Radio Bhola
MNP এটা কি?
⭕ সুবিধা :- MNP ২০১৮ সালে BTRC চালু করে। অনেক অপারেটর কল-রেট বেশি বা জিবির দাম বেশি। চাচ্ছে এমন একটা অপারেটর Use করতে যাতে তাদের খরচ তুলনামূলক কম হয়। দিন শেষে সাশ্রয় হয় সীমে।
কিন্তু নাম্বার পুরাতন হওয়ায় সীম বাদ দিতে ও পারছেন না বা অনেক মোবাইলে ২টা সীম Use এর অপশন নাই তাই পছন্দের অপারেটর Use করতে পারছে না তাদের জন্যই মূলত MNP সেবা।
⭕ সুবিধা :- MNP মানে নাম্বার ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন করা। ধরুন আপনার জিপি সীম ০১৭১১০১৬৩৫৯ নাম্বার MNP করে টেলিটক আসবেন তাহলে আপনার নাম্বার সেইম থাকবে ০১৭১১০১৬৩৫৯ শুধু অপারেটর পরিবর্তন হয়ে টেলিটক হয়ে যাবে। সুন্দর না বিষয়টা?
এতে আপনি আপনার পছন্দের অপারেটর Use পরতে পারবেন নাম্বার ঠিক রেখে।
⭕ এখন দেখা যাক কোন অপারেটর MNP কত টাকা চার্জ করে :-
1/Gramenphone MNP করতে ২৫৫ টাকা লাগবে।
2/ Robi & Airtel MNP 310 টাকা।
৩/ বাংলালিংক MNP ২০০ টাকা।
৪/ টেলিটক MNP Free.টাকা লাগে না।
⭕MNP আপনাকে নিদিষ্ট অপারেটর কাষ্টমার কেয়ার গিয়ে করতে হবে। রাস্তার পাশে যে ছাতায় সীম সেল করে তাদের থেকেও MNP করতে পারবেন টাকা কম লাগে ৫০/৭০/৮০ এমন টাকা নেয়। কারন তাদের টার্গেট থাকে তাই কম দামে করে দেয়। তবে সবাই না অনেক রিটেলার কোম্পানি দাম রাখে।
⭕ MNP করতে কি লাগে?
আপনার যে সীম MNP করবেন সেটা+ NId card + Fingerprint. আর সীমে সকল বকেয়া পরিশোধ থাকতে হবে। সীমে ব্যালন্স ০ থাকতে হয়।
বিকাশ,নগদ, রকেট এগুলা ঠিক থাকবে সমস্যা হয় না। ২৪ ঘন্টার মাঝে ঠিক হয়ে যাবে সেট হতে।
⭕ অসুবিধা : MNP করলে কয়েকটা সমস্যা Face করতে পারেন।
যে অপারেটর MNP করবেন নাম্বার জিপি হলে ও MNP Teletalk করলে Teletalk এ রিচাজ করতে হবে এটা মাথায় রাখবেন।
✅ এ সমস্যা অনেকে হয় অনেকের হয় না। তবে টেলিটক MNP এ OTP releted সমস্যা হয় না। নেটওয়ার্ক সমস্যা হলে ভিন্ন হিসাব! ( User Experience থেকে বল্লাম) টেলিটক 2G/3G/4G নেটওয়ার্ক আপনার এরিয়াতে থাকলে টেলিটক MNP করতে পারেন। MNP Teletalk free.. টেলিটক কম দামে Lowest Call rate & জিবি দাম কম পাবেন অন্য অপারেটর থেকে। এটার জন্য টেলিটকে ভালো লাগে।
⭕ Teletalk নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে ১২১/০১৫০০১২১১২১ এ কল দিয়ে অভিযোগ দিবেন তারপর BTRC ১০০ তে কল দিয়ে অভিযোগ দিলে সমস্যা তাড়াতাড়ি সমাধান হয়।
⭕ এজন্য সব কিছু হিসাব করে MNP করবেন। তবে আগের থেকে সমস্যা গুলা কমছে। সো পছন্দের অপারেটর যেতে MNP বিকল্প নাই। যদি আপনার পুরাতন নাম্বার হয় যেটা বাদ দেওয়া সম্ভব না হয় বা আপনার মোবাইল সীম ২টা Use করার অপশন না থাকলে MNP আপনার জন্য।
আশা করছি আপনারা বুজতে পারছেন এ টপিক MNP নিয়ে। আমার কোথায় ভুল হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
অন্য অপারেটর থেকে টেলিটকে MNP করে আসলে স্বাগতম প্যাকেজ পাওয়া যায়।
MNP টেলিটকে একদম ফ্রি।
সতর্ক থাকুন ভোলা বাসী... ভোলায় রাসেল ভাইপারের উপদ্রব শুরু হয়েছে জেলার বিভিন্ন স্থানে
05/04/2024
ডিজিটাল মিটারের আওতায় এসেছে সেহেতু জেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ
প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।
কারণঃ
১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।
২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)
৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার)
৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।
৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা। (প্রতি মাসে একবার)
বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।
স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।
২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।
৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।
৪। মিটার টি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।
৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।
802: বর্তমান তারিখ দেখা।
803: বর্তমান সময় দেখা।
804 : মিটারের সিরিয়াল নাম্বার।
806 : রিলে সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণ
807 : মিটারের অবস্থা দেখা।
808 : বর্তমান সংযুক্ত লোড
809 : ট্যারিপের সূচক দেখা।
811 ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সচল (Activate) করতে
812 : সংকেত (Alarm) বন্ধ করা.
813 : কত দিনের বিদ্যুতের ব্যবহার
814 : বর্তমান মাসের বিদ্যুত ব্যবহারের পরিমান
815 : সর্বশেষ রিচার্জের তারিখ
816 : সর্বশেষ রিচার্জের সময়
817 : সর্বশেষ রিচার্জের পরিমাণ
819 : বিদ্যুত বন্ধের সময়
পোস্টটি প্রয়োজনীয় হলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারেন।
04/04/2024
বাবা তোমারে ছাড়া জেলের মধ্যে আমি
কেমনে থাকমু একলা?
টঙ্গী থেকে নূরুল ইসলাম, ৩ মার্চ, ২০২৪
কোলেপিঠে আদর যত্নে তিল তিল করে গড়ে তোলা ২৫ বছর বয়সের বুকের ধন ছেলে কাউসার বাগমারকে বাবা হয়ে নিজ হাতে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করবেন
এমন চিন্তা কখনো করেননি বাবা রশিদ বাগমার।
বাস্তবে এমন ঘটনাটি ঘটেছে আজ গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার জামালপুর গ্রামে।
লেখাপড়া শেষে দেশে কোন চাকরিবাকরি না পেয়ে সৌদি পাড়ি জমায় কাউসার বাগমার। চাকরির মেয়াদ শেষে বছর খানেক আগে দেশে ফিরে আাসে কাউসার।
দেশে এসে শুরু হয় বেকার জীবন যাপন। এক পর্যায়ে মাদকসেবিদের পাল্লায় পড়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে কাউসার। বেকার জীবনে মাদকের টাকা জোগাড় করতে না পেরে মা বাবার শরণাপন্ন হয় কাউসার।
মাদক সেবনের কাংখিত পরিমান টাকা চেয়ে না পেয়ে মা বাবার সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি করতো কাউসার।
মা বাবার নেশার টাকা জোগাড় করতে অবশিষ্ট আর কিছুই ছিলনা তাদের হাতে।
মাদকের টাকার জন্য বাড়িতে ভাঙচুর ও বাবা-মাকে অত্যাচার ও নির্যাতন করা শুরু করে দেয় কাউসার।
মাদকের টাকার জন্য বাবার নামে থাকা দুই কাঠা জমি বিক্রি করে নেশার জন্য টাকা দিতে বলে ছেলে কাউসার বাগমার।
নিহতের বড় ভাই আশরাফুল বলেন, কাউসার সারা রাত নেশার ঘোরে বাড়ির বাইরে থাকতো ও মাদক সেবন করতো।
কোন ভাবেই মাদক থেকে ফেরানো যাচ্ছিল না তাকে। মাদকের জন্য সব সময় মা বাবার কাছ টাকা চাইত।
টাকা না দিলে বাড়িতে ভাঙচুর ও মা বাবাকে গালিগালাজ করতো। কাউসারের এমন পরিস্থিতিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে পুরো পরিবার। জমি বিক্রি করে নেশার টাকা না দিলে বাবা মাকে হত্যার হুমকি দেয় ছেলে।
এমন পরিস্হিতিতে বাবা রশিদ বাগমার সারা রাত কান্না করেন ছেলের মরণছোবল নেশার আসক্তের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে। ভোররাতে বাবার পাশের রুমে গভীর ঘুমে ছেলে কাউসার।
হঠাৎই বাবা রশিদ বাগমার বাড়িতে থাকা কুড়াল নিয়ে ছেলের রুমে ঢুকে কোপাতে শুরু করেন আদরের ধন ছেলে কাউসারকে।
বাবার এমন কোপানীতে ছেলে বলতে থাকে বাবা তুমি আমারে আর মাইরো না, আর কোপ দিওনা, আমি আর নেশার টাকা চাইমু না তোমগো কাছে!
