Md Rony C

Md Rony C

Share

18/03/2025

#শেষ চিঠি
#পর্ব ৫
( writer : khan gp)

আশিক ১০০০টাকার নোটটা খরচ না করে হেটে হেটে বাসায় চলে গেলো

কিছু দিন পর

নুপুর : হ্যলো

আশিক : হুম কি হয়েছে

নুপুর : শুন তুই একটু আগামীকাল আমার বাসায় আসিস ত

আশিক : কেন কি হয়েছে

নুপুর : বাবা মা আমাকে না জানিয়ে আমার জন্য ছেলে দেখেছে কালকে আমাকে দেখতে আসবে

আশিক : ও আচ্ছা দেখি

নুপুর : দেখি মানে কালকে তকে আসতেই হবে আর শুন

আশিক : হুম

নুপুর : কালকে নিল শাটটা পরে আসি

আশিক ভাবছে নুপুর হয়তো মজা করছে এজন্য বেশি একটা টেনশন করে নাই, আশিক এটা ও জানে নুপুরের বাবা মা নুপুরকে এখন বিয়ে দিবে না, নুপুর এখন পড়াশোনা করছে,পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে দিবে, আর নুপুরের ও এখন বিয়ে করার কোনো চিন্তা নেই, কিন্তু তার বাবা কোথাকার এক বিদেশি ছেলে পেয়েছে, অনেক টাকাওয়ালা তাই বিয়ের জন্য পাগল হয়ে গেছে।

আশিকের ভাবনা নুপুর তাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাবে।

আশিক পরের দিন নুপুরের দেওয়া নীল শাট পরে যায়, আশিক গিয়ে দেখে নুপুরের হাতে আংটি পরানো হচ্ছে, এটা দেখে আশিক নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে হুট করে ঐ ছেলের হাত দরে বসলো

আশিক : কতো বড় সাহস তর আমার ভবিষ্যৎ বউয়ের হাতে আংটি পরাচ্ছিস,ও শুধু আমার আমি ওকে ভালোবাসি যা ভাগ

আশিকের মুখ থেকে এমন কথা শুনে সবাই হা করে তাকিয়ে আছে, আশিক তার কথা শেষ করার আগেই নুপুর এসে আশিকের গালে কয়েকটা চর বসিয়ে দেয়

নুপুর : তুই মনে হয় ভুলে গেছিস তুই একটা গরীব ফকিন্নি ছোটলোকের ছেলে, আমার টাকায় তুই চলছ তর গায়ে যে পোশাক গুলো এগুলো ও আমার টাকার কেনা, কতো ভালো জানতাম তকে, আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড বলে তকে আজকে এখানে ইনবাইট করেছি, আর তুই কিনা আমার বিয়ে ভাংগার জন্য ছি,,,,,শুন তকে যেনো আর কোনোদিন আমার চোখের সামনে না দেখি বেরিয়ে যা এখান থেকে

আশিক : শুভ কাজে বাধা দেওয়ার জন্য আমি দুঃখিত, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন, ও অনেক ভালো একটা মেয়ে, plz আপনি ওকে আংটি না পরিয়ে যাবেন না 😂😂😂😂বরকে বলে এবার নুপুরকে বলছে তর সাথে চলতে চলতে আমি ভুলেই গেছি আমি যে একটা ফকিন্নির ছেলে আসলে তর মতো করে আমাকে কেউ কোনো দিন বুঝেনি, তর মতো করে আমাকে কেউ কেয়ার করেনি ত, তাই তর হাতে আংটি পরাতে দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি, পারলে আমায়
ক্ষমা করে দিস আমি আর কখনো তর সামনে আসবো না বলে চোখ মুছতে মুছতে চলে গেলো আশিক, 😂😂😂

