RiMu
৩৮ ডিগ্রি গড় তাপমাত্রার রুম থেকে বেরিয়ে মা'কে রান্নায় হেল্প করতে ঢুকলাম রান্না ঘরে,মাত্র ১০ মিনিট টিকতে পারিনি,নরমাল তাপ এবং চুলার তাপ মিলে কমপক্ষে ৪৮ - ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে!'অথচ মা বিগত ১.৫ ঘণ্টা ধরে রান্না করে যাচ্ছে তাঁর কোনো Complain নেই!'🙂
নারীদের সম্মান করুন ❤️
জীবন হইলো জুয়ার আসর
টাকা থাকলে খেলবা🙃
আর টাকা না থাকলে তুমি
দর্শক হয়ে দেখবা😅
যার আপন ঠিকানায় সুখ নাই,
তার জন্য হয়তো মহাবিশ্বের সব জাগায়তেই দুঃখ বরাদ্দ 🤍
ধরতে না পারা আর ছাড়তে না পারার মাঝখানে পইড়া গেলে, মানুষ ধরা-ছাড়ার হিসেব বাদ দিয়া নিজেরেই ভাসাইয়া দেয় মহা শূন্যতায়!🤎
জোর করে, ছ্যাচড়ামি করে, কারো পিছে বেহায়া কু’কুরে’র মতো ছুটলেই ভালোবাসা পাওয়া যায়না, যদি কিছু পাওয়া যায় সেটা, সাময়িক ক’রুনা আর দ’য়া।
আমি তার মেসেজের অপেক্ষায় থাকতাম, ইগ্নোর করতো। পাত্তা কম দিত, অবহেলা করতো, আমি চোখ বন্ধ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলতাম "আল্লাহ উনাকে ভুলে যাবার ক্ষমতা আমাকে দাও" আজ আমি ভুলতে পেরেছি, তার শত শত মেসেজ এখন ইগ্নোর করলে আমার কিছু মনে হয় না। মনে হয় আমি ভুল করে ভুল মানুষকে ভালোবেসে ছিলাম।
অতএব, মানুষ বদলায় না। কিছু কথা,কিছু ব্যা'থা, আ-ঘাত, অবহেলা মানুষকে বদলাতে বাধ্য করে। ঘুরেফিরে মানুষ একটা সময় নিজেকেই ভালোবাসে!🤎
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) যে দুআগুলো অস্থিরতার সময় পড়তেন।
অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপের সময় রাসুলুল্লাহ (ﷺ) অত্যন্ত কার্যকর কিছু দুআ পড়তেন এবং সাহাবীদের শিখিয়ে দিতেন।
অস্থিরতা দূর করে মনে প্রশান্তি আনার জন্য নিচে কয়েকটি শক্তিশালী দুআ দেওয়া হলো:
১. দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তির দুআ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এই দুআটি পড়ার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। তিনি প্রায়ই বলতেন:
"আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়াল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দ্বালা’ইদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।"
(অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ-কষ্ট থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে এবং ঋণের বোঝা ও মানুষের প্রবল চাপ থেকে।)
২. বিপদ ও অস্থিরতার সময় বিশেষ দুআ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) যখন কোনো কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতেন বা অস্থিরবোধ করতেন, তখন এই দুআটি পড়তেন:
"ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যূমু বিরাহমাতিকা আস্তাগীস।"
(অর্থ: হে চিরঞ্জীব, হে বিশ্বচরাচরের ধারক! আপনার রহমতের উসিলায় আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি।)
৩. অন্তরকে স্থির রাখার দুআ
মানুষের অন্তর সবসময় পরিবর্তনশীল। মনকে আল্লাহর অনুগত ও স্থির রাখার জন্য তিনি এই দুআটি বেশি পড়তেন:
"ইয়া মুকাল্লিবাল কুলূবি সাব্বিত কালবী ‘আলা দীনিকা।"
(অর্থ: হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে আপনার দীনের ওপর অবিচল রাখুন।)
৪. কোনো উপায় খুঁজে না পেলে
যখন কোনো কিছু নিয়ে অনেক বেশি দুশ্চিন্তা কাজ করত, তখন তিনি এই শব্দগুলো বলতেন যা ঈমানকে দৃঢ় করে:
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল।"
(অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ কর্মবিধায়ক।)
৫. দুঃখ-কষ্ট লাঘবের দুআ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কোনো মুসলিম যদি দুঃখ বা অস্থিরতার সময় এই দুআটি পড়ে, তবে আল্লাহ তার দুশ্চিন্তা দূর করে দেন:
"আল্লাহু আল্লাহু রাব্বী, লা উশরিকা বিহি শাইআ।"
(অর্থ: আল্লাহ, আল্লাহ-ই আমার প্রতিপালক। আমি তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরিক করি না।)
_°^যার চোখের মায়ায় পড়েছেন তার নামের প্রথম অক্ষর কি..!!😅🌸
মহাবিশ্বে এতো এতো জায়গা থাকতেও ওই বোকা কিশোর! দুঃ-খ রাখার উপযুক্ত স্থান হিসেবে নির্বাচন করলো আমার হৃ-দয়!!😊💔
natural 🏞️
Click here to claim your Sponsored Listing.