Asthma Sheba
17/10/2022
এ্যা জমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল/সরু হয়ে পড়ে। এতে হাঁ পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-হা চিঁ-কা শি,অক্সি জেন এর লেভেল কমে গিয়ে-শ্বাস কষ্ট/বু কে চাপ চাপ অনুভব করা/দম নিতে কষ্ট হওয়া, বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়।অনেকের গলায় সারাক্ষণ কফ/শ্লেষ্মা জমে থাকায় নাক বন্ধ হয়ে থাকে।
এ্যা জমা/হাঁ পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেট/যান্ত্রিক ধোঁয়ার মধ্যে যারা প্রতিনিয়ত থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে।
তাছাড়া দীর্ঘদিন যাবত এলা-র্জী এর সমস্যায় ভুগলে তা এ্যা-জমায় রূপান্তর হয়।
এছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।বাংলাদেশে শীতকালে এ্যা জমার প্রকোপ বেশি দেখা দেয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা যে ভুলটা করে, তারা শুরুতে রোগ টাকে সাধারন মনে করে অবহেলা করে।ধীরে ধীরে সমস্যা বেগতিক মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়।আর ডা ক্তার মেডি সিন/ইন হেলার দিয়ে থাকলেও সেগুলো ক্যা-মিকেল/স্টে-রয়েডযুক্ত হওয়ায় সমস্যাকে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হয়।ফলে রোগ শরীরের মধ্যে থেকে যায় এবং
বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারন করে।
এই সমস্যার জন্য আমরা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে দিয়ে আসছি Natural & Organic Medi-cation।
ক্যামিকেল শরীরের সাথে মিশে না,তাই একটা এ্যালো প্যথিক মেডিসিনে ১৬ঘন্টা-১ দিন সুস্থ থাকা যায়।কিন্তু আমাদের এই Natural ওষুধ সেবনের ফলে তা রক্ত এবং শরীরের সাথে মিশে যায়।ফলে এটার গুনগত মান কয়েক যুগ(১২ বছর+) আপনার শরীরে লাস্টিং করবে।যার ফলে আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোর্স সেবন করলে আপনি কোন ইন-হেলার/মেডি-সিন ছাড়াই চিরস্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।
উপরওয়ালা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পৃথিবীতে এবং প্রকৃতিতে সকল উপকরণ দিয়েছে।রোগ/ব্যাধির ক্ষেত্রে ও একই।তিনি প্রকৃতিতে এমন কিছু মহাও-ষৌধ দিয়েছেন যেগুলো সেবনে আমাদের দূরারোগ্য রোগ ও সেরে যায়।কিন্তু আমরা শুরুতেই ডা ক্তারের কাছে ছুটে যাই এবং হাতের কাছে যে উপরওয়ালা প্রদত্ত সহজ সমাধান ছিল সেটাকে ভুলে যাই।আসুন উপরওয়ালা কে স্মরণ করি এবং তার দেয়া উছিলার মাধ্যমে সুস্থ হই..
আমাদের ট্রিটমেন্ট পদ্ধতি হল"Food supplement"।
এটি একবিংশ শতাব্দীর Unique এবং কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি।যেটা Nature & Science এর কম্বিনেশন তৈরি করা
আমাদের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়নি এমন পেশেন্ট বাংলাদেশ একটাও নেই।কারন আমরা আপনাকে গ্যারান্টি দিব যে,আপনি অবশ্যই সুস্থ হবেন।কারন,আমরা বিশ্বাস করি মৃত্যু ছাড়া সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে
বিস্তারিত জানতে আমাদের কমেন্ট বক্সে ঘুরে আসুন এবং চিকিৎসা নিতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।
17/10/2022
মেডিক্যাল সায়েন্স বলে, হাঁপানি সারে না। আমরা কেউই মেডিক্যাল সায়েন্সের ঊর্ধ্বে নই। সে জন্য সরাসরি না বলে একটু ঘুরিয়ে বলতে পারি, প্রত্যেক দিন যোগাসন করলে এক দিনও হাঁপানি আক্রমণ করতে পারবে না। তার মানে কিন্তু এই নয় যে, যার হাঁপানি নেই, যোগাসন করলে তাকে কোনো দিনই হাঁপানি আক্রমণ করবে না। যার হাঁপানি আছে নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করলে তার হাঁপানি সেরে যাবে। হাঁপানি আসলেই কোনো রোগ নয়, এটি একটি উপসর্গ মাত্র। ভেতরের রোগটির জন্যই মানুষ হাঁপাতে থাকে। তবে সাধারণভাবে এ রোগকে সবাই হাঁপানি বলেই উল্লেখ করে থাকে।
বিভিন্ন কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। সর্দি-কাশি থেকে ব্রঙ্কাল অ্যাজমা হতে পারে। ধুলাবালি থেকে হাঁপানি হতে পারে। বংশগত কারণে এই রোগ হতে পারে। এই রোগ আসলে নিঃশ্বাসের। ফুসফুস প্রয়োজনমতো বাতাস টানতে পারে না, প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ফুসফুসে পৌঁছায় না। যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে আমরা যেটা করি সেটা হলো, ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করা। কতগুলো ব্যায়ামের সাহায্যে ফুসফুসকে সক্রিয় করে তোলা যায়।
তবে এসব ব্যায়াম এবং আসন রোগের অবস্থা বুঝে করতে হয়। যেমনÑ নিঃশ্বাসের কষ্ট দুই রকমের হতে পারে। কারো শ্বাস টানতে কষ্ট হয়, কারো শ্বাস ফেলতে কষ্ট হয়। কেউ দীর্ঘ দিন ধরে এই রোগে ভোগেন, আবার কেউ অল্প দিন ধরে ভুগছেন।
হাঁপানি রোগীকে কী কী যোগ ব্যায়াম বা আসন করতে হবে। এগুলো খুবই সহজ ব্যায়াম। যে কেউ করতে পারবেন।
১. ডিপ ব্রিদিং উইথ চেস্ট এক্সপ্যানশন : সোজা হয়ে দাঁড়ান। হাত দু’টি সোজা করে সামনের দিকে তুলুন। হাতের পাতা দু’টি একসাথে থাকে। এবার জোরে নিঃশ্বাস নিতে নিতে হাত দু’টি বুকের দু’পাশে ছড়িয়ে নিয়ে আসুন, একই সাথে গোড়ালি উঁচু করতে হবে। এবার নিঃশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত দু’টি আগের অবস্থায় নিয়ে আসুন। ১০ বার করুন। একটু বিশ্রাম নিন। এভাবে তিনবার করুন, না পারলে পাঁচবার করে।
২. সিট আপ : চিত হয়ে শুয়ে পড়–ন। দু’হাত মাথার পাশ দিয়ে সোজা করে রাখুন। এবার আস্তে আস্তে হাত সোজা রেখেই কোমর বাঁকিয়ে দু’হাতের আঙুল দিয়ে দু’পায়ের পাতা স্পর্শ করুন। আবার হাত সোজা রেখেই আস্তে আস্তে চিত হয়ে শুয়ে পড়–ন।
৩. লেগ ক্রসিং : পা সোজা করে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়–ন। এবার দু’টি পা-ই ৪৫ ডিগ্রি উঁচু করে তুলে ধরুন। এবার দু’টি পা-ই এক সাথে ওপর-নিচ করে ক্রস করতে থাকুন। ২০ বার করে না পারলে ১০ বার করে করুন। মনে রাখতে হবে প্রত্যেকটি ব্রিদিং এক্সারসাইজের পর একটু বিশ্রাম নিতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chottogram