Fb Tips & Robi Sim All Offer +Circle Point Hack
মোবাইল নজরদারীঃ
পদ্ধতি, কিভাবে বুঝবেন ও বাচার উপায় (গুরুত্বপূর্ন)
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ
ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﻭﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺑﺮﻛﺎﺗﻪ
ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ ﻧﺒﻲ ﺍﻟﺮﺣﻤﺔ
মোবাইল নজরদারী
মোবাইলে নজরদারী করার জন্য প্রত্যেকটা দেশেই ৪ ধরনের অফিস থাকে
১/ সীম কার্ড কোম্পানীর অধীনে পরিচালিত অফিস।
যেমনঃ গ্রামীন বা রবি। এব প্রত্যেক দেশের নিজস্ব সমস্ত সীম কোম্পানীরই তা থাকে।
তো সীম কোম্পানীর ভিতরে আবার দুই ধরনের অফিস থাকেঃ
ক/ স্বাধারন ব্যবহারকারীদের জন্য যে মেশিনঃ এর মাধ্যমে কাস্টমার কেয়ার আপনার আসা-যাওয়া সমস্ত ফোন কল জানতে পারবে। এবং আপনার মোবাইলের ধরন জানতে পারবে। কিন্তু তাদের পক্ষে আপনার কথা শুনা সম্ভব নয়।
খ/ মূল মেশিনঃ যা কোম্পানীর পর্যবেক্ষন সদস্যদের অধীনে থাকেঃ তাদের পক্ষে আওয়াজের রেকর্ড শুনা সম্ভব, তবে মূল পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত বা মৌখিক অনুমতি লাগবে। এছাড়া সম্বব নয়। কারণ তা সংরক্ষনের
পাসওয়ার্ড একমাত্র পরিচালকের কাছেই থাকে।
২/ পুলিশ ত্বাগুতদের অধিনস্ত অফিসঃ
এই অফিসের মাধ্যমে পুলিশের পক্ষে আপনার আসা-যাওয়া কলের নাম্বার, ব্যবহারকারীর নাম, এবং GPRS এর মাধ্যমে সুক্ষ ভাবে ব্যক্তির স্থান
নির্ধারন করা সম্ভব হয়ে থাকে। কিন্তু কথা শুনা বা
অন্যান্য তথ্য নেয়া সভব নয়।
৩/ সরকার মোবাইল পর্যবেক্ষন বিভাগঃ
তাদের পক্ষে সম্পূর্নভাবে পর্যবেক্ষন ও নিয়ন্ত্রন
সম্ভব। এই অফিসে সিগনাল গ্রহন ও
প্রেরনের বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে তারা ঐ সমস্ত কাজ
ব্যবস্থাপনা করে থাকে।
যন্ত্রগুলো হলঃ
1- GPRS system
2- VICE system
3- IMSI-catcher
এই অফিসে সরকার বা গোয়েন্দা বাহিনির অধিনের পাঁচ ধরনের কর্মচারী থাকেঃ
১- সুক্ষভাবে অবস্থান নির্নয়কারী দল-
২- কথা বা আওয়াজ রেকর্ডকারী দল-
৩- পরোয়ানা জারীকৃত বা অপরাধী ব্যাক্তিদের
পর্যবেক্ষনের দ্বায়িত্বশীল কর্মচারী-
৪- সাহায্যকারী দল-
(যারা অন্যদের কাজে সাহায্য করে,
বা ভিবিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে)
৫- এই সমস্ত কর্মচারীদের পরিচালনাকারী
পর্যবেক্ষনের পদ্ধতি সমূহঃ
1- সীম কার্ড পর্যবেক্ষন
2- মোবাইল পর্যবেক্ষন
3- নাম বা শব্দের মাধ্যমে পর্যবেক্ষন
* সীম কার্ড পর্যবেক্ষনঃ
পুলিশের জন্য আপনার মোবাইল নাম্বার পাওয়াই যতেষ্ঠ। সে এটার মাধ্যমে স্থান সুক্ষভাবে নির্ধারণ করতে পারবে GPRS এর মাধ্যমে এবং আপনার সমস্ত কল নাম্বার ও আওয়াজ সুক্ষভাবে শুনতে পারবে । এবং যার সাথে কথা বলছেন তার
পূর্ন ঠিকানা ও স্থান নির্ধারন করতে পারবে। এবং আপনার সমস্ত মেসেজ ও তথ্য জানতে পারবে। যদিও আপনি তা কেটে দেন। আপনার এবং অপর ব্যক্তির পূর্ন তথ্য তারা পেয়ে যাবে। এবং আপনি সীম ক্রয়ের সময় রেজিশটেশন খাতার আপনার
সমস্ত রেকর্ড তারা পেয়ে যাবে, যদি আপনি ভূল তথ্য দিয়ে থাকেন তো সরকারী বাহিনী পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে তা জানতে পারবে, এমন কি