(নুপুরের সাথে চলতে চলতে আশিক কখন যে নুপুরের মায়ায় পরে যায় নিজেও টের পায় নি আশিক অনেক ভালোবাসতো নুপুরকে কিন্তু কোনোদিন বলতে পারে নি, আর নুপুর আশিককে বন্ধু ছাড়া অন্য কিছুই ভাবতো না। অনেক সময় আশিকের কাছে টাকা থাকতেও নুপুরের কাছ থেকে নিয়ে চলতো, কারন তার ভালো লাগতো, আর নুপুর ও আশিককে অনেক কেয়ার করতো)

পরের দিন নুপুরের গায়ে হলুদ। পুরো বাড়ি লাল নীল বাতি দিয়ে সাজানো, সবাই যার যার মতো করে আনন্দ করছে, আশিক একটা গিফট নিয়ে আসলো নুপুরের বাড়ির গেট পর্যন্ত, দারোয়ান কাকার হাতে গিফট দিয়ে বলল এটা যেনো নুপুরকে দেয়

দারোয়ান: কি হলো বাবা ভিতরে যাবে না

আশিক : না কাকা অনেক কাজ আছে, চলে গেলাম।

একলা পথে একলা একলা হাটছে আশিক, নুপুরদের বাড়ির থেকে কিছুটা দুরে যেতেই পকেট থেকে বাটন ফোনটা বের করে সিমটা বের করে বেংগে রাস্তার ঝোপঝাড়ে ফেলে দেয়।

এদিকে পুরো বাড়ি হাটছে নুপুর হঠাৎ দারোয়ান কাকার নজরে পরে নুপুর, দারোয়ান কাকা নুপুরকে ডাক দিয়ে গিফট হাতে দিয়ে বলে এটা আশিক দিয়েছে

নুপুর : কোথায় ও

দারোয়ান : কিছুক্ষন আগেই চলে গেলো আর বলল এটা বিয়ের পরে খুলতে, বিয়ের আগে এই গিফট খুলতে নিষেধ করেছে।

নুপুর: রাগের মাথায় অনেক অন্যায় করে ফেলেছি ওর সাথে, যে ভাবেই হোক ওর কাছ থেকে ক্ষমা নিতে হবে, ( মনে মনে)

বিয়ের কিছু দিন পর নুপুর রুমটা গুচাচ্ছে, হঠাৎ চোখে পরলো আশিকের দেওয়া গিফট, ( অনেক দিন হয়ে গেলো তার সাথে কথা হয়নি আর আমি ত তার কাছে ক্ষমাও চায় নি মনে মনে) গিফট খুলে দেখে অনেক সুন্দর একটা নীল শাড়ি, যে কেউ দেখলে পছন্দ করবে কিছু টাকা সাথে একটা চিঠি, নুপুর চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়া শুরু করলো ( চিঠির লেখাগুলো প্রথম পর্বের প্রথম অংশে দেওয়া আছে পুরোপুরি মনে নেয় আমার তারপরেও অল্প করে আবার বলছি, আপনারা যদি খুজে না পান) গরীব ছোটলোকের পছন্দ জানি শাড়িটা পছন্দ হয় নি তার পরেও একবার পরলে অনেক খুশি হবো, ভাবছো এতো টাকা কোথায় পেয়েছি তোমাকে না জানিয়ে দুটো টিউশনি করাতাম টিউশনির জমানো টাকা, চুরি ডাকাতি করার টাকা না হালাল টাকা , সত্যি বলতে কি জানো তোমার মতো করে আমায় কেউ কেয়ার করেনি ভালোবাসেনি, বন্ধু হয়ে তুমি যা করেছে একজন মাও তার সন্তানের জন্য এতোটুকু করতে পারে না, পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো, তুমি বললে না আর কখনো তোমার সামনে না যেতে চিন্তা করো না আর কখনো আমাকে দেখবে না। চিঠিটা পডে নুপুর কেমন জানি স্তব্ধ হয়ে আশিককে কল দেয়, (আশিকের কাছে ত এখনো ক্ষমা চাওয়া হয়নি) অপর পাশ থেকে শব্দ আসছে

