SK WORLD
তীব্র গরম ও তাপমাত্রাজনিত অসুস্থতা থেকে বেঁচে থাকার জন্য করনীয় ! (রি-পোষ্ট)
চলুন জেনে নিই , আমাদের কি কি করনীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে ,,,
#রোদ_এড়িয়ে_চলুন - দিনের বেলা খুবই প্রয়োজন ছাড়া বাসা'র বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।
#সুতির_কাপড়_পরুন - হালকা রঙের ঢিলেঢালা জামা ও সুতির ট্রাউজার পরার চেষ্টা করুন।
#বিশুদ্ধ_পানি_পান_করুন - প্রচুর পরিমাণ , ২ থেকে ৩ লিটার বা তারও কিছু বেশি পানি পান করার চেষ্টা করুন। তবে ঠান্ডা পানি গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন।
#দিনের_বেলা একটানা বা প্রচন্ড #শারিরীক_পরিশ্রম থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন।
#সহজে_হজম_হয় - এমন খাবার গ্রহনের চেষ্টা করুন। #উচ্চ_মাত্রার_আমিষ_জাতীয়_খাবার (মাংস ও দুধের তৈরি খাবার ) আপাতত খাবার তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলার চেষ্টা করুন।
#সরাসরি_সূর্যেরতাপ_বা_সূর্যালোক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন - ছাতা, ক্যাপ বা টুপি কিংবা হাল্কা রঙের কাপড় দিয়ে মাথা যথাসম্ভব ঢেকে রাখুন।
#গোসল_বা_পানির_ঝাপটা - একাধিকবার নেবার চেষ্টা করুন, আরাম পাবেন, ইনশাআল্লাহ। সম্ভব হলে বেশিরভাগ সময় ছায়াযুক্ত জায়গা বা ঘরে থাকুন।
#ঘরকে_ঠান্ডা_রাখার_চেষ্টা_করুন - রাতে জানালা খুলে রাখুন, দিনের বেলা হালকা রঙের পর্দা, সাটার ব্যবহার করুন, ফ্যান চালিয়ে রাখার চেষ্টা করুন।
#এলকোহল_কেফিনেটেড_সফট_ড্রিংকস পরিহার করুন।
#প্রস্রাবের_রঙের_দিকে_খেয়াল রাখুন - প্রস্রাবের রঙ গাঢ় বা অতিরিক্ত হলুদ হলে পানি গ্রহণের পরিমাণ বাড়াতে হবে।
#চিকিৎসকের_পরামর্শ_নিন - তীব্র তাপমাত্রা জনিত কারনে যে কোন ধরনের অসুস্থতায় বেশি অস্বস্তি বোধ করলে, দেরী না করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন।
এই সময়ে তাপদাহ/ হিট ওয়েব থেকে হিট স্ট্রোক ও তীব্র তাপমাত্রা জনিত যে কোন অসুস্থতায় সবচাইতে ঝুঁকিতে পরে - - শিশু , বয়স্ক মানুষ, যাঁদের ওজন তুলনামূলক বেশী, শ্রমজীবী মানুষ (রিকশাওয়ালা, নির্মাণ শ্রমিক, ফুটপাতের বিক্রেতা, কৃষক....), যাঁরা আগে থেকেই হৃদরোগ বা উচ্চরক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত...
আসুন আমরা এঁদের পাশে দাঁড়াবার চেষ্টা করি নিজ নিজ অবস্হান থেকেই। নিজের যত্ন নিই, পরিবারের সবার দিকে নজর দেবার চেষ্টা করি।
নিজে সচেতন হই , সবাইকে সচেতন করার উদ্যোগ গ্রহণ করি , ইনশাআল্লাহ ,,, মহান আল্লাহ সুবহানুতায়লা আমাদের সবার মঙ্গল করুন।
অধ্যাপক ডা অনুপম হোসেন
জনস্বাস্থ্য ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ
এবং স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট কনসালটেন্ট।
শাবান মাস আল্লাহর দরবারে বান্দাদের আমলনামা পেশ হওয়ার মাস
আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান ছাড়া শাবান মাসে সর্বাধিক রোযা রাখতেন। আয়েশা রা. বলেন―
فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ إِلَّا رَمَضَانَ، وَمَا رَأَيْتُه أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِي شَعْبَانَ.
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ছাড়া অন্য কোনো মাসে পূর্ণ মাস রোযা রাখতে দেখিনি। আর আমি তাঁকে (রমযান ছাড়া) শাবান মাস অপেক্ষা অধিক রোযা রাখতে আর কোনো মাসে দেখিনি। ―সহীহ বুখারী, হাদীস ১৯৬৯
আয়েশা রা. থেকেই বর্ণিত অপর এক হাদীসে আছে―
كَانَ أَحَبُّ الشُّهُورِ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَصُومَه شَعْبَانَ.
রোযা রাখার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সর্বাধিক প্রিয় মাস ছিল শাবান মাস। ―মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২৫৫৪৮; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৩১
09/11/2023
Dhaka
হাদীসে বলা হয়েছে,
"...যদি সমগ্র উম্মত তোমার উপকার করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই উপকার করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। আর তারা যদি তোমার ক্ষতি করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই ক্ষতি করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। কলমসমূহ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং খাতাসমূহ (তাকদীরের লিপি) শুকিয়ে গেছে।"
— তিরমিযী ২৫১৬ (হাসান সহীহ)[২]
ইসলামে তাকদীরের ওপর বিশ্বাস করা আল্লাহ তা‘আলার রবুবিয়াত বা প্রভুত্বের ওপর বিশ্বাস করার অন্তর্ভুক্ত এবং তা ঈমানের ছয়টি রুকনের অন্যতম একটি রুকন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1209