BongoTheme

BongoTheme

Share

02/06/2023

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (Content Management System বা CMS) হলো একটি সফ্টওয়্যার টুল যা ওয়েবসাইট এবং ব্লগ তৈরি, সম্পাদনা এবং পরিচালনা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

এর একটি সহজ ইন্টারফেস আছে যার মাধ্যমে ইউজাররা সহজেই ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে পারেন যেমন নতুন পোস্ট তৈরি করা, পোস্ট সম্পাদনা করা, মিডিয়া আপলোড করা, পেজ নেভিগেশন পরিবর্তন করা ইত্যাদি।

সাধারণত, একটি কন্টেন্ট মেনেজমেন্ট সিস্টেম একটি ড্যাশবোর্ড প্রদান করে যেখানে ব্যবহারকারীরা কন্টেন্ট তৈরি করতে পারে, কন্টেন্ট পরিবর্ধন করতে পারে, কন্টেন্ট সংরক্ষণ করতে পারে এবং ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশনে প্রদর্শন করতে পারে।

একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সাধারণত কন্টেন্ট ডেটাবেস ব্যবহার করে, যা কন্টেন্ট এবং সেই কন্টেন্টের সংগ্রহকারী মেটাডেটা সংরক্ষণ করে।

ইউজাররা কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে টেমপ্লেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের ডিজাইন কাস্টমাইজ করতে পারেন এবং কন্টেন্ট এডিটরের সাহায্যে কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন যা সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা যায়।

অন্যদিকে, কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) জন্য প্রয়োজনীয় সেবা ও ফিচারসমূহ সরবরাহ করে।

সাধারণত প্রয়োজনীয় কিছু জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো WordPress, Joomla, Drupal, Magento ইত্যাদি। এদের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন এবং পরিচালনা করতে পারেন।

CMS এর কিছু বৈশিষ্ট এর মাঝে রয়েছে, CMS এর সাহায্যে, আমরা কন্টেন্ট এডিট, ডিলিট, অ্যাড করতে পারি, অর্থাৎ আমরা কন্টেন্ট পুরোপুরি ম্যানেজ করতে পারি।

CMS এর সাহায্যে আমরা কনটেন্ট SEO ফ্রেন্ডলী করতে পারি। CMS এর সাহায্যে, আমরা কন্টেন্টের ইউআরএলকে আরও ভালোভাবে আমাদের নিজেদের মত করে SEO ফ্রেন্ডলি করতে পারি।

CMS এর সাহায্যে, আমরা আমাদের পছন্দ অনুযায়ী কনটেন্ট এ যেকোনো ছবি ব্যবহার করতে পারি। CMS-এ, আমরা প্লাগইন-এর মাধ্যমে আমাদের কনটেন্ট বিভিন্ন ধরনের উপাদান রাখতে পারি যাতে আমাদের কনটেন্ট আরও ভালোভাবে প্রকাশ করা যায়।

CMS আমাদের বিভিন্ন ধরনের থিম দেয়, যেগুলো ব্যবহার করে আমরা আমাদের কনটেন্ট মানুষের সামনে আরও ভালোভাবে দেখতে পারি।

CMS এর কিছু অসুবিধাও আছে। CMS-এ আমরা এমন কিছু ফিচার আছে যার জন্য আমাদের পে করতে হবে। আমরা যদি সঠিকভাবে সিএমএস ব্যবহার করতে না জানি তাহলে আমরা নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়তে পারি।

আমরা যদি সিএমএস ব্যবহার করি তবে আমাদের প্লাগইনগুলির উপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হবে। CMS এ কাস্টমাইজড একটি ওয়েবসাইট এর স্পিড কখনোই কোড করে বানানো ওয়েবসাইটের সমান হবে না।

09/05/2023

We completed another plugin for client.
Basically it was a survey based plugin.People can survey as their requirements and they can get free advices via mail from website according their survey data.

For any custom plugin you can contact us
Contact No : +88 01966927688

02/11/2022

বংগথিম কি নিয়ে কাজ করছে?
১. ফ্রন্টেন্ড ডেভেলপমেন্ট
২. ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট
আমরা যে টেকনোলজি নিয়ে কাজ করছি আপাতত।
ফ্রন্টেন্ড এর জন্য
১. এইচটি এম এল
২. সিএস এস
৩.বুটস্ট্রাপ
৪. জাভাস্ক্রিপ্ট
৫.জেকোয়েরি
৬.এজাক্স
ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্ট এর জন্য
১. পিএইচপি
২. লারাভেল
৩. ওয়ার্ডপ্রেস
আমরা কি কি কাজ করে থাকি?
১. কাস্টম ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট
২. কাস্টম সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
৩. কাস্টম ডিজাইন+ডেভেলপমেন্ট
৪. ডোমেইন+হোস্টিং

www.bongotheme.com

02/11/2022

একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে আপনি হয়ত ইতোমধ্যেই ওয়ার্ডপ্রেস শব্দটি শুনে থাকবেন। যদি না শুনে থাকেন তবুও আপনি হয়ত বহুবার ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা চালিত সাইট ভিজিট করেছেন- আপনার অজান্তেই! ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে একটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সহজ ভাবে বললে “সফটওয়্যার”) যা দিয়ে ওয়েবসাইট নির্মাণ ও পরিচালনা করা হয়। চলুন জেনে নেয়া যাক, ওয়ার্ডপ্রেস কি, এর ইতিহাস ও ওয়ার্ডপ্রেস কেন এত জনপ্রিয়, ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত।