আরেকজনের সীম ব্যবহার করলেও জানতে পারবে।
*মোবাইল পর্যবেক্ষনঃ
আপনি যে কোন ধরনের মোবাইলই ক্রয় করেন না কেন, আপনি মোবাইলের সাথে নির্দিষ্ট একটি সিরিয়াল নাম্বার পেয়ে থাকেন, যাকে
IMEI নাম্বার বলা হয়। গোয়েন্দারা তাদের মেশিনে
আপনার সিরিয়াল নাম্বার প্রবেশের মাধ্যমে সিম
কার্ডের মতই আপনারকে পূর্ন পর্যবেক্ষন করতে পারবে। কোন ব্যক্তি থেকে যখন মোবাইল চুরি হয়ে যায় তখন সে পুলিশকে তার মোবাইলের
সিরিয়াল নাম্বার দিয়ে থাকে, যার ফলে তারা চোরের অবস্থান নির্নয় করতে পারে। এবং অনেক অনেক বড় চুরিতেও অপরাধীদেরকে মোবাইলের
মাধ্যমে গ্রেফতার করা হয়েছে। যেমনঃ কেউ দশ
মিলিয়ন ডলার চুরি করল, যাওয়ার আগে একটা মোবাইল দেখতে পায় ও তা চুরি করে। এবং পুলিশ এর মাধ্যমেই তাকে অনুসরন করে ও ধরে ফেলে। তাই মোবাইলের সিরিয়াল নাম্বার
অনেক গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু পুলিশের অনুসরন করতে
অনেক কষ্ট হয় যাখন কোন ব্যক্তি মোবাইল সম্পূর্ন বন্ধ করে দেয়। ফলে তাকে নেটে খুজে পাওয়া যায় না। তবে যদি না সে আবার মোবাইল চালু করে। এবং তারা যখন তার মোবাইল অনুসরণে সম্ভব না হয় তখন তার সীমকে অনুসরন করে। এবং কোন মুবাইল যখন চুরি হয় এবং সিম কার্ড নষ্ট করে ফেলা হয় এবং মোবাইলটাকেও বন্ধ
করে অন্য দেশে নিয়ে বিক্রয় করা হয়। তখন বাহিনির পক্ষে আর অনুসরন করা সম্ভব হয় না।
*নাম বা শব্দের মাধ্যমে পর্যবেক্ষনঃ
পুলিশ তাদের মেশিনে আপনার নাম প্রবেশ করাবে। তখন সাথে সাথে আপনার বিস্তারিত
বিবরণ তাদের সামনে ভেসে উঠবে। এবং আপনার অন্যান্য মোবাইলের নাম্বারও চলে
আসবে। এবং আপনার কথোপকথন ও মেসেজ সহ মোবাইলের সমস্ত তথ্য ভেসে উঠবে।
# একটি প্রশ্ন ও সমাধান #
এত লাখ লাখ মোবাইল তাদের পক্ষে কি ভাবে অনুসরণ সম্ভব হয় ??? অনেক অনেক মানুষ এই প্রশ্ন করে কিন্তু তার উত্তর তারা জানে না।
উত্তর হচ্ছেঃ হ্যাঁ। তাদের পক্ষে সম্ভব। এটা কি
ভাবে?
গোয়েন্দা বাহিনী তাদের মেশিনে কিছু শব্দকে নির্দষ্ট ভাবে সংরক্ষণ করে থাকে। যেমনঃ চুরি, সন্ত্রাসী, বিস্ফোরণ, আক্রমন, হত্যা, অস্ত্র, মদ-গাজা, বোমা, রক্ত সহ এই ধরনের হাজার হাজার
শব্দ। পুরা দেশের যে কোন ব্যাক্ত এই শব্দগুলো অন্য কোন ব্যাক্তির সাথে উচ্চারণ করবে,
চাই তা ইচ্ছা করেই হোক বা মজা করে। সাথে সাথেই গোয়েন্দার লোকদের কাছে বাতি বা লাল আলো জ্বলে উঠে ও সাইরেন বেজে উঠে
সতর্ক করে যে, এই ব্যাক্তি কোন একটা শব্দ উচ্চারণ করেছে। এবং অটোমেটিক তার স্থান,
নাম্বার ও কথা স্ক্রীনে ভেসে উঠে। তখন সেখানে লোকেরা তার পূর্ন কথাটা শুনে এবং
নিশ্চিত হয় যে সে ইচ্ছা করেই বলেছে নাকি মজা করে। যদি ইচ্ছাকৃত বলে থাকে তো নিকটবর্তী থানাতে তার গ্রেফতারের আদেশ পাঠানো
হয়। এবং সমস্ত কথোপকথন অটোমেটিক জমা হতে থাকে। এবং গোয়েন্দদের পক্ষে ২০ বছর
পরেও তা শুনা সম্ভব। কারণ এটা একটা ভান্ডার। এখন আপনি যদি নতুন কোন মোবাইল নেন
তাও তারা বুঝবে। শুধু আপনার আগের কন্ঠের রেকর্ডের সাথে মিলিয়েই। এমনকি আপনার
পরিবার বা বন্ধুদের ঠিকানাও তারা বের করতে পারবে। কিভাবে বুঝবেন আপনার
মোবাইলকে পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে ???
