Islam Without Mask

Islam Without Mask

Share

24/05/2026

তাওহীদ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
রিসালাত: মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ(সাঃ) ।
মুসলমান: তাওহীদ + রিসালাত।
কেয়ামত পর্যন্ত আল্লাহ মানার দাবি করলে কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ঈমান আনতে হবে। আর এই কালেমা পাঠ করলেই সে মুসলমান হয়ে যাবে।

24/05/2026
22/05/2026

আপনি কি সত্যিই আশিকে রাসূল ﷺ ?

নবী করীম ﷺ নিজ ওয়াজিব কুরবানীর পাশাপাশি উম্মতের পক্ষ থেকেও কুরবানী করতেন।
এটাই ছিল প্রিয় নবীর ﷺ উম্মতের প্রতি ভালোবাসার অনন্য নিদর্শন।

তাহলে প্রশ্ন হলো—
যারা নিজেদের আশিকে রাসূল ﷺ দাবি করি,
আমরা কি তাঁর সেই সুন্নতের প্রতি ভালোবাসা দেখাচ্ছি?

💠 সামর্থ্য থাকলে
প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর পক্ষ থেকে কুরবানী করার নিয়ত করুন।
এতে প্রকাশ পায় নবীর প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও সুন্নতের অনুসরণ।

❝ শুধু নামে আশিকে রাসূল নয়,
আমলের মাধ্যমেই প্রমাণ হোক ভালোবাসা। ❞

22/05/2026

🌙 “প্রিয় নবী ﷺ-এর ভালোবাসায় সুন্নতি কুরবানীর নিয়ত” 🕋

19/05/2026

সুন্নি পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি নয়, দরকার পারস্পরিক সম্মান

ইসলাম একটি শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও সহনশীলতার ধর্ম। মুসলমানদের মূল পরিচয় হলো—আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করা এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি ঈমান আনা। একজন ব্যক্তি যদি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে এবং ইসলামের মৌলিক আকিদা বিশ্বাস করে, তাহলে তাকে মুসলমান বলা হয়, যদিও তার আমলে কিছু ঘাটতি থাকতে পারে। নামাজ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত, মুসলমানের ঘরে জন্মগ্রহণ করে নামাজ না পড়লেও আমরা তাকে মুসলমান বলি।

তেমনি “সুন্নি” শব্দের অর্থ হলো—যারা নবী করীম ﷺ-এর সুন্নত বা আদর্শকে মানে এবং অনুসরণ করে। সুন্নি কোনো আলাদা জাতি বা গোষ্ঠীর নাম নয়। যারা কুরআন ও সুন্নাহকে সত্য বলে বিশ্বাস করে এবং রাসূল ﷺ-এর আদর্শকে গ্রহণ করে, তারাই সুন্নি হিসেবে পরিচিত।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমাদের সমাজে কিছু কিছু দল বা গোষ্ঠী অন্য মুসলমানদের সহজেই “বেদাতি”, “মাজার পূজারী” ইত্যাদি বলে অপবাদ দেয়। ইসলামে কাউকে কটূক্তি করা, বিভেদ সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও জঘন্যতম অপরাধ। তবে কেউ যদি বাতিল আকিদা পোষণ করে সংশোধনের উদ্দেশ্যে সত্য কথা বলা উত্তম জিহাদ।

আমাদের মনে রাখতে হবে, মুসলিম হতে হলে অবশ্যই নবী করীম ﷺ-এর প্রতি ঈমান ও ভালোবাসা থাকতে হবে। তাঁর সুন্নতকে সম্মান করতে হবে এবং ইসলামের আদর্শ অনুযায়ী চলার চেষ্টা করতে হবে। তাই সমাজে বিভেদ নয়, বরং ঐক্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখাই একজন প্রকৃত মুসলমানের দায়িত্ব।

18/05/2026

জিলহজ মাসের আমল

18/05/2026

জিলহজ মাসের বিশেষ ফজিলতশ্রেষ্ঠ দিন:
বছরের অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে জিলহজের প্রথম ১০ দিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ।

