সিটিভ বইলাই ওর সামনে কঠিন হওয়া যাবে না'।
কিন্তু এসবই ইমাজিনেশন ছাড়া কিছুই না।
বাস্তবে এমন কেউ নাই দুনিয়ায় 🙂
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
UTTARA