1/ আওয়াজের মাধ্যমে
১- কথা বলার মাঝে বাতাসের আওয়াজ শুনবেন, কারণ আড়ি পাতা ব্যক্তি তার কানে হেডফোন লাগিয়েছে।
২- কিচির-মিচির আওয়াজ শুনবেন, কারণ পর্যবেক্ষনকারী ব্যাক্তি স্পিকার চালু করেছে।
৩- যার সাথে কথা বলছেন, মনে
হবে তার কথা অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে
৪- কথা বলার সময় ভেঙ্গে ভেঙ্গে আসবে, বাড়ি খাবে, ডাবল শুনা যাবে বা নিজের কথাই আবার নিজে শুনতে পাবেন।
৫- অনেক সময় তৃতীয় ব্যক্তির কথা শুনতে পাবেন।
2/ মোবাইলের ডাটা বা তথ্য এর ক্ষেত্রে
১- মোবাইলের গতি স্লো হয়ে যাবে, কেননা তখন বিপরীত ব্যাক্তি আপনার ফাইলগুলো দেখছে, যা আপনার মোবাইল ও নেটের উপর প্রভাব সৃষ্টি করছে।
২- কোন ফাইল খুলতে চাইলে তা দ্রুত খুলবে না।
পর্যবেক্ষনের সমস্যা সমাধানের পথঃ
১- ফোন বন্ধ করুন
২- ব্যটারী খুলুন
৩- সীম কার্ড খুলুন
৪- সীম কার্ড অন্য মোবাইলে লাগান
৫- মোবাইল খুলুন এবং কোন সময়
ব্যয় করা ছাড়াই নির্দিষ্ট ব্যক্তির সাথে কথা বলুন
এই পদ্ধতিতে যে ব্যক্তি আপনাকে পর্যবেক্ষন করছে তার কমপক্ষে ১৫ মিনিট সময় লাগবে।
কারণ নতুন মোবাইলের তথ্য তার কাছে যেতে সময় লাগবে। কিন্তু আপনার মোবাইলে তো
মুহুর্তের মধ্যেই চলে এসেছে। সরকারী বাহিনির লোক আপনাকে তখনই পর্যবেক্ষন করবে যখন সেই শব্দগুলোর কোন একটি উচ্চারণ করবেন। তখন সে আপনার কথা শুনবে নিশ্চিত
হওয়ার জন্য। এখন যদি আপনার কথায় তেমন কোন শব্দ না পায় তাহলে আপনাকে ছেড়ে দিবে।
অনেক সময় আপনি যার সাথে কথা বলছেন তাকে তারা অনুসরণ করে যখন সে অপরাধী
বা পরোয়ানা জারিকৃত ব্যক্তি হয়।
4- সরকারের অধীনস্থ কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে
পর্যবেক্ষন, যাকে নিকটবর্তী পর্যবেক্ষন পদ্ধতিও বলা হয়। সরকারী বাহিনী কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বিশেষ এক ধরনের মোবাইল দিয়ে থাকে, যাকে ডিজিটাল মোবাইল বলা হয়। তারা তাদের এই মোবাইলের মাধ্যমে ২০ মিটারের ভিতরে যেকোন ব্যক্তির কথাবার্তা, মেসেজ সহ যাবতীয় কিছু দেখতে পারে। এই ধরনের ব্যক্তিরা বাজার, শপিংমল বা জনসমাগমের স্থানে বেশি থাকে। যাতে সন্দেহজনক ব্যক্তি কাছে আসার সাথে সাথেই তার সব কিছু দেখে ফেলতে পারে, তাকে সন্দেহে ফেলা ছাড়াই। কিভাবে বুঝবেন আপনার
নিকিটের লোক আপনার কথা শুনছে ???
আপনি বিভিন্ন ধরনের ছোট আওয়াজ শুনতে পাবেন, আর এটা প্রমান করে যে সে আপনাকে
পর্যবেক্ষন করছে।
সমাধানঃ
আপনি
মোবাইলটাকে বন্ধ করে আবার
খুলুন। ফলে সে তার মোবাইলের
আগের সিগনাল হারিয়ে
ফেলবে।
আপনাদের নেক দোয়াতে ভুলবেন না,
ইংশাআল্লাহ।
© "আমরা উম্মার বন্ধু" পেইজ থেকে।
টাইম ম্যানেজমেন্ট – Time Management
________________
“সময় পাই না” কিংবা “সময় পাচ্ছি না” কথাটা আমরা এখন খুব বেশী বলে এবং শুনে
থাকি। সন্দেহ নাই, বিবিধ পাপ ও আলসেমির কারণে আমাদের সময়ের বারাকাহ
অনেক কম। কিন্তু তারপরও একটা কথা মাথায় রাখা উচিত- সময় কখনই পাওয়া যায় না,
সময় বের করে নিতে হয়।
অনেক দ্বীনি ভাইও প্রায়ই বলে থাকেন-কীভাবে যে সময় চলে যাচ্ছে
টেরই পাচ্ছেন না অথচ তারা অনেক ভাল ভাল কাজের নিয়্যাত করে থাকেন। তাই
দৈনন্দিন জীবনের শত ব্যস্ততা ও কাজের মাঝে থেকেও কীভাবে আমরা
সময় বের করে নিতে পারি তার জন্যই এই লিখা। তবে Time Management এর
উপর হাজারখানেক বই পড়লেও আর কোর্স করলেও কিছুতেই সফলতা হতে
আসবে না যদি আল্লাহর সাহায্য ও সন্তুষ্টি না থাকে।
সবসময় মাথায় রাখতে হবে সময় ও কাজের বারাকাহ একমাত্র আল্লাহর পক্ষ
থেকেই আসে।ত তাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দিকে সবার আগে
মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। আরেকটি শর্ত হল-তীব্র ইচ্ছাশক্তি নিয়ে
শুরু করতে হবে। রুটিন মেনে চলে সময়কে কার্যকরভাবে কাজে
লাগানোর জন্য ইচ্ছাশক্তির কোন বিকল্প নাই।
আর কথা না বাড়িয়ে আমরা মূল আলোচনায় চলে আসি-
:
:
#১ ফযরের পর ঘুমানোর অভ্যাস বন্ধ করুনঃ
________________
শুনে বেশ কঠিন মনে হলেও এটি Time Management এর এক নম্বর শর্ত।
নিঃসন্দেহে ফযরের পরের সময়টুকু খুবই বরকতপূর্ণ। এই সময়ে নানাবিধ দূয়া ও
যিকর হাদীসে পাওয়া যায় যেগুলোর ফযীলত ও প্রভাব অপরিসীম। দিনের
শুরুই যদি হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং অন্তরের প্রশান্তি নিয়ে তবে সারা দিনের
সমস্ত কাজ সময়মত গুছিয়ে নেওয়ার মানসিকতা তৈরী হয়ে যায়। গ্রীষ্মকালে
ফযরের পর অফিস/স্কুল/কলেজ/ভার্সিটি টাইমের আগ পর্যন্ত প্রায় ২.৫-৩ ঘণ্টা
এবং শীতকালে ১.৫-২ ঘণ্টা সময় পাওয়া যায়। এই বিপুল পরিমাণ সময়কে কাজে না
লাগানোর কোন যৌক্তিকতা থাকতে পারে না, বিশেষত যখন এই সময়ে
আল্লাহর অতিরিক্ত রহমত ও বরকত নেমে আসে। কুরআন-হাদীস পাঠ ছাড়াও
দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজের কিছু অংশ এই সময়ে করে রাখা গেলে সারাদিনের
চাপ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।
:
:
#২ নির্দিষ্ট একটি Time Frame এর মধ্যে কী কী করতে চান তা সুস্পষ্টভাবে
লিখে ফেলুনঃ
________________
ধরুন, নভেম্বরে আপনার সেমিষ্টার ফাইনাল পরীক্ষা। আপনি এখন প্রস্তুতি শুরু
করতে চান। প্রথমেই একটি কাগজে লিখে ফেলুন কোন কোন
সাবজেক্টের কতটুকু সিলেবাসের পরীক্ষা। আপনি এই ১.৫ মাস প্রতিটি
সপ্তাহে কোন সাবজেক্টের কী কী টপিক পড়তে চান তা সুস্পষ্টভাবে
লিখে ফেলুন। আমি শুধু উদাহরণ দিচ্ছি। অন্য যেকোন কাজেও একই নিয়ম
প্রযোজ্য। যদি আপনি চান পরবর্তী ২ মাসে কুরআনের ১ পারা মুখস্থ করবেন
তবে লিখে ফেলুন প্রতিদিন কতক্ষণ সময় দিয়ে কয়টি আয়াত মুখস্থ করবেন।
তবে এই কাজে দুটি জিনিষ মাথায় রাখবেন-
নিজের উপর সাধ্যের অতিরিক্ত চাপ নিয়ে প্ল্যান করবেন না, তাহলে
শেষমেষ সবই গোল্লায় যাবে অস্পষ্টভাবে লিখবেন না। যেমন- এই
কাজের ৬০% শেষ করতে চাই বা (পড়াশোনার ক্ষেত্রে) অমুক অমুক
সাবজেক্ট এগিয়ে রাখতে চাই
:
:
#৩ আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে লক্ষ্য রাখুনঃ
________________
Time Frame এর মধ্যে যা যা করতে চান এবং যে কারণে করতে চান তার
কোনটিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি আছে কিনা তা যাচাই করে নিন। থাকলে এক্ষুণি
এবং এক্ষুণি সেটা বাদ দিন। আরেকটি খুব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হল, সালাতের জন্য
প্রয়োজনীয় যথেষ্ট সময় আলাদা রেখেই Daily Schedule তৈরী করুন। এটি
এমন হতে পারে- সালাত শুরুর আগে ও পরে ১০ মিনিট করে সময় অতিরিক্ত
রেখে দিতে পারেন সুন্নাহ ও আযকারের জন্য। কখনই কাজের জন্য সালাত
ছেড়ে দিবেন না।
#৪ প্রতিদিন দূয়া করুন, জানা না থাকলে শিখে নিনঃ
________________
যেহেতু সফলতা আসবে একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছায়, তাই প্রতিদিন আল্লাহর কাছে