( এই পেইজে একটার বেশি গল্প দিতে পারবো না। আমার পেইজে কি যেনো সমস্যা হয়েছে বুঝতে পারছি না, লগইন হচ্ছে না তাই এতোদিন গল্প দিতে পারছি না, গল্পটা ভালো লাগলে পেজটি ফলো করতে পারেন, আপনারা সাপোর্ট করলে এখন থেকে এই পেইজে নিয়মিত গল্প দিবো)


#চলবে
Follower Follower

16/03/2025

#শেষ চিঠি
#পর্ব ৩

আশিক ঘুম উঠে ফোনর দিকে তাকিয়ে দেখে ১০০কল আসছে আলো দিছে ১০০ কল, আশিক ত অবাক, আলো ১০০ দিলো কারন কি

আশিক : থাক এখন আর কল দিয়ে টাকা নষ্ট করে লাভ নাই, ভার্সিটি গিয়েই দেখা করবো। ( মনে মনে)

সবাই ভার্সিটি আসছে, আশিক আলোকে খুজছে, নুপুর দাঁড়িয়ে আছে ভার্সিটির পাশে, আশিক নুপুরের সামন দিয়ে চলে যায় আলোকে খুজতে খুজতে, ( নুপুরকে না দেখার বান করে)

নুপুর : আলোর মধ্যে কি এমন পেয়েছে যে আমার সাথে কথা না বলে আমার সামন দিয়ে চলে গেলো, যাকে আমি হাটতে শিখাইলাম, যাকে আমি এতো ভালো যানতাম এবং কি সবসময় আমার টাকায় চলে আর আমার সাথেই ভাব ( মনে মনে)

আশিক আলোকে খুঁজে পেয়েছে,

আশিক : কি ব্যাপার আলো রাতে এতো গুলো কল দিলে কেন

আলো : দরকার ছিলো এজন্য ফোন দিছি কিন্তু তুমি ত আমার কল দরো নি

আশিক : আরে বাবা ঘুমিয়ে ছিলাম জার কারনে কল দরতে পারি নি এখন বলো কি জন্য ফোন দিছো

আলো : কলটা রিসিভ করে বলো বিজি আছি পরে ফোন করতে ( আশিকের ফোনে নুপুর কল দিচ্ছে)

আশিক : নুপুর কল দিছে

আলো : সমস্যা নাই বলো বিজি আছি পরে ফোন করো

আশিক : নুপুর একটু বিজি আছি পরে তোমাকে কল দিচ্ছি

আলো : চলো তোমাকে নিয়ে একজায়গায় ঘুরতে যাবো

আশিক : এখন আবার কোথায় জাবে ক্লাস আছে ক্লাস করবে না

আলো : আরে একদিন ক্লাস না করলে কিছু হয় না আসো ত ( আশিকের হাত দরে টেনে)

নুপুরের হাতে ফোন আর চোখে জল কারন নুপুর আশিক আর আলোকে আরাল থেকে দেখে দেখে কলটা করেছিলো

নুপুর কখনো ভাবিনি আশিক তার সাথে এমন করবে আলোর সাথে কথা বলাটা তার কাছে এতো জরুরি ছিলো

আলো আশিককে মার্কেটে নিয়ে গিয়ে অনেক গুলো শপিং করে দেয় আশিক অবশ্য নিতে চায় নি কিন্তু আলো ( তুমি কি আমাকে বন্ধু মনে করো না) ঐ এক কথা বলে চালিয়ে দেয়, শপিং শেষ করে দুজনেই রিকশা করে যাচ্ছে

আলো : আগামী সোমবার ১৪ ই ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস তুমি কিন্তু এগুলো পরে কলেজে আসবে

আশিক : আমি ত ভুলেই গেছি আর দুদিন পরে ভালোবাসা দিবস

আলো আশিককে অনেক গুলো শপিং করে দেয় তার মধ্যে কালো শাট কালো প্যানট কালো জুতা এগুলো পড়ে আসতে বলছে আলো, আশিক পরে আসবে বলে আলোর কাছে।

