Health Ware
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
03/09/2022
লালশাক কেন খাবেন? ১১টি উপকারিতা জেনে নিন
রঙিন শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ থাকে। তেমনই আছে লালশাকেও। সাধারণ ভাবে মা-ঠাকুমাদের কাছেই শোনা যায় একটি বড়ো গুণের কথা, তা হল লালশাক খেলে গায়ে রক্ত হয়। কথাটা মোটেই ভুল নয়। কারণ লালশাকে আছে প্রচুর আয়রন। দেখে নেওয়া যাক এর মধ্যে আর কী কী গুণাগুণ আছে। এটি খেলেই বা কী কী উপকার পাওয়া যায়।
প্রতি ১০০ গ্রাম লাল শাকে আছে
প্রোটিন ৫.৩৪ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৭৪ মিলিগ্রাম, স্নেহপদার্থ ০.১৪ মিলিগ্রাম, শর্করা ৪৯৬ মিলিগ্রাম, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, আঁশ জাতীয় উপাদান, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, নানান ভিটামিন – ভিটামিন এ, ভিটামিন বি২, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ক্যারোটিন, আয়রন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ।
প্রতি ১০০ গ্রাম লাল শাকে আছে
প্রোটিন ৫.৩৪ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৭৪ মিলিগ্রাম, স্নেহপদার্থ ০.১৪ মিলিগ্রাম, শর্করা ৪৯৬ মিলিগ্রাম, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, আঁশ জাতীয় উপাদান, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, নানান ভিটামিন – ভিটামিন এ, ভিটামিন বি২, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ক্যারোটিন, আয়রন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ।উপকারিতা
১। রক্তশূন্যতায় –
অনেকেই অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা বা রক্তশূন্যতায় ভোগেন। কারণ আয়রনের ঘাটতি। সে ক্ষেত্রে লালশাক খেলে শরীরে রক্ত তৈরি হয়। কারণ এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। ফলে লালশাক শরীরে লোহিত রক্ত কণিকা বা হিমোগ্লোবিন বাড়ায়।
২। মধুমেহ রোগে
এর পুষ্টিগুণ মধুমেহ রোগ বা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৩। দাঁত ও হাড়ে
অন্য শাকের তুলনায় লালশাকে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেশি। শরীরের জন্য যেমন দাঁত এবং হাঁড় গঠনে ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম অত্যন্ত দরকারি উপাদান। দাঁতের সুস্থতা বৃদ্ধিতে, হাঁড় শক্ত করতে সাহায্য করে।
৪। মায়েদের জন্য
গর্ভবতী মা এবং প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রে লালশাক খুবই ভালো। কারণ এর ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য উপাদান মায়ের শরীর সুস্থ রাখে ও গর্ভজাত ও সদ্যোজাত শিশুর দৈনিক পুষ্টি ও ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে ও তাদের শরীর গঠন করে।৫। দৃষ্টির জন্য
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি থাকে লালশাকে। চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে ও ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন এ রেটিনার কার্যক্ষমতা বাড়ায়। র
31/08/2022
জেনে নিন আম খাওয়ার ১২টি উপকারক্যান্সার যোদ্ধা
কোয়েরসেটিন, ফাইসেটিন, আইসোকোয়েরসেটিন, অ্যাস্ট্রাগ্যালিন, গ্যালিক অ্যাসিড ও মিথাইল গ্যালেট নামের কঠিন নামওয়ালা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো আছে আমে। স্তন ক্যান্সার থেকে শুরু করে কোলন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এগুলো বেশ কাজের।
কোলেস্টেরল ঠিকঠাক
উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, ফাইবার ও প্যাকটিন থাকায় রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা রাখে রসালো আম।
ত্বকের জন্য
ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে আম। বিশেষ করে ত্বকের ফুসকুড়ি দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এটি।
অ্যালকালাইন লেভেল
আমে আছে টারটারিক অ্যাসিড ও ম্যালিক অ্যাসিড। আছে সাইট্রিক অ্যাসিডও। শরীরের অ্যালকালি নামের রাসায়নিকের ভারসাম্য ঠিক রাখে এটি।
ওজন কমাতে
আমে এতো এতো ভিটামিন আছে যে একটা আম খেলেই কিন্ত শরীরে রোজকার ভিটামিনের চাহিদা মিটে যাওয়ার কথা। আবার এতে ফাইবারও যোগাবে পুষ্টি ও শক্তি। তাই এই মৌসুমে যারা ওজন কমানোর কথা ভাবছেন তারা বার্গার, কোল্ড ড্রিংকস বা সাব-স্যান্ডউইচের বিকল্প খাবার হিসেবে বেছে নিন আম।
লাভ ফ্রুট
ইংরেজিতে কঠিন একটা শব্দ আছে- আফ্রোডিজিয়াক। এর বাংলা হতে পারে এমন, যাহা খাইলে মনে ভালোবাসার উদ্রেক হয়। আম কিন্তু এমনই একটা ফল। সুতরাং মৌসুম থাকতেই প্রিয়জনকে বেশি বেশি আম উপহার দিন।
চোখের জন্য
এটা তো ছোটবেলা থেকেই পড়ে এসেছেন। আমের ভিটামিন এ আমাদের রাতকানা থেকে বাঁচাবে। যদিও এ রোগ এখন নেই বললেই চলে তবে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি বেশি আম খেলে ক্ষতি নেই। বিশেষ করে ড্রাই আই সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা আম খেয়ে উপকার পেতে পারেন।
হজমের জন্য
স্বাস্থ্য যদি সুখের মূলে থাকে, তবে স্বাস্থ্যের মূলে আছে হজম। আমে থাকা এনজাইমগুলো প্রোটিন উপাদানগুলোকে সহজে ভেঙে ফেলতে পারে। এতে খাবার হজম হয় দ্রুত, বাঁচা যায় পাকস্থলী সংক্রান্ত অনেক রোগ থেকেও।
হিট স্ট্রোক ঠেকাবে
এই গরমের হিট স্ট্রোক সাধারণ ঘটনা। আম আমাদের ভেতরটা শীতল রাখে ও শরীরকে অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলোকে বাঁচায়।রোগ-প্রতিরোধ
এই করোনাকালে আমে থাকা ক্যারোটেনয়েড বাড়িয়ে দেবে আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। সহযোদ্ধা হিসেবে ভিটামিন সি তো আছেই।
মনযোগ ও স্মৃতির জন্য
কোনও কিছুর প্রতি মনযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হলে উপকার করবে আম। মেমোরি বুস্টার হিসেবেও কাজ করে ফলটি।
বডি স্ক্রাব
ত্বককেও খাওয়াতে পারেন আমের নির্যাস। বডি স্ক্রাব হিসেবে পাকা আম বেশ ভালো কাজ করে। পেস্ট তৈরি করে তাকে একটুখানি মধু আর দুধ মিশিয়ে নিন। আলতো করে মাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
কতোটা খাবেন?
এতো এতো উপকারের কথা শুনে গপাগপ গিলতে যাবেন না। এক কাপ আমে আছে ১০০ ক্যালোরি। আর এর ৯০ ভাগই আসে আমে থাকা চিনি থেকে। সুতরাং ডায়াবেটিস রোগীরা আম খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদের দেওয়া চার্টটা দেখে নিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দিনে একটি পাকা আমের অর্ধেকটা খাওয়ারই পরামর্শ দেওয়া হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
4000