সময়ের যথার্থ ব্যবহার ও আলসেমি পরিত্যাগের জন্য সাহায্য চেয়ে দূয়া করুন।
এই ধরণের অনেক সুন্দর দূয়া হাদীসে রয়েছে। অন্যান্য ইবাদাহ ছাড়াও যে
Proper Time Management এর জন্য আল্লাহর কাছে আলাদাভাবে দূয়া করতে
হবে সেটা আমরা অনেকে মাথায়ই রাখিনা। নির্ভরযোগ্য দূয়ার বইগুলি থেকে
প্রয়োজনীয় দূয়া মুখস্থ করে নিন।
:
:
#৫ Self Discipline is The Key
________________
কথাটা শুনে খুব বেশি তাত্ত্বিক মনে হল, তাই না? স্বাভাবিক। কিন্তু বিষয়টা একটু
অন্যরকমভাবে দেখা যাক-
আপনার Time Frame কে ভেঙ্গে Daily এবং Weekly schedule এ ভাগ করে
নিন। এতে ধীরে ধীরে অলসতা চলে আসার সুযোগ কমে যাবে। প্রতিটা
দিন এবং সপ্তাহই নতুন নতুন কাজের চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাজির হবে। যে কোন
মূল্যে schedule ঠিক রাখার চেষ্টা করুন। আজ একটু কম করে কাল পুষিয়ে দিব
এমন চিন্তা ঘুণাক্ষরেও করবেন না।
Urgent, Important, Necessary এগুলোর মধ্যে পার্থক্য করুন এবং সময়মত ঠিক
কাজটি করুন। যেমন- ধরুন কাল আপনার ফিজিক্স পরীক্ষা। কিন্তু এই মুহুর্তে
আপনার একদম পড়তে ভাল লাগছে না বরং কোন লেকচার শুনতে বা বই পড়তে
বা ডকুমেন্টারি দেখতে ইচ্ছা করছে। এগুলোর সবগুলি Necessary হলেও
কোনটিই আপনার জন্য এই মুহুর্তে Necessary না বরং Urgent এবং Important
হচ্ছে জোরপূর্বক ফিজিক্স পড়া। প্রচলিত খুব ফালতু একটা কথা হল- “যা করতে
ভাল লাগে সেটাই কর”। আসলে বলা উচিত-“যা করা দরকার ঠিক সেটাই কর”।
ক্ষেত্রবিশেষে Urgent এবং Important এর মধ্যে পার্থক্য করুন এবং অধিক
প্রয়োজনীয়টি গ্রহণ করুন। যখন যেটা করবেন বলে ঠিক করেছেন তখন
দাঁতে দাঁত চিপে সেটাই করুন, যদিও বা সেটা করতে ভাল না লাগে। দরকার হলে
রুটিন চেঞ্জ করে সুবিধামত করে নিন কিন্তু “শুধু আজই একটু অন্যথা করি, কাল
ঠিক করে নিব”-এভাবে ভাববেন না।
মেইল-ফেসবুক ইত্যাদি চেক করার জন্য প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে
নিন। পড়তে পড়তে বা অন্য কোন কাজের মাঝে এগুলোতে উঁকিঝুঁকি
মারবেন না।
প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা সময় আলাদা করে রাখুন Personal/Spiritual
Development নিয়ে পড়াশোনা এবং নিজেকে যাচাই করার জন্য। কতটুকু
এগোতে পারলেন, কী কী পারছেন না, কেন পারছেন না এগুলো
সুস্পষ্টভাবে লিখুন।
:
:
#৬ খুব বেশি কাজ একসাথে করার চেষ্টা করবেন নাঃ
________________
আপনার কাজগুলিকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নিন। প্রতিদিন যে প্রতিটি কাজ
করতে হবে-এমনটা না। একইদিনে খুব বেশি কাজ করবেন না। বরং যেদিন যেটা
বেশি দরকার সেদিন সেটাতেই ফোকাস করুন। যেমন- ধরুন আপনার রুটিনের
৪ টি কাজ- ভাল একটি ডকুমেন্টারী দেখা, আরবী ভাষা শেখা, একাডেমিক পড়া(বা
অফিসিয়াল কাজ) এবং ইসলামিক হালাকা করা। আপনার হাতে এই ৪ টি কাজের জন্য সময়
মোট ৩ ঘণ্টা। প্রতিদিন সবকিছু করতে গেলে প্রতিটি কাজে আপনি দিতে
পারবেন ৪৫ মিনিট। অথচ প্রতিদিন কিন্তু সবকিছু করার দরকার নেই। ডকুমেন্টারী
দেখা, আরবী পড়া কিংবা হালাকা ছুটির দিনের জন্য রেখে দিন। ক্লাশ/অফিসের
দিনগুলিতে একাডেমিক পড়া বা অফিসিয়াল কাজে ১.৫ ঘণ্টা করে সময় দিন। আর
তাতে ছুটির দিনেও ডকুমেন্টারী, আরবী কিংবা হালাকার প্রতিটিতে ১ ঘণ্টা করে
সময় দিতে পারবেন। এতে আপনি Quality Job করতে পারবেন। সবকিছু