ওয়ার্ডপ্রেস কি?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ওয়ার্ডপ্রেস হলো ওয়েবসাইট ও ব্লগ তৈরীর সবচেয়ে সহজ ও বহুল জনপ্রিয় মাধ্যম। ওয়ার্ডপ্রেস একটি ওপেন-সোর্স সিএমএস বা কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা পিএইচপি (PHP) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

ওয়ার্ডপ্রেস GPLv2 এর অধীনে লাইসেন্স করা ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার হওয়ার ফলে যেকেউ ওয়ার্ডপ্রেস বিনামূল্যে ব্যবহার ও মোডিফাই করতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের সকল ওয়েবসাইটের প্রায় ৪০ শতাংশ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরী!

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট
ওয়ার্ডপ্রেস এর যাত্রা একটি ব্লগ তৈরির সাধারণ টুল হিসাবে শুরু হলেও সময়ের সাথে সাথে বদলেছে ওয়ার্ডপ্রেস এর রুপ ও কার্যকারিতা। বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব। এই ব্যাপারটি আরও সহজ হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিরেক্টরিতে থাকা অসংখ্য থিম ও প্লাগিন এর সাহায্যে।

উদাহরণস্বরূপ, ওয়ার্ডপ্রেস শুধুমাত্র বিজনেস ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ তৈরীতেই নয়, বরং ই-কমার্স সাইট তৈরীরও অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরী করা সম্ভব এমন কিছু ধরনের সাইট নিম্নরূপঃ



বিজনেস ওয়েবসাইট
ই-কমার্স স্টোর
ব্লগ
পোর্টফোলিও
রেজ্যুমে
ফোরাম
সোশ্যাল নেটওয়ার্ক
মেম্বারশিপ সাইট, ইত্যাদি।

উল্লিখিত ধরনের ওয়েবসাইট ছাড়াও একাধিক ক্যাটাগরি মিশিয়েও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট বানানো যাবে৷ মোটামুটি ভাবা যায় এমন যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট ই ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা বানানো সম্ভব।

ওয়ার্ডপ্রেস এর ব্যবহারকারী কারা?
ওয়েবসাইট তৈরিতে ওয়ার্ডপ্রেস এর ব্যবহার এতোটাই জনপ্রিয় যে এটা ছাড়া বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কল্পনাই করা যায় না। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে এমন কিছু উল্লেখযোগ্য ওয়েবসাইট হলোঃ

হোয়াইট হাউস এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট
মাইক্রোসফট এর অফিশিয়াল ব্লগ
আমেরিকান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, বিবিসি আমেরিকা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্লগ, টেক ক্রাঞ্চ
জনপ্রিয় শিল্পি, কেটি পেরি’র ওয়েবসাইট
স্টার ওয়ারস এর অফিশিয়াল ব্লগ
মিউজিক লেবেল, সনি মিউজিক
দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস
দ্যা ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি
এবং আরো অনেক

ওয়ার্ডপ্রেস কেন এত জনপ্রিয়?

ওয়ার্ডপ্রেস এর জনপ্রিয়তার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেন ওয়ার্ডপ্রেস এত জনপ্রিয়।
ফ্রি ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার
ওয়ার্ডপ্রেস এর জনপ্রিয়তার কারণের মূলেই রয়েছে এটির সহজলভ্যতা। ফ্রি সফটওয়্যার হওয়ায় যেকেউ বিনামূল্যে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারে। অন্যসব ওয়েবসাইট তৈরীর প্ল্যাটফর্ম মোটা অংকের টাকা দাবি করলেও সুলভ মূল্যে হোস্টিং ও ডোমেইন কিনে ওয়ার্ডপ্রেস এর সাহায্যে খুব সহজেই অল্প খরচে একটি ওয়েবসাইট তৈরী সম্ভব।

ব্যবহারে সুবিধা
জুমলা, ড্রুপাল, ইত্যাদির মত অনেক সিএমএস প্ল্যাটফর্ম থাকলেও এদের মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করাই সবচেয়ে সহজ। ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে কোনো পূর্বধারণা ছাড়াই যেকেউ খুব সহজেই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবে। ব্লগ লেখা হোক কিংবা পেজ তৈরী, সকল কাজই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যেকেউ করতে পারে।

