Shafique/Rony,01
বলা হয়েছিল হাসিনা পুলিশকে অনুমতি দিয়েছে সাধারণ জনগণের উপর নির্যাতন করার জন্য, এখন কেন জনগণের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে.? কে দিচ্ছে এই অনুমতি......?
#হাসিনা #পুলিশ #অনুমতি #আওয়ামীলীগ
29/01/2026
-: গন ভোট আসলে কি? :-
গন ভোট মানে হলো দেশের কোনো বড় সিদ্ধান্তে জনগণ সরাসরি ভোট দিয়ে রায় দেয়। এই সিস্টেমে আমাদের হয়ে কেউ সিদ্ধান্ত নেয় না। বরং আমরাই সিদ্ধান্ত নেই।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা চতুর্থ গণভোট। আপনি কি জানেন? এই সিদ্ধান্ত আমাদের দেশে কি কি পরিবর্তন আনতে পারে? এর আগে আমাদের দেশে তিনবার গণভোট হয়েছে। আর আশ্চর্য বিষয় হলো প্রতিবার দেশ একটা বড় পরিবর্তনের সামনে দাঁড়িয়েছে।
১৯৭৭ সালে জনসাধারণকে সরাসরি জিজ্ঞেস করা হয়েছিল।
তারা কি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপর আস্থা রাখে কিনা।
১৯৮৫ সালে এরশাদের সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য গণভোট দেওয়া হয়েছিল।
১৯৯১ সালে জনগণের কাছে সরাসরি প্রশ্ন রাখা হয়,
দেশ কি রাষ্ট্রপতি শাসন থেকে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় যাবে কিনা।
২০২৬-এ আবার গণভোট হচ্ছে। তবে এবার গণভোটে অনেক কিছু পরিবর্তন আছে। যা জনগণের কল্যাণের জন্য।
জুলাই বিপ্লবের পর একটি অন্তবর্তী সরকার এসেছে দেশে আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য।
কিন্তু গণতন্ত্র মানে শুধু সরকার বদলানো নয়। গণতন্ত্র মানে মানুষের কথা শোনা, মানুষের সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার থাকা। এবার যে গণভোট আসছে, তা জড়িত আছে একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের সঙ্গে, যার নাম হল জুলাই চার্টার।
জুলাই চার্টার এর মূল ভিত্তি হচ্ছে। দেশ চালানোর নিয়ম গুলোকে আরো ন্যায্য, স্বচ্ছ, আর জনগণের পক্ষে কথা বলার একটা প্রস্তাব।
#জুলাই চার্টার এর প্রস্তাব হলো:-
কেউ দশ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না।
ইন্টারনেট ইচ্ছেমতো বন্ধ করা যাবে না।
কোন সরকার একাই সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করবে। নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো হবে।
আর ক্ষমতার অপব্যবহার ঠেকাতে প্রয়োজনীয় নিয়ম থাকবে। আরো কিছু পরিবর্তন আসবে। সংবিধানের পরিবর্তন কিছুটা প্রয়োজন। যা দেশের জন্য জরুরী।
গণভোট কেন প্রয়োজন তা এখন পরিষ্কার বোঝা যায়।
আপনি যদি হ্যাঁ ভোট দেন, তাহলে এই পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন হবে। আর আপনি যদি না ভোট দেন। তাহলে এই পরিবর্তনগুলো আর হবে না।
আবার ফিরে আসবে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার,রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট, জনগণের গণতন্ত্র হরণ করা,জনগণের কন্ঠ রোধ করা।