শপথ: পবিত্র কুরআনের সূরা আল- ফজরের শুরুতে আল্লাহ তাআলা এই দশ রাতের শপথ করেছেন, যা এর মহিমাকে প্রমাণ করে।সাওয়াব বহুগুণ: এই দিনগুলোতে একটি নফল ইবাদতের সওয়াব অন্য সময়ের ফরজ ইবাদতের সমান এবং ফরজ ইবাদতের সওয়াব ৭০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়।জিলহজ মাসের প্রধান

আমলসমূহ: জিলহজের প্রথম ৯ দিন, বিশেষ করে ৯ জিলহজ 'আরাফার দিনের' রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই দিনগুলোতে নিয়মিত রোজা রাখতেন। আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, এটি আগের ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা বা মোচনকারী হিসেবে কাজ করে।

কোরবানি: যাদের ওপর নেসাব পরিমাণ সম্পদ রয়েছে, তাদের জন্য ১০, ১১ বা ১২ জিলহজে কোরবানি করা সুন্নতে ইব্রাহিম।অতিরিক্ত নেক আমল: দান-সদকা, বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ, তাওবা-ইস্তেগফার এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে এই দিনগুলো কাটানো উচিত।

চুল ও নখ না কাটা: যারা কোরবানি দেবেন, তাদের জন্য ১ জিলহজ থেকে কোরবানির পশু জবাই করার আগ পর্যন্ত শরীরের কোনো লোম, চুল বা নখ কাটা মাকরুহ। যারা কুরবানী দিতে পারবেন না তারাও এই আমল করলে মর্যাদা পাবেন।

15/05/2026

মসজিদ আল্লাহর ঘর, মসজিদ এ মুসলমানরা যায় নামাজ আদায় করার জন্য। আমাদের দেশের মুসলমানরা নামাজ আদায় করে পশ্চিম দিক হয়ে। কোন ব্যক্তি যদি পূর্ব দিক হয়ে নামাজ আদায় করে তাহলে সেই ব্যক্তির ভুল ধরে দিয়ে সঠিক নিয়মে নামাজ আদায় এর জন্য আহ্বান করবেন নাকি মসজিদটাই ভেঙ্গে ফেলবেন?

আমাদের দেশে যে সমস্ত মাজার আছে এই মজার গুলোতে ভক্তরা যায় মাজার জিয়ারত করার জন্য। তারা যদি মাজার জিয়ারত ঠিক নিয়মে না করে তাহলে সেই ব্যক্তির ভুল ধরে দিয়ে সঠিক নিয়মে মাজার জিয়ারত করার জন্য আহ্বান করবেন নাকি মাজার ভেঙ্গে দিয়ে ভিজিল্যান্ট (Vigilante) অথবা জঙ্গির পরিচয় বহন করবেন?

আশা করি সুশীল এবং আলেম সমাজের নিকট আমার এই প্রশ্নের দলিল ভিত্তিক জবাব পাব।

যেহেতু আল্লাহ পাক পবিত্র কোরান পাকে এরশাদ মোবারক করেছেন- "কুল্লু হাতু বুরহানাকুম ইনকুনতুম সদিকিন" (قُلْ هَاتُوا بُرْهَانَكُمْ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ)— তোমরা যদি সত্যবাদী হও তাহলে দলিল পেশ করো। সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১১১। পক্ষান্তরে যারা পথ ভ্রষ্ট বেইমান গোমরাহী সমাজে ফেতনা সৃষ্টিকারী তারা কিয়ামত পর্যন্ত দলিল পেশ করতে পারবেনা।

15/05/2026

ফেসবুকে ভিউ,ভাইরাল বা টাকার জন্য পোস্ট করি না।
এই ফেতনার যুগে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে যাচাই করে সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করি। সঠিক মনে হলে মানবেন, না হলে না মানবেন — দেখা হবে কেয়ামতের দিন।

14/05/2026

বিশ্বনবী” নয় —
নবীজি ﷺ সমস্ত জগতের নবী।

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka