Azim 24
23/01/2026
03/01/2026
নিঃসন্দেহে ঝিলবুনিয়া পীর সাহেব ছিলেন আল্লাহর একান্ত প্রিয়, একজন মহান আউলিয়া—যাঁর জীবনজুড়ে ছিল ঈমান, তাকওয়া ও গভীর খোদাভীতি।
আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর পথে মানুষকে ডাকার কাজে তিনি আজীবন ছিলেন অক্লান্ত, নিষ্ঠাবান ও দরদী।
তার কথা ও আমল অসংখ্য হৃদয়ে জ্বালিয়েছে ঈমানের দীপশিখা, দেখিয়েছে সঠিক পথের দিশা।
দ্বীনের খেদমতে তাঁর অবদান ছিল নিঃস্বার্থ, নিরলস এবং নিখাদ ইখলাসে ভরপুর।
দুনিয়ার লোভ-লালসা ত্যাগ করে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টিকেই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
মানুষের দুঃখ-কষ্টে তিনি ছিলেন আশ্রয়, সান্ত্বনা ও ভালোবাসার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা।
তার বিনয়, তাকওয়া ও পবিত্র চরিত্র আজও ভক্ত-অনুসারীদের হৃদয়ে অনুপ্রেরণা জাগায়।
সত্য ও ন্যায়ের পথে তিনি ছিলেন অবিচল—এক জীবন্ত আলোকবর্তিকা।
তার ইন্তেকালে উম্মাহ একজন প্রজ্ঞাবান রাহবার ও দরদী অভিভাবককে হারিয়েছে।
রব্বুল আলামিন যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—
03/01/2026
ইসলামে ইবাদত-বন্দেগি ও হালাল উপার্জন—উভয়ই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কোরআন ও হাদিসে মানুষের পার্থিব জীবন ও আখিরাতের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালেও শবে বরাত, রমজান, শবে কদর ও ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বিধান আগের নিয়মেই পালন করতে হবে।
পবিত্র কোরআনে নামাজ শেষে জীবিকা অন্বেষণের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, নামাজ শেষ হলে তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর। (সুরা জুমআ: ১০)
ইসলামে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, বছরে এক মাস রমজানে রোজা, সামর্থ্যবানদের জন্য হজ এবং জাকাত ফরজ করা হয়েছে। পাশাপাশি শবে কদর, শবে বরাত ও আশুরার দিনের মতো বিশেষ সময়ে নফল ইবাদতের ফজিলতও বর্ণিত হয়েছে।
আনন্দ উদযাপনের ক্ষেত্রেও ইসলাম নির্দিষ্ট সীমারেখা দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) জাহেলিয়াতের উৎসবের পরিবর্তে মুসলমানদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা নির্ধারণ করেন (আবু দাউদ: ১১৩৪)।
২০২৬ সালের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি দিবসগুলোর সম্ভাব্য তারিখ
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০২৬ সালে বিভিন্ন ধর্মীয় দিবসের সম্ভাব্য তারিখগুলো হলো—
শব-ই-মেরাজ: ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার দিবাগত রাত)
শব-ই-বরাত: ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার)
রমজান শুরু: ১৮ ফেব্রুয়ারি (সম্ভাব্য)
রমজান শেষ: ১৮ মার্চ (সম্ভাব্য)
জুমাতুল বিদা: ১৩ মার্চ (শুক্রবার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
শব-ই-কদর: ১৫ মার্চ (রোববার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
ঈদুল ফিতর: ১৯ অথবা ২০ মার্চ (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
ঈদুল আজহা: ১৬ মে (শনিবার, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
হজ: ১৪ মে থেকে শুরু হতে পারে (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)
আশুরা: ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার)
ঈদে মিলাদুন্নবী: ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার)
ইসলামি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতিটি মাসের শুরু চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এসব তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে। এখানে সরকারি ক্যালেন্ডার ও সম্ভাব্য হিসাবের ভিত্তিতে দিনগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
02/01/2026
ঝিলবুনিয়া পীর সাহেব হুজুর (রহ.)-এর নামাজে জানাযা পবিত্র মক্কা শরীফে আদায়ের শেষে।
জানাযা শেষে মরহুম হুজুরের মরদেহ বাংলাদেশে আনার প্রস্তুতিও চলেছে।
ইনশাআল্লাহ আগামী সোমবার তিনি বাংলাদেশে পৌঁছাবেন।
মরহুমের নামাজে জানাযা
🗓 ০৬/০১/২০২৬ (মঙ্গলবার)
⏰ সকাল ১১:০০ টা
📍 তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে—ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দিন। আমিন। 🤲
বৃহস্পতিবার মাগরিব থেকে জুমু'আর দিনের মাগরিবের আগ পর্যন্ত প্রতিটি সেকেন্ড নেকি ও সওয়াবের একেকটি ভান্ডার।
>পুরো সময়টাতে যত বেশি সম্ভব রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রতি দরুদ পাঠ করুন।
>সুরা কাহফ তিলাওয়াত করা।
>বেশি বেশি ইস্তেগফার করা।
>মজলুমদের জন্য দোয়া করা।
-اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّد(ﷺ)
"আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ"
31/12/2025
প্রকৃতির নীরব চিকিৎসা: কাক ও ‘অ্যান্টিং’ আচরণ
প্রকৃতি কখনো উচ্চস্বরে কথা বলে না, কিন্তু তার নীরব জ্ঞানে লুকিয়ে থাকে বিস্ময়কর সমাধান। মানুষের মতো প্রাণীরাও অসুস্থ হয়, দুর্বল হয়, আক্রান্ত হয় রোগ ও পরজীবীতে।
তবে ওষুধ, হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণ না নিয়েও অনেক প্রাণী প্রকৃতির মাঝেই খুঁজে নেয় তাদের আরোগ্যের পথ। কাকের ‘অ্যান্টিং’ আচরণ তার এক অনন্য উদাহরণ।
যখন কাক অসুস্থ বোধ করে, তখন সে অদ্ভুত কিন্তু কার্যকর একটি কাজ করে—পিঁপড়ার সন্ধান করে। কাক পিঁপড়ার বাসার কাছে গিয়ে বসে, ডানা মেলে দেয় এবং প্রায় নিশ্চল হয়ে থাকে। এই অবস্থায় সে ইচ্ছাকৃতভাবেই পিঁপড়াদের তার শরীরে উঠতে ও আক্রমণ করতে দেয়। বাইরে থেকে দেখলে এটি আত্মঘাতী বা অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি এক ধরনের স্ব-চিকিৎসা।
পিঁপড়ারা আক্রমণ করার সময় কাকের শরীরে ফর্মিক অ্যাসিড ছড়িয়ে দেয়। এই ফর্মিক অ্যাসিড একটি প্রাকৃতিক পরজীবী-নাশক হিসেবে কাজ করে। কাকের পালকে থাকা ক্ষতিকর পরজীবী, ছত্রাক ও কিছু ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে এই অ্যাসিড অত্যন্ত কার্যকর। ফলে কোনো কৃত্রিম ওষুধ ছাড়াই কাক ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। প্রকৃতি যেন নিজেই তার ফার্মেসি খুলে বসে।
এই আচরণকে বৈজ্ঞানিকভাবে বলা হয় “অ্যান্টিং” (Anting)। শুধু কাক নয়, আরও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির মধ্যেও এই আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। এটি প্রমাণ করে যে প্রাণীদের মধ্যেও অসুস্থতা সম্পর্কে এক ধরনের প্রাকৃতিক বোধ ও প্রতিকারের জ্ঞান বিদ্যমান। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শেখে না, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই জ্ঞান প্রবাহিত হয় সহজাত প্রবৃত্তির মাধ্যমে।
‘অ্যান্টিং’ আমাদের জন্যও এক গভীর শিক্ষা বহন করে। মানুষ আজ প্রযুক্তি ও ওষুধে ভর করে প্রকৃতি থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। অথচ প্রকৃতির মধ্যেই লুকিয়ে আছে অসংখ্য সমাধান, যা আমরা ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছি। কাকের এই নীরব চিকিৎসা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতিকে অবহেলা নয়, বরং বোঝার চেষ্টা করলেই তার জ্ঞান আমাদের উপকারে আসতে পারে।
প্রকৃতি তার নীরব ভাষায় আমাদের প্রতিদিনই বিস্মিত করে। প্রশ্ন শুধু একটাই—আমরা কি সেই বিস্ময় দেখার মতো চোখ এখনো খোলা রেখেছি?
শেয়ার করে সাভাবিক জীবনের গতিময় করার ধরণ জানুন
#জীবনেরকথা #
২ মামা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Bagerhat
9311