সংবিধান শুধু একটা বই না। সংবিধান হলো একটি দেশের জনসাধারণের সম্মতিতে তৈরি করা একটা আইনি চুক্তি।
আর গণভোট মানে হল আমরা সবাই মিলে ঠিক করছি। আমরা কোন নিয়মে দেশটা চালাতে চাই। এখন সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাদের। আপনি যদি চান, পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার করতে। তাহলে সঠিক সিদ্ধান্তে এগিয়ে চলুন। হ্যা ভোট দিয়ে দেশের পরিবর্তন আনুন।
゚viralfollowersシ゚
28/01/2026
-: বাংলাদেশের ফ্যামিলি নিয়ে থাকার যোগ্য না:-
ভারত সরকার বাংলাদেশে থাকা তাদের সকল কূটনৈতিক সদস্যের ফ্যামিলিদের কে বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। এবং তারা বাংলাদেশকে ফ্যামিলি নিয়ে থাকার যোগ্য না ঘোষণা করেছে। এটা যে কত বড় ষড়যন্ত্র তা বোঝার চেষ্টা করি।
কারণ, নন ফ্যামিলি পোস্টিং স্টেশন। এটা কার্যকর করা হয় মূলত যুদ্ধ ক্ষেত্র দেশ বা যুদ্ধবিধ্বস্ত মত দেশগুলোতে।
#তাহলে প্রশ্ন হল হঠাৎ বাংলাদেশে অবস্থা কি এতটাই খারাপ হয়ে গেল? নাকি এর আড়ালে অন্য কোন ষড়যন্ত্র আছে।
সবাই মনে করবে যে এটা একটা সাধারণ নিরাপত্তা সতর্কতা। কিন্তু এই যে ছোট্ট একটি কথা বাংলাদেশের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর,কতটুকু ষড়যন্ত্র, একটা দেশের অর্থনীতিক ও সার্বভৌমত্বকে ধ্বসিয়ে দিতে পারে।
এটা কি শুধুই নিরাপত্তা নাকি পরিকল্পিত গভীর ষড়যন্ত্র।
প্রথমেই বলি নন ফ্যামিলি পোস্টিং শব্দটা কতটুকু বিপদজনক, এটা সাধারণ কোন শব্দ না। এটা সেই সব দেশের প্রতি ব্যবহার করা হয় যেখানে গৃহযুদ্ধ চলছে বা রাষ্ট্র ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে।
যেমন আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, ফিলিস্তিন।
কিন্তু বাংলাদেশে কি এই মুহূর্তে গৃহযুদ্ধ চলছে....??
বাংলাদেশে কি এই মুহূর্তে কোন ডাঙ্গা হাঙ্গামা চলছে..??
না চলছে না। (কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে থাকে, যেগুলো আমেরিকার মতন রাষ্ট্রেতেও হয়) তাহলে বাংলাদেশকে নন ফ্যামিলি পোস্টিং স্টেশন কেন করা হলো ভারতের পক্ষ থেকে..???
#চলুন ইতিহাস দেখে আসি, ইতিহাস কি বলে।
১৯৭০ এর দশক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত যেভাবে প্রতিবেশী দেশগুলো যেমন নেপাল শ্রীলংকা তাদের উপর যেভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল, প্রথমে ষড়যন্ত্র তৈরি করা, তারপর প্রেসার দেয়া। যখন একটা দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ তকমা লাগিয়ে সারা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়, তখন সেই দেশের বৈধতাকে দুর্বল করে দেয়।
এখন আসি আমাদের বাংলাদেশের কথা:-
#টাইমিং টা দেখুন, আসন্ন নির্বাচনের ৬ মাস আগে ভারতের পক্ষ থেকে এই সর্তকতা কেন..? এটা আরো আগে বা নির্বাচনের পরে কেন দেওয়া হলো না.?