থিম
ওয়েবসাইট এর প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ডিজাইন। আর ওয়ার্ডপ্রেস চালিত ওয়েবসাইট ডিজাইন নির্ভর করে এর থিম এর উপর। ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিরেক্টরিতে রয়েছে অসংখ্য ফ্রি থিম যা ব্যবহার করে আপনি যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারেন। ফ্রি থিম এর পাশাপাশি থিমফরেস্ট এর মতো মার্কেটপ্লেসে অনেক পেইড থিমস ও রয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য।

প্লাগিন
ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করলে বেসিক সব ফিচার এর সাথেই পাওয়া যায়। তবে ওয়ার্ডপ্রেস এর ফাংশনালিটি উল্লেখযোগ্য হারে বর্ধিত বা উন্নত করতে চাইলে ব্যবহার করতে হয় ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন। এগুলোকে অ্যাপ এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে। মোবাইলে যেমন বিভিন্ন অ্যাপ আপনাকে বিভিন্ন সুবিধা দেয়, তেমনি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিনও সাইটে বিভিন্ন ফিচার যুক্ত করে।

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন ব্যবহার করে যেকোনো নতুন ফিচার যুক্ত করা সম্ভব ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেসে যেকোনো সমস্যার সমাধানেও প্লাগিন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

এসইও
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস যথেষ্ট কার্যকর৷ ওয়ার্ডপ্রেস প্রথম থেকেই সার্চ ইঞ্জিন সমূহকে প্রাধান্য দিয়ে এসইও-বান্ধব সফটওয়্যার তৈরী করে আসছে। এর ফলে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরী ওয়েবসাইটে গুগল থেকেই অসংখ্য ভিজিটর পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও বিভিন্ন প্লাগিন ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের এসইও কে উন্নত করা যায়।

সাপোর্ট
ওয়ার্ডপ্রেস ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার হলেও এই সফটওয়্যারকে ঘিরে রয়েছে বিশাল একটি কমিনিউটি। যার ফলে ওয়ার্ডপ্রেস সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধান বের করা বেশ সহজ। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে ব্লগ, ইউটিউব, ইত্যাদির কল্যাণে অল্প সময়েই সমস্যার সমাধান করা যায়।

02/11/2022

ডোমেইন এবং হোস্টিং কি ? কিভাবে কাজ করে থাকে ?

ডোমেইন (Domain) একটি ইংরেজি শব্দ এর বাংলা অর্থ হলো স্থান বা ঠিকানা যা ইন্টারনেট জগতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। মূলত, ডোমেইন নাম বলতে সাধারনভাবে কোন একটা ওয়েবসাইটের নামকে বোঝায়।প্রত্যেক ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) থাকে। যেমনঃ 123.14.159.255. সাধারণত আইপি অ্যাড্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট মনে রাখা কষ্টসাধ্য। তাই মনে রাখার সুবিধার জন্য আইপি অ্যাড্রেসের পরিবর্তে ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এক বা একাধিক কম্পিউটার কে ইন্টারনেট এ চেনার জন্যও ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়।

হোস্টিং (Hosting):

ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে এমন একটি সেবা যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট টি সব সময় অন বা চালু থাকবে । সেই সাথে ওয়েবসাইট টি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রদর্শন করতে পারবেন। মূলত, আপনার ওয়েবসাইটের Content, Images, Videos, এবং বিভিন্ন File সার্বক্ষণিক তথা দিনে ২৪ ঘন্টা এবং বছরে ৩৬৫ দিন চালু রাখার জন্য একটি স্পেস বা জায়গা প্রয়োজন। আর সেই নির্ধারিত স্পেস বা জায়গা কেই বলা হয় ওয়েবসাইটের হোস্টিং বা ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) । আবার হোস্টিং কে সাধারনত সার্ভার (Server) বলা হয় এবং কখনও এটিকে ওয়েব সার্ভার ( Web Server) ও বলা হয়ে থাকে

যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইনটি ব্রাউজারে লিখে ইন্টারনেটে সার্চ করবে তখন ডোমেইন নামটি IP Address এ রূপান্তরিত হয়ে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির কম্পিউটারে নিয়ে যাবে মূলত যেখানে আপনার ওয়েবসাইটের Content, Images, Videos, এবং বিভিন্ন ফাইলগুলো জমা করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে জমা করা ফাইলগুলো তৎক্ষণিক ভাবে ভিজিটর বা ইউজারের ব্রাউজারে পাঠানো হয়। তারপর ইউজার সেই ওয়েবসাইট টি দেখতে পান। এভাবেই মুলত ওয়েব হোস্টিং কাজ করে থাকে।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Demra?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Staff Quarter
Demra
1360