Colour & Fiesta
03/12/2025
🍁 চট্টগ্রাম থেকে শুটকি মাছ কিনে ঢাকায় নিউ মার্কেট ঠাঠারী বাজারসহ বড় বড় বাজারে সাপ্লাই দেই।
ব্যাবসা খুব ভালোই চলছিলো।
একদিন আমার সাপ্লাইর জিনিষ ট্রাকে উঠিয়ে দিয়ে আমি
চট্টগ্রাম ট্রেন স্ট্যাশনে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের জন্য অপেক্ষা
করছিলাম। হঠাৎ একটি ছেলে এসে
বললোঃ স্যার, আপনার জুতা পলিশ করে দেবো?
ছেলেটির চেহারা আর কথার উচ্চারনের সাথে বুট পালিশ
মানায় না।
আমিঃ না, আমি জুতা পলিশ করাবো না।
ছেলেঃ স্যার, জুতা পলিশ করান প্লিজ। আমার খুব উপকার
হবে। প্লিজ স্যর।
কড়া ভাষায় আমিঃ তুমি এখান থেকে যাবে।
ছেলেটি দু হাত জোড় করে মাফ চেয়ে বললোঃ দুঃক্ষিত স্যার,
আমায় ক্ষমা করবেন।
কোনদিন কারও সাথে এভাবে কর্কষভাবে কথা বলি নাই।
ছেলেটি এতো সুন্দর করে ক্ষমা চেয়েছিলো, শিক্ষানীয়।
বেঞ্চ থেকে উঠে ছেলেটিকে খোজ করতেই দেখি,
প্ল্যাটফর্মে পা ঝুলিয়ে বসে আছে।
ছেলেটির পিঠে হাত রাখতেই। ছেলেটি চমকিয়ে উঠে
বললোঃ স্যার?
আমিঃ আমি জুতা পলিশ করাবো।
তোর পলিশের ডাব্বায় কোথায়? চকচকা হাওয়া চাই কিন্তু।
ছেলেঃ স্যার, কষ্ট করে আমাদের স্ট্যান্ডে যেতে হবে।
ছেলেটি পলিশ করতে গিয়ে আর পারছে না। পাশের ছেলেটি
বললোঃ তুই সড়, স্যারের জুতা আমি পলিশ কইরা দেই।
খুব সুন্দর এবং চকাচকা করে পলিশ করে দিলো।
আমিঃ কত দেবো?
এক্সপার্ট ছেলেঃ স্যার, আমাগো রেট দশ ট্যাকা।
আমি ওয়ালেট থেকে কুড়ি টাকার নোট বের করে এক্সপার্ট
ছেলেটির হাতে দিয়ে বললামঃ তোর কাজে আমি খুব সন্তুষ্ট।
দশ টাকা বাকীটা তোর বকশিস।
আনাড়ী ছেলেটির দিকে তাকিয়ে বললামঃ তুইতো কাজই
জানোস না।
এক্সপার্ট ছেলেটি বললোঃ স্যার, ওরে কিছু কইয়েন না। তিন
দিন হইছে এই কামে আইছে।
বলেই কুড়ি টাকা ঐ ছেলেটিকে দিয়ে দিলো। ছেলেটি টাকা
নিয়েই দৌড় দিলো।
আমিঃ টাকাটা ওকে দিলে কেনো?
এক্সপার্টঃ স্যার, এই ট্যাকা দিয়া বইনের দুধ কিনবো।
আমিঃ দুধ কিনবে মানে?
এক্সপার্টঃ স্যার, পোলাটার বাপে স্ট্যাশনে অটো চালাইতো।
দুই সপ্তাহ আগে এক্সিডেন্টে মারা যায়। মানুষটা খুব ভালা আছিল।
পোলাটা কেলাস থ্রিতে পড়তো। ফাস্ট বয়। ব্রেইন খুব ভালা।
আমিঃ ওর মা?
এক্সপার্টঃ গত বছর উইর বোনঠা হাওনের সময় মা মইরা গেছে।
আমাগো সমিতি থেইক্কা পেত্তেক মাসে একজন পলিশওয়ালা
ওরে সাহায্য করবো। আইজ আমার দিন আছিল।
আমি বেঞ্চে বসে ভাবছিলাম, মানুষ মানুষের জন্য, সাবাস বুট
পলিশ সমিতি। মানুষকে বাহির থেকে চেনা যায় না।
এতো সুন্দর ছেলে। তার ভদ্রতা হৃদয় গেঁথে যায়।
আমিতো এই ভাই বোনকে দত্তক হিসাবে নিতে পারি।
আমাদের বিবাহীত জীবন প্রায় তেরো বছর। বিয়ের চার বছরের
মাথায় স্ত্রীর ক্যান্সারে আক্রান্তের কারনে Uterus সম্পূর্ণ ফেলে
দেয়। স্ত্রী অনেক অনুরোধ করে আমার দ্বিতীয় বিয়ের জন্য।
আমি আমার স্ত্রী ছাড়া কাউকে ভালোবাসতে পারবো না।
ভাবতে না ভাবতে ছেলেটি প্ল্যাটফর্মে এসে কাস্টমারদেরকে
জুতা পলিশের জন্য অনুরোধ করচ্ছে।
আমি ছেলেটিকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলামঃ বাবা, তোমার নাম কি?
তোমার বয়স কত?
ছেলেঃ স্যার, শোয়েব আকতার। দশ বছর।
আমিঃ তুমি আমার সাথে ঢাকায় যাবে?
