Rashed Social Agency

Rashed Social Agency

Share

আসসালামু আলাইকুম,
প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ সেটআপ এন্ড ক্রিয়েট। লাইক, কমেন্টস, ফলোয়ার, ভিউস, ওয়াচ টাইম, এবং সব ধরনের প্রো এপস নিতে এখনই অর্ডার করুন আমাদের ইনবক্সে বা whatsapp নাম্বারে 01850-610979

08/04/2022

তিন বেকারের ৮২০ কোটি টাকার কোম্পানী পাঠাও প্রতিষ্ঠার গল্প!

পাঠাও বাংলাদেশি পরিবহন ও রাইড-শেয়ারিং সেবাদানকারী একটি কোম্পানি। পাঠাও রাইড শেয়ারিং সেবার পাশাপাশি ই-বাণিজ্য, কুরিয়ার ও খাদ্য সরবরাহ সেবাও দিয়ে যাচ্ছে। পাঠাও বর্তমানে বাংলাদেশের বাইরে নেপালেও তাদের কার্য’ক্রম পরিচালনা করছে। ফাহিম সালেহ, হুসেন ইলিয়াস এবং শিফাত আদনান কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন।

কিছু করতে হবে এমন ভাবনা হতে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দুই বন্ধু হুসেইন মো. ইলিয়াস ও সিফাত আদনান ৩টি বাই সাইকেল নিয়ে নেমে পড়েন পণ্য ডেলিভারির কাজ করতে। কার্যক্রম শুরু হলো ‘পাঠাও’ নামে। কিছুটা সফলতা পাওয়ার পর ডেলিভারির বাহনে আসে কয়েকটি মোটর সাইকেল। ৩ বন্ধু চিন্তা করতে লাগলেন এই বাহন, আরও কী কী কাজে লাগানো যায়। আর এমন ভাবনা হতেই বাইকগুলোতে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।

এরপর মাত্র ৫টি মোটরবাইক ও ৩০ জন মানুষ নিয়ে অফিশিয়ালি যাত্রা শুরু করেছিল পাঠাও। শুরুতে তাদের কার্যক্রম শুধু গুরুত্ব-পূর্ণ পণ্যসামগ্রী বা পার্সেল যথাস্থানে পৌঁছে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ২০১৬ সালে চালু হয় পাঠাও’য়ের অফিশিয়াল অ্যাপ। এখন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বহু গ্রাহক পাঠাও ব্যবহার করছেন। ‘রাইড শেয়ারিং’–এর মাধ্যমে মানুষের সময় বাঁচানোর পাশাপাশি আয় করার একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেয়েছে পাঠাও ফুড, পাঠাও পার্সেল, পাঠাও কার। শহরের মানুষের জীবনযাত্রায়ও বড় প্রভাব ফেলেছে এই অ্যাপ।

ইন্দোনেশিয়া-ভিত্তিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম প্রতিষ্ঠান গো-জেকসহ বিভিন্ন দেশের কয়েকটি কোম্পানি হতে দ্বিতীয় রাউন্ডের বিনিয়োগ শেষে পাঠাও-এর অর্থমূল্য ৮২০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গো-জেক ছাড়া দ্বিতীয় রাউন্ডে বিনিয়োগ-কারী কোম্পানিগুলো হলো, ওপেনস্পেস ভেনচারস, ওসাইরিস গ্রুপ এবং ব্যাটারি রোড ডিজিটাল হোল্ডিংস।
তবে এই বিনিয়োগের পরিমাণ কতো তা প্রকাশ করা হয়নি। যদিও শোনা গেছে, পাঠাও অন্তত ২৫০ কোটি টাকা ফান্ডিং আশা করেছে। বিনিয়োগের পর কোম্পানি স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, পাঠাও-এর মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮২০ কোটি টাকা।

পাঠাও-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেছেন, “বিনিয়োগের টাকা ব্যবহার করে তারা আরও শহরগুলোতে রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও পাঠাও-পে অনলাইন পেমেন্ট সুবিধা চালু করবেন। পাঠাওতে সিরিজ-এ ফান্ডিং করার জন্য যে সকল আন্তর্জাতিক কোম্পানির কাছে পাঠাও আবেদন করেছিল তার মধ্যে রাইড শেয়ারিং জায়ান্ট গো-জেক অন্যতম

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Gulsan 1
Dhaka
1217