শপিং শেষ করে আশিক বাসায় গিয়ে নুপুরকে কল দেয় কিন্তু নুপুর একটা কল ও রিসিভ করলো না,

আশিক: কি হলো আমার ফোন রিসিভ করছে না কেনো কিছুই ত বুঝলাম নাহ নুপুর ত আগে কখনো এমন করিনি, ঐ সময় কথা না বলাতে রাগ করলো নাতো আবার, ( মনে মনে)

আশিক অনেক গুলো ফোন দেয় কল রিসিভ না হওয়ায় আশিক সোজা নুপুর এর বাসায় চলে যায়

নুপুরদের বাসার সবাই চিনে আশিককে, নুপুরের বাসার গেটের দারোয়ান পযন্ত চিনে আশিককে। আশিক নুপুরের বাসায় ডুকতেই সামনে পরে নুপুরের মা।

আশিক: নুপুর কোথায় আনটি

আনটি : ভার্সিটি থেকে আসার পরে কারো সাথে কিছু বলছে না, একা একা দরজা লাগিয়ে রুমে বসে আছে, ভার্সিটিতে কারো সাথে কিছু হয়েছে নাকি,

আশিক : আমাকে ত কিছুই বলে নি, আমিত অনেক গুলো কল দিলাম কল দরছে না এজন্য চলে আসলাম আচ্ছা আমি একটু দেখি কি হয়েছে

আনটি : আচ্ছা বাবা যাও, তুমি গিয়ে দেখো ওর রাগটা ভাঙাতে পারো কি না

আশিক নুপুরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে

আশিক : এই নুপুর দরজা খুলো, কি হয়েছে তোমার কল দরছো না কেনো

নুপুর : এখন আমার ভালো লাগছে না কথা বলতে তুমি চলে যাও,

আশিক : তোমার সাথে কথা না বলে আমি যাবো না, দরজা খুলো নইলে কিন্তু দরজা ভেঙে ডুকবো

নুপুর : বললাম না এখন ভালো লাগছে না, কালকে ভার্সিটি গিয়ে কথা বলবো তুমি চলে যাও ( রেগে)

আশিক : দরজা কিভাবে খুলাতে হয় আমার জানা আছে ( মনে মনে) তোমাদের বাসায় আাসাতে অপমান করলে আচ্ছা চলে গেলাম আমি, আমি আর কোনো দিন তোমাদের বাসায় আসবো না

এ কথা শুনার সাথে সাথে নুপুর দরজা খুলেই খাটে গিয়ে দুই হাটু উচা করে দুই হাটুর মাঝখানে মাথা বসে পরলো আশিক দরজাটা লাগিয়ে নুপুরের পাশে গিয়ে বসলো

কি হয়েছে বলবে ত না বললে কিভাবে বুজবো তোমার কি হয়েছে, আর তুমি আমার ফোন দরছো না কেন

নুপুর : আমার সাথে কথা বলে লাভ কি তোমার, তোমার ত এখন girlfriend আছে, তার সাথে গিয়ে কথা বলো

আশিক : কি বলছো তুমি এগুলো মাথা ঠিক আছে তোমার আমার girlfriend আসবো কই থেকে

নুপুর : কেনো আজকে সারাদিন আলোর সাথে ঘুরাঘুরি করো নাই,

আশিক : করছি কিন্তু ও আমার বন্ধু, তোমার বন্ধু কিভাবে বলতে পারলে তুমি এই কথাটা

নুপুর : আমিও ত তোমার বন্ধু তাই না তাহলে ওর সাথে কি এমন কথা বললে তুমি আমার ফোন রিসিভ করে বলছো তুমি বিজি আছো, সকালে আলোকে খুজতে খুজতে আমার সামন দিয়ে যাচ্ছিলে অথচ তুমি এমন ভাব নিলে মনে হয় আমাকে তুমি চিনই না, তোমার কাছ থেকে কখনো এগুলো আসা করিনি অনেক ভালো জানতাম তোমাকে আর তুমি আমার বিশ্বাসের এই দাম দিলে

