LaaZ

LaaZ

Share

01/09/2025

সবার চাচা জমি মেরে দেয়, কিন্তু
কারো বাবা জমি মেরে দেয় না.! 😏

যে চাচা আপনার কাছে সাক্ষাৎ শয়তান, তিনি কার বাবা? এই একটি প্রশ্নই সমাজের গভীরে লুকিয়ে থাকা এক বীভৎস সত্যের মুখে আমাদের দাঁড় করিয়ে দেয়। একই মানুষ দুটো ভিন্ন পরিচয়ে বেঁচে থাকে—একদিকে সন্তানের চোখে তিনি দেবতা, যিনি তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সবকিছু করতে পারেন; অন্যদিকে ভাইপো বা ভাইঝির কাছে তিনি রক্তখেকো দানব, যিনি তাদের ন্যায্য অধিকার নির্লজ্জভাবে কেড়ে নেন।

আসলেই তো, "সবার চাচাই জমি মেরে দেয়, কিন্তু কারো বাবা দেয় না।" কী অদ্ভুত এক আত্মপ্রবঞ্চনা! যে মানুষটি ভাইয়ের এতিম সন্তানদের সম্পত্তি গ্রাস করে নিজের সন্তানের জন্য প্রাসাদ গড়েন, সেই সন্তানের কাছে তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। তার কাছে বাবার এই অন্যায় কোনো অপরাধ নয়, বরং পরিবারের প্রতি 'কর্তব্য'। রক্তের সম্পর্ক এখানে পচে গলে স্বার্থের দুর্গন্ধে একাকার হয়ে যায়। যে দীর্ঘশ্বাস আর অভিশাপ এতিমের বুক চিরে বের হয়, তা কি সেই বাবার গড়া প্রাসাদের ভিত নাড়িয়ে দেয় না?

এবার নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন, যা আপনার হৃদয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিতে বাধ্য:

১. আপনার পরম শ্রদ্ধেয় বাবা কি আড়ালে কারো সেই 'জমি মেরে দেওয়া' চাচা নয় তো?
২. নিজের সন্তানের জন্য অন্যের হক কেড়ে নেওয়া কি পিতৃত্বের মহিমা, নাকি মানবতার চূড়ান্ত অপমান?
৩. যে সম্পত্তিতে অন্যের বুকচেরা হাহাকার আর অভিশাপ মিশে আছে, সেই সম্পত্তি ভোগ করে আপনি বা আপনার সন্তান কি আদৌ জীবনে শান্তি পাবে?

উত্তরটা নিজের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, যদি সেই বিবেক এখনো বেঁচে থাকে। কারণ প্রতিটি 'ভিলেন' চাচার পেছনে একজন 'হিরো' বাবার মুখোশ লুকানো থাকে।

সংগ্রহ করা

23/07/2025

সুবহানাল্লাহ! একবার দেখুন!

এই ছবিটি কোনো শিল্পীর আঁকা জটিল শিল্পকর্ম নয়। এটি মহান আল্লাহতায়ালার এক অবিশ্বাস্য সৃষ্টি—আমাদের নিজেদের মেরুদণ্ডের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা স্নায়ু জালের এক বাস্তব চিত্র।

একবার গভীরভাবে চিন্তা করুন, আমাদের সৃষ্টিকর্তা কতটা নিখুঁতভাবে আমাদের তৈরি করেছেন! আমাদের মেরুদণ্ড থেকে মোট ৩১ জোড়া স্নায়ু বের হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে—একদম নির্ভুল গণনায়। ঘাড় থেকে কোমর হয়ে একেবারে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত প্রতিটি স্নায়ু তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব পেয়ে ছড়িয়ে আছে।

এদের কাজ আমাদের কল্পনার চেয়েও বিশাল। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রিয়জনের মুখের দিকে তাকানো, মায়ের হাতের স্পর্শ অনুভব করা, এমনকি আমাদের হৃদয়ের যে স্পন্দন—তার সবই এই স্নায়ুগুলোর মাধ্যমে মহান রবের ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, তখনও এই নেয়ামতগুলো আমাদের শরীরকে সচল রাখে।

আমরা কতই না গাফেল! সামান্য ব্যথা পেলেই অস্থির হয়ে যাই, কিন্তু যে মহান সত্তা এই জটিল ব্যবস্থা দিয়ে আমাদের আগলে রেখেছেন, তাঁর শুকরিয়া কি আমরা আদায় করি?

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন,
“আর তোমাদের নিজেদের মধ্যেও (আমার নিদর্শন) রয়েছে, তোমরা কি দেখো না?”
(সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ২১)

এই ছবিটি সেই আয়াতের এক জীবন্ত উদাহরণ। আমাদের শরীর আল্লাহর অস্তিত্বের এক অকাট্য প্রমাণ, এক জীবন্ত মোজেজা। প্রতিটি মুহূর্তের জন্য, প্রতিটি সুস্থতার জন্য—আলহামদুলিল্লাহ!

Written By: AH Abubakkar Siddique

15/01/2025

বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।
যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।
এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।
কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।
এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Chittagong