একইদিনে রেখে রুটিনকে অনাকাঙ্খিত ভারী করে তুলবেন না।
#৭ ক্রমাগত আত্মশুদ্ধি
________________
যথার্থ Time Management এর অন্যতম একটি শর্ত হল আত্মশুদ্ধির পেছনে
ক্রমাগত লেগে থাকা। নিজেকে পরিশুদ্ধ করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন
করতে পারলেই আল্লাহর পক্ষ থেকে জ্ঞান ও সময়ের বারাকাহ আসবে।
এজন্য আত্মশুদ্ধিমূলক বিভিন্ন বই পড়ে ও লেকচার শুনে নিজের কর্মপদ্ধতি
ঠিক করে নিতে হবে। সবার জন্যই যে একই পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে তা নয়।
এখানে আমি কিছু বই এর নাম উল্লেখ করছি যেগুলো এই কাজে ইনশাআল্লাহ
সহায়ক হবে বলে আমার বিশ্বাস-
(1) In the Early Hours- Khurram Murad
(2) The Purification of the Soul- Ibn Rajab, Ibn al Qayyim, Al-Ghazali
(3) Purification of the Soul: Concept, Process & Means- Jamaal Zarabozo
(4) The Journey to Allah- Ibn Rajab al Hanbali
(5) Salvation Through Repentance- Dr. Bilal Philips
এছাড়াও ইউটিউবে সহজলভ্য ইংরেজীভাষী ‘আলিমদের মধ্যে Md. Ali
Hazratji এর আত্মশুদ্ধির আলোচনা খুবই ফলপ্রসূ হতে পারে। বাংলা ভাষায় উস্তাদ
নাসিল শাহরুখ এর “আত্মশুদ্ধি” শিরোনামে ধারাবাহিক আলোচনা ইউটিউবে OIEP এর
চ্যানেলে পাওয়া যাবে। আত্মশুদ্ধির জন্য প্রচুর দুয়া, তাওবাহ ও ইস্তিগফারের
কোন বিকল্প নাই। তাই প্রয়োজনীয় মাসনূন দুয়াগুলো ডঃ আব্দুল্লাহ
জাহাঙ্গীর এর রাহে বেলায়েত থেকে শিখে নেওয়া হতে পারে একটা ভাল
বুদ্ধি।
আত্মশুদ্ধির পথে নিজেকে যাচাই করার জন্য “প্রাত্যহিক কর্মতালিকা” তৈরী করে
নেওয়া যেতে পারে। এই তালিকা হতে হবে নিজের ‘লেভেল’ অনুযায়ী।
সকল ফরয-ওয়াজিব ইবাদাহ আগে পালন করার চেষ্টা করুন। এরপর সেগুলোতে
অভ্যস্ত হয়ে গেলে বেশী বেশী নফল ইবাদাহ পালন করুন। নিজের
প্রয়োজনমত ফরয/ওয়াজিব/নফল কাজগুলি তালিকায় স্থান দিন। প্রতিদিন ঘুমাতে
যাওয়ার আগে তালিকা পূরণ করুন এবং আগের দিনের সাথে মিলিয়ে দেখুন
কোনটা কম হয়েছে, কেন হয়েছে, কীভাবে সেটার উন্নতি করা যায়।
:
:
#৮ হালাল বিনোদনের ব্যবস্থা রাখুন
________________
রুটিনের একঘেয়েমি কাটাতে হালাল বিনোদনের ব্যবস্থা রাখুন। সাপ্তাহিক বা
মাসিক বিনোদনের জন্য কিছু সময় নির্দিষ্ট করে নিন। এই সময়টায় বন্ধু-
আত্মীয়-স্
বজনদের নিয়ে ঘুরতে পারেন কিংবা হালাল ডকুমেন্টারি, মুভি, নাশীদ ইত্যাদি
দেখতে ও শুনতে পারেন। যদি ঠিকমত রুটিন মেইনটেইন করতে পারেন
তবে নিজেই নিজেকে ‘ট্রিট’ দিন!
অর্থাৎ পছন্দের কোন জায়গায় পছন্দের খাবার খেতে যান-ভাববেন, রুটিন
মেইনটেইন করার পুরষ্কার এটি। আবার রুটিন ভংগ হলে নিজেই নিজেকে শাস্তি
দিন। তবে এই শাস্তিও হবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। এটি হতে পারে সিয়াম রাখা
কিংবা নিজের উপার্জিত টাকা থেকে কিছু দান করে দেওয়া।
তবে অবশ্যই এই দানের পরিমাণ এমন হতে হবে যে সেই পরিমাণ দান করতে
আপনার কিছুটা হলেও অস্বস্তি লাগে, সিয়াম রাখলে অনেকগুলি সিয়াম (আপনার
কষ্ট হয় এমন) রাখার ‘শাস্তি’ নির্ধারণ করবেন যেন কিছুতেই রুটিন ভাংতে মন না
চায়। প্রথম কাজটি শরীরের জন্য কষ্টকর আর দ্বিতীয়টি নাফসের জন্য।
কিন্তু উভয়টিই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করলে ইবাদাহ-র পাশাপাশি নিজের উপর একটু
কষ্টও চাপিয়ে নেওয়া হল-রুটিন ভংগ করার শাস্তি হিসেবে এটা মেনে নিন!