আশিক : বিশ্বাস করো সকালে আমি তোমাকে দেখি নাই, আলো রাতে অনেক গুলো কল দিয়েছে, বিশেষ কোনো কারনে হয়তো কল দিয়েছে এজন্য ওকে খুজছিলাম, পরে দেখি এমনি কল দিছিলো শপিং করার জন্য হয়তো। আলোই আমাকে বলছে ফোন রিসিভ করে বলো বিজি আছি এজন্য বলছি

নুপুর : তাহলে আজকে সারাদিন মার্কেটে ঘুরাঘুরি হয়েছে আলোকে নিয়ে তা কি কি কিনে দিলো সুনি

আশিক : পেনট শাট জুতা এগুলো

নুপুর : এখন তো তাইলে আমাকে আর তোমার কোনো প্রয়োজন নেই। আলো তোমার দেখা শুনা করছে তুমি আলোর কেয়ার করছো, আলো যা বলছে তুমি তাই করছো,

আশিক : এই যে কান দরলাম আর হবেনা এমন প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দেও ( কান দরে)

নুপুর : ক্ষমা করতে পারি এক শর্তে, আজকে যেভাবে আলোকে সময় দিয়েছো কালকে সারাদিন আমাকে এভাবে সময় দিতে হবে

আশিক : আচ্ছা ঠিক আছে

পরের দিন নুপুর আলোকে দেখিয়ে দেখিয়ে আশিকের হাত দরে হাটছে

( আগামীকাল কিন্তু ভালোবাসা দিবস অনেক কিছু হবে তাদের মাঝে যা আপনাদের চিন্তার বাইরে)

#চলবে

16/03/2025

#শেষ চিঠি
#পর্ব ২

আশিক পিছনে তাকিয়ে দেখে নুপুর দৌড়ে আসছে,

নুপুর : এখানে আমার কোনো বন্ধু নেই তুমি কি আমার বন্ধু হবে

আশিক : এটা সম্ভব না

নুপুর : আমরা ত একসাথে পড়াশোনা করছি তাহলে সম্ভব না কেনো

আশিক : একসাথে পড়াশোনা করছি ঠিক আছে, কোথায় আকাশ আর কোথায় মাটি, কোথায় আপনি আর কোথায় আমি

নুপুর: আকাশ আর মাটির মধ্যে ও বন্ধুত হয়। আমার বাবা বড়লোক বলে কেউ আমার বন্ধু হতে চায় না। বড়লোকের মেয়ে হয়েছি এটা কি আমার অপরাধ

আশিক : আমি যদি আপনার বন্ধু হয় আপনি কি আমাকে মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পারবেন,পারবেন আমাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যেতে

নুপুর : অবশ্যই পারবো, এবার বলো আমার বন্ধু হবো

আশিক : আচ্ছা ঠিক আছে

নুপুর : আজ থেকে আমরা দুজন বন্ধু ( হাত মিলিয়ে)

নুপুর আশিকের নাম্বার নিয়ে বাসায় চলে গেলো

কিছু দিন পর

আজ ভার্সিটির পিকনিক সবাই সাজুগুজু করে চলে আসছে নুপুর এদিকে সেদিকে তাকিয়ে কি যেনো খুঁজছে সব জায়গায় খুজা শেষ।

নুপুর : এই তোমরা কেউ কি আশিক কে দেখেছো

আলো : আসলেই ত আশিককে কোথাও দেখা যাচ্ছে না, আশিক কোথায়। ( আশিককে প্রথম দিন রেগিং করা মেয়ে আলো)

নুপুর এবার আশিককে কল দেয়

আশিক : হ্যালো

নুপুর : কোথায় তুই

আশিক : মেসে

নুপুর : এখনো মেসে কি করছিস, পিকনিকে যাবি না

আশিক : আমার শরীরটা ভালো না তোমরা যাও, আমি যাবো না

নুপুর : তর কি সমস্যা আমি দেখবো ২ মিনিটের মধ্যে ভার্সিটির মাঠে আয় নইতো তর খবর আছে বলে দিলাম