ছেলের আর্তনাদের এমন চিৎকারে ছেলের উপর বাবার কুড়াল দিয়ে কোপানী থেমে যায় মুহূর্তে। রক্তাক্ত ছেলেকে আপন করে কোলে জড়িয়ে ধরে হাউ মাউ করে কান্না করতে থাকেন বাবা নামের মানুষটি।
কাঁদতে থাকেন আর বলতে থাকেন বাবা তুই আমার আদরের ধন, কলিজার মানিক।
ততক্ষণে ছেলের নিথর দেহটি বাবার কোলে ঘুমিয়ে পড়েছে চিরদিনের জন্য। আশপাশ থেকে ছুটে আসা মানুষজন ছেলে হত্যাকারী বাবাকে বলতে থাকেন, আপনি পালিয়ে যান,
পুলিশ আসবে আপনাকে ধরে নিয়ে যাবে, আপনার ফাঁসি হবে, কারোর কথাই শুনছেনা বাবা, বাবা বলছেন,
আমার বাবাডারে আমি অনেক ভালবাসি, আমার বাবাডারে ছাইড়া আমি কই যামু, আমার আর বাইচা থাইকা লাভ নাই!
ছেলের লাশের কাছে বসে বাবার এমন কান্নায় আশপাশের মানুষজনের চোখের পানি ছলছল করছে, মহিলারা আঁচল দিয়ে চোখ মুছছেন বারবার।
এমন সময় পুলিশ হাজির,, ছেলের মৃত্যু শোকে বাবা হাউমাউ করে বলতে লাগলেন আমি আমার পোলারে মাইরা ফালাইছি নেশার টাকা জোগাড় কইড়া দিতে না পারায়, আমারে জেল দেন ফাঁসি দেন, আমারে থানায় লইয়া যান!
ঘটনাস্হল থেকে রক্তমাখা কুড়ালটি জব্দ করে পুলিশ।
স্বইচ্ছায় পুলিশের সাথে রওনা দেওয়ার সময় বাবা, ছেলের শরীর জড়িয়ে ধরে আবারও হাউমাউ করে কান্না করতে করতে বলতে লাগলেন, বাবা তোমারে আমি মারতে চাই নাই !
তোমারে আমি কথা দিয়া গেলাম, সরকারের আদালতে গিয়া আমি কমু আমার বাবাডার হত্যাকান্ডের বিনিময়ে হলেও যেন দেশে নেশা মাদকের রাজ্য বন্ধ করে সরকার!
বাবা আমার খুব কষ্ট লাগতাছে, বাবা আমার বুকটা ছিড়া যাইতাছে তোমার লেইগা, তোমারে কই পামু আমি বাবা, তোমারে ছাড়া আমি জেলের মধ্যে কেমনে থাকমু একলা একলা?
পুলিশের গাড়িতে উঠতে উঠতে বাবার এমনসব কথা আর দুইচোখ ভরা কান্নায় কেঁদেছেন উপস্থিত সবাই!
টঙ্গী থেকে নূরুল ইসলাম,
সাংবাদিক দৈনিক জনকণ্ঠ,
সাবেক সভাপতি টঙ্গী প্রেসক্লাব, সাবেক
সেক্রেটারি গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন।
Click here to claim your Sponsored Listing.