৯ সব কাজ নিজে না করে অন্যকে কাজ ভাগ করে দিন
________________
সবকাজ নিজে করতে যাবেন না। যে কাজ অন্যকে দিয়ে মনমত করিয়ে
নিতে পারবেন তা উপযুক্ত কাউকে দিয়ে করিয়ে নিন। এতে নিজের উপর
থেকে কাজের চাপ কমে যাবে ও সময়ের পরিমাণ বাড়বে। ধরুন, আপনি
নিজের জন্য একটি ওয়েবসাইট বানাতে চান। এখন আপনি ওয়েবসাইটের কাজ না
জানলেতো বটেই, এমনকি জানলেও নিজে না করে ওয়েবসাইটের কাজ ভাল
পারে এমন কাউকে করে দিতে বলুন, দরকার হলে তাকে পারিশ্রমিক দিয়ে
করিয়ে নিন। আবার ধরুন, আপনার একটি নোটখাতা টাইপ করতে হবে। কোন
দরকার নাই নিজে থেকে টাইপ করার, কম্পোজের দোকান থেকে টাইপ
করিয়ে নিন। একইভাবে, যে কাজ অন্যকে দিয়ে মান বজায় রেখেও করতে
পারবেন তা নিজে করতে যেয়ে অতিরিক্ত চাপ নিবেন না।
:
:
#১০ সব ধরণের Time Waster থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন
________________
হারামতো বটেই, সবধরণের হালাল Time Waster থেকেও দূরে থাকুন। ফালতু
আড্ডা পুরোপুরি ছেড়ে দিন, অপ্রয়োজনীয় কথা, কাজ, মুভি-নাটক-কার্টুন
(অভ্যাস থাকলে) ইত্যাদি দেখার অভ্যাস বাদ দিন। রুটিন ভংগ করে “শুধু আজই একটু
আড্ডা দিই” এমনটা করবেন না। প্রয়োজন না থাকলেও ঘনঘন বাইরে খেতে/
ঘুরতে যাওয়া, খাওয়া নিয়ে রসিক আড্ডা ইত্যাদি বাদ দিন। একজন ইসলামী জ্ঞানের
ছাত্র হিসেবে বন্ধুদের সাথে খাদ্য ও নারী সংক্রান্ত আলোচনা পুরোপুরি বাদ
দিতেই হবেই-এগুলো ফালতু Time Waster ছাড়া কিছুই না। প্রয়োজনের
অতিরিক্ত ঘুম আরেকটি হালাল Time Waster. এটা থেকেও সাবধান থাকুন।
:
:
#১১ শর্টকার্ট শিখুন
________________
অনেক কাজ আছে যেগুলো শর্টকার্ট পদ্ধতিতে করতে পারবেন-এই
শর্টকার্টগুলো শিখে নিন। কোন ইসলামিক/অন্যান্য লেকচার শুনতে হলে
VLC player এ 2X speed এ শুনুন। এতে অর্ধেক সময় বেঁচে যাবে। প্রথম
প্রথম কষ্ট হলেও পরে অভ্যাস হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। রুটিনে কিছু flexible
সময় রাখুন। এতে কোন একটি কাজ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে হলেও
রুটিনের অন্য কাজগুলি ঠিক সময়ে করতে পারবেন। বই পড়ার জন্য internet
থেকে speed reading শিখে নিতে পারেন। লিখার জন্য করে নিতে পারেন
শর্টকার্টে লিখার কোর্স। তবে শর্টকার্ট করতে যেয়ে আবার কাজের মান
যেন কমে না যায় সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে।
# এগুলোর বাইরেও Effective Time management এর জন্য কিছু Extra Tips:
একসাথে একাধিক কাজ কেবলমাত্র তখনই করবেন যখন সেটা beneficial হবে।
যেমন- প্র্যাক্টিকাল খাতা লিখতে লিখতে কিংবা অফিসের ফাইল সাইন করতে
করতে ইয়ারফোনে কোন লেকচার শুনতে পারেন। কিন্তু একাডেমিক স্টাডি
করার সময় কখনই এমনটা করবেন না।
- সর্বদা সৎসঙ্গে থাকুন।
- অন্যের উপদেশ ও সংশোধনী খোলা মনে গ্রহণ করুন।
- ভদ্রভাবে ও বিনয়ের সাথে “না” বলতে শিখুন।
- সর্বদা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
- প্রতিটি কাজে সর্বোচ্চ পরিশ্রম দিন এবং সাধ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভালভাবে
করার চেষ্টা করুন।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
লেখাঃ কবির আনোয়ার (আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
এটা আমার সার্কেল ID -->
3taLoverCai
COM: 7035
CSHOUT: 2306
Bdate: 24-04-99
Gender: M
Name: Abdullah Al Mamun@Noakhali
City: fb-3talovercai niropekkho.pola
গত রমজানে আমার স্মার্টফোন চুরি হয় :-( এরপর R সিম টা উঠায়নি । তাই ID টা এখন Deactive। কেউ Join আছেন?