কারণ নির্বাচন মানেই যে কোন দেশের জন্য একটা অস্থিরতা, এ সময় বাজার নার্ভাস থাকে, বিদেশি মিশন গুলো একটু সতর্কতায় থাকে, তাই ভারত ঠিক এই সময়টাকেই সারা বিশ্বকে বাংলাদেশের সিকিউরিটি নাই সেটাই বুঝাচ্ছে। তার মানে কি..? এর মানে হলো এই, ভারত সরাসরি কোন হস্তক্ষেপ করলো না, কিন্তু সারা বিশ্বকে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ এখন একটা বিপজ্জনক দেশ। বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ একটা দেশ।
যখন ভারত তাদের পরিবার বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেয়। তখন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভাবতে শুরু করবে তারা নিরাপদ আছে কিনা? আর এটাই হল ভারতের মূল পয়েন্ট! বিনিয়োগ ধ্বংস করে দেশে অরাজকতা তৈরি করা হলো মূল কাজ। অর্থনীতি ধ্বংস হলে সরকার বিপর্যয় পড়বে।
কারণ এই সরকার অর্থাৎ ডঃ ইউনুস সরকারের সাথে ভারতের কোন ভালো সম্পর্ক নাই। এটা সবাই জানে।
#ভারত গত ১৭ বছর যাদের সাথে কাজ করেছে। তাদের বদলে এই নতুন স্বাধীনচেতা একটা সরকারকে তারা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।
তাই পরিবার প্রত্যাহারের এই নীরব বার্তাটি আসলে দেশের নীতি নির্ধারকদের উদ্দেশ্যে একটা হুমকিস্বরূপ ষড়যন্ত্র বার্তা।
হাসিনা এবং তার দলের শীর্ষ নেতারা এখন ভারতে। এটা সবাই জানে আর এটা নিয়ে এখন বর্তমানে কোন রাজনৈতিক দল মুখ খুলছে না।
ভারত ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিকে তাদের প্রভাব বা তাদের ক্ষমতায় থাকুক এটাই চায়। তাই নির্বাচনের আগে এই নৈরাজ্যকতা অস্থিরতা সৃষ্টি করে বিশ্বকে বোঝাতে চায় বাংলাদেশ বিপজ্জনক।
নতুন করে আবারও সেই পুরনো শক্তি ফিরিয়ে পেতে চাইছে। এমন প্রস্তুতি তৈরি করছে যেন সবাই বলে সেই আগেই তো ভালো ছিল পুরনো ব্যবস্থাই তো ভালো ছিল।
এবার আসি ভারতের আধিপত্যবাদ।
এটার মানে কিন্তু যুদ্ধ করা নয়, বা যুদ্ধবিমান পাঠানো না, বা মিসাইল ছোরা না। আধিপত্যবাদ মানে হচ্ছে, এমন ভাবে ক্ষতি করা যেন কেউ তাদেরকে কোন দোষারোপ করতে না পারে। তারা এটাই বোঝাবে আমরা তো আমাদের নিরাপত্তা দিচ্ছি।
একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায় নেপালের সাথে ভারত কি করেছে। আবার শ্রীলঙ্কার সাথে তামিল ইস্যু সৃষ্টি করে ভারত যা করেছিল, তার সাথে আমাদের এই সিচুয়েশনটা অদ্ভুত মিল আছে। ভারত কখনো সরাসরি ভিলেন সাজতে চায় না। তারা পরিস্থিতি এমন প্রস্তুতি তৈরি করে যেন প্রতিবেশী দেশ নিজেরাই আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
#বাংলাদেশ কারো গোলাম নয়। আমরা ৭১ এ সার্বভৌমত্ব ও নিজেদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি। নির্বাচন একান্তই আমাদের আভ্যন্তরিণ বিষয়। আমাদের নিরাপত্তা কেমন হবে তার সার্টিফিকেট দেওয়ার এক চেটিয়া অধিকার বিশ্বের আর কারোর নাই।তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, আমাদের প্রমাণ করতে হবে, ভারতের এই যে নিছুক নিরাপত্তার ঝুঁকির যে বয়ান এটা একটা ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক নাটক।
প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমরা অবশ্যই সহযোগিতা চাই, কিন্তু কোন আধিপত্য গোলামী বা কোন দাসত্ব না। এই ধরনের কোন ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।
কি মনে হয়,ভারতের এই ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ কি আসলেই নিরাপত্তার জন্য নাকি ২০২৬ সালের গণভোট ও নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য একটা বিশাল মাস্টারমাইন্ড ষড়যন্ত্র।।
Click here to claim your Sponsored Listing.