(সব বড়লোকের ছেলে মেয়ে দামী দামী ফোন দিয়ে সবাই ছবি তুলবে, দামী পোশাক, দামী দামী খাবার খাবে , পিকনিকে গিয়ে ১০০ টাকা খরচ করবে সেই সামর্থ নেই আশিকের তাই যেতে চাচ্ছে না আশিক।)

writer : kha gp

আশিক জানে যে নুপুর রাগলে অনেক কিছু হতে পারে, তাই ২ মিনিটের মধ্যে রেডি হয়ে চলে গেলো ভার্সিটির সামনে।

নুপুর: কি হয়েছে তর

আশিক : পেটে অনেক ব্যাথা

নুপুর : পেট ব্যাথা সমস্যা নেই পিকনিকে গিয়ে চিকিৎসা করবো

আশিক : পিকনিকে নিয়ে কি করে আল্লাহ জানে ( মনে মনে)

পিকনিকে গিয়ে সবাই আলাদা আলাদা হয়ে যায়, নুপুর আশিককে নিয়ে একদিকে চলে যায়, আশিকের পিছনে যত টাকা লাগে সব নুপুর খরচ করে। কারন নুপুর যানে তার কাছে কোনো টাকা নেই, নুপুর দেখতে যেমন কিউট তার মনটাও তেমন কিউট হয়তো কোটিপতির মেয়ে কিন্তু ব্যাবহার অনেক ভালো, অল্পতেই মানষের সাথে মিশে যায়।

সারাদিন ঘুরাঘুরি করে নুপুর আশিককে নিয়ে একটা গাছের নিচে গিয়ে দাড়ায়

নুপুর : কি এখনো কি পেট ব্যাথা আছে ( নুপুর যানে তার কোনো পেট ব্যাথা ছিলো না না যাওয়ার জন্য বাহানা করেছে)

আশিক : হালকা হালকা আছে

নুপুর :এখন ভালো হয়েছে ( পেটে ঘুষি মেরে)

আশিক : হুম, আর ব্যাথা নাই আমি এখন পুরোপুরি সুস্থ 😂😂😂😁😁😁😁

নুপুর : ঔষধ তাইলে কাজ করেছে

কথা শেষ করে গাড়ির উদ্দেশ্য দুজনে হাটা দরলো সামনে পরলো আলো

আলো: আশিক তোমার সাথে একটু কথা ছিলো

আশিক : হুম বলেন

আলো : সেদিন তোমার সাথে অনেক অন্যায় করে ফেলেছি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দেও

নুপুর হা করে তাকিয়ে আছে

আশিক : আচ্ছা যাও ক্ষমা করে দিলাম

আলো : আমি কি তোমাদের বন্ধু হতে পারি, যদি বন্ধু না হও তাহলে ভাববো তুমি এখনো আমার ওপর রেগে আছে

আশিক : ওকে

আলো : এখন থেকে তাহলে আমরা বন্ধু ( নুপুর আর আশিকের সাথে হাত মিলিয়ে)

আলো নুপুর আর আশিকের নাম্বার নিয়ে নিলো। যাওয়ার সময় নুপুর আশিকের সাথে বসা তার পাশাপাশির সিটে বসা আলো, আলো একটু পর পর আড় চোখে আশিকের দিকে তাকায়। আশিক নুপুরের সাথে কথা বলছে, আশিক বুঝতে না পারলে ও নুপুর লক্ষ্য ঠিকই করেছে।

পরের দিন সকালে আশিক ঘুম থেকে উঠে অবাক হয়ে যায়

( মজার মজার গল্প পেতে চাইলে লাইক কমেন্ট ফলো করে সাথে থাকবেন ধন্যবাদ আবার আসবেন 😁😁😁)

#চলবে

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Cumilla?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Cumilla