ছেলেঃ কি কাজ করতে হবে?
ছেলেটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললামঃ তোমার একটাই কাজ,
পড়াশুনা করবা। শুধু পড়শুনা।
শোয়েবঃ স্যার, আমার পড়তে খুব ভালো লাগে, কিন্তু কিভাবে
যাবো? আমার ১১ মাসের বোন আছে। দিনে বেলা বস্তীতে
এক খালা দেখা শুনা করে আর রাতে আমি।
ছোট্ট ছেলেটির কাধে কত বড় দায়িত্ব। মনের অজান্তে চোখে পানি
চলে এলো।
আমিঃ বাবা, তোমাদের দুজনকেই নিয়ে যাবো। আমি তোমার বাবার
মত হতে পারবো না। কিন্তু তোমাদের দুজনকে পড়াতে পারবো।
আল্লাহ পাক আমাকে এই তৌফিক দিয়েছেন। আলহামদুলীল্লাহ।
ঐ দিন আর ঢাকায় গেলাম না। বুট পলিস সমিতির নেতাকে
বিস্তারিত বললাম।
নেতা আমার পা ছুয়ে বললোঃ স্যার, এই পোলাঠা একটা হীরার টুকরা।
পোলাটা বাপের মত ভালা মানুষ। আল্লা আপনের ভালা করবো।
পরের দিন মহান আল্লাহ পাকের দেওয়া আমার সন্তান দুটোকে নিয়ে
আমার স্ত্রী অর্থাৎ ওদের মায়ের কোলে তুলে দিলাম।
আমার স্ত্রীর আনন্দ কান্না দেখে আমরা দুজনই অনেক কেদেছি।
সন্তান দুটো ঘরে আসার পর থেকে আল্লার কৃপায় একটার পর একটা ব্যাবসা বাড়তে লাগলো। আর ডায়েরী লেখে সময় নষ্ট করবো না।
সময় শুধু ব্যাবসা আর স্ত্রী/ সন্তান দুটোর জন্য নির্ধারণ করা।
৩৫ বছর পর সেই লাল ডায়েরীটি হাতে নিয়ে পড়ছিলাম।
ছেলে আমার কোলাম্বিয়া থেকে পিএইচডি করে। শিল্প কারখানা
দেখাশুনা করে। ছেলেটি আমার, আল্লার মর্জি আমার বাবার
মত অসম্ভব সৎ এবং দয়ালু এবং ধার্মিক। আর মেয়েটি ব্যারিস্টার।
বুড়োবুড়ি দুজন একমাত্র ছেলের বাসায় থাকি। মা পাগলা ছেলে
আমার, বড় হয়েছে ঠিকই কিন্তু রাতে তার মায়ের হাতের লুকমা
খেতে চাই। ছোটবেলার অভ্যাস।
কর্ম দিনে, মেয়ে, তার একমাত্র কন্যাকে ওর মায়ের কাছে রেখে
জামাইসহ কোর্টে চলে যায়। বেবী সিটিং করতে করতে হাতে
সময়ই পাই না। ওদের মায়ের নির্দেশ তোরা যেখানে থাকিস
রাতে আমরা এক সাথে ডিনার করবো।
ছুটি ছাটা পেলে পুরো পরিবার ঘুড়তে ফিরতে চলে যাই।
ছোটবেলায় বাবা বলতেনঃ কারও জন্য কিছু করলে আল্লাহ পাক
তার বিনিময় অনেক হাজার গুন দান করেন।
.©
07/11/2025
যে পুরুষ জীবনে যত সাকসেসফুল সে তার জীবনসঙ্গিনীরকে তত বেশি admire করে।(৯৯% men)। একদম Pookie Man💗। তারা ঠিকই সময় বের করে,ওয়াইফকে প্যাম্পারিং করে,ওয়াইফের কখন কি দরকার খোঁজ নেয়,সংসারের কাজেও কন্ট্রিবিউশান করে এত ব্যস্ততার পরেও।
কারণ কি জানেন? সাকসেস কখনও একার প্রচেষ্টায় আসে না।আপনি মানেন বা না মানেন সাকসেসফুল হতে হলে আপনার আশেপাশের পরিবেশ কেমন,মানুষগুলো কেমন সাপোর্টিভ সেটার উপর অনেক কিছু ডিপেন্ড করে। আপনি আপনার পার্টনারকে যত ভালবাসবেন খারাপ সময়ে সে আপনার জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।
Some unsuccessful men এর মেন্টালিটি এত ছোট যে তারা তাদের ফ্রাস্টেশন সবসময় পার্টনারের উপর দিয়ে Sigma male সেজে চালায় দিতে চায়। তাদের কাছে ফুল দেয়া বার্ডেন,ডেটে যাওয়া ওয়েস্ট,এমনকি পার্টনারকে দুইটা সুন্দর কথা বলতেও এদের মাড়ি ব্যথা করে। এমন মানুষ তার ব্যর্থতার জন্য সবাইকে দায়ী করে।
Zohran Mamdani ইলেকশনে জিতলো। স্টেজে দেখলাম সে আগে তার বউকে সবার আগে চুমু দিলো। সবার সামনে ভালবাসা প্রকাশ করল। এই কাজ তার না করলেও হতো। কিন্তু সে বুঝালো
She matters. That’s all.
That’s what every woman wants. তারা শুধু পাশে থাকতে চায় either you are already successful or trying to be successful.
Rule no 1: Always trust a Man with cool wife.💕
collected
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Chittagong