15/07/2017
জেনে নিন ফেসবুক সম্পর্কে
১৭টি গুরুত্বপূর্ন টিপস!! ;-)
(Like-> হ্যাপী থেকে আমাতুল্লাহ )
(১)আপনি সর্বোচ্চ ৬০০০ গ্রুপের মেম্বার হতে পারবেন।
(২) সর্বোচ্চ ৫০০০ ফ্রেন্ড অ্যাড করতে পারবেন।
(৩) সর্বোচ্চ ৫০০০ পেজ লাইক করতে পারবেন।
(৪) একটি ছবিতে সর্বোচ্চ ৫০ জন ব্যক্তি বা পেজকে ট্যাগ করতে পারবেন।
(৫) সর্বোচ্চ ১৫০ জনকে নিয়ে চ্যাট গ্রুপ তৈরী করতে পারবেন।
(৬) লাইক দেয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন সীমা নেই। তবে প্রতি ৭ মিনিট পরপর একবারে ৪০
টি
করে লাইক দিলে ব্লক হবেন না।সারাদিন
ধরে করা
যাবে।
(৭) ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর
নির্দিষ্ট
কোন সীমা নেই।এটা নির্ভর করে একসেপ্ট
করার পারসেন্টেজের উপর।মনে করেন
আপনি
৫০০ রিকোয়েস্ট পাঠালেন। সেই ৫০০
রিকোয়েস্টই একসেপ্ট করলো।তাহলে কোন
সমস্যা হবে না।আবার ৫০ জনকে
রিকোয়েস্ট
পাঠালেন ৫০ জনই রিজেক্ট করলো। তখন
আপনি
ব্লক হবেন।তবে এটা ১০০% হতে হবে তেমন
নয়।বলা যায় ৮০% হলেই হয়।
(৮) আপনি কোন কিছুতে ব্লক হলে যেমন
লাইক,টিউমেন্ট,মেসেজ, রিকোয়েস্ট
পাঠানো,গ্রুপে ফ্রেন্ড অ্যাড ইত্যাদি
ক্ষেত্রে।
সেই ব্লকের মেয়াদ কতদিন বাকি আছে
জানতে
Setting > বামে নিচে support inbox এ ক্লিক
করুন।
(৯) কাউকে ক্লোজফ্রেন্ড লিস্টে রাখতে
মোবাইল থেকে timeline > একেবারে
নীচে see friend list > close friend বক্সে
টিক দিয়ে done করুন।
(১০) একটি আইডি থেকে আপনি
আনলিমিটেড
পেজ role/manage করতে পারবেন।
(১১) 60 দিনের আগে নাম চেন্জ করতে
Setting> General > Name edit > নীচের দিকে
নীল
রঙের Learn more > আবারও নীচে learn
more > let us know > যে নাম দিতে চান
বক্সে
লিখুন। 1st এবং last name অবশ্যই লিখতে
হবে।
middle name না লিখলেও হবে > Reason for
this change > Legal Name Change >Choose এ
ক্লিক করে যেকোনো একটি ফটো
আপলোড করে send করে দিন।৭২ঘন্টার
ভিতর নাম
চেঞ্জের অপশন আসবে।তখন চেন্জ করতে
পারবেন।
(১২) মোবাইল থেকে পেজের অ্যাডমিন
করতে
প্রথমে page এ যান > ডানে more > edit
setting
> page roles > add person to page > বক্সে
নাম সার্চ করে সিলেক্ট করুন > set as admin
>
ফেসবুক পাসওয়ার্ড দিয়ে continue >
অপশনগুলো
থেকে যেটা করতে চান সিলেক্ট করে add এ
ক্লিক করুন।
(১৩) পিসি থেকে auto video play অফ করতে
settings & privacy > বাম পাশে নীচে Videos >
auto play videos > default করা আছে off করে
দিন। এটা মোবাইলে ব্রাউজারে ডেক্সটপ
ভিউ
দিয়েও করা যায়।
(১৪) আপনার মৃত্যুর পর Real ID বাঁচিয়ে
রাখতে
উত্তরাধিকার সূত্রে কাউকে উইল করতে
settings
> security > নীচে legacy contact > নাম সার্চ
করে সিলেক্ট করে দিন।
(১৫) পিসিতে একবারে ১০ টি করে ট্যাগ
রিমুভ
করতে timeline > view activity log > বামে
নিচে photos > photos of you > টিক দিয়ে ১০
টি
ট্যাগ সিলেক্ট করুন।ডানে উপরে লক্ষ্য করুন
report/remove tags > I want the photos
untagged > Untag photos এ ক্লিক। এটা
মোবাইলে ব্রাউজারে ডেক্সটপ ভিউ
দিয়েও করা
যায়।
(১৬) অন্য কারো পিসি বা মোবাইল থেকে
আপনার
আইডিতে লগইন করলেন।কিন্তু লগআউট
করতে
ভুলে গেলেন!এক্ষেত্রেঅন্যকেউ আপনার
আইডিতে ঢুকে ঝামেলা করতে পারে।
করণীয়
হলো Settings > security > active sessions >
last accessed এর বক্সে টিক দিয়ে remove
selected করে দিন।লগ আউট হয়ে যাবে।
(১৭) যে সেটিংগুলো করতে ডেক্সটপ
প্রয়োজন সেগুলো মোবাইলে Mozilla,
Chrome ব্রাউজার ইনস্টল দিয়ে request
desktop
site অপশন সিলেক্ট করে করা যায়।
- -
ভালো লাগলে Share করে আপনার বন্ধুদের জানান।
আমাদের পেজে (Y) দিন ।
এ পেজেও Like দিন --> হ্যাপী থেকে আমাতুল্লাহ
1953176064972180
